মাহজাবিন নাফিসা

‘পৃথিবীতে অসংখ্য খারাপ মানুষ আছে, কিন্তু একজনও খারাপ বাবা নেই’—কথাটি এই প্রজন্মের তরুণেরা শোনেননি, এমন কেউই বোধ হয় নেই। কথাটি জনপ্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদের। তাঁর লেখায় প্রায় সবরকম বাবারই দেখা মেলে।
আমাদের সমাজে বাবাদের সাধারণত কম কথা বলতে দেখা যায়। তারা মায়ের মতো বারবার জিজ্ঞেস করেন না, খেয়েছ কি না, রাতে ফিরতে দেরি হলে বারবার ফোনও করেন না। তবে সংসারের সবচেয়ে বড় দায়িত্বটি অধিকাংশ ক্ষেত্রে তাদের কাঁধেই থাকে। ফলে অনেক সন্তানের কাছে বাবার উপস্থিতি থাকে নীরবে—যার গুরুত্ব বোঝা যায় বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে।
বাংলা সাহিত্য ও নাটকে বাবা চরিত্রের নানা রূপ দেখা যায়। কোথাও তিনি কঠোর, কোথাও কর্তৃত্বপরায়ণ, কোথাও দূরত্ব তৈরি করে রাখা একজন অভিভাবক। কিন্তু হুমায়ূন আহমেদের সৃষ্টি করা বাবারা একটু আলাদা। তারা যেমন শাসন করেন, তেমনি স্বপ্নও দেখেন। সবচেয়ে বড় কথা, তারা শুধু বাবা নন, হয়ে ওঠেন রক্ত মাংসের মানুষ। তাদের দুর্বলতা আছে, ব্যর্থতা আছে, হাস্যরস আছে, অদ্ভুত সব বিশ্বাসও আছে।
এই চরিত্রগুলো এত বাস্তব মনে হওয়ার একটি কারণ সম্ভবত হুমায়ূন আহমেদের নিজের জীবন। তাঁর সাহিত্যজুড়ে বারবার ফিরে এসেছে নিজের বাবার স্মৃতি, বাবার প্রভাব এবং বাবাকে হারানোর বেদনা।
হুমায়ূন আহমেদের বাবা ফয়জুর রহমান আহমেদ ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি নিহত হন। তখন হুমায়ূন আহমেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। তরুণ বয়সেই বাবাকে হারানোর অভিজ্ঞতা তাঁর জীবনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।
হুমায়ূন আহমেদের বিভিন্ন স্মৃতিচারণমূলক লেখায় ফয়জুর রহমান আহমেদকে একজন বুদ্ধিমান, রসিক এবং শৃঙ্খলাপরায়ণ মানুষ হিসেবে পাওয়া যায়। সন্তানদের নিয়ে তাঁর বড় স্বপ্ন ছিল। তিনি চাইতেন তারা ভালো মানুষ হোক, নিজেদের যোগ্যতায় প্রতিষ্ঠিত হোক। এই স্বপ্নবাজ এবং প্রভাবশালী বাবার ছায়া পরবর্তীকালে হুমায়ূনের বহু চরিত্রে ছড়িয়ে পড়ে।
হুমায়ূনের যত রচনায় বাবা চরিত্র আছে, তারমধ্যে সম্ভবত হিমুর বাবা সবচেয়ে আলাদা। একেক পাঠকের কাছে তিনি একেক রকম। তিনি ছেলেকে ‘মহাপুরুষ’ বানানোর চেষ্টা করেছেন জন্মের পর থেকেই। কখনো ছেলেকে কুয়ায় ফেলে দিতে চান, কখনো ঘরে বন্দি করেন আবার কখনো টিয়াপাখি হত্যার মতো কাজ করেছেন, যেন ছোটবেলা থেকেই ছেলের মনে কোনো মায়া না জন্মায়। তবে ‘মানসিকভাবে অসুস্থ’ হিমুর বাবা শেষ পর্যন্ত কতটা সফল হতে পেরেছিলেন, তা অবশ্য হুমায়ূনের লেখা পড়ে বোঝা যায় না।
আবার আছেন বহুব্রীহি নাটকের রাগী বাবা, যার রাগের আড়ালে লুকিয়ে আছে নরম এক মন। তিনি মাছ নিয়ে ভাবেন, ক্ষুধা নিয়ে ভাবতে গিয়ে খাওয়া ছেড়ে দেন। ঠিক বাবার মতোই আগলে রাখেন বেকার ভাড়াটিয়ার এতিম সন্তানদের।
আজ রবিবার নাটকে আমরা দেখি তিতলি-কঙ্কার বাবা জামিলকে। তিনি নিজের বাবাকেই ভয় পান! অসাধারণ গান করেন, রাত জেগে মেয়েদের নিয়ে ছাদে জ্যোৎস্না দেখেন আবার নাটকও লেখেন। তাঁর সৃষ্টি বেশিরভাগ বাবা চরিত্রই পরিবারের বাইরে গিয়েও সবাইকে আগলে রাখে, অনেক বড় পরিবারের সবাইকে দেখে রাখে কিন্তু এতকিছুর মধ্যেও নিজেরা নিজেদের ভুলে যায় না। এতকিছুর মধ্যেও ঘুরতে যেতে, নিজের শখ পূরণ করতে, নিজেকে সময় দিতে কার্পণ্য করে না। শুভ্রের বাবার মতো বড় ব্যবসায়ী অথবা আগুনের পরশমণি সিনেমার বাবার মতো ছা-পোষা চাকুরিজীবী—শুধু নিজের সন্তানের নয়, অন্যের বাবা হয়ে উঠতেও তারা দ্বিধা করেননি।
হুমায়ূনের নাটকগুলোতে মধ্যবিত্ত পরিবারের যে বাবাদের দেখা যায়, তারা আমাদের চারপাশে দেখা খুব সাধারণ মানুষ। মাস শেষে সংসার চালানোর চিন্তা তাদের আছে, সন্তানের লেখাপড়া নিয়ে উদ্বেগ আছে, আবার নিজেদের অপূর্ণ স্বপ্নও আছে। এই বাস্তবতাই তাদের পাঠকের কাছে পরিচিত করে তোলে। তাদের রাগ আছে, কিন্তু হাস্যরসও আছে। তারা সন্তানকে শাসন করেন, আবার সন্তানদের অদ্ভুত কথায় মজা পান। তবে তারা সবসময় সঠিক সিদ্ধান্ত নেন এমন নয়। কখনো ভুল করেন, কখনো বিভ্রান্ত হন, কখনো নিজেরাই জীবনের অর্থ খুঁজতে থাকেন। এইগুলোই আমাদের মনে করিয়ে দেয় নিজেদের বাবার কথা। আমাদের বেশিরভাগ বাবাই শুধু আমাদের দিয়েই যান, নিজের জন্য বা নিজের স্বপ্নের জন্য কিছুই রাখেন না। তিনি আমাদের দেখান, বাবাদেরও নিজেদের জীবন থাকে।
হুমায়ূন আহমেদের রচনায় আমরা এমন কিছু চরিত্র প্রায়ই দেখি যারা চরিত্রের বাবা নন, কিন্তু পালন করছেন বাবার সব দায়িত্ব। বড় মামা, বড় চাচা বা খালু—হয়ে উঠছেন বাবার মতো দায়িত্বশীল। নিজে দায়িত্ব নিয়ে বিয়ে দেওয়া, হাতে টাকা গুঁজে দেওয়া বা শুধু দেখতে মন চাচ্ছে বলে গ্রাম থেকে দেখতে চলে আসা এই মামাও কিন্তু বাবার চেয়ে নেহাত কম নয়।
হুমায়ূনের অনেক চরিত্রের জীবনে বাবা অনুপস্থিত। কিন্তু অনুপস্থিত হয়েও তারা গল্পের ভেতরে উপস্থিত থাকেন।
বিশেষ করে হিমুর জীবন বাবার তৈরি করে দেওয়া দর্শনের মধ্যে আবদ্ধ। বাবা মারা গেছেন, কিন্তু তার ধারণা, শিক্ষা এবং প্রত্যাশা এখনও হিমুকে নিয়ন্ত্রণ করে। সে যতই স্বাধীন হতে চাক, বাবার প্রভাব থেকে পুরোপুরি মুক্ত হতে পারে না।
এখানে হুমায়ূন আহমেদের সৃষ্টি করা বেশিরভাগ বাবাই হয়ে উঠেছেন তাঁর নিজের বাবার মতো—গানপাগল, কিছুটা পাগলাটে, চিন্তায় গতানুগতিকের কিছুটা বাইরে।

‘পৃথিবীতে অসংখ্য খারাপ মানুষ আছে, কিন্তু একজনও খারাপ বাবা নেই’—কথাটি এই প্রজন্মের তরুণেরা শোনেননি, এমন কেউই বোধ হয় নেই। কথাটি জনপ্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদের। তাঁর লেখায় প্রায় সবরকম বাবারই দেখা মেলে।
আমাদের সমাজে বাবাদের সাধারণত কম কথা বলতে দেখা যায়। তারা মায়ের মতো বারবার জিজ্ঞেস করেন না, খেয়েছ কি না, রাতে ফিরতে দেরি হলে বারবার ফোনও করেন না। তবে সংসারের সবচেয়ে বড় দায়িত্বটি অধিকাংশ ক্ষেত্রে তাদের কাঁধেই থাকে। ফলে অনেক সন্তানের কাছে বাবার উপস্থিতি থাকে নীরবে—যার গুরুত্ব বোঝা যায় বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে।
বাংলা সাহিত্য ও নাটকে বাবা চরিত্রের নানা রূপ দেখা যায়। কোথাও তিনি কঠোর, কোথাও কর্তৃত্বপরায়ণ, কোথাও দূরত্ব তৈরি করে রাখা একজন অভিভাবক। কিন্তু হুমায়ূন আহমেদের সৃষ্টি করা বাবারা একটু আলাদা। তারা যেমন শাসন করেন, তেমনি স্বপ্নও দেখেন। সবচেয়ে বড় কথা, তারা শুধু বাবা নন, হয়ে ওঠেন রক্ত মাংসের মানুষ। তাদের দুর্বলতা আছে, ব্যর্থতা আছে, হাস্যরস আছে, অদ্ভুত সব বিশ্বাসও আছে।
এই চরিত্রগুলো এত বাস্তব মনে হওয়ার একটি কারণ সম্ভবত হুমায়ূন আহমেদের নিজের জীবন। তাঁর সাহিত্যজুড়ে বারবার ফিরে এসেছে নিজের বাবার স্মৃতি, বাবার প্রভাব এবং বাবাকে হারানোর বেদনা।
হুমায়ূন আহমেদের বাবা ফয়জুর রহমান আহমেদ ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি নিহত হন। তখন হুমায়ূন আহমেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। তরুণ বয়সেই বাবাকে হারানোর অভিজ্ঞতা তাঁর জীবনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।
হুমায়ূন আহমেদের বিভিন্ন স্মৃতিচারণমূলক লেখায় ফয়জুর রহমান আহমেদকে একজন বুদ্ধিমান, রসিক এবং শৃঙ্খলাপরায়ণ মানুষ হিসেবে পাওয়া যায়। সন্তানদের নিয়ে তাঁর বড় স্বপ্ন ছিল। তিনি চাইতেন তারা ভালো মানুষ হোক, নিজেদের যোগ্যতায় প্রতিষ্ঠিত হোক। এই স্বপ্নবাজ এবং প্রভাবশালী বাবার ছায়া পরবর্তীকালে হুমায়ূনের বহু চরিত্রে ছড়িয়ে পড়ে।
হুমায়ূনের যত রচনায় বাবা চরিত্র আছে, তারমধ্যে সম্ভবত হিমুর বাবা সবচেয়ে আলাদা। একেক পাঠকের কাছে তিনি একেক রকম। তিনি ছেলেকে ‘মহাপুরুষ’ বানানোর চেষ্টা করেছেন জন্মের পর থেকেই। কখনো ছেলেকে কুয়ায় ফেলে দিতে চান, কখনো ঘরে বন্দি করেন আবার কখনো টিয়াপাখি হত্যার মতো কাজ করেছেন, যেন ছোটবেলা থেকেই ছেলের মনে কোনো মায়া না জন্মায়। তবে ‘মানসিকভাবে অসুস্থ’ হিমুর বাবা শেষ পর্যন্ত কতটা সফল হতে পেরেছিলেন, তা অবশ্য হুমায়ূনের লেখা পড়ে বোঝা যায় না।
আবার আছেন বহুব্রীহি নাটকের রাগী বাবা, যার রাগের আড়ালে লুকিয়ে আছে নরম এক মন। তিনি মাছ নিয়ে ভাবেন, ক্ষুধা নিয়ে ভাবতে গিয়ে খাওয়া ছেড়ে দেন। ঠিক বাবার মতোই আগলে রাখেন বেকার ভাড়াটিয়ার এতিম সন্তানদের।
আজ রবিবার নাটকে আমরা দেখি তিতলি-কঙ্কার বাবা জামিলকে। তিনি নিজের বাবাকেই ভয় পান! অসাধারণ গান করেন, রাত জেগে মেয়েদের নিয়ে ছাদে জ্যোৎস্না দেখেন আবার নাটকও লেখেন। তাঁর সৃষ্টি বেশিরভাগ বাবা চরিত্রই পরিবারের বাইরে গিয়েও সবাইকে আগলে রাখে, অনেক বড় পরিবারের সবাইকে দেখে রাখে কিন্তু এতকিছুর মধ্যেও নিজেরা নিজেদের ভুলে যায় না। এতকিছুর মধ্যেও ঘুরতে যেতে, নিজের শখ পূরণ করতে, নিজেকে সময় দিতে কার্পণ্য করে না। শুভ্রের বাবার মতো বড় ব্যবসায়ী অথবা আগুনের পরশমণি সিনেমার বাবার মতো ছা-পোষা চাকুরিজীবী—শুধু নিজের সন্তানের নয়, অন্যের বাবা হয়ে উঠতেও তারা দ্বিধা করেননি।
হুমায়ূনের নাটকগুলোতে মধ্যবিত্ত পরিবারের যে বাবাদের দেখা যায়, তারা আমাদের চারপাশে দেখা খুব সাধারণ মানুষ। মাস শেষে সংসার চালানোর চিন্তা তাদের আছে, সন্তানের লেখাপড়া নিয়ে উদ্বেগ আছে, আবার নিজেদের অপূর্ণ স্বপ্নও আছে। এই বাস্তবতাই তাদের পাঠকের কাছে পরিচিত করে তোলে। তাদের রাগ আছে, কিন্তু হাস্যরসও আছে। তারা সন্তানকে শাসন করেন, আবার সন্তানদের অদ্ভুত কথায় মজা পান। তবে তারা সবসময় সঠিক সিদ্ধান্ত নেন এমন নয়। কখনো ভুল করেন, কখনো বিভ্রান্ত হন, কখনো নিজেরাই জীবনের অর্থ খুঁজতে থাকেন। এইগুলোই আমাদের মনে করিয়ে দেয় নিজেদের বাবার কথা। আমাদের বেশিরভাগ বাবাই শুধু আমাদের দিয়েই যান, নিজের জন্য বা নিজের স্বপ্নের জন্য কিছুই রাখেন না। তিনি আমাদের দেখান, বাবাদেরও নিজেদের জীবন থাকে।
হুমায়ূন আহমেদের রচনায় আমরা এমন কিছু চরিত্র প্রায়ই দেখি যারা চরিত্রের বাবা নন, কিন্তু পালন করছেন বাবার সব দায়িত্ব। বড় মামা, বড় চাচা বা খালু—হয়ে উঠছেন বাবার মতো দায়িত্বশীল। নিজে দায়িত্ব নিয়ে বিয়ে দেওয়া, হাতে টাকা গুঁজে দেওয়া বা শুধু দেখতে মন চাচ্ছে বলে গ্রাম থেকে দেখতে চলে আসা এই মামাও কিন্তু বাবার চেয়ে নেহাত কম নয়।
হুমায়ূনের অনেক চরিত্রের জীবনে বাবা অনুপস্থিত। কিন্তু অনুপস্থিত হয়েও তারা গল্পের ভেতরে উপস্থিত থাকেন।
বিশেষ করে হিমুর জীবন বাবার তৈরি করে দেওয়া দর্শনের মধ্যে আবদ্ধ। বাবা মারা গেছেন, কিন্তু তার ধারণা, শিক্ষা এবং প্রত্যাশা এখনও হিমুকে নিয়ন্ত্রণ করে। সে যতই স্বাধীন হতে চাক, বাবার প্রভাব থেকে পুরোপুরি মুক্ত হতে পারে না।
এখানে হুমায়ূন আহমেদের সৃষ্টি করা বেশিরভাগ বাবাই হয়ে উঠেছেন তাঁর নিজের বাবার মতো—গানপাগল, কিছুটা পাগলাটে, চিন্তায় গতানুগতিকের কিছুটা বাইরে।
.png)

স্বাধীনতার পর যে কয়জন কবি-সাহিত্যিক দেশের সাহিত্যজগতে পরিবর্তন এনেছেন তাঁদের মধ্যে রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ অন্যতম। কবির জন্ম থেকে বেড়ে ওঠা সবই ছিল দেশের অস্থির সময়ে।
৩ ঘণ্টা আগে
বাবা দিবস এলে আমরা স্বাভাবিকভাবেই আবেগীয় আবহে ডুবে যাই। ফেসবুকের ওয়ালজুড়ে বাবার সঙ্গে তোলা ছবি কিংবা পুরোনো স্মৃতির রোমন্থন চোখে পড়ে। কিন্তু যাদের বাবা নেই? তাঁদের জন্য দিনটি তীব্র হাহাকারের। বাবা মানে বটগাছ, যার ছায়া মাথার ওপর থাকলে যেকোনো ঝড়ের বিরুদ্ধে বুক টান করে দাঁড়িয়ে থাকা যায়। এই নির্ভরতার জা
৩ ঘণ্টা আগে
ভাতকাপড়ের দুশ্চিন্তা করেই সমস্ত জীবনটা কাটলো আপনার। কোনো শিল্প, কোনো সম্ভোগ, কোনো উদাসীনতা আপনাকে স্পর্শ করলো না।
৮ ঘণ্টা আগে
দেশের প্রথম আইএসএ স্বীকৃত সার্ফিং কোচ ও আন্তর্জাতিক লাইফসেভিং রেফারি সাইফুল্লাহ সিফাত। গত এক যুগে তাঁর হাত ধরে সার্ফিং শিখেছেন দেশ-বিদেশের ২০০-এর বেশি তরুণ-তরুণী।
১ দিন আগে