স্ট্রিম প্রতিবেদক

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে দলটির মেয়র প্রার্থী হিসেবে পরিচিত মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন ‘ডার্বি সিগারেট বিতরণ কর্মসূচি’ করেছেন।
ভিডিওটির ক্যাপশনে বলা হয়েছে, ‘ঢাকা উত্তরের মেয়র প্রার্থী সেলিম ভাইয়ের ডার্বি সিগারেট বিতরণ কর্মসূচি।’
এ ধরনের আরও পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে।
তবে যাচাইয়ে দেখা গেছে, দাবিটি সঠিক নয়। ভিডিওটি সিগারেট বিতরণের কোনো কর্মসূচির নয়। এটি আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে জামায়াত ঢাকা মহানগর উত্তরের মাদকবিরোধী গণসচেতনতামূলক কর্মসূচির। সেখানে সিগারেটের প্যাকেটের আদলে বানানো সচেতনতামূলক বাক্স ও লিফলেট বিতরণ করা হয়।
যাচাই করতে গিয়ে প্রথমে এটিএন বাংলার একটি ভিডিও প্রতিবেদন পাওয়া যায়। ভিডিওটির শিরোনামে বলা হয়েছে, ‘মাদক আমদানি বন্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে হবে: সেলিম উদ্দিন।’
ওই ভিডিওতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় জামায়াত ঢাকা মহানগর উত্তরের চার দিনব্যাপী মাদকবিরোধী গণসচেতনতামূলক কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠান হয়। সেখানে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য, ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির এবং ডিএনসিসির মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।
বাংলানিউজ২৪-এর ফেসবুক ভিডিওর ক্যাপশনে বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ‘সিগারেটের প্যাকেটের আদলে মাদকবিরোধী প্রচারণা।’ অর্থাৎ প্যাকেটের ডিজাইন সিগারেটের মতো করা হলেও সেটি সিগারেট বিতরণ নয়।
ওই ভিডিওতে সেলিম উদ্দিনকে বক্সটির উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করতে শোনা যায়। তিনি বলেন, এমন বক্সে লিফলেট দেওয়ার উদ্দেশ্য দৃষ্টি আকর্ষণ করা। এটিকে তিনি ‘নতুনত্ব’ ও ‘ক্রিয়েটিভিটি’ বলেও উল্লেখ করেন।
ভিডিওতে তিনি বক্সের ভেতরের বার্তাও পড়ে শোনান। সেখানে ধূমপানের কারণে অর্থ, সময় ও শ্রম অপচয়ের কথা বলা হয়। ফুসফুসের ক্যানসার, হৃদরোগ, স্ট্রোক ও শ্বাসকষ্টের ঝুঁকির কথাও উল্লেখ করা হয়। একই বার্তায় বলা হয়, ধূমপানের মতো ‘মৃদু মাদক’ থেকেই অনেক তরুণ একসময় মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে।
অর্থাৎ ভিডিওটি সিগারেট বিতরণের নয়। সিগারেটের প্যাকেটের আদলে বানানো একটি সচেতনতামূলক বক্স ব্যবহার করা হয়েছিল দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য। এর ভেতরে ছিল ধূমপান ও মাদকবিরোধী বার্তাসংবলিত লিফলেট।

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে দলটির মেয়র প্রার্থী হিসেবে পরিচিত মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন ‘ডার্বি সিগারেট বিতরণ কর্মসূচি’ করেছেন।
ভিডিওটির ক্যাপশনে বলা হয়েছে, ‘ঢাকা উত্তরের মেয়র প্রার্থী সেলিম ভাইয়ের ডার্বি সিগারেট বিতরণ কর্মসূচি।’
এ ধরনের আরও পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে।
তবে যাচাইয়ে দেখা গেছে, দাবিটি সঠিক নয়। ভিডিওটি সিগারেট বিতরণের কোনো কর্মসূচির নয়। এটি আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে জামায়াত ঢাকা মহানগর উত্তরের মাদকবিরোধী গণসচেতনতামূলক কর্মসূচির। সেখানে সিগারেটের প্যাকেটের আদলে বানানো সচেতনতামূলক বাক্স ও লিফলেট বিতরণ করা হয়।
যাচাই করতে গিয়ে প্রথমে এটিএন বাংলার একটি ভিডিও প্রতিবেদন পাওয়া যায়। ভিডিওটির শিরোনামে বলা হয়েছে, ‘মাদক আমদানি বন্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে হবে: সেলিম উদ্দিন।’
ওই ভিডিওতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় জামায়াত ঢাকা মহানগর উত্তরের চার দিনব্যাপী মাদকবিরোধী গণসচেতনতামূলক কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠান হয়। সেখানে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য, ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির এবং ডিএনসিসির মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।
বাংলানিউজ২৪-এর ফেসবুক ভিডিওর ক্যাপশনে বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ‘সিগারেটের প্যাকেটের আদলে মাদকবিরোধী প্রচারণা।’ অর্থাৎ প্যাকেটের ডিজাইন সিগারেটের মতো করা হলেও সেটি সিগারেট বিতরণ নয়।
ওই ভিডিওতে সেলিম উদ্দিনকে বক্সটির উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করতে শোনা যায়। তিনি বলেন, এমন বক্সে লিফলেট দেওয়ার উদ্দেশ্য দৃষ্টি আকর্ষণ করা। এটিকে তিনি ‘নতুনত্ব’ ও ‘ক্রিয়েটিভিটি’ বলেও উল্লেখ করেন।
ভিডিওতে তিনি বক্সের ভেতরের বার্তাও পড়ে শোনান। সেখানে ধূমপানের কারণে অর্থ, সময় ও শ্রম অপচয়ের কথা বলা হয়। ফুসফুসের ক্যানসার, হৃদরোগ, স্ট্রোক ও শ্বাসকষ্টের ঝুঁকির কথাও উল্লেখ করা হয়। একই বার্তায় বলা হয়, ধূমপানের মতো ‘মৃদু মাদক’ থেকেই অনেক তরুণ একসময় মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে।
অর্থাৎ ভিডিওটি সিগারেট বিতরণের নয়। সিগারেটের প্যাকেটের আদলে বানানো একটি সচেতনতামূলক বক্স ব্যবহার করা হয়েছিল দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য। এর ভেতরে ছিল ধূমপান ও মাদকবিরোধী বার্তাসংবলিত লিফলেট।
.png)

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচির পর তুরাগ নদ ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা দাবি ছড়িয়েছে। ফেসবুক ও এক্সে কয়েকটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, এগুলো তুরাগ নদ থেকে ছাত্রলীগ বা আওয়ামী লীগ কর্মীদের মরদেহ উদ্ধারের দৃশ্য।
১৯ ঘণ্টা আগে
ধান খেতের মাঝে সরু আইল ধরে হাঁটছে হলুদ ও গোলাপি পোশাক পরা এক শিশু। হাতে কালচে রঙের একটি বিড়াল। শিশুটির পেছন পেছন গুটি গুটি পায়ে হাঁটছে একটি শজারু।
২৮ জুন ২০২৬
ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, এক ট্রাফিক পুলিশ সদস্য আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার জন্য আকুতি করছেন। দাবি করা হয়েছে, লাইসেন্সবিহীন গাড়ি চালানোর দায়ে বিএনপি কর্মীকে মামলা দেওয়ায় তাঁকে আহত করা হয়েছে।
২৭ জুন ২০২৬
সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, কক্সবাজারে দিনে দুপুরে এক নারীকে অপহরণ করেছেন কক্সবাজার উপজেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আতাউর রহমান সফিক।
২৭ জুন ২০২৬