স্ট্রিম প্রতিবেদক

সম্প্রতি ফেসবুকে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার দাবিতে একটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। ছবিতে দেখা যায়, হাসপাতালের মতো একটি কক্ষে রোগীর পোশাক পরা এক নারীকে (শেখ হাসিনা) দাঁড়ানো অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। তার দুই হাতে ক্যানুলা লাগানো রয়েছে এবং পাশে হালকা রঙের পোশাক পরা আরেক নারী (শেখ রেহানা) তাকে ধরে সহায়তা করছেন। তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এবং এখানে।
গুগলের এআই শনাক্তকরণ টুল ‘সিন্থআইডি’র বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ছবিটির একটি অংশ গুগল এআই দিয়ে সম্পাদিত বা তৈরি করা। একই বিশ্লেষণে আরও বলা হয়, ছবির কয়েকটি দৃশ্যগত অসামঞ্জস্য এআই ম্যানিপুলেশনের ইঙ্গিত দেয়। যেমন, বয়স্ক নারীর (শেখ হাসিনা) বাম হাতের আঙুলের গঠন স্বাভাবিক নয়। হাত ও পায়ের কিছু অংশের ত্বক অস্বাভাবিক মসৃণ। পাশাপাশি হাতে-পায়ে থাকা স্যালাইনের লাইন ও ব্যান্ডেজগুলোর অবস্থানও চিকিৎসা সরঞ্জামের স্বাভাবিক ব্যবহারের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

গণমাধ্যম সূত্রেও আলোচিত ছবিটির সত্যতা সমর্থন করে এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া, হাইভ মডারেশন টুলে ছবিটিকে ৮১ দশমিক ৮ শতাংশ সম্ভাবনায় এআই-জেনারেটেড বলা হয়েছে। ডিপএআইয়ের বিশ্লেষণও বলছে, ছবিটি এআই দিয়ে তৈরির সম্ভাবনা ৯৭ শতাংশ।
আলোচিত ছবিটিকে বাস্তব আলোকচিত্র হিসেবে উপস্থাপনের পক্ষে নির্ভরযোগ্য ভিত্তি পাওয়া যায়নি। প্রকৃতপক্ষে, শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার ছবি দাবিতে ছড়ানো এই ছবিটি এআই ব্যবহার করে তৈরি বা সম্পাদিত।

সম্প্রতি ফেসবুকে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার দাবিতে একটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। ছবিতে দেখা যায়, হাসপাতালের মতো একটি কক্ষে রোগীর পোশাক পরা এক নারীকে (শেখ হাসিনা) দাঁড়ানো অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। তার দুই হাতে ক্যানুলা লাগানো রয়েছে এবং পাশে হালকা রঙের পোশাক পরা আরেক নারী (শেখ রেহানা) তাকে ধরে সহায়তা করছেন। তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এবং এখানে।
গুগলের এআই শনাক্তকরণ টুল ‘সিন্থআইডি’র বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ছবিটির একটি অংশ গুগল এআই দিয়ে সম্পাদিত বা তৈরি করা। একই বিশ্লেষণে আরও বলা হয়, ছবির কয়েকটি দৃশ্যগত অসামঞ্জস্য এআই ম্যানিপুলেশনের ইঙ্গিত দেয়। যেমন, বয়স্ক নারীর (শেখ হাসিনা) বাম হাতের আঙুলের গঠন স্বাভাবিক নয়। হাত ও পায়ের কিছু অংশের ত্বক অস্বাভাবিক মসৃণ। পাশাপাশি হাতে-পায়ে থাকা স্যালাইনের লাইন ও ব্যান্ডেজগুলোর অবস্থানও চিকিৎসা সরঞ্জামের স্বাভাবিক ব্যবহারের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

গণমাধ্যম সূত্রেও আলোচিত ছবিটির সত্যতা সমর্থন করে এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া, হাইভ মডারেশন টুলে ছবিটিকে ৮১ দশমিক ৮ শতাংশ সম্ভাবনায় এআই-জেনারেটেড বলা হয়েছে। ডিপএআইয়ের বিশ্লেষণও বলছে, ছবিটি এআই দিয়ে তৈরির সম্ভাবনা ৯৭ শতাংশ।
আলোচিত ছবিটিকে বাস্তব আলোকচিত্র হিসেবে উপস্থাপনের পক্ষে নির্ভরযোগ্য ভিত্তি পাওয়া যায়নি। প্রকৃতপক্ষে, শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার ছবি দাবিতে ছড়ানো এই ছবিটি এআই ব্যবহার করে তৈরি বা সম্পাদিত।

ফটোকার্ডে দেখা যায়, বিএনপি সরকারের উদ্দেশে হাসনাত আবদুল্লাহ বলছেন, ‘ওরা আগেই ভালো ছিল। মা ছিল জেলে, ছেলে ছিল লন্ডনে আর নেতা কর্মীরা ছিল ধান খেতে। আজকে মুক্তি পেয়ে ওরা সংবিধান চিনেছে’। তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, হাসনাত আবদুল্লাহ এমন কোনো মন্তব্য করেননি।
২৫ মিনিট আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের ছবিযুক্ত একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে। ফটোকার্ডটিতে দাবি করা হচ্ছে, ওসমান হাদির কবরস্থানে অনির্দিষ্টকালের জন্য প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
২ দিন আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে একজন নারীকে হেনস্তার একটি সিসিটিভি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি পহেলা বৈশাখে ঢাকার মোহাম্মদপুরে এক গর্ভবতী নারীকে যৌন নির্যাতনের ঘটনা বলে দাবি করা হচ্ছে।
৩ দিন আগে
স্ট্রিম ফ্যাক্টচেক অন্তত ৩টি ভিডিও শনাক্ত করেছে, যেখানে প্রায় হুবুহু উসকানিমূলক ক্যাপশনে ৩টি আলাদা অ্যাকাউন্ট থেকে খণ্ডিত ভিডিওটি ছড়ানো হয়।
৫ দিন আগে