হুমায়ূন আহমেদের লেখা•সকল কাঁটা ধন্য করেহলের বাসার টানা বারান্দায় বসে রাত জেগে কত লেখালেখি করেছি। গুলির শব্দে মাঝে মাঝে লেখায় যেমন বাধা পড়েছে তেমনি অন্যরকম ব্যাপারও ঘটেছে। হঠাৎ শোনা গেল–বাঁশি বাজছে। কাঁচা হাতের বাজনা না, বড়ই সুন্দর হাত। লেখালেখি বন্ধ করে বাঁশি শুনেছি।১৯ জুলাই ২০২৬
হুমায়ূন আহমেদের বইয়ের প্রকৃত সংখ্যা কত, যা বলছেন প্রকাশকরাবাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদের বইয়ের আসল সংখ্যা কত—এই নিয়ে পাঠক, লেখক ও প্রকাশকদের মধ্যে প্রায়ই নানা আলোচনা শোনা যায়। কেউ বলেন তাঁর বইয়ের সংখ্যা আড়াইশ, আবার কারও মতে তা তিনশ থেকে চারশ।১৯ জুলাই ২০২৬
হুমায়ূনকে লেখা মিসির আলির চিঠি•প্রিয় লেখক, হিমুকে কেন অস্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় বড় করেছেনহুমায়ূন আহমেদের অন্যতম আলোচিত ও জনপ্রিয় চরিত্র মিসির আলি। জগতের নানা রহস্যের অন্তসারশূন্যতা প্রমাণ করাই তাঁর কাজ। তিনি যদি হিমু চরিত্রের রহস্য উন্মোচন করতে চাইতেন, তাহলে কীভাবে করতেন, সেই চেষ্টাই করা হয়েছে এই কাল্পনিক চিঠিতে।১৯ জুলাই ২০২৬
অ্যালগরিদমে ‘হুমায়ূন Mode’ অন করার আগে কয়েকটা কথাহুমায়ূন আহমেদ মারা গেছেন সেই ২০১২ সালে। কোনো রাইটার মইরা যাওয়ার পরে ইউজুয়ালি তার লিটারেরি জনরার সার্কুলেশনে একটা ন্যাচারাল ডিজরাপশন আসে। কিন্তু মারা যাওয়ার ১৪ বছর পরেও দেখা যাইতেছে, বাংলাদেশের কালচারাল পেরিফেরিতে 'হুমায়ূনীয়' লিটারেরি জনরার সার্কুলেশন বহাল তবিয়তেই আছে।২৩ জুন ২০২৬
এত অদ্ভূত কেন হুমায়ূন আহমেদের গল্পের বাবারাআমাদের সমাজে বাবারা সাধারণত কম কথা বলেন। তারা মায়ের মতো বারবার জিজ্ঞেস করেন না খেয়েছ কি না, রাতে ফিরতে দেরি হলে বারবার ফোনও করেন না। তবে সংসারের সবচেয়ে বড় দায়িত্বটি প্রায়শই তাদের কাঁধেই থাকে। ফলে অনেক সন্তানের কাছে বাবা হয়ে ওঠেন নীরব উপস্থিতি—যার গুরুত্ব বোঝা যায় বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে।২১ জুন ২০২৬
ধীরে হাঁটার দিন•হলুদ পাঞ্জাবি না থাকলেও চলবে, আজ একটু হিমু হয়ে যানআজ ১৯ জুন, ‘ওয়ার্ল্ড স্যান্টারিং ডে’ বা ‘বিশ্ব ধীরে হাঁটা দিবস’। ‘স্যান্টারিং’ শব্দের অর্থ হলো কোনো নির্দিষ্ট গন্তব্যের তাড়া না রেখে আয়েশি ভঙ্গিতে উদ্দেশ্যহীনভাবে চারপাশটা দু’চোখ ভরে দেখতে দেখতে হেঁটে বেড়ানো। ১৯৭৯ সালে ডব্লিউ টি র্যাবে মানুষের ব্যস্ততা ও ক্যালোরি পোড়ানোর ফিটনেস-আসক্তির প্রতিবাদে এই১৯ জুন ২০২৬