স্ট্রিম প্রতিবেদক

সম্প্রতি ফেসবুকে ‘চাঁদাবাজকে রুখে দেওয়ার দৃশ্য’ দাবিতে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টগুলোর ক্যাপশনে দেশের নাম উল্লেখ না থাকায় অনেকেই এটি বাংলাদেশের ঘটনা ভেবে বিভ্রান্ত হচ্ছেন। তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, প্রচারিত ভিডিও বাংলাদেশের নয় এবং এর সঙ্গে চাঁদাবাজিরও কোনো সম্পর্ক নেই।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এবং এখানে।
আলোচিত ভিডিওটির কয়েকটি ফ্রেম ধরে অনুসন্ধান করলে ‘sanatan_kannada’ নামের একটি এক্স অ্যাকাউন্টে গত ১৬ এপ্রিল প্রকাশিত একই ভিডিওর সন্ধান পাওয়া যায়। পোস্টটির ক্যাপশনে বলা হয়, ভারতের মধ্যপ্রদেশের রেওয়ায় সাই মন্দিরের সামনে এক মদ্যপ যুবক লাঠি দিয়ে এক দোকানদারের ঠেলাগাড়ি ভাঙচুর শুরু করে। পরে ক্ষুব্ধ দোকানদার পেছন দিক থেকে পাল্টা আক্রমণ করলে দুজনের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। পোস্টটিতে আরও বলা হয়, এ ঘটনায় একজন গুরুতর আহত হন।
এই সূত্র ধরে অনুসন্ধান করলে ‘Dainik Jagran English’-এ গত ১৭ এপ্রিল প্রকাশিত ‘রেওয়া ড্রাঙ্ক ফাইট স্পার্কস সেফটি ফিয়ার্স ইন সিটি ’ শিরোনামের একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। প্রতিবেদনে প্রকাশিত ছবির ফ্রেম ও ঘটনার বর্ণনাও আলোচিত ভিডিওর প্রেক্ষাপটের সঙ্গে মিলে যায়।
প্রচারিত ভিডিওটি বাংলাদেশের নয় এবং এর সঙ্গে চাঁদাবাজিরও কোনো সম্পর্ক নেই। প্রকৃতপক্ষে, ভারতের মধ্যপ্রদেশের রেওয়ায় সাই মন্দিরের পাশে মদ্যপ এক যুবকের দোকান ভাঙচুরকে কেন্দ্র করে দোকানদারের সঙ্গে সংঘর্ষের ভিডিওকে বাংলাদেশে ‘চাঁদাবাজকে রুখে দেওয়ার দৃশ্য’ দাবিতে প্রচার করা হয়েছে, যা বিভ্রান্তিকর।

সম্প্রতি ফেসবুকে ‘চাঁদাবাজকে রুখে দেওয়ার দৃশ্য’ দাবিতে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টগুলোর ক্যাপশনে দেশের নাম উল্লেখ না থাকায় অনেকেই এটি বাংলাদেশের ঘটনা ভেবে বিভ্রান্ত হচ্ছেন। তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, প্রচারিত ভিডিও বাংলাদেশের নয় এবং এর সঙ্গে চাঁদাবাজিরও কোনো সম্পর্ক নেই।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এবং এখানে।
আলোচিত ভিডিওটির কয়েকটি ফ্রেম ধরে অনুসন্ধান করলে ‘sanatan_kannada’ নামের একটি এক্স অ্যাকাউন্টে গত ১৬ এপ্রিল প্রকাশিত একই ভিডিওর সন্ধান পাওয়া যায়। পোস্টটির ক্যাপশনে বলা হয়, ভারতের মধ্যপ্রদেশের রেওয়ায় সাই মন্দিরের সামনে এক মদ্যপ যুবক লাঠি দিয়ে এক দোকানদারের ঠেলাগাড়ি ভাঙচুর শুরু করে। পরে ক্ষুব্ধ দোকানদার পেছন দিক থেকে পাল্টা আক্রমণ করলে দুজনের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। পোস্টটিতে আরও বলা হয়, এ ঘটনায় একজন গুরুতর আহত হন।
এই সূত্র ধরে অনুসন্ধান করলে ‘Dainik Jagran English’-এ গত ১৭ এপ্রিল প্রকাশিত ‘রেওয়া ড্রাঙ্ক ফাইট স্পার্কস সেফটি ফিয়ার্স ইন সিটি ’ শিরোনামের একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। প্রতিবেদনে প্রকাশিত ছবির ফ্রেম ও ঘটনার বর্ণনাও আলোচিত ভিডিওর প্রেক্ষাপটের সঙ্গে মিলে যায়।
প্রচারিত ভিডিওটি বাংলাদেশের নয় এবং এর সঙ্গে চাঁদাবাজিরও কোনো সম্পর্ক নেই। প্রকৃতপক্ষে, ভারতের মধ্যপ্রদেশের রেওয়ায় সাই মন্দিরের পাশে মদ্যপ এক যুবকের দোকান ভাঙচুরকে কেন্দ্র করে দোকানদারের সঙ্গে সংঘর্ষের ভিডিওকে বাংলাদেশে ‘চাঁদাবাজকে রুখে দেওয়ার দৃশ্য’ দাবিতে প্রচার করা হয়েছে, যা বিভ্রান্তিকর।

সম্প্রতি ফেসবুকে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জা মেলোনি ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ছবি যুক্ত করে দাবি করা হচ্ছে, ইতালি আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েলি পর্যটকদের দেশে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, যুবলীগের এক নেতাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে প্রকাশ্যে নির্যাতন করছে বিএনপির সন্ত্রাসীরা। পোস্টের ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘যুবলীগ নেতাকে গাছের সাথে বেঁধে প্রকাশ্য নি"র্যা"তন করছে বিএনপির স'ন্ত্রাসীরা।’
১ দিন আগে
এগুলো বাস্তব কোনো মেট্রোরেলের খুঁটিতে আঁকা শেখ হাসিনার গ্রাফিতি নয়। এআই দিয়ে তৈরি ছবিগুলো রাজনৈতিক ক্যাপশনসহ বাস্তব দৃশ্যের মতো করে প্রচার করা হয়েছে।
১ দিন আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে ‘গ্রেপ্তার হলেন এমপি মাশরাফি বিন মুর্তজা’ ক্যাপশনে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে। এতে মাশরাফিকে হাতকড়া দিয়ে পুলিশ নিয়ে যাচ্ছে, এমন ছবিও যুক্ত।
৪ দিন আগে