গত ৪৮ ঘণ্টা বিশ্বকে আগুনের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছিল।
একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল এবং একটি চূড়ান্ত আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছিল। বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করা হবে, অবকাঠামো ভেঙে ফেলা হবে, এবং একটি দেশকে আরও গভীর যুদ্ধে ঠেলে দেওয়া হবে—এমন ঘোষণা ছিল স্পষ্ট। ভাষা ছিল একেবারে চূড়ান্ত, হুমকি ছিল নাটকীয়, এবং বার্তাটি ছিল পরিষ্কার: মেনে নাও, নইলে ধ্বংস হও।
তারপর হঠাৎ করেই সবকিছু থেমে গেল। কোনো হামলা হয়নি, কোনো নির্ণায়ক উত্তেজনা বৃদ্ধি ঘটেনি, এবং যে হুমকি এত জোরে দেওয়া হয়েছিল তা বাস্তবায়িত হয়নি। কারণ এবার সেই ব্লাফ ধরা পড়ে গেছে।
ইরান ভীত হয়নি। তারা সময় চায়নি বা আপসের জন্য তড়িঘড়ি করেনি। তারা প্রতিরোধ দেখিয়েছে এবং আরও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে। কোনো হামলা সীমিত পর্যায়ে থাকবে না, তা কোনো নিখুঁত বা নিয়ন্ত্রিত আকারে থাকবে না, বরং পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়বে।
উপসাগরীয় অঞ্চল রক্ষা পাবে না। জ্বালানি সরবরাহের পথ নিরাপদ থাকবে না। যুদ্ধ স্থানীয় পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং এটি একটি বিস্তৃত ও পদ্ধতিগত সংঘাতে পরিণত হবে।
এই বাস্তবতার মুখোমুখি হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগে পিছু হটেন। তবে তিনি যে কারণ দেখাতে চান, তা আসল কারণ নয়।
তিনি পিছু হটেননি উপসাগরীয় সমাজগুলোর প্রতি উদ্বেগ থেকে, যারা ইতোমধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হয়েছে। তিনি পিছু হটেননি আঞ্চলিক অর্থনীতিতে ইতোমধ্যে হওয়া শত শত বিলিয়ন ডলারের ক্ষতির কারণে। তিনি পিছু হটেননি নৈতিক দ্বিধা থেকে, যেখানে একটি যুদ্ধ অসংখ্য প্রাণ কেড়ে নিয়ে পুরো অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করেছে।
ট্রাম্প পিছু হটেছেন একমাত্র একটি কারণে, সেটি হলো বাজার।
মনস্তাত্ত্বিক কৌশল
এই যুদ্ধের শুরু থেকেই একটি গোপন ছন্দ কাজ করছে। বাজার বন্ধ হওয়ার সময় উত্তেজনা বাড়ানো হয়, এবং বাজার খোলার আগে তা কমানো হয়। রোববার হুমকি দেওয়া হয়, আর সোমবার সকালে তা নরম করে উপস্থাপন করা হয়।
ইরানি পর্যবেক্ষকরা বিষয়টি শুরুতেই বুঝতে পেরেছিলেন। তারা একে যেভাবে দেখেছেন, সেটি হলো অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর দাঁড়ানো একটি মনস্তাত্ত্বিক কৌশল।
প্রতিটি কঠোর বক্তব্য যুদ্ধক্ষেত্রের প্রয়োজন অনুযায়ী নয়, বরং লেনদেনের সময়সূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি পিছু হটা কূটনীতির কারণে নয়, বরং বাজারের অস্থিরতা বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
এই প্যাটার্ন থেকেই মূল সত্যটি স্পষ্ট হয়। ট্রাম্পের কাছে এই যুদ্ধের মূল্যায়ন মানুষের জীবনের ভিত্তিতে নয়, বরং মূল্যসূচকের ভিত্তিতে করা হয়। তেল, বাজার এবং জনমত—এই তিনটি উপাদানই তার সিদ্ধান্তের কেন্দ্রবিন্দু।
প্রমাণগুলো কোনো বিমূর্ত বিষয় নয়, বরং অত্যন্ত স্পষ্ট ও বাস্তব। তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে উপসাগরীয় সমাজ হামলার মধ্যে রয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্র গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে আঘাত হেনেছে। অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বিভিন্ন খাত শত শত বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি বহন করেছে।
সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল—স্পষ্ট, সরাসরি এবং জরুরি। ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা চালালে তার প্রতিশোধ নিজেদের ওপরই ফিরে আসবে—এমন সতর্কতা উপসাগরীয় কর্মকর্তারা দিয়েছিলেন।
কিন্তু সেই সতর্কতা উপেক্ষা করা হয়েছিল। হামলা চালানো হয়েছে, এবং তার পরিণতিও দেখা গেছে।
তবুও ওয়াশিংটনে কোনো পরিবর্তন আসেনি। কোনো নীতি পুনর্বিবেচনা হয়নি, কোনো সংযম দেখা যায়নি এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে হঠাৎ কোনো উদ্বেগও প্রকাশ পায়নি।
কিন্তু যখন হুমকি ঘুরে ভেতরের দিকে এলো, এবং বাজার অস্থিরতার আশঙ্কা তৈরি হলো—তেলের দামের ধাক্কা এবং আর্থিক অস্থিরতার সম্ভাবনা সামনে এলো, তখন হঠাৎ দ্বিধা দেখা দিল। তখন বিরতি নেওয়া হলো এবং বিলম্বের কথা বলা হলো।
উপসাগর যখন জ্বলছিল, তখন ট্রাম্প পিছু হটেননি। বাজার যখন কেঁপে উঠল, তখনই তিনি পিছু হটলেন। তার হিসাব অনুযায়ী, পুরো সমাজের মূল্য এক ব্যারেল তেলের চেয়েও কম।
বয়ান নিয়ন্ত্রণ
এই কারণেই সর্বশেষ বার্তাটি গুরুত্বপূর্ণ, তবে এটি যা দাবি করে তার জন্য নয়, বরং যা প্রকাশ করে তার জন্য।
বাস্তবে কোনো আলোচনা নেই। কিছু মধ্যস্থতাকারী আছে, যারা ব্যস্ত, চাপের মধ্যে রয়েছে, এবং নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া একটি যুদ্ধকে সামাল দিতে মরিয়া। মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান হচ্ছে, যেখানে সংকেত, প্রস্তাব এবং সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেওয়া হচ্ছে।
কিন্তু কোনো চুক্তি নেই। ডোনাল্ড ট্রাম্পের আসন্ন চুক্তির দাবি কূটনীতি নয়। এটি বয়ান নিয়ন্ত্রণের একটি কৌশল, যার মাধ্যমে পিছু হটাকে কৌশল হিসেবে এবং দ্বিধাকে রাষ্ট্রনায়কোচিত আচরণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।
এর গুরুত্ব আরও সরল এবং অনেক বেশি তাৎপর্যপূর্ণ—ট্রাম্প পিছু হটেছেন।
তবুও এটি সমাপ্তি নয়। কারণ এই যুদ্ধে একটি বিষয় স্থির রয়েছে, আর সেটি হলো প্রতারণা।
বর্তমানে যা দেখা যাচ্ছে, তা সম্ভবত একটি কৌশলগত পদক্ষেপ। এটি শান্তির জন্য বিরতি নয়, বরং সময় নেওয়ার একটি উপায়। বাজারকে শান্ত করার জন্য সময় নেওয়া হচ্ছে। সামরিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করার জন্য সময় নেওয়া হচ্ছে। প্রতিপক্ষের মনে একটি ভ্রান্ত ধারণা তৈরি করার জন্য সময় নেওয়া হচ্ছে।
এটি নতুন কিছু নয়, পুনরাবৃত্তি মাত্র। বাস্তবে, এটি তৃতীয়বার যে ট্রাম্প একই কৌশল প্রয়োগ করছেন।
প্রথমবার এটি ঘটেছিল গত জুনে ১২ দিনের যুদ্ধের আগে। দ্বিতীয়বার এটি দেখা গিয়েছিল সর্বশেষ উত্তেজনা বৃদ্ধির আগে হওয়া আলোচনার সময়। এবং এখন আবার একই চিত্র পুনরাবৃত্ত হচ্ছে, একই অভিনয় পুনরায় উপস্থাপিত হচ্ছে, একই প্রতারণা কূটনীতির আড়ালে তুলে ধরা হচ্ছে।
এবার এই ভুল কাজ করছে না। ইরানের গণমাধ্যমে, সরকারি বিবৃতিতে, এবং তাদের সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভাষায় এই নতুন কৌশলের প্রতি কোনো আস্থা দেখা যাচ্ছে না।
কোনো বিশ্বাস বা দ্বিধার লক্ষণ নেই। ইরান এটি গ্রহণ করছে না।
যুদ্ধের যন্ত্রপাতি
ইরান মনে হয় এই প্রশাসনের প্রকৃতি বুঝতে পেরেছে। এটি এক ধরনের শক্তির মিশ্রণ, যেখানে অহংকার, লোভ এবং প্রতারণা একসঙ্গে কাজ করছে।
এটাই ট্রাম্পের জন্য প্রকৃত সমস্যা। তিনি একই কৌশল বারবার ব্যবহার করে সফল হওয়ার আশা করতে পারেন না। আরব প্রবাদ অনুযায়ী, একজন বিশ্বাসী একই গর্ত থেকে দুইবার দংশিত হয় না।
সব লক্ষণ বিপরীত দিকেই ইঙ্গিত করছে। সপ্তাহান্ত পর্যন্ত সময়ক্ষেপণ বাজারকে তাৎক্ষণিক ধাক্কা থেকে রক্ষা করে, অথচ একই সময়ে চলমান সামরিক প্রস্তুতি সংযমের প্রতিটি দাবিকে অস্বীকার করে। ইতোমধ্যে হাজার হাজার সেনা পুরো অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে।
এখানে বিমানবাহী রণতরী বাহিনী, বিশেষ অভিযাত্রী ইউনিট, আকাশ শক্তি, র্যাপিড একশন বাহিনী উচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে, এবং প্যারাট্রুপার ইউনিট প্রস্তুত করা হয়েছে।
যুদ্ধের মেশিন থেমে নেই। এটি আরও বিস্তৃত হচ্ছে। এমন সব সামরিক পরিকল্পনা প্রস্তুত করা হচ্ছে, যা কেবল বক্তব্যের সীমা ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে রয়েছে হরমুজ প্রণালী নিয়ন্ত্রণে নেওয়া, উপকূলীয় অবকাঠামোতে হামলা চালানো, এবং গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনাগুলো দখল করা।
এদিকে বিরতি এবং বিলম্বের ভাষা ব্যবহার করা হলেও বাস্তব পরিস্থিতি ভিন্ন চিত্র তুলে ধরছে।
ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলা অব্যাহত রয়েছে। ইসফাহান এবং খোররামশাহর অঞ্চলের স্থাপনাগুলোতে হামলার খবর পাওয়া গেছে, যা প্রমাণ করে যে সংযমের দাবি সত্ত্বেও পরিকল্পনা বাস্তবায়ন অব্যাহত রয়েছে।
এসব কর্মকাণ্ড উত্তেজনা হ্রাসের জন্য নয়, বলা যায় প্রস্তুতি গ্রহণের একটি ধাপ। এর পেছনে এমন একটি জোট রয়েছে, যার শান্তিতে কোনো আগ্রহ নেই।
ইসরায়েল এই যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করতে আগ্রহী। ওয়াশিংটনে তাদের রাজনৈতিক মিত্ররা, যেমন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম, ধারাবাহিকভাবে উত্তেজনা বৃদ্ধির পক্ষে চাপ দিচ্ছেন। প্রভাবশালী বিভিন্ন নেটওয়ার্ক এই সংঘাতকে ঝুঁকি হিসেবে দেখার বদলে একটি সুযোগ হিসেবে দেখছে এবং ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করছে। কারণ তাদের কাছে এই যুদ্ধ কোনো নিয়ন্ত্রণযোগ্য বিপদ নয়, বরং একটি সম্পন্ন করার মতো প্রকল্প।
বিপজ্জনক মুহূর্ত
ইরান তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে। ওয়াশিংটন থেকে আসা সংকেতের ওপর তারা আস্থা রাখছে না। আসন্ন কোনো চুক্তির বর্ণনাকেও তারা গ্রহণ করছে না।
আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ইরান এমন একটি কৌশলগত শক্তি আবিষ্কার করেছে, যা আগে পুরোপুরি ব্যবহার করা হয়নি। সেটি হলো হরমুজ প্রণালি।
একে কেবল তাত্ত্বিক হুমকি হিসেবে দেখলে ভুল হবে। তার বদলে একটি কেন্দ্রীয়, নির্ধারক এবং এড়িয়ে যাওয়া অসম্ভব কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে ভাবতে হবে। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়, যা ইচ্ছামতো পুরো বৈশ্বিক অর্থনীতিকে নাড়িয়ে দিতে সক্ষম।
এখানেই একটি গভীর পরিবর্তন স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ইরান বুঝতে পেরেছে যে হরমুজ প্রণালি তাদের সম্ভাব্য যেকোনো পারমাণবিক অস্ত্রের চেয়েও বেশি শক্তিশালী। কারণ একটি বোমা ধ্বংসের হুমকি দেয়, কিন্তু হরমুজ পুরো ব্যবস্থাকেই হুমকির মুখে ফেলে।
আগে যেখানে আলোচনা পারমাণবিক সীমাবদ্ধতা এবং নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার বিষয়কে ঘিরে ছিল, এখন তা আরও তাৎক্ষণিক একটি বিষয়ের দিকে কেন্দ্রীভূত হয়েছে। সেটি হলো বৈশ্বিক জ্বালানি প্রবাহ।
ইরান তাদের অবস্থান স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে। সব ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ চলবে। সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ চলবে। যুক্তরাষ্ট্র ভবিষ্যতে ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে না, এমন নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ চলবে। এই শর্তগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত চাপ অব্যাহত থাকবে।
এখানেই তেল আবিব এবং ওয়াশিংটনের জন্য একটি অস্বস্তিকর সত্য প্রকাশ পায়। যে যুদ্ধ ইরানকে দুর্বল করার উদ্দেশ্যে শুরু হয়েছিল, তা গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলোতে উল্টো ইরানকে শক্তিশালী করেছে।
ইরানকে বিচ্ছিন্ন করার যে প্রচেষ্টা ছিল, তা বরং তাদের আরও সহনশীল এবং অর্থনৈতিকভাবে নমনীয় করে তুলেছে। নিষেধাজ্ঞাগুলো কঠোর হয়নি, বরং দুর্বল হয়ে পড়েছে। তেল উৎপাদন বেড়েছে। তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন অর্থপ্রদানের পথ তৈরি হয়েছে, যা প্রচলিত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে পাশ কাটিয়ে যাচ্ছে।
যুদ্ধ যত দীর্ঘায়িত হচ্ছে, পূর্বের অবস্থায় ফিরে যেতে ইরানের আগ্রহ তত কমে যাচ্ছে।
তাই বর্তমানে যা দেখা যাচ্ছে, তা কোনো সমাধান নয়। এটা এমন একধরনের বিরতি যা আসলে ভঙ্গুর, কৌশলের খেলা আর বিভ্রান্তিকর। এই বিরতিকালে এক পক্ষ নিজেদের কৌশল পুনর্বিন্যাস করছে। অন্য পক্ষ নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করছে। আসলে সবাই পরবর্তী সম্ভাব্য পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।
ট্রাম্প পিছু হটেছেন। কিন্তু পিছু হটা মানেই আত্মসমর্পণ নয়। পাঁচ দিনের সময়সীমা শান্তির পর্ব নয়—দুটি উত্তেজনার মধ্যবর্তী একটি বিরতি। যদি পূর্বের ধারা অব্যাহত থাকে, তাহলে পরবর্তী পদক্ষেপ কূটনীতি হবে না। বরং তা আরও ব্যয়বহুল কিছুতে পরিণত হবে, যার প্রভাব পড়বে অঞ্চল, বাজার এবং সমগ্র বিশ্বের ওপর।
- সুমাইয়া ঘানুশি: ব্রিটিশ-তিউনিসীয় লেখক ও সাংবাদিক; মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ। তাঁর লেখা মিডল ইস্ট আই থেকে অনুবাদ করেছেন মাহবুবুল আলম তারেক