স্ট্রিম ডেস্ক

আনন্দের খবরেও উচ্ছ্বাসিত হতে পারছে না ইরান। কান চলচ্চিত্র উৎসবে জাফর পানাহি পরিচালিত চলচ্চিত্র পাম ডি’অর জয় ইরানে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্য ঘিরে তৈরি হয়েছে কূটনৈতিক টানাপোড়েন। ইরানের সাংস্কৃতিক মহল এই পুরস্কারকে পশ্চিমা রাজনৈতিক প্রকল্পের অংশ হিসেবে দেখছে, যা দেশের সিনেমা ও সংস্কৃতি নিয়ে নতুন বিতর্কের সূত্রপাত ঘটিয়েছে। ইরানের ফারসি পত্রপত্রিকা ঘেঁটে জানাচ্ছেন রাতুল আল আহমেদ
ইরানি চলচ্চিত্র পরিচালক জাফর পানাহির ২০২৫ সালের কান চলচ্চিত্র উৎসবে পাম ডি’অর জয় নিয়ে দেশটিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। পুরস্কার জয়ে ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-নোয়েল ব্যারোর এক্সে (সাবেক টুইটার) করা মন্তব্যকে ঘিরে ইরানজুড়ে তীব্র বিতর্ক এবং ক্ষোভের ঝড় বয়ে যাচ্ছে। দেশটির সাংস্কৃতিক মহল ও রাজনৈতিক পরিসরে এই ঘটনা কূটনৈতিক উত্তেজনার জন্ম দিয়েছে। যা চলচ্চিত্রকে ছাপিয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্কেও প্রভাব ফেলছে।
পুরস্কার এবং তার পেছনের ‘রাজনৈতিক অভিসন্ধি’
ইরানের সংস্কৃতি ও শিল্প বিভাগ এই পুরস্কারকে পুরোপুরি ‘পূর্বনির্ধারিত ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। তাঁদের মতে পশ্চিমা মঞ্চ, বিশেষ করে কান চলচ্চিত্র উৎসব একটি সুপরিকল্পিত প্রচারকৌশলের মাধ্যমে জাফর পানাহির মতো বিতর্কিত ব্যক্তিত্বদের বিশ্বদরবারে তুলে ধরছে। এর মাধ্যমে তাঁরা ইরানি শাসনব্যবস্থা ও জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন।
মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, জাফর পানাহির বক্তব্য, মঞ্চের প্রতিটি নাটকীয় মুহূর্ত, এসব যেন পূর্বনির্ধারিত রাজনৈতিক বিক্রির অংশ। ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর উক্তি—‘ইরানি শাসন ব্যবস্থার নিপীড়নের বিরুদ্ধে একটি প্রতিরোধের ইঙ্গিত’—কে ইরান একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছে।
তেহরান এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ফরাসি দূতাবাসের কর্মকর্তাকে তলব করেছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মোহাম্মদ তানহায়ি এই মন্তব্যকে ‘অপমানজনক, ভিত্তিহীন এবং ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ’ বলে নিন্দা করেছেন।
সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে জাফর পানাহি
জাফর পানাহির সিনেমা ‘ইট ওয়াজ জাস্ট অ্যান অ্যাকসিডেন্ট’ তাঁর কারাবন্দী জীবনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। ছবিটিতে পাঁচজন সাধারণ ইরানির গল্প উঠে এসেছে, যারা এমন এক ব্যক্তির মুখোমুখি হয়, যাকে তাঁরা কারাগারে তাঁদের নির্যাতনকারী হিসেবে চিনতে পারে। ইরান সরকারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, এই সিনেমা ইরানি সমাজের প্রকৃত চিত্রকে বিকৃত করে উপস্থাপন করছে। একইসঙ্গে, ইরানের সম্মানিত জনগণ ও মুসলিম সম্প্রদায়কে হেয় করে দেখানো হয়েছে।
ইরানি সংবাদ সংস্থা সিএনএন টিভি জাফর পানাহিকে ‘পশ্চিমা রাজনৈতিক প্রকল্পের অংশ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। সংস্থাটি তাদের ওয়েবসাইটে লিখেছে, ‘জাফর পানাহি এমনই এক দালাল যে তাঁর পণ্য বিক্রির জন্য আকাশ-পাতাল থেকে নিরাপত্তা বাহিনী টেনে এনে চতুরতার সঙ্গে সব তুলে ধরেন।’
সদা ও সিমা (ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা) জানিয়েছে, এই পুরস্কার ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে’ এবং সমালোচনায় জানিয়েছে জাফর পানাহি এবং উৎসবে উপস্থিত অন্যান্য ব্যক্তিত্ব ফিলিস্তিনের নিপীড়িত মানুষের পক্ষে কোনো সমর্থন জানায়নি।
কূটনৈতিক টানাপোড়েন
জাফর পানাহির জয়কে কেন্দ্র করে ইরান-ফ্রান্স কূটনৈতিক সম্পর্কের উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচী ফ্রান্সের নৈতিক অবস্থানকে তীব্রভাবে আক্রমণ করে বলেছেন, ‘ফ্রান্সের তথাকথিত “মানবাধিকার” নিয়ে অবস্থান হাস্যকর। আমাদের উপদেশ দেওয়ার কোনো নৈতিক অধিকার ফ্রান্সের নেই।’
ফরাসি দূত জানিয়েছেন, তিনি তেহরানের বার্তা প্যারিসে পৌঁছে দেবেন। তবে এই উত্তেজনার মধ্যে কান চলচ্চিত্র উৎসবে জাফর পানাহির পুরস্কার এবং ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের আরও অবনতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সমাজের ভেতরকার প্রতিক্রিয়া
এই পরিস্থিতিতে ইরানের সমাজও বিভক্ত। দেশটির বিশিষ্ট সাংবাদিক আহমদ জেইদআবাদি টেলিগ্রামে লিখেছেন, ‘জাফর পানাহির পুরস্কার প্রাপ্তি নিয়ে আনন্দ হওয়া উচিত, কিন্তু আমাদের সমাজে রাজনৈতিক বিরোধ এমনভাবে ছায়া ফেলেছে যে কোনো শিল্পীকে শুধুমাত্র তাঁর কাজের ভিত্তিতে বিচার করা কঠিন হয়ে পড়েছে।’
তিনি সতর্ক করে বলেছেন, এই ধরনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি শিল্পীর জন্য যেমন সুযোগ তৈরি করে, তেমনি সীমাবদ্ধতাও আরোপ করে, এবং এর সাথে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ার ভারও বহন করতে হয়।

আনন্দের খবরেও উচ্ছ্বাসিত হতে পারছে না ইরান। কান চলচ্চিত্র উৎসবে জাফর পানাহি পরিচালিত চলচ্চিত্র পাম ডি’অর জয় ইরানে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্য ঘিরে তৈরি হয়েছে কূটনৈতিক টানাপোড়েন। ইরানের সাংস্কৃতিক মহল এই পুরস্কারকে পশ্চিমা রাজনৈতিক প্রকল্পের অংশ হিসেবে দেখছে, যা দেশের সিনেমা ও সংস্কৃতি নিয়ে নতুন বিতর্কের সূত্রপাত ঘটিয়েছে। ইরানের ফারসি পত্রপত্রিকা ঘেঁটে জানাচ্ছেন রাতুল আল আহমেদ
ইরানি চলচ্চিত্র পরিচালক জাফর পানাহির ২০২৫ সালের কান চলচ্চিত্র উৎসবে পাম ডি’অর জয় নিয়ে দেশটিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। পুরস্কার জয়ে ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-নোয়েল ব্যারোর এক্সে (সাবেক টুইটার) করা মন্তব্যকে ঘিরে ইরানজুড়ে তীব্র বিতর্ক এবং ক্ষোভের ঝড় বয়ে যাচ্ছে। দেশটির সাংস্কৃতিক মহল ও রাজনৈতিক পরিসরে এই ঘটনা কূটনৈতিক উত্তেজনার জন্ম দিয়েছে। যা চলচ্চিত্রকে ছাপিয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্কেও প্রভাব ফেলছে।
পুরস্কার এবং তার পেছনের ‘রাজনৈতিক অভিসন্ধি’
ইরানের সংস্কৃতি ও শিল্প বিভাগ এই পুরস্কারকে পুরোপুরি ‘পূর্বনির্ধারিত ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। তাঁদের মতে পশ্চিমা মঞ্চ, বিশেষ করে কান চলচ্চিত্র উৎসব একটি সুপরিকল্পিত প্রচারকৌশলের মাধ্যমে জাফর পানাহির মতো বিতর্কিত ব্যক্তিত্বদের বিশ্বদরবারে তুলে ধরছে। এর মাধ্যমে তাঁরা ইরানি শাসনব্যবস্থা ও জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন।
মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, জাফর পানাহির বক্তব্য, মঞ্চের প্রতিটি নাটকীয় মুহূর্ত, এসব যেন পূর্বনির্ধারিত রাজনৈতিক বিক্রির অংশ। ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর উক্তি—‘ইরানি শাসন ব্যবস্থার নিপীড়নের বিরুদ্ধে একটি প্রতিরোধের ইঙ্গিত’—কে ইরান একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছে।
তেহরান এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ফরাসি দূতাবাসের কর্মকর্তাকে তলব করেছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মোহাম্মদ তানহায়ি এই মন্তব্যকে ‘অপমানজনক, ভিত্তিহীন এবং ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ’ বলে নিন্দা করেছেন।
সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে জাফর পানাহি
জাফর পানাহির সিনেমা ‘ইট ওয়াজ জাস্ট অ্যান অ্যাকসিডেন্ট’ তাঁর কারাবন্দী জীবনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। ছবিটিতে পাঁচজন সাধারণ ইরানির গল্প উঠে এসেছে, যারা এমন এক ব্যক্তির মুখোমুখি হয়, যাকে তাঁরা কারাগারে তাঁদের নির্যাতনকারী হিসেবে চিনতে পারে। ইরান সরকারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, এই সিনেমা ইরানি সমাজের প্রকৃত চিত্রকে বিকৃত করে উপস্থাপন করছে। একইসঙ্গে, ইরানের সম্মানিত জনগণ ও মুসলিম সম্প্রদায়কে হেয় করে দেখানো হয়েছে।
ইরানি সংবাদ সংস্থা সিএনএন টিভি জাফর পানাহিকে ‘পশ্চিমা রাজনৈতিক প্রকল্পের অংশ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। সংস্থাটি তাদের ওয়েবসাইটে লিখেছে, ‘জাফর পানাহি এমনই এক দালাল যে তাঁর পণ্য বিক্রির জন্য আকাশ-পাতাল থেকে নিরাপত্তা বাহিনী টেনে এনে চতুরতার সঙ্গে সব তুলে ধরেন।’
সদা ও সিমা (ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা) জানিয়েছে, এই পুরস্কার ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে’ এবং সমালোচনায় জানিয়েছে জাফর পানাহি এবং উৎসবে উপস্থিত অন্যান্য ব্যক্তিত্ব ফিলিস্তিনের নিপীড়িত মানুষের পক্ষে কোনো সমর্থন জানায়নি।
কূটনৈতিক টানাপোড়েন
জাফর পানাহির জয়কে কেন্দ্র করে ইরান-ফ্রান্স কূটনৈতিক সম্পর্কের উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচী ফ্রান্সের নৈতিক অবস্থানকে তীব্রভাবে আক্রমণ করে বলেছেন, ‘ফ্রান্সের তথাকথিত “মানবাধিকার” নিয়ে অবস্থান হাস্যকর। আমাদের উপদেশ দেওয়ার কোনো নৈতিক অধিকার ফ্রান্সের নেই।’
ফরাসি দূত জানিয়েছেন, তিনি তেহরানের বার্তা প্যারিসে পৌঁছে দেবেন। তবে এই উত্তেজনার মধ্যে কান চলচ্চিত্র উৎসবে জাফর পানাহির পুরস্কার এবং ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের আরও অবনতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সমাজের ভেতরকার প্রতিক্রিয়া
এই পরিস্থিতিতে ইরানের সমাজও বিভক্ত। দেশটির বিশিষ্ট সাংবাদিক আহমদ জেইদআবাদি টেলিগ্রামে লিখেছেন, ‘জাফর পানাহির পুরস্কার প্রাপ্তি নিয়ে আনন্দ হওয়া উচিত, কিন্তু আমাদের সমাজে রাজনৈতিক বিরোধ এমনভাবে ছায়া ফেলেছে যে কোনো শিল্পীকে শুধুমাত্র তাঁর কাজের ভিত্তিতে বিচার করা কঠিন হয়ে পড়েছে।’
তিনি সতর্ক করে বলেছেন, এই ধরনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি শিল্পীর জন্য যেমন সুযোগ তৈরি করে, তেমনি সীমাবদ্ধতাও আরোপ করে, এবং এর সাথে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ার ভারও বহন করতে হয়।
.png)

বিশ্বরাজনীতির পুরোনো ছক যেন দ্রুত ভেঙে পড়ছে, তৈরি হচ্ছে নতুন সমীকরণ। যুক্তরাষ্ট্র-চীন প্রতিদ্বন্দ্বিতা, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত, বাণিজ্য ও প্রযুক্তি নিয়ে বৃহৎ শক্তিগুলোর টানাপোড়েন সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় বাড়ছে অনিশ্চয়তা, প্রতিযোগিতা ও নতুন মেরুকরণ।
৭ ঘণ্টা আগে
আধুনিক বিশ্বে শরণার্থী সংকট সামলানোর একটি নতুন পদ্ধতি তৈরি হয়েছে। ধনী ও শক্তিশালী দেশগুলো নিজের দেশে শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার বদলে অন্য দেশকে অর্থ দিয়ে তাদের সেখানে রাখতে চাইছে। ফলে শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়া শুধু মানবিক দায়িত্বের বিষয় থাকছে না, এর সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে অর্থনীতি, রাজনীতি, নিরাপত্তা ও কূটনীত
১ দিন আগে
ভারতে ছাত্রদের সাম্প্রতিক বিক্ষোভ আপাতত থেমেছে। শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। দিল্লির যন্তর মন্তর পরিষ্কার করা হয়েছে। দেয়ালের গ্রাফিতি মুছে ফেলা হয়েছে। ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ও যেন আপাতত নিজেদের পর্ব শেষ করেছে। অন্যদিকে বিজেপি আবার সংসদে নিজেদের বিল পাস করানোর কাজে ফিরেছে।
১২ আগস্ট ২০২৬
চতুর্থবারের মতো ব্রিকসের সভাপতিত্ব করছে ভারত। আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন। এবার সম্মেলনের পাশাপাশি আয়োজিত আউটরিচ সেশনগুলোও বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
১২ আগস্ট ২০২৬