স্ট্রিম প্রতিবেদক

ফেসবুকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উদ্ধৃত করে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দাবি করা হচ্ছে–তিনি বলেছেন, ‘এদেশের অন্যতম বৃহত্তম দল আওয়ামী লীগ, তারা ফিরবে এই বাস্তবতা সবাইকে মেনে নিতে হবে।’
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এবং এখানে।
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আওয়ামী লীগ ফিরে আসবে বলে এমন কোনো মন্তব্য করেছেন, এর পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, বিএনপির ফেসবুক পেজ, বিএনপি মিডিয়া সেল, মূলধারার গণমাধ্যম কিংবা অন্য কোনো বিশ্বস্ত সূত্রে এমন বক্তব্যের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
আলোচিত ফটোকার্ডটি পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, এতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছবি ব্যবহার করে তার নামে আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে একটি মন্তব্য প্রচার করা হয়েছে। তবে ফটোকার্ড বা পোস্টগুলোর কোথাও বক্তব্যটির তারিখ, স্থান, অনুষ্ঠান, সাক্ষাৎকার, ভিডিও, কিংবা নির্ভরযোগ্য সূত্র উল্লেখ করা হয়নি।
পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট কিওয়ার্ড দিয়ে অনুসন্ধান করেও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন মন্তব্যের পক্ষে কোনো গণমাধ্যম প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ, কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস ছাড়াই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামে আলোচিত বক্তব্যটি প্রচার করা হয়েছে।
‘এদেশের অন্যতম বৃহত্তম দল আওয়ামী লীগ, তারা ফিরবে এই বাস্তবতা সবাইকে মেনে নিতে হবে’ দাবিতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামে প্রচারিত মন্তব্যটি ভুয়া ও বানোয়াট।

ফেসবুকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উদ্ধৃত করে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দাবি করা হচ্ছে–তিনি বলেছেন, ‘এদেশের অন্যতম বৃহত্তম দল আওয়ামী লীগ, তারা ফিরবে এই বাস্তবতা সবাইকে মেনে নিতে হবে।’
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এবং এখানে।
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আওয়ামী লীগ ফিরে আসবে বলে এমন কোনো মন্তব্য করেছেন, এর পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, বিএনপির ফেসবুক পেজ, বিএনপি মিডিয়া সেল, মূলধারার গণমাধ্যম কিংবা অন্য কোনো বিশ্বস্ত সূত্রে এমন বক্তব্যের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
আলোচিত ফটোকার্ডটি পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, এতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছবি ব্যবহার করে তার নামে আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে একটি মন্তব্য প্রচার করা হয়েছে। তবে ফটোকার্ড বা পোস্টগুলোর কোথাও বক্তব্যটির তারিখ, স্থান, অনুষ্ঠান, সাক্ষাৎকার, ভিডিও, কিংবা নির্ভরযোগ্য সূত্র উল্লেখ করা হয়নি।
পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট কিওয়ার্ড দিয়ে অনুসন্ধান করেও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন মন্তব্যের পক্ষে কোনো গণমাধ্যম প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ, কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস ছাড়াই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামে আলোচিত বক্তব্যটি প্রচার করা হয়েছে।
‘এদেশের অন্যতম বৃহত্তম দল আওয়ামী লীগ, তারা ফিরবে এই বাস্তবতা সবাইকে মেনে নিতে হবে’ দাবিতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামে প্রচারিত মন্তব্যটি ভুয়া ও বানোয়াট।
.png)

তবে স্ট্রিমকে সংশ্লিষ্ট দুই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, লোডশেডিংয়ের কারণে ওই দুই যুবক রেললাইনে ঘুমিয়েছিলেন—এমন তথ্য তাঁরা কোনো গণমাধ্যমকে দেননি।
১৩ আগস্ট ২০২৬
পোস্টগুলোর ক্যাপশনে বলা হয়, চাঁদার দাবিতে ঢাকা আইনজীবী সমিতি ভবনের কর্মকর্তাদের ওপর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছেন। তবে স্ট্রিমের অনুসন্ধানে এই দাবির সঙ্গে প্রকৃত ঘটনার মিল পাওয়া যায়নি।
১৩ আগস্ট ২০২৬
ফেসবুকে শেখ হাসিনার একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, এটি গত ৫ আগস্ট তার লাইভে কথা বলার আগের মুহূর্তের দৃশ্য। ভিডিওটিতে শেখ হাসিনাকে ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির সঙ্গে দেখা যায়।
১৩ আগস্ট ২০২৬
ফেসবুকে একটি ভিডিও প্রচার করে দাবি করা হচ্ছে, বাংলাদেশের একটি মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের ডামি বা নকল AK-47 দিয়ে অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ভিডিওটিতে একটি কক্ষে এক ব্যক্তিকে রাইফেলের মতো দেখতে একটি বস্তু হাতে সেটির বিভিন্ন অংশ দেখাতে দেখা যায়।
১২ আগস্ট ২০২৬