স্ট্রিম প্রতিবেদক

ফেসবুকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টের ক্যাপশনে দাবি করা হচ্ছে, শুভেন্দু অধিকারী নিজ বাড়িতে শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ছবিটি আসল নয়। প্রকৃতপক্ষে, শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবের সাক্ষাতের একটি ছবিতে ডিজিটালভাবে শেখ হাসিনার ছবি বসিয়ে এটি তৈরি করা হয়েছে।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে।
ছবিটি পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, একটি ঘরের ভেতরে শুভেন্দু অধিকারীসহ কয়েকজন ব্যক্তির সঙ্গে শেখ হাসিনাকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। তবে পোস্টে ছবিটির উৎস, সময়, স্থান, সংবাদ প্রতিবেদন বা নির্ভরযোগ্য কোনো সূত্র দেওয়া হয়নি।
ছবিটির উৎস খুঁজতে রিভার্স ইমেজ সার্চ করলে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ২০২৫ সালের ৩০ জুন প্রকাশিত একটি ছবি পাওয়া যায়। ওই ছবির সঙ্গে ভাইরাল ছবিটির দেয়াল, ব্যাকগ্রাউন্ড, ঘরের সাজসজ্জা এবং পাশে দাঁড়ানো ব্যক্তিদের অবস্থানের মিল পাওয়া যায়।
তবে বিপ্লব কুমার দেবের প্রকাশিত মূল ছবিতে শেখ হাসিনাকে দেখা যায় না। সেখানে শেখ হাসিনার স্থানে অন্য একজন ব্যক্তি ছিলেন। ক্যাপশনে বিপ্লব কুমার দেব জানান, কলকাতায় পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়েছে। এ সময় রাজ্যে নারীদের নিরাপত্তা এবং সাম্প্রতিক একটি ঘটনা নিয়ে তাদের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
একই ছবি বিপ্লব কুমার দেবের ভেরিফায়েড ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টেও প্রকাশিত হয়েছে।
অর্থাৎ, মূল ছবিটি শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বিপ্লব কুমার দেবের সাক্ষাতের সময়ের। পরে সেই ছবিতে থাকা একজন ব্যক্তির জায়গায় শেখ হাসিনার ছবি বসিয়ে ছবিটি তৈরি করা হয়েছে।

ফেসবুকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টের ক্যাপশনে দাবি করা হচ্ছে, শুভেন্দু অধিকারী নিজ বাড়িতে শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ছবিটি আসল নয়। প্রকৃতপক্ষে, শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবের সাক্ষাতের একটি ছবিতে ডিজিটালভাবে শেখ হাসিনার ছবি বসিয়ে এটি তৈরি করা হয়েছে।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে।
ছবিটি পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, একটি ঘরের ভেতরে শুভেন্দু অধিকারীসহ কয়েকজন ব্যক্তির সঙ্গে শেখ হাসিনাকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। তবে পোস্টে ছবিটির উৎস, সময়, স্থান, সংবাদ প্রতিবেদন বা নির্ভরযোগ্য কোনো সূত্র দেওয়া হয়নি।
ছবিটির উৎস খুঁজতে রিভার্স ইমেজ সার্চ করলে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ২০২৫ সালের ৩০ জুন প্রকাশিত একটি ছবি পাওয়া যায়। ওই ছবির সঙ্গে ভাইরাল ছবিটির দেয়াল, ব্যাকগ্রাউন্ড, ঘরের সাজসজ্জা এবং পাশে দাঁড়ানো ব্যক্তিদের অবস্থানের মিল পাওয়া যায়।
তবে বিপ্লব কুমার দেবের প্রকাশিত মূল ছবিতে শেখ হাসিনাকে দেখা যায় না। সেখানে শেখ হাসিনার স্থানে অন্য একজন ব্যক্তি ছিলেন। ক্যাপশনে বিপ্লব কুমার দেব জানান, কলকাতায় পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়েছে। এ সময় রাজ্যে নারীদের নিরাপত্তা এবং সাম্প্রতিক একটি ঘটনা নিয়ে তাদের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
একই ছবি বিপ্লব কুমার দেবের ভেরিফায়েড ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টেও প্রকাশিত হয়েছে।
অর্থাৎ, মূল ছবিটি শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বিপ্লব কুমার দেবের সাক্ষাতের সময়ের। পরে সেই ছবিতে থাকা একজন ব্যক্তির জায়গায় শেখ হাসিনার ছবি বসিয়ে ছবিটি তৈরি করা হয়েছে।
.png)

তবে স্ট্রিমকে সংশ্লিষ্ট দুই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, লোডশেডিংয়ের কারণে ওই দুই যুবক রেললাইনে ঘুমিয়েছিলেন—এমন তথ্য তাঁরা কোনো গণমাধ্যমকে দেননি।
১৩ আগস্ট ২০২৬
পোস্টগুলোর ক্যাপশনে বলা হয়, চাঁদার দাবিতে ঢাকা আইনজীবী সমিতি ভবনের কর্মকর্তাদের ওপর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছেন। তবে স্ট্রিমের অনুসন্ধানে এই দাবির সঙ্গে প্রকৃত ঘটনার মিল পাওয়া যায়নি।
১৩ আগস্ট ২০২৬
ফেসবুকে শেখ হাসিনার একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, এটি গত ৫ আগস্ট তার লাইভে কথা বলার আগের মুহূর্তের দৃশ্য। ভিডিওটিতে শেখ হাসিনাকে ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির সঙ্গে দেখা যায়।
১৩ আগস্ট ২০২৬
ফেসবুকে একটি ভিডিও প্রচার করে দাবি করা হচ্ছে, বাংলাদেশের একটি মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের ডামি বা নকল AK-47 দিয়ে অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ভিডিওটিতে একটি কক্ষে এক ব্যক্তিকে রাইফেলের মতো দেখতে একটি বস্তু হাতে সেটির বিভিন্ন অংশ দেখাতে দেখা যায়।
১২ আগস্ট ২০২৬