আজ বিশ্ব শিক্ষক দিবস
ইতালির তুসকানি রাজ্যের ফ্লোরেন্সের কাছেই অবস্থিত এক অখ্যাত গ্রাম বারবিয়ানা। সেই গ্রামে এক স্কুল ছিল। সেই স্কুলের আটজন ছাত্র মিলে তাদের শিক্ষকদের লিখেছিল কিছু কথা। জীবন ঘষে পাওয়া সেই প্রতিটা শব্দ যেন ভাবায় আমাদের, জানায় অমিত সম্ভাবনার জীবনকে কীভাবে আমরা নষ্ট করে ফেলি অযোগ্য মানুষের ভুল দিকনির্দেশনায়। আজ বিশ্ব শিক্ষক দিবসে জানা যাক সেই বইয়ের কথা।
তারেক অণু

কিছু হাড়-বজ্জাত বেআক্কেল শিক্ষকের কারণে আমার জীবনটা স্কুল ও কলেজ জীবনে নরক হয়ে উঠেছিল। তাঁরা পড়াতে জানতেন না। জানতেন না অত্যন্ত সংবেদনশীল শিশু-কিশোরদের সঙ্গে কীভাবে কথা বলে তাদের জীবনের প্রতি, অধ্যয়নের প্রতি ভালোবাসা জাগাতে হয়। যদিও কিছু চমৎকার ব্যক্তিত্বসম্পন্ন রূপকথার রাজপুত্রের মতো শিক্ষকও পেয়েছি জীবনে। কিন্তু তাঁরা সংখ্যায় অত্যন্ত কম।
এই কারণেই আপনাকেও যদি জিজ্ঞাসা করি, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে আপনার প্রিয় শিক্ষক কে, তখন দেখা যাবে, ঘুরেফিরে প্রতিটি ব্যাচে মাত্র এক বা দুইজন শিক্ষকের নাম আসছে। শুনলাম আজ শিক্ষক দিবস। শুধু এই দিবসে নয়, আমার ভালোবাসার শিক্ষকদের মনের মুকুরে রেখেছি সবসময়। কিন্তু শিক্ষক নামের কিছু অথর্ব জঞ্জালদের ক্ষমা করার সামর্থ্য আমার এখনো হয়নি!
অনেক অনেক বছর পর একটি বই পড়লাম, যার প্রতিটি লাইন ভাবালো। খুব যে নতুন করে ভাবালো তা নয়, কারণ অনেক অনেক শব্দ-বাক্য-ভাবনা-অভিজ্ঞতায় নিজের স্কুল-কলেজ জীবনের মিল খুঁজে পেতে পেতে যেন সেই জগতে ফিরে গেলাম।

ক্ষমতা থাকলে বাংলাদেশের (বিশ্বের সকল দেশের) প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, সবার আগে অবশ্যই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে, তারপর মাধ্যমিক, উচ্চ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেক শিক্ষকের পড়ার জন্য বাধ্যতামূলক করে দিতাম। আর তারপরে পড়ার ব্যবস্থা করতাম ছাত্রদের জন্যও।
নিশ্চিত ভাবেই এই বই একবার পাঠ করে তা উপলব্ধি করলে, সে আর আগের মানুষটি থাকে না। অন্তত কিছুটা হলেও আলোর চেতনা তাঁর ভেতরে জাগ্রত হয়।
ইতালির তুসকানি রাজ্যের ফ্লোরেন্সের কাছেই অবস্থিত এক অখ্যাত গ্রাম বারবিয়ানা। সেই গ্রামে এক স্কুল ছিল। সেই স্কুলের আটজন ছাত্র মিলে তাদের শিক্ষকদের লিখেছিল কিছু কথা। জীবন ঘষে পাওয়া সেই প্রতিটা শব্দ যেন ভাবায় আমাদের, জানায় অমিত সম্ভাবনার জীবনকে কীভাবে আমরা নষ্ট করে ফেলি অযোগ্য মানুষের ভুল দিকনির্দেশনায়।
এই বই নিয়ে মারভিন হফম্যান নামের এক মার্কিন শিক্ষক লিখেছিলেন, ‘সবার আগে আমি সাধুবাদ দেব বারবিয়ানার ছেলেদের। ১৯৬০ সালের এই ছেলেদের কথা আজও অনুরণিত হয়ে চলেছে সারা আমেরিকা জুড়ে, তথা সারা পৃথিবী জুড়ে। দুঃখের কথা, কারণ সেই ছেলেরা যে সমস্যাগুলোকে উদ্দেশ্য করে কথাগুলি লিখেছিল, সেসব সমস্যা একইভাবে পৃথিবীর সমস্ত পড়ুয়াকে আর শিক্ষকদের আচ্ছন্ন করে রেখেছে। কিন্তু ছেলেদের কণ্ঠস্বরের দিক থেকে গৌরবের কথাও বটে। তারা কী অসাধারণ গভীরতায় সমস্যাগুলোকে চিহ্নিত করেছিল! সে কথা ভাবলে আশ্চর্য হতেই হয়।’
লোরেনজো মিলানি নামের এক রোমান ক্যাথলিক পাদ্রী জীবনের প্রথম থেকেই চেষ্টা করছিলেন জনগণের স্কুল প্রতিষ্ঠা করার। প্রত্যন্ত বারবিয়ানা গ্রামে তিনি বদলি হয়েছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন শিক্ষা থেকে দূরে সরিয়ে রাখা ‘অশিক্ষিত’ আর নিপীড়িত মানুষের ‘সার্বভৌম ব্যক্তিত্বে’ পরিণত করতে। যারা স্বাধীনভাবে চিন্তা করতে পারবে, নিজেদের মনের চিন্তা প্রকাশ করতে পারবে এবং সেই চিন্তার সমর্থনে বিতর্ক চালাতে পারবে।
যুদ্ধবিরোধী চিন্তা প্রচার করায় তাঁর নামে মামলা রজু করে ইতালির সরকার। মামলা চলা অবস্থায়ই মাত্র ৪৪ বছর বয়সে মিলানি মারা যান। সেই সময়ের মাঝেও তাঁর একাধিক বই নিষিদ্ধ করেছিল সরকার। নিষিদ্ধের পক্ষে যুক্তি ছিল—ধর্মদ্রোহ ও যুদ্ধবিরোধিতা ইত্যাদি!
বইয়ের প্রথম কয়েক লাইন তুলে দেবার লোভ সামলাতে পারছি না,
‘প্রিয় স্যার,
আমাকে আপনার মনে পড়বে না। আমার নামও নিশ্চয় আপনি ভুলে গেছেন। আপনি আমাকে আর আমার মতো অনেককে অনেকবার ফেল করিয়েছেন।
আমি কিন্তু আপনার কথা অনেক ভেবেছি, আপনার মতো শিক্ষকদের নিয়ে চিন্তা করেছি। যে অচলায়তনটিকে আপনার ‘স্কুল’ বলেন তার আসল চেহারা দেখেছি। সেইসব ছেলেমেয়েদের কথা আমার মাথায় ঘুরে বেড়িয়েছে যাদের আপনারা ফেল করিয়ে কলে-কারখানায় আর মাঠে ছড়িয়ে দেন। আর বেমালুম ভুলে যান তাদের কথা।’
এই-ই শুরু। এরপর একে একে এসেছে নানা অবহেলা, শোষণ ও বঞ্ছনার কথা। এই ছাত্র তাঁর শিক্ষকদের বলতে বাধ্য হন, ‘আপনাদের সংস্কৃতির ব্যাপারটাই এই, আপনারা মনে করেন আপনারাই গোটা দুনিয়া।’
সেই ‘লেখক’ ছাত্রের কথাও আছে। যে শিক্ষক হয়ে মাঝে মাঝে ক্লাসে ইচ্ছা করে সামান্য ভুল করে সমস্ত ছাত্রদের কাতারে নিজেকে সামিল করতেন। আবার খুব সুন্দর করে সবাইকে নিয়ে গুছিয়ে ক্লাস শেষ করতেন। সেইসঙ্গে নিজেদের শিক্ষকদের অথর্ব শিক্ষা পদ্ধতির তুলনাও করতেন। পরীক্ষা নিয়ে তিনি সরাসরি বলেছেন, ‘পরীক্ষা ব্যাপারটাই, জানেন, তুলে দেওয়া উচিত। আর যদি পরীক্ষা নিতেই হয় তাহলে অন্তত সুবিচার যাতে হয় সেটা দেখা উচিত। অযথা কঠিন প্রশ্ন করে ছাত্র ঠকানোর প্রবণতা যেন না থাকে পরীক্ষকের। ছাত্ররা তো আর শত্রুপক্ষ নয়!
তবু আপনারা কঠিন কঠিন প্রশ্ন করে অবান্তর সমস্যা সাজিয়ে ছাত্রদের বিপদে ফেলেন। কেন করেন এমন? ছাত্রদের ভালোর জন্য?’
আরো ঝরঝরে ভাষায় বলা আছে উচ্চবিত্তদের সন্তানের প্রতি শিক্ষকদের পক্ষপাতিত্ব। গরীবের সন্তানকে সরাসরি তাঁর বাবার সামলেই বলা ‘এর মাথায় কিছু নেই্, ওর দ্বারা কিছু হবে না’। কোচিং ব্যবসার বিরুদ্ধে মতামত, এমন অনেক অনেক অনেক কিছু।
শিক্ষক বন্ধুরা, আপনার অন্তত বইটা পড়ুন। আপনাদের ছাত্র-ছাত্রীরা কিছুটা হলেও শুধুই ভালো ছাত্র না হয়ে, আলোকিত মানুষ হবার দিকে এগিয়ে যাক।
‘লেটার টু এ টিচার’ (লেত্তেরা আ উনা প্রোফেসোরসা) বইটি ১৯৬৭ সালে ইতালিতে প্রকাশিত হয়। সলিল বিশ্বাসের বাংলা অনুবাদে বইটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৮৭ সালে।

কিছু হাড়-বজ্জাত বেআক্কেল শিক্ষকের কারণে আমার জীবনটা স্কুল ও কলেজ জীবনে নরক হয়ে উঠেছিল। তাঁরা পড়াতে জানতেন না। জানতেন না অত্যন্ত সংবেদনশীল শিশু-কিশোরদের সঙ্গে কীভাবে কথা বলে তাদের জীবনের প্রতি, অধ্যয়নের প্রতি ভালোবাসা জাগাতে হয়। যদিও কিছু চমৎকার ব্যক্তিত্বসম্পন্ন রূপকথার রাজপুত্রের মতো শিক্ষকও পেয়েছি জীবনে। কিন্তু তাঁরা সংখ্যায় অত্যন্ত কম।
এই কারণেই আপনাকেও যদি জিজ্ঞাসা করি, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে আপনার প্রিয় শিক্ষক কে, তখন দেখা যাবে, ঘুরেফিরে প্রতিটি ব্যাচে মাত্র এক বা দুইজন শিক্ষকের নাম আসছে। শুনলাম আজ শিক্ষক দিবস। শুধু এই দিবসে নয়, আমার ভালোবাসার শিক্ষকদের মনের মুকুরে রেখেছি সবসময়। কিন্তু শিক্ষক নামের কিছু অথর্ব জঞ্জালদের ক্ষমা করার সামর্থ্য আমার এখনো হয়নি!
অনেক অনেক বছর পর একটি বই পড়লাম, যার প্রতিটি লাইন ভাবালো। খুব যে নতুন করে ভাবালো তা নয়, কারণ অনেক অনেক শব্দ-বাক্য-ভাবনা-অভিজ্ঞতায় নিজের স্কুল-কলেজ জীবনের মিল খুঁজে পেতে পেতে যেন সেই জগতে ফিরে গেলাম।

ক্ষমতা থাকলে বাংলাদেশের (বিশ্বের সকল দেশের) প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, সবার আগে অবশ্যই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে, তারপর মাধ্যমিক, উচ্চ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেক শিক্ষকের পড়ার জন্য বাধ্যতামূলক করে দিতাম। আর তারপরে পড়ার ব্যবস্থা করতাম ছাত্রদের জন্যও।
নিশ্চিত ভাবেই এই বই একবার পাঠ করে তা উপলব্ধি করলে, সে আর আগের মানুষটি থাকে না। অন্তত কিছুটা হলেও আলোর চেতনা তাঁর ভেতরে জাগ্রত হয়।
ইতালির তুসকানি রাজ্যের ফ্লোরেন্সের কাছেই অবস্থিত এক অখ্যাত গ্রাম বারবিয়ানা। সেই গ্রামে এক স্কুল ছিল। সেই স্কুলের আটজন ছাত্র মিলে তাদের শিক্ষকদের লিখেছিল কিছু কথা। জীবন ঘষে পাওয়া সেই প্রতিটা শব্দ যেন ভাবায় আমাদের, জানায় অমিত সম্ভাবনার জীবনকে কীভাবে আমরা নষ্ট করে ফেলি অযোগ্য মানুষের ভুল দিকনির্দেশনায়।
এই বই নিয়ে মারভিন হফম্যান নামের এক মার্কিন শিক্ষক লিখেছিলেন, ‘সবার আগে আমি সাধুবাদ দেব বারবিয়ানার ছেলেদের। ১৯৬০ সালের এই ছেলেদের কথা আজও অনুরণিত হয়ে চলেছে সারা আমেরিকা জুড়ে, তথা সারা পৃথিবী জুড়ে। দুঃখের কথা, কারণ সেই ছেলেরা যে সমস্যাগুলোকে উদ্দেশ্য করে কথাগুলি লিখেছিল, সেসব সমস্যা একইভাবে পৃথিবীর সমস্ত পড়ুয়াকে আর শিক্ষকদের আচ্ছন্ন করে রেখেছে। কিন্তু ছেলেদের কণ্ঠস্বরের দিক থেকে গৌরবের কথাও বটে। তারা কী অসাধারণ গভীরতায় সমস্যাগুলোকে চিহ্নিত করেছিল! সে কথা ভাবলে আশ্চর্য হতেই হয়।’
লোরেনজো মিলানি নামের এক রোমান ক্যাথলিক পাদ্রী জীবনের প্রথম থেকেই চেষ্টা করছিলেন জনগণের স্কুল প্রতিষ্ঠা করার। প্রত্যন্ত বারবিয়ানা গ্রামে তিনি বদলি হয়েছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন শিক্ষা থেকে দূরে সরিয়ে রাখা ‘অশিক্ষিত’ আর নিপীড়িত মানুষের ‘সার্বভৌম ব্যক্তিত্বে’ পরিণত করতে। যারা স্বাধীনভাবে চিন্তা করতে পারবে, নিজেদের মনের চিন্তা প্রকাশ করতে পারবে এবং সেই চিন্তার সমর্থনে বিতর্ক চালাতে পারবে।
যুদ্ধবিরোধী চিন্তা প্রচার করায় তাঁর নামে মামলা রজু করে ইতালির সরকার। মামলা চলা অবস্থায়ই মাত্র ৪৪ বছর বয়সে মিলানি মারা যান। সেই সময়ের মাঝেও তাঁর একাধিক বই নিষিদ্ধ করেছিল সরকার। নিষিদ্ধের পক্ষে যুক্তি ছিল—ধর্মদ্রোহ ও যুদ্ধবিরোধিতা ইত্যাদি!
বইয়ের প্রথম কয়েক লাইন তুলে দেবার লোভ সামলাতে পারছি না,
‘প্রিয় স্যার,
আমাকে আপনার মনে পড়বে না। আমার নামও নিশ্চয় আপনি ভুলে গেছেন। আপনি আমাকে আর আমার মতো অনেককে অনেকবার ফেল করিয়েছেন।
আমি কিন্তু আপনার কথা অনেক ভেবেছি, আপনার মতো শিক্ষকদের নিয়ে চিন্তা করেছি। যে অচলায়তনটিকে আপনার ‘স্কুল’ বলেন তার আসল চেহারা দেখেছি। সেইসব ছেলেমেয়েদের কথা আমার মাথায় ঘুরে বেড়িয়েছে যাদের আপনারা ফেল করিয়ে কলে-কারখানায় আর মাঠে ছড়িয়ে দেন। আর বেমালুম ভুলে যান তাদের কথা।’
এই-ই শুরু। এরপর একে একে এসেছে নানা অবহেলা, শোষণ ও বঞ্ছনার কথা। এই ছাত্র তাঁর শিক্ষকদের বলতে বাধ্য হন, ‘আপনাদের সংস্কৃতির ব্যাপারটাই এই, আপনারা মনে করেন আপনারাই গোটা দুনিয়া।’
সেই ‘লেখক’ ছাত্রের কথাও আছে। যে শিক্ষক হয়ে মাঝে মাঝে ক্লাসে ইচ্ছা করে সামান্য ভুল করে সমস্ত ছাত্রদের কাতারে নিজেকে সামিল করতেন। আবার খুব সুন্দর করে সবাইকে নিয়ে গুছিয়ে ক্লাস শেষ করতেন। সেইসঙ্গে নিজেদের শিক্ষকদের অথর্ব শিক্ষা পদ্ধতির তুলনাও করতেন। পরীক্ষা নিয়ে তিনি সরাসরি বলেছেন, ‘পরীক্ষা ব্যাপারটাই, জানেন, তুলে দেওয়া উচিত। আর যদি পরীক্ষা নিতেই হয় তাহলে অন্তত সুবিচার যাতে হয় সেটা দেখা উচিত। অযথা কঠিন প্রশ্ন করে ছাত্র ঠকানোর প্রবণতা যেন না থাকে পরীক্ষকের। ছাত্ররা তো আর শত্রুপক্ষ নয়!
তবু আপনারা কঠিন কঠিন প্রশ্ন করে অবান্তর সমস্যা সাজিয়ে ছাত্রদের বিপদে ফেলেন। কেন করেন এমন? ছাত্রদের ভালোর জন্য?’
আরো ঝরঝরে ভাষায় বলা আছে উচ্চবিত্তদের সন্তানের প্রতি শিক্ষকদের পক্ষপাতিত্ব। গরীবের সন্তানকে সরাসরি তাঁর বাবার সামলেই বলা ‘এর মাথায় কিছু নেই্, ওর দ্বারা কিছু হবে না’। কোচিং ব্যবসার বিরুদ্ধে মতামত, এমন অনেক অনেক অনেক কিছু।
শিক্ষক বন্ধুরা, আপনার অন্তত বইটা পড়ুন। আপনাদের ছাত্র-ছাত্রীরা কিছুটা হলেও শুধুই ভালো ছাত্র না হয়ে, আলোকিত মানুষ হবার দিকে এগিয়ে যাক।
‘লেটার টু এ টিচার’ (লেত্তেরা আ উনা প্রোফেসোরসা) বইটি ১৯৬৭ সালে ইতালিতে প্রকাশিত হয়। সলিল বিশ্বাসের বাংলা অনুবাদে বইটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৮৭ সালে।
.png)

ইন্টারনেটের হাজারো নেতিবাচকতার ভিড়ে প্রাণীদের ‘কিউট’ ভিডিও ছিল এক চিলতে স্বস্তি। কিন্তু এআই-এর যুগে সেই নির্ভেজাল বিশ্বাসে এখন ফাটল ধরেছে। কোনো ভিডিও দেখে হাসার বদলে আমাদের মনে আগে প্রশ্ন জাগছে, এটি কি আসল নাকি এআই দিয়ে তৈরি? অবিশ্বাসের এই ডিজিটাল চোরাবালিতে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন উঠছে, আমাদের ছোট ছোট আনন্দ
১৯ ঘণ্টা আগে
সমকালীন বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক জগতে এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। জনপ্রিয়তা ও মননশীলতার মেলবন্ধনের দুর্লভ উদাহরণ তিনি। সৃজনশীল ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি তিনি একজন কর্মবীর। আজ তিনি সাতাশি বছর পূর্ণ করলেন।
২০ ঘণ্টা আগে
এইতো কিছুদিন আগে কথা। অফিস থেকে বেরিয়ে বিশেষ একটি কাজে শাহবাগের উদ্দেশ্যে রিকশায় উঠেছিলাম। বিকেলের ব্যস্ত ঢাকার চিরচেনা যানজটে রিকশাটি একসময় থেমে গেল। চারপাশে শুধু হর্নের শব্দ, মানুষের কোলাহল আর অসংখ্য গাড়ির সারি। ঠিক সেই মুহূর্তেই কানে ভেসে এলো এক পরিচিত সুর ‘আলো আমার আলো ওগো, আলো ভুবনভরা’…!
১ দিন আগে
প্রাক-আধুনিক যুগের আদর্শবাদী তারুণ্য থেকে শুরু করে আধুনিক যুগের টেক-স্যাভি ‘জেন জি’ প্রজন্ম—প্রতিটি যুগের তারুণ্যের রক্তস্রোত প্রমাণ করেছে যে বন্দুকের নল বা রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন দিয়ে মানুষের মুক্তির স্পৃহাকে চিরতরে বন্দি করা যায় না। আর এই প্রতিটি রক্তঝরা লড়াইয়ে নারীর সক্রিয়, সমান্তরাল, আপসহীন ও বীরত্বপূ
১ দিন আগে