এই পদ্ধতি মূলত ‘বাষ্পীভবন’ বা ‘ইভাপোরেটিভ কুলিংয়ের’ নীতিতে কাজ করে। আমাদের শরীর থেকে ঘাম বের হলে যেমন ঠান্ডা লাগে, এটিও ঠিক সেই একই নিয়মে কাজ করে।
স্ট্রিম ডেস্ক

গরমকালে দিনে যেমন হাঁসফাঁস লাগে, রাতে বিছানায় গেলেও যেন স্বস্তি মেলে না। লোডশেডিং থাকলে ঘুমানো আরও কঠিন হয়ে পড়ে। এমন অস্বস্তি থেকে বাঁচতে নানা কৌশল ব্যবহার করেন মানুষ। এর মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনায় এসেছে ‘ইজিপশিয়ান স্লিপ মেথড’।
এই পদ্ধতিতে রাতে ঘুমানোর সময় চাদর বা তোয়ালে ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে ভালোভাবে নিংড়ে গায়ে দেওয়া হয়। কাপড়ের পানি বাষ্পীভূত হওয়ার সময় শরীর থেকে তাপ শোষণ করে, ফলে কিছুটা ঠান্ডা অনুভূত হতে পারে। তবে পদ্ধতিটি সত্যিই কতটা কার্যকর এবং নিরাপদ, তা নিয়ে ঘুম বিশেষজ্ঞদের কিছু সতর্কতাও রয়েছে।
এই পদ্ধতি মূলত ‘বাষ্পীভবন’ বা ‘ইভাপোরেটিভ কুলিংয়ের’ নীতিতে কাজ করে। আমাদের শরীর থেকে ঘাম বের হলে যেমন ঠান্ডা লাগে, এটিও ঠিক সেই একই নিয়মে কাজ করে।
মেনলো পার্ক সাইকিয়াট্রি অ্যান্ড স্লিপ মেডিসিনের প্রতিষ্ঠাতা ড. অ্যালেক্স দিমিত্রিউ এ বিষয়ে বলেন, ‘ইজিপশিয়ান স্লিপ মেথডে একটি স্যাঁতসেঁতে চাদর গায়ে দিয়ে ঘুমাতে হয়। চাদরের পানি যখন বাতাসে শুকায়, তখন শরীর ঠান্ডা হতে শুরু করে।’ পানি বাষ্পে পরিণত হওয়ার সময় আশপাশ থেকে তাপ শোষণ করে। ফলে শরীর কিছুটা ঠান্ডা অনুভূত হয়।
তবে ড. দিমিত্রিউয়ের মতে, ভেজা চাদরে ঘুমানো সবার জন্য আরামদায়ক নাও হতে পারে। খুব গরমের রাতে অন্য কোনো উপায় না থাকলে এটি চেষ্টা করা যেতে পারে। তবে চাদরটি যেন একেবারে পানিতে চুপচুপে ভেজা না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখা জরুরি।
শরীরের তাপমাত্রা কমে যাওয়ার সঙ্গে ঘুমের সম্পর্ক রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুমানোর সময় আমাদের শরীরের তাপমাত্রা এমনিতেই কিছুটা কমে যায়। তাই সাধারণত ঠান্ডা পরিবেশে ঘুম তুলনামূলক গভীর হয়। শরীরের প্রাকৃতিক ঘড়ি বা ‘সার্কাডিয়ান রিদম’ অনুযায়ী, সন্ধ্যার পর থেকেই শরীরের তাপমাত্রা কমতে শুরু করে। এটি আমাদের মস্তিষ্ককে বার্তা দেয় যে এখন ঘুমানোর সময়।
কিন্তু রাতে অতিরিক্ত গরম থাকলে এই স্বাভাবিক প্রক্রিয়াটি বাধাগ্রস্ত হয়। ফলে সহজে ঘুম আসতে চায় না। গবেষণায় দেখা গেছে, ঠান্ডা পরিবেশে ঘুমালে দ্রুত ঘুম আসে। এতে গভীর ঘুমের স্থায়িত্বও বাড়ে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, রাতে শরীরের তাপমাত্রা যত কমবে, ঘুম তত গভীর হবে। এই কারণেই সন্ধ্যার দিকে গোসল করলে কিংবা শোবার ঘর ঠান্ডা রাখলে শরীরের তাপমাত্রা কমে। এতে ঘুমও ভালো হয়।
বিশেষজ্ঞরা অবশ্য কয়েকটি বিষয়ে সতর্ক করেছেন। সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য এই পদ্ধতি সাধারণত নিরাপদ হলেও ঘরে ভালো বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা থাকা জরুরি। কারণ অতিরিক্ত আর্দ্রতা ঘরে ছত্রাক বা ব্যাকটেরিয়া বেড়ে যাওয়ার পরিবেশ তৈরি করতে পারে। যাঁদের ত্বকে অ্যালার্জি বা একজিমা আছে, তাঁদের ক্ষেত্রে দীর্ঘক্ষণ ভেজা কাপড়ের সংস্পর্শে থাকলে ত্বকের সমস্যা আরও বাড়তে পারে।
ইজিপশিয়ান স্লিপ মেথড মূলত শুষ্ক ও গরম আবহাওয়ায় বেশি কার্যকর। কারণ সেখানে চাদরের পানি দ্রুত বাষ্প হয়ে শরীরকে ঠান্ডা করতে পারে। কিন্তু ভ্যাপসা গরমে বাতাসে এমনিতেই জলীয়বাষ্প বেশি থাকে। ফলে চাদরের পানি সহজে শুকাতে চায় না। এতে শরীর ঠান্ডা হওয়ার বদলে উল্টো ভেজা ও অস্বস্তিকর লাগতে পারে।
তাই এসি না থাকলে শুষ্ক গরমের রাতে এই পদ্ধতি কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে। তবে আর্দ্র আবহাওয়ায় ফ্যানের সাহায্যে বাতাস চলাচল বাড়ানো, হালকা ও শুকনো বিছানাপত্র ব্যবহার করা এবং ঘর যতটা সম্ভব ঠান্ডা রাখা বেশি কার্যকর হতে পারে।
বিছানার চাদর সামান্য ভেজা রাখুন। ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে নেওয়ার পর তা খুব ভালো করে চিপে নিন। অর্থাৎ চাদরটি ভেজা থাকবে কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে যেন পানি চুইয়ে না পড়ে। তোশকের ওপর একটি ওয়াটারপ্রুফ প্রটেক্টর বা শুকনো তোয়ালে বিছিয়ে দিন। এতে তোশক নষ্ট হবে না।
কৃত্রিম বা সিনথেটিক কাপড় বাদ দিয়ে পাতলা সুতি বা লিনেন কাপড় ব্যবহার করুন। রাতে যতটা সম্ভব হালকা পোশাক পরুন। ঘরের জানালা খোলা রাখুন কিংবা ফ্যান চালু রাখুন। ফ্যানের বাতাস চাদরের পানি দ্রুত শুকাতে সাহায্য করবে। এতে শরীর দ্রুত ঠান্ডা হবে। যদি এই পদ্ধতি ব্যবহারের পর ত্বকে চুলকানি বা লালচে ভাব দেখা দেয়, তবে এই পদ্ধতিতে আর ঘুমানোই ভালো।
• ভেরি ওয়েল মাইন্ড অবলম্বনে

গরমকালে দিনে যেমন হাঁসফাঁস লাগে, রাতে বিছানায় গেলেও যেন স্বস্তি মেলে না। লোডশেডিং থাকলে ঘুমানো আরও কঠিন হয়ে পড়ে। এমন অস্বস্তি থেকে বাঁচতে নানা কৌশল ব্যবহার করেন মানুষ। এর মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনায় এসেছে ‘ইজিপশিয়ান স্লিপ মেথড’।
এই পদ্ধতিতে রাতে ঘুমানোর সময় চাদর বা তোয়ালে ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে ভালোভাবে নিংড়ে গায়ে দেওয়া হয়। কাপড়ের পানি বাষ্পীভূত হওয়ার সময় শরীর থেকে তাপ শোষণ করে, ফলে কিছুটা ঠান্ডা অনুভূত হতে পারে। তবে পদ্ধতিটি সত্যিই কতটা কার্যকর এবং নিরাপদ, তা নিয়ে ঘুম বিশেষজ্ঞদের কিছু সতর্কতাও রয়েছে।
এই পদ্ধতি মূলত ‘বাষ্পীভবন’ বা ‘ইভাপোরেটিভ কুলিংয়ের’ নীতিতে কাজ করে। আমাদের শরীর থেকে ঘাম বের হলে যেমন ঠান্ডা লাগে, এটিও ঠিক সেই একই নিয়মে কাজ করে।
মেনলো পার্ক সাইকিয়াট্রি অ্যান্ড স্লিপ মেডিসিনের প্রতিষ্ঠাতা ড. অ্যালেক্স দিমিত্রিউ এ বিষয়ে বলেন, ‘ইজিপশিয়ান স্লিপ মেথডে একটি স্যাঁতসেঁতে চাদর গায়ে দিয়ে ঘুমাতে হয়। চাদরের পানি যখন বাতাসে শুকায়, তখন শরীর ঠান্ডা হতে শুরু করে।’ পানি বাষ্পে পরিণত হওয়ার সময় আশপাশ থেকে তাপ শোষণ করে। ফলে শরীর কিছুটা ঠান্ডা অনুভূত হয়।
তবে ড. দিমিত্রিউয়ের মতে, ভেজা চাদরে ঘুমানো সবার জন্য আরামদায়ক নাও হতে পারে। খুব গরমের রাতে অন্য কোনো উপায় না থাকলে এটি চেষ্টা করা যেতে পারে। তবে চাদরটি যেন একেবারে পানিতে চুপচুপে ভেজা না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখা জরুরি।
শরীরের তাপমাত্রা কমে যাওয়ার সঙ্গে ঘুমের সম্পর্ক রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুমানোর সময় আমাদের শরীরের তাপমাত্রা এমনিতেই কিছুটা কমে যায়। তাই সাধারণত ঠান্ডা পরিবেশে ঘুম তুলনামূলক গভীর হয়। শরীরের প্রাকৃতিক ঘড়ি বা ‘সার্কাডিয়ান রিদম’ অনুযায়ী, সন্ধ্যার পর থেকেই শরীরের তাপমাত্রা কমতে শুরু করে। এটি আমাদের মস্তিষ্ককে বার্তা দেয় যে এখন ঘুমানোর সময়।
কিন্তু রাতে অতিরিক্ত গরম থাকলে এই স্বাভাবিক প্রক্রিয়াটি বাধাগ্রস্ত হয়। ফলে সহজে ঘুম আসতে চায় না। গবেষণায় দেখা গেছে, ঠান্ডা পরিবেশে ঘুমালে দ্রুত ঘুম আসে। এতে গভীর ঘুমের স্থায়িত্বও বাড়ে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, রাতে শরীরের তাপমাত্রা যত কমবে, ঘুম তত গভীর হবে। এই কারণেই সন্ধ্যার দিকে গোসল করলে কিংবা শোবার ঘর ঠান্ডা রাখলে শরীরের তাপমাত্রা কমে। এতে ঘুমও ভালো হয়।
বিশেষজ্ঞরা অবশ্য কয়েকটি বিষয়ে সতর্ক করেছেন। সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য এই পদ্ধতি সাধারণত নিরাপদ হলেও ঘরে ভালো বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা থাকা জরুরি। কারণ অতিরিক্ত আর্দ্রতা ঘরে ছত্রাক বা ব্যাকটেরিয়া বেড়ে যাওয়ার পরিবেশ তৈরি করতে পারে। যাঁদের ত্বকে অ্যালার্জি বা একজিমা আছে, তাঁদের ক্ষেত্রে দীর্ঘক্ষণ ভেজা কাপড়ের সংস্পর্শে থাকলে ত্বকের সমস্যা আরও বাড়তে পারে।
ইজিপশিয়ান স্লিপ মেথড মূলত শুষ্ক ও গরম আবহাওয়ায় বেশি কার্যকর। কারণ সেখানে চাদরের পানি দ্রুত বাষ্প হয়ে শরীরকে ঠান্ডা করতে পারে। কিন্তু ভ্যাপসা গরমে বাতাসে এমনিতেই জলীয়বাষ্প বেশি থাকে। ফলে চাদরের পানি সহজে শুকাতে চায় না। এতে শরীর ঠান্ডা হওয়ার বদলে উল্টো ভেজা ও অস্বস্তিকর লাগতে পারে।
তাই এসি না থাকলে শুষ্ক গরমের রাতে এই পদ্ধতি কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে। তবে আর্দ্র আবহাওয়ায় ফ্যানের সাহায্যে বাতাস চলাচল বাড়ানো, হালকা ও শুকনো বিছানাপত্র ব্যবহার করা এবং ঘর যতটা সম্ভব ঠান্ডা রাখা বেশি কার্যকর হতে পারে।
বিছানার চাদর সামান্য ভেজা রাখুন। ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে নেওয়ার পর তা খুব ভালো করে চিপে নিন। অর্থাৎ চাদরটি ভেজা থাকবে কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে যেন পানি চুইয়ে না পড়ে। তোশকের ওপর একটি ওয়াটারপ্রুফ প্রটেক্টর বা শুকনো তোয়ালে বিছিয়ে দিন। এতে তোশক নষ্ট হবে না।
কৃত্রিম বা সিনথেটিক কাপড় বাদ দিয়ে পাতলা সুতি বা লিনেন কাপড় ব্যবহার করুন। রাতে যতটা সম্ভব হালকা পোশাক পরুন। ঘরের জানালা খোলা রাখুন কিংবা ফ্যান চালু রাখুন। ফ্যানের বাতাস চাদরের পানি দ্রুত শুকাতে সাহায্য করবে। এতে শরীর দ্রুত ঠান্ডা হবে। যদি এই পদ্ধতি ব্যবহারের পর ত্বকে চুলকানি বা লালচে ভাব দেখা দেয়, তবে এই পদ্ধতিতে আর ঘুমানোই ভালো।
• ভেরি ওয়েল মাইন্ড অবলম্বনে
.png)

বেতন হাতে পেয়েই মনে হয়, এবার কিছু টাকা ঠিকই জমাব। কিন্তু কয়েক দিন যেতে না যেতেই শুরু হয় খরচের মিছিল। বাসাভাড়া, বাজার, বিদ্যুৎ-গ্যাসের বিল, যাতায়াত, কেনাকাটা; একে একে টাকা খরচ হতে থাকে। দেখতে দেখতে মাস শেষ, অথচ সঞ্চয়ের খাতায় যোগ হয়নি কিছুই। এভাবেই মাসের পর মাস কেটে যায়, কিন্তু সঞ্চয় আর হয়ে ওঠে না।
২১ আগস্ট ২০২৬
বিয়ের সবচেয়ে পরিচিত রীতিগুলোর একটি হলো বিয়ের আংটি পরানো। সাধারণত সেই আংটি পরানো হয় বাম হাতের অনামিকা আঙুলে। বিশেষ করে পশ্চিমা সংস্কৃতিতে বাগদান বা বিয়ের পর অনেক জুটিই এই আঙুলে আংটি পরেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, বিয়ের আংটি অন্য কোনো আঙুলে না পরে অনামিকাতেই কেন পরানো হয়? শুধু কি দেখতে সুন্দর লাগে বলে?
২০ আগস্ট ২০২৬
প্রতি মাসের শুরুতেই আমরা অনেকেই ঠিক করি, এবার কিছু টাকা জমাব। বেতন হাতে আসার পর মনে হয়, এই মাসে আর অযথা খরচ নয়। কিন্তু মাস যত গড়াতে থাকে, সেই পরিকল্পনাও ধীরে ধীরে ভুলে যাই। মাস শেষে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা পকেটের দিকে তাকিয়ে দেখা যায়, জমার মতো টাকা আর অবশিষ্ট নেই। ফলে সঞ্চয়ের পরিকল্পনা আবারও পিছিয়ে য
১৫ আগস্ট ২০২৬
একসঙ্গে থাকতে থাকতে অনেক দম্পতির জীবনেই একটা সময় আসে, যখন দুজনের মধ্যে আগের মতো ঘনিষ্ঠতা থাকে না। ভালোবাসা হয়তো আছে, কিন্তু কথা বলার সময় কমে যায়। কারও অফিস শেষ হতে রাত হয়ে যায়, কেউ আবার সারাদিন ঘরের কাজ সামলে ক্লান্ত। এর সঙ্গে যোগ হয় অভিমান, মানসিক চাপ কিংবা সম্পর্কের ছোট ছোট দূরত্ব। একসময় দেখা যায়,
১৪ আগস্ট ২০২৬