স্ট্রিম প্রতিবেদক

ফেসবুকে মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর একটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। ছবিতে দেখা যায়, ভাসানীর গলায় ফুলের মালা, পেছনে মানুষের ভিড় এবং তাঁর পায়ের নিচে ভারতের পতাকা।
এ ধরনের আরও পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে।
তবে স্ট্রিম যাচাইয়ে দেখা গেছে, ছড়িয়ে পড়া ছবিটি বাস্তব কোনো ঘটনার ছবি নয়; বরং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি।
ছবিটি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, এর ডান পাশের কর্নারে গুগলের জেমিনি এআইয়ের লোগো বা জলছাপ রয়েছে।
ভাসানীর এই ছবির ক্ষেত্রে গুগলের ভেরিফাই এআই (Verify AI) জানিয়েছে, ছবিটির কিছু অংশ গুগল এআই দিয়ে তৈরি। অর্থাৎ, ছবিটি বাস্তব কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার প্রমাণ নয়।
ভাসানী বাংলাদেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি যদি কখনো ভারতের পতাকা পদদলিত করতেন, তবে তার নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক বা সংবাদমাধ্যমভিত্তিক প্রমাণ পাওয়া যেত। কিন্তু অনুসন্ধানে এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

বরং রিভার্স ইমেজ সার্চে বিবিসি বাংলা, বিডিনিউজ২৪ ও দ্য ডেইলি স্টারে মাওলানা ভাসানীর ফুলের মালাসহ পুরোনো ছবি পাওয়া যায়। বিবিসি বাংলা ২০২০ সালের প্রতিবেদনে ভাসানীর জীবনকথায় তাঁর ছবি ব্যবহার করেছে। বিডিনিউজ২৪–এর ২০১৬ সালের নিবন্ধেও ভাসানীর রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে ব্যবহৃত ছবির সঙ্গেও ছড়ানো ছবিটির কিছু ভিজ্যুয়াল সাদৃশ্য রয়েছে।
তবে এসব নির্ভরযোগ্য উৎসের কোনো ছবিতে ভাসানীকে ভারতের পতাকায় পা দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়নি।
মূলত, পুরোনো ভিজ্যুয়াল বা ভাসানীর ছবির আদল ব্যবহার করে এআইয়ের সাহায্যে ভারতের পতাকা পদদলিত করার অংশটি যুক্ত করে আলোচিত ছবিটি তৈরি করা হয়েছে।

ফেসবুকে মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর একটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। ছবিতে দেখা যায়, ভাসানীর গলায় ফুলের মালা, পেছনে মানুষের ভিড় এবং তাঁর পায়ের নিচে ভারতের পতাকা।
এ ধরনের আরও পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে।
তবে স্ট্রিম যাচাইয়ে দেখা গেছে, ছড়িয়ে পড়া ছবিটি বাস্তব কোনো ঘটনার ছবি নয়; বরং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি।
ছবিটি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, এর ডান পাশের কর্নারে গুগলের জেমিনি এআইয়ের লোগো বা জলছাপ রয়েছে।
ভাসানীর এই ছবির ক্ষেত্রে গুগলের ভেরিফাই এআই (Verify AI) জানিয়েছে, ছবিটির কিছু অংশ গুগল এআই দিয়ে তৈরি। অর্থাৎ, ছবিটি বাস্তব কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার প্রমাণ নয়।
ভাসানী বাংলাদেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি যদি কখনো ভারতের পতাকা পদদলিত করতেন, তবে তার নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক বা সংবাদমাধ্যমভিত্তিক প্রমাণ পাওয়া যেত। কিন্তু অনুসন্ধানে এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

বরং রিভার্স ইমেজ সার্চে বিবিসি বাংলা, বিডিনিউজ২৪ ও দ্য ডেইলি স্টারে মাওলানা ভাসানীর ফুলের মালাসহ পুরোনো ছবি পাওয়া যায়। বিবিসি বাংলা ২০২০ সালের প্রতিবেদনে ভাসানীর জীবনকথায় তাঁর ছবি ব্যবহার করেছে। বিডিনিউজ২৪–এর ২০১৬ সালের নিবন্ধেও ভাসানীর রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে ব্যবহৃত ছবির সঙ্গেও ছড়ানো ছবিটির কিছু ভিজ্যুয়াল সাদৃশ্য রয়েছে।
তবে এসব নির্ভরযোগ্য উৎসের কোনো ছবিতে ভাসানীকে ভারতের পতাকায় পা দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়নি।
মূলত, পুরোনো ভিজ্যুয়াল বা ভাসানীর ছবির আদল ব্যবহার করে এআইয়ের সাহায্যে ভারতের পতাকা পদদলিত করার অংশটি যুক্ত করে আলোচিত ছবিটি তৈরি করা হয়েছে।
.png)

ফেসবুকে একটি ভিডিও প্রচার করে দাবি করা হচ্ছে, বাংলাদেশের একটি মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের ডামি বা নকল AK-47 দিয়ে অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ভিডিওটিতে একটি কক্ষে এক ব্যক্তিকে রাইফেলের মতো দেখতে একটি বস্তু হাতে সেটির বিভিন্ন অংশ দেখাতে দেখা যায়।
৯ ঘণ্টা আগে
সাভারের আওয়ামী লীগ নেতা তুষারকে কুপিয়ে হত্যা করেছে বিএনপির সন্ত্রাসী বাহিনী দাবিতে একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটিতে কয়েকজন ব্যক্তিকে এক ব্যক্তির ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা করতে দেখা যায়।
১০ আগস্ট ২০২৬
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে আতাউর রহমান বিক্রমপুরীকে অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা হত্যা করেছে বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশি সাংবাদিক ও সাপ্তাহিক ব্লিটজের সম্পাদক সালাহ উদ্দিন শোয়েব চৌধুরী।
০৯ আগস্ট ২০২৬
ফেসবুকে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটির ক্যাপশনে দাবি করা হয়েছে, তিনি যশোরের বেনাপোল সীমান্ত থেকে বাংলাদেশ দেখে গেছেন। ক্যাপশনে আরও বলা হয়, প্রায় দুই বছর পর তাঁকে দেখা গেছে।
০৫ আগস্ট ২০২৬