স্ট্রিম প্রতিবেদক

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, এটি ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর নাহিদ ইসলামকে কাঁধে তুলে সেনাবাহিনীর সদস্যদের উল্লাস প্রকাশের দৃশ্য। তবে যাচাইয়ে দেখা গেছে, দাবিটি সঠিক নয়। প্রচারিত ভিডিওটি ৫ আগস্টের নয় এবং এতে সেনাবাহিনীর সদস্যরা নাহিদ ইসলামকে কাঁধে তুলে উল্লাস করছেন, এমন দাবিরও ভিত্তি নেই। প্রকৃতপক্ষে, এটি ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট রাতে বাংলাদেশ আনসার ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে নাহিদ ইসলামের বক্তব্য দেওয়ার দৃশ্য।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এখানে।
প্রচারিত ভিডিওটির একটি ফ্রেম পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, জনতার ভিড়ের মধ্যে নাহিদ ইসলামকে কাঁধে তুলে রাখা হয়েছে এবং তার চারপাশে সেনাবাহিনীর সদস্যরা রয়েছেন।
এ বিষয়ে অনুসন্ধানে ২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি ভিডিও পাওয়া যায়, যার সঙ্গে আলোচিত ভিডিওটির মিল রয়েছে। ওই পোস্টের ক্যাপশনে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ সচিবালয়ের সামনে তাকে এবং আরও কয়েকজনকে আটকে রাখা হয়েছে বলে বার্তা পাঠানোর পর রোববার, ২৫ আগস্ট রাতে বাংলাদেশ আনসার ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে সেনাবাহিনীর পাহারায় সচিবালয়ে আটকে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বের করে আনা হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের শান্ত করতে উপদেষ্টা নাহিদ বক্তব্য দেন। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের পোস্টে আরও দেখা যায়, ভিডিওটির শিরোনাম ছিল সচিবালয়ের সামনের রাস্তায় শিক্ষার্থীদের দখল নিয়ে এবং ক্যাপশনে #studentansarclash, #ansarprotest ইত্যাদি হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করা হয়েছে।

অর্থাৎ, ভিডিওটি ২৫ আগস্ট রাতের সচিবালয়-সংলগ্ন সংঘর্ষ-পরবর্তী পরিস্থিতির, ৫ আগস্টের কোনো ঘটনার নয়।
এ বিষয়ে আরও অনুসন্ধানে ২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট প্রকাশিত প্রথম আলোর একটি প্রতিবেদনে জানা যায়, চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে দিনভর সচিবালয় ঘেরাও করে রাখার পর ২৫ আগস্ট রাতে আনসার সদস্যদের সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, সচিবালয়ে নাহিদ ইসলাম, সারজিস আলম ও হাসনাত আব্দুল্লাহসহ কয়েকজন আটকে থাকার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর শিক্ষার্থীরা সেখানে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া শুরু হয়। এতে হাসনাত আব্দুল্লাহসহ অন্তত ৪০ জন শিক্ষার্থী আহত হন। পরে রাতের দিকে সেনাবাহিনী ও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
অর্থাৎ, ভিডিওটিকে ৫ আগস্টের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে যুক্ত করে ভুলভাবে প্রচার করা হয়েছে। সুতরাং, শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর নাহিদ ইসলামকে কাঁধে তুলে সেনাবাহিনীর সদস্যরা উল্লাস করেছিলেন বলে ভিডিওটি ভুল দাবিতে প্রচার করা হয়েছে।

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, এটি ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর নাহিদ ইসলামকে কাঁধে তুলে সেনাবাহিনীর সদস্যদের উল্লাস প্রকাশের দৃশ্য। তবে যাচাইয়ে দেখা গেছে, দাবিটি সঠিক নয়। প্রচারিত ভিডিওটি ৫ আগস্টের নয় এবং এতে সেনাবাহিনীর সদস্যরা নাহিদ ইসলামকে কাঁধে তুলে উল্লাস করছেন, এমন দাবিরও ভিত্তি নেই। প্রকৃতপক্ষে, এটি ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট রাতে বাংলাদেশ আনসার ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে নাহিদ ইসলামের বক্তব্য দেওয়ার দৃশ্য।
এ ধরনের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এখানে।
প্রচারিত ভিডিওটির একটি ফ্রেম পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, জনতার ভিড়ের মধ্যে নাহিদ ইসলামকে কাঁধে তুলে রাখা হয়েছে এবং তার চারপাশে সেনাবাহিনীর সদস্যরা রয়েছেন।
এ বিষয়ে অনুসন্ধানে ২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি ভিডিও পাওয়া যায়, যার সঙ্গে আলোচিত ভিডিওটির মিল রয়েছে। ওই পোস্টের ক্যাপশনে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ সচিবালয়ের সামনে তাকে এবং আরও কয়েকজনকে আটকে রাখা হয়েছে বলে বার্তা পাঠানোর পর রোববার, ২৫ আগস্ট রাতে বাংলাদেশ আনসার ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে সেনাবাহিনীর পাহারায় সচিবালয়ে আটকে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বের করে আনা হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের শান্ত করতে উপদেষ্টা নাহিদ বক্তব্য দেন। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের পোস্টে আরও দেখা যায়, ভিডিওটির শিরোনাম ছিল সচিবালয়ের সামনের রাস্তায় শিক্ষার্থীদের দখল নিয়ে এবং ক্যাপশনে #studentansarclash, #ansarprotest ইত্যাদি হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করা হয়েছে।

অর্থাৎ, ভিডিওটি ২৫ আগস্ট রাতের সচিবালয়-সংলগ্ন সংঘর্ষ-পরবর্তী পরিস্থিতির, ৫ আগস্টের কোনো ঘটনার নয়।
এ বিষয়ে আরও অনুসন্ধানে ২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট প্রকাশিত প্রথম আলোর একটি প্রতিবেদনে জানা যায়, চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে দিনভর সচিবালয় ঘেরাও করে রাখার পর ২৫ আগস্ট রাতে আনসার সদস্যদের সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, সচিবালয়ে নাহিদ ইসলাম, সারজিস আলম ও হাসনাত আব্দুল্লাহসহ কয়েকজন আটকে থাকার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর শিক্ষার্থীরা সেখানে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া শুরু হয়। এতে হাসনাত আব্দুল্লাহসহ অন্তত ৪০ জন শিক্ষার্থী আহত হন। পরে রাতের দিকে সেনাবাহিনী ও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
অর্থাৎ, ভিডিওটিকে ৫ আগস্টের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে যুক্ত করে ভুলভাবে প্রচার করা হয়েছে। সুতরাং, শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর নাহিদ ইসলামকে কাঁধে তুলে সেনাবাহিনীর সদস্যরা উল্লাস করেছিলেন বলে ভিডিওটি ভুল দাবিতে প্রচার করা হয়েছে।

ফেসবুকে সম্প্রতি সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রভাষক মারদিয়া মমতাজের জিনস পরিহিত ছবি দাবিতে একটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে।
১ দিন আগে
আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ফুয়াদের একটি ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে তাঁকে জুতার মালা পরানো দেখানো হয়েছে। তবে স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ছবিটি সম্পাদিত।
১ দিন আগে
স্ট্রিমের যাচাইয়ে দেখা গেছে, প্রতিমন্ত্রী এমন কোনো মন্তব্য করেননি। কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই তার নামে ভুয়া এই বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছে।
২ দিন আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে দুইটি ছবি ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, হজযাত্রী বহনকারী একটি গাড়ি সড়কে উল্টে গিয়ে বাংলাদেশি হজযাত্রীরা নিহত হয়েছেন (১,২)। পোস্টগুলোতে এমনভাবে বিষয়টি উপস্থাপন করা হয়েছে, যাতে মনে হয় এটি বাস্তব কোনো দুর্ঘটনার দৃশ্য।
২ দিন আগে