স্ট্রিম প্রতিবেদক

সাম্প্রতিক সময়ে ‘মুজিব ভাই’ অ্যানিমেশন সিনেমার ব্যয়ের অঙ্ক ঘিরে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে। কয়েকটি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হয়, সিনেমাটিতে ৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। এক্ষেত্রে সরকার গঠিত শ্বেতপত্র কমিটির প্রতিবেদনের বরাত দেয়া হচ্ছে।
তবে সরকার গঠিত শ্বেতপত্র কমিটির প্রতিবেদনে থাকা তথ্য অনুযায়ী, প্রকৃত ব্যয়ের চিত্র ভিন্ন; ব্যয় হয়েছে মোট ৪২ কোটি ১১ লাখ ২২ হাজার টাকা। আবার এই খরচ শুধু মুজিব ভাই সিনেমার জন্য নয় বরং ‘রাজনৈতিক প্রচারণামূলক কর্মকাণ্ডে সম্মিলিতভাবে’ এই অর্থ খরচ করা হয়েছে বলে শ্বেতপত্রে উল্লেখ করা হয়।
শ্বেতপত্র কমিটির প্রতিবেদনের ৪৩ নম্বর পৃষ্ঠায় ‘তথ্য ১২’-তে বলা হয়েছে, ‘আইসিটি বিভাগ (আইসিটিডি) করদাতাদের অর্থ ব্যবহার করে অনুৎপাদনশীল দলীয় কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন করেছে। ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’ আইসিটি বিভাগের সঙ্গে একাধিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে, যার মাধ্যমে প্রকল্পের অর্থ দলীয় কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করা হয়, যেমন অ্যানিমেশন সিরিজ “খোকা” এবং অ্যানিমেশন সিনেমা “মুজিব ভাই” নির্মাণ।’
শ্বেতপত্রে বলা হয়, ‘আমরা পর্যালোচনা করে দেখেছি, বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সঙ্গে সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) সরাসরি সম্পৃক্ততা রয়েছে। আইসিটি বিভাগের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আইসিটি তহবিল ব্যবহার করে রাজনৈতিক প্রচারণামূলক কর্মকাণ্ডে সম্মিলিতভাবে মোট ৪,২১১.২২ লাখ (৪২ কোটি ১১ লাখ ২২ হাজার) টাকা ব্যয় করা হয়েছে।’
সব তথ্য ও নথি মিলিয়ে দেখা যায়, ‘মুজিব ভাই’ অ্যানিমেশন সিনেমায় ৪ হাজার কোটি টাকা খরচের যে দাবি গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো হচ্ছে, তা বাস্তবসম্মত নয়।

সাম্প্রতিক সময়ে ‘মুজিব ভাই’ অ্যানিমেশন সিনেমার ব্যয়ের অঙ্ক ঘিরে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে। কয়েকটি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হয়, সিনেমাটিতে ৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। এক্ষেত্রে সরকার গঠিত শ্বেতপত্র কমিটির প্রতিবেদনের বরাত দেয়া হচ্ছে।
তবে সরকার গঠিত শ্বেতপত্র কমিটির প্রতিবেদনে থাকা তথ্য অনুযায়ী, প্রকৃত ব্যয়ের চিত্র ভিন্ন; ব্যয় হয়েছে মোট ৪২ কোটি ১১ লাখ ২২ হাজার টাকা। আবার এই খরচ শুধু মুজিব ভাই সিনেমার জন্য নয় বরং ‘রাজনৈতিক প্রচারণামূলক কর্মকাণ্ডে সম্মিলিতভাবে’ এই অর্থ খরচ করা হয়েছে বলে শ্বেতপত্রে উল্লেখ করা হয়।
শ্বেতপত্র কমিটির প্রতিবেদনের ৪৩ নম্বর পৃষ্ঠায় ‘তথ্য ১২’-তে বলা হয়েছে, ‘আইসিটি বিভাগ (আইসিটিডি) করদাতাদের অর্থ ব্যবহার করে অনুৎপাদনশীল দলীয় কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন করেছে। ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’ আইসিটি বিভাগের সঙ্গে একাধিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে, যার মাধ্যমে প্রকল্পের অর্থ দলীয় কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করা হয়, যেমন অ্যানিমেশন সিরিজ “খোকা” এবং অ্যানিমেশন সিনেমা “মুজিব ভাই” নির্মাণ।’
শ্বেতপত্রে বলা হয়, ‘আমরা পর্যালোচনা করে দেখেছি, বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সঙ্গে সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) সরাসরি সম্পৃক্ততা রয়েছে। আইসিটি বিভাগের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আইসিটি তহবিল ব্যবহার করে রাজনৈতিক প্রচারণামূলক কর্মকাণ্ডে সম্মিলিতভাবে মোট ৪,২১১.২২ লাখ (৪২ কোটি ১১ লাখ ২২ হাজার) টাকা ব্যয় করা হয়েছে।’
সব তথ্য ও নথি মিলিয়ে দেখা যায়, ‘মুজিব ভাই’ অ্যানিমেশন সিনেমায় ৪ হাজার কোটি টাকা খরচের যে দাবি গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো হচ্ছে, তা বাস্তবসম্মত নয়।

সম্প্রতি ফেসবুকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানাকে উদ্ধৃত করে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে বাংলাদেশ পুলিশের নতুন ইউনিফর্ম দাবিতে একটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। ছবিতে দেখা যায়, দুই পুলিশ সদস্যের গায়ে বাঘের ডোরাকাটা নকশার শার্ট ও সাপের চামড়ার মতো নকশার প্যান্ট রয়েছে। তবে যাচাইয়ে দেখা গেছে, ছবিটি সঠিক নয়।
৪ দিন আগে
ফেসবুকে বিএনপির প্যাডে আসা প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হচ্ছে, কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমানকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
৪ দিন আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, এটি ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর নাহিদ ইসলামকে কাঁধে তুলে সেনাবাহিনীর সদস্যদের উল্লাস প্রকাশের দৃশ্য। তবে যাচাইয়ে দেখা গেছে, দাবিটি সঠিক নয়।
৫ দিন আগে