স্ট্রিম প্রতিবেদক

সম্প্রতি ফেসবুকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে নিয়ে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে। ফটোকার্ডটিতে দাবি করা হচ্ছে, তিনি বলেছেন, ‘যেখানে আমার মতামতের কোনো মূল্যই দেওয়া হয় না। সেখানে থেকে আমি কি করবো। আমি রাজনীতি থেকে অবসর নিতে চাই।’
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, তিনি আলোচিত মন্তব্যটি করেননি। কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র ছাড়াই তাঁর নামে ভুয়া এই বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছে।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে।
আলোচিত দাবিতে প্রচারিত পোস্টগুলো পর্যালোচনা করে তাতে বক্তব্যটির কোনো তথ্যসূত্রের উল্লেখ পাওয়া যায়নি। পরবর্তী সময়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ফেসবুক পেজ খুঁজেও আলোচিত দাবি-সংবলিত কোনো পোস্টের সন্ধান মেলেনি। অর্থাৎ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে বক্তব্যটি তার নামে ছড়ানো হচ্ছে, সেটির পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস পাওয়া যায়নি।
পরে সংশ্লিষ্ট কিওয়ার্ড দিয়ে অনুসন্ধান করলে সময় টিভির ইউটিউব চ্যানেলে গত ১৭ এপ্রিল প্রচারিত ‘ অবসর চান মির্জা ফখরুল, বিএনপি মহাসচিব পদে আসছে নতুন মুখ’ শিরোনামের একটি ভিডিও পাওয়া যায়। ওই ভিডিওতে বিএনপির কাউন্সিল ও দলীয় নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়।সাক্ষাৎকারে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, এ বছরই দলের কাউন্সিল হওয়ার আশা করছেন তারা। একই সাক্ষাৎকারে তিনি বয়স ও শারীরিক অবস্থার কথা উল্লেখ করে বলেন, কাউন্সিলের পর তিনি অবসর নিতে চান। তবে সাক্ষাৎকারের কোনো অংশেই তাকে ‘যেখানে আমার মতামতের কোনো মূল্যই দেওয়া হয় না। সেখানে থেকে আমি কি করবো’ মন্তব্যটি করতে শোনা যায়নি।
অর্থাৎ, ভাইরাল পোস্টে মির্জা ফখরুলের আসল বক্তব্যের সঙ্গে অতিরিক্ত একটি লাইন জুড়ে দিয়ে ভিন্ন অর্থ তৈরি করা হয়েছে। গণমাধ্যম সূত্রেও আলোচিত দাবির পক্ষে সমর্থনযোগ্য কোনো তথ্য নেই।

সম্প্রতি ফেসবুকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে নিয়ে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে। ফটোকার্ডটিতে দাবি করা হচ্ছে, তিনি বলেছেন, ‘যেখানে আমার মতামতের কোনো মূল্যই দেওয়া হয় না। সেখানে থেকে আমি কি করবো। আমি রাজনীতি থেকে অবসর নিতে চাই।’
তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, তিনি আলোচিত মন্তব্যটি করেননি। কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র ছাড়াই তাঁর নামে ভুয়া এই বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছে।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে।
আলোচিত দাবিতে প্রচারিত পোস্টগুলো পর্যালোচনা করে তাতে বক্তব্যটির কোনো তথ্যসূত্রের উল্লেখ পাওয়া যায়নি। পরবর্তী সময়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ফেসবুক পেজ খুঁজেও আলোচিত দাবি-সংবলিত কোনো পোস্টের সন্ধান মেলেনি। অর্থাৎ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে বক্তব্যটি তার নামে ছড়ানো হচ্ছে, সেটির পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস পাওয়া যায়নি।
পরে সংশ্লিষ্ট কিওয়ার্ড দিয়ে অনুসন্ধান করলে সময় টিভির ইউটিউব চ্যানেলে গত ১৭ এপ্রিল প্রচারিত ‘ অবসর চান মির্জা ফখরুল, বিএনপি মহাসচিব পদে আসছে নতুন মুখ’ শিরোনামের একটি ভিডিও পাওয়া যায়। ওই ভিডিওতে বিএনপির কাউন্সিল ও দলীয় নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়।সাক্ষাৎকারে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, এ বছরই দলের কাউন্সিল হওয়ার আশা করছেন তারা। একই সাক্ষাৎকারে তিনি বয়স ও শারীরিক অবস্থার কথা উল্লেখ করে বলেন, কাউন্সিলের পর তিনি অবসর নিতে চান। তবে সাক্ষাৎকারের কোনো অংশেই তাকে ‘যেখানে আমার মতামতের কোনো মূল্যই দেওয়া হয় না। সেখানে থেকে আমি কি করবো’ মন্তব্যটি করতে শোনা যায়নি।
অর্থাৎ, ভাইরাল পোস্টে মির্জা ফখরুলের আসল বক্তব্যের সঙ্গে অতিরিক্ত একটি লাইন জুড়ে দিয়ে ভিন্ন অর্থ তৈরি করা হয়েছে। গণমাধ্যম সূত্রেও আলোচিত দাবির পক্ষে সমর্থনযোগ্য কোনো তথ্য নেই।

ফটোকার্ডে দেখা যায়, বিএনপি সরকারের উদ্দেশে হাসনাত আবদুল্লাহ বলছেন, ‘ওরা আগেই ভালো ছিল। মা ছিল জেলে, ছেলে ছিল লন্ডনে আর নেতা কর্মীরা ছিল ধান খেতে। আজকে মুক্তি পেয়ে ওরা সংবিধান চিনেছে’। তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, হাসনাত আবদুল্লাহ এমন কোনো মন্তব্য করেননি।
১ দিন আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার দাবিতে একটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। ছবিতে দেখা যায়, হাসপাতালের মতো একটি কক্ষে রোগীর পোশাক পরা এক নারীকে (শেখ হাসিনা) দাঁড়ানো অবস্থায় দেখা যাচ্ছে।
১ দিন আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের ছবিযুক্ত একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে। ফটোকার্ডটিতে দাবি করা হচ্ছে, ওসমান হাদির কবরস্থানে অনির্দিষ্টকালের জন্য প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
৩ দিন আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে একজন নারীকে হেনস্তার একটি সিসিটিভি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি পহেলা বৈশাখে ঢাকার মোহাম্মদপুরে এক গর্ভবতী নারীকে যৌন নির্যাতনের ঘটনা বলে দাবি করা হচ্ছে।
৪ দিন আগে