আজ ১৯ জানুয়ারি কাজী আনোয়ার হোসেনের মৃত্যুদিন। তিনি বাংলাদেশে রহস্য-রোমাঞ্চ সাহিত্যের পথিকৃৎ। সেবা প্রকাশনী নামে একটি বই প্রকাশনা সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি। সেখান থেকে প্রকাশ করেছেন শিশু–কিশোর উপযোগী অসংখ্য ধ্রুপদি বিদেশি সাহিত্য।
মারুফ ইসলাম

উত্তাল ঢেউয়ের মাথায় কচুরিপানা যেমন নাচে, আমার অবস্থা তখন তেমন। ভয় ও রোমাঞ্চকর অনুভূতিতে কাঁপছিলাম। অনেক আবেগ ঢেলে গভীর প্রেমের একটি গল্প লিখেছি। সুতরাং রোমাঞ্চ তো হবেই। কিন্তু ভয়ও হচ্ছিল। গল্পটা যেখানে পাঠিয়েছি, সেখানে ছাপা হবে তো?
তখন ফেরত খামসহ পত্রিকায় লেখা পাঠানোর যুগ। অর্থাৎ যে খামে করে ডাকবিভাগ মারফত লেখা পাঠিয়েছি, সেখানে আরেকটা অব্যবহৃত খাম দিয়েছি। সেই খামে আমারই ঠিকানা ছিল। আমিও ফেরত খামসহ পাঠিয়েছি। তারপর তীর্থের কাকের মতো অপেক্ষা করছি। লেখা ছাপা হয় না… লেখা ছাপা হয় না।
প্রায় মাস তিনেক পর সেই ফেরত খাম ফিরে এল। দিনটি এখনো চৈত্রের খরো রৌদ্রের মতো ক্যাটকেটে হলুদ রঙের স্মৃতি হয়ে আছে।
স্মৃতিটা এমন– এক প্লেট অন্ন গিলে ভাতঘুম দিয়েছি। থাকি বগুড়ার সেউজগাড়ির একটি মেসে। রুমমেট সেই সকালে বেরিয়ে গেছে ক্লাস করতে। ঘুমের ব্যাঘাত ঘটানোর কেউ নেই। তারপরও ব্যাঘাত ঘটল। সবে জমে আসা ঘুম ভেঙে গেল দরজায় ঠক ঠক আওয়াজে। তখন তিনটা কি সাড়ে তিনটা বাজে। পুরোপুরি বিকেল হয়নি।
ঘুম ঘুম চোখে দরজা খুলে দেখি, খাকির মতো পোশাক পরা একজন লোক দাঁড়িয়ে আছে। আমার দিকে একটি খাম এগিয়ে দিয়ে বললেন, ‘আপনার চিঠি…।’
সবে ঘুমভাঙা ঝাপসা চোখে চিঠি হাতে নিয়ে হতভম্ব হয়ে গেলাম। সেই ফেরত খাম ফিরে এসেছে! খাম ছিড়ে দেখি, ভিতরে একটি চিরকুটের মতো। চিরকুটে লেখা—‘আপনার ‘‘বিড়ালচোখী’’ গল্পটি মনোনীত হয়নি – কাজীদা’।

গল্পটা পাঠিয়েছিলাম রহস্য পত্রিকায়। আর এই ‘কাজীদা’ হলেন কাজী আনোয়ার হোসেন।
তখন অল্পতেই মন খারাপ হওয়ার মতো বয়স আমার। মাত্রই স্কুল পাশ করে ভর্তি হয়েছি কলেজে। পরিবার পরিজন ছেড়ে গ্রাম থেকে দূরের এক অচেনা শহরের মেসে থাকি। বন্ধু-পরিজন নেই। এমনিতেই মন আলগা হয়ে থাকে। এর মধ্যে রহস্য পত্রিকার সেই অহংকারী প্রেমিকার মতো আচরণ আমার অভিমানী মনকে লন্ডভন্ড করে দিল। চোখের সামনে পুরো বগুড়া শহরটা বিষাদগ্রস্ত হয়ে উঠল। সাত মাথার চা ভালো লাগে না, বন্ধুদের আড্ডা ভালো লাগে না। রাত জেগে তাস খেলা ভালো লাগে না। নিউমার্কেটের কসমেটিক্স গলির ভিড় ভালো লাগে না।
বিংশ শতাব্দীতে শোকের আয়ু বড়জোর এক বছর। আমার ক্ষেত্রে আরও কম। দুই এক দিনের মধ্যেই শোক ভুলে গেলাম। আবার লিখতে বসলাম। আবার পাঠিয়ে দিলাম। আবার ফেরত খামসহ।
না, এবার আর ফেরত খাম ফেরত এলো না। এক সঘন সন্ধ্যায় সাত মাথার সেই পরিচিত পেপারওয়ালার দোকানে রহস্য পত্রিকা উলটেপালটে দেখার সময় সূচিপত্রের এক জায়গায় চোখ স্থির হয়ে গেল। বুকের মধ্যে আবার সেই কচুরিপানার তরঙ্গভঙ্গের নৃত্য শুরু হলো। উত্তেজনায় কাঁপতে কাঁপতে সূচিপত্রের পৃষ্ঠায় গিয়ে দেখি, সত্যি সত্যি ছাপা হয়েছে গল্পটা। ‘নস্টালজিয়া’। নিচে আমার নাম।
এভাবেই শুরু রহস্য পত্রিকায় আমার লেখালেখি। পরে আরও তিনটি-চারটি গল্প ছাপা হয়েছে রহস্য পত্রিকায়।
তারপর একদিন আমার বগুড়া নিবাসকাল শেষ হয়। আমি ঢাকা পাড়ি জমাই। জীবনের জ্যামে-জটে আটকে যাই। সেই জট ঢাকার বিখ্যাত যানজটের চেয়েও বড় হয়ে ওঠে। রহস্য পত্রিকাকে আমরা বলতাম প্রিয় ‘রপ’। রপ জীবন থেকেই তিরোহিত হয়। বিচ্ছেদ আক্রান্ত প্রেমিকার মতো তাঁকে আমার আর মনেই পড়ে না।

কিন্তু হারানো প্রেমিকার মতো সে থেকেই যায় মনের গোপন কোথাও। রাতের সব তারা যেমন থাকে দিনের আলোর গভীরে। লেখক হয়ে ওঠা একটা সুদীর্ঘ জার্নির মতো। সেই যাত্রাপথে রাজ্যির পাথর থাকে, কাঁটা থাকে, বাঁক থাকে, ভাঙাচোরা থাকে। কখনো বুক দিয়ে ঠেলে ঠেলে, কখনো পায়ের রক্ত ঝরিয়ে সে পথ পাড়ি দিতে হয়। ঘাটে ঘাটে থামতে হয়। বিশ্রাম নিতে হয়। বাঁকবদল দেখতে হয়। আবার চলতে হয়। আমার লেখক জার্নির শুরুর দিকে রহস্য পত্রিকা ছিল একটি মায়াময় স্টেশন। আমি বছর দুয়েক সেখানে বিশ্রাম নিয়েছিলাম। লেখক হওয়ার যে যন্ত্রণাদগ্ধ পথে হেঁটে চলেছি আজও, সেই যাত্রাপথে রহস্য পত্রিকার অবদান আছে। অবদান আছে কাজীদার। আমি তা ভুলি কী করে?
যদিও ভুলেও কোনোদিন একটিও মাসুদ রানা পড়িনি। একটিও তিন গোয়েন্দা কিংবা কুয়াশা পড়িনি। ভুলেভরা এক শৈশবের মধ্য দিয়ে বেড়ে উঠেছি। আমাদের বাড়িতে বই পড়ার কালচার ছিল না। কেউ গল্প উপন্যাস পড়ত না। ঘরের কোথাও ‘আউট বই’ বলে কিছু ছিল না। গ্রামীণ স্কুলটায় ছোট্ট এক পাঠাগার ছিল। তাতে মাসুদ রানা, তিন গোয়েন্দা ছিল হয়তো। কিন্তু কেউ কোনোদিন তা হাতে তুলে দেয়নি।
কলেজে ওঠার আগ অব্দি, রহস্য পত্রিকার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার আগ অব্দি, আমি মাসুদ রানার নামই জানতাম না। পরে যখন সুযোগ এলো এসব পড়ার, তখন আর টানেনি। সম্ভবত সে বয়স পেরিয়ে এসেছিলাম। ততদিনে ইতিহাসের বই, প্রবন্ধের বই—এসবে ডুবে গেছি। সেবা থেকে পড়া আমার একমাত্র বই মবি ডিক। হারম্যান মেলভিলের এই বিখ্যাত উপন্যাস কে অনুবাদ করেছিলেন আজ আর মনে নেই। তবে অনুবাদটা ভালো লাগেনি। সেবার বই পড়ার ওই শুরু, ওই শেষ।
তবু সেবার কাছে আমার ঋণ আছে। রহস্য পত্রিকার কাছে আমার ঋণ আছে। কাজী আনোয়ার হোসেনের কাছে ঋণ আছে। আমার লেখক হওয়ার যাত্রাপথে ‘রপ’ এক ছায়াসুনিবিড় শান্তির স্টেশন। সেখান থেকে আজও স্মৃতির সুবাস উঠে আসে। কাজীদা আমাকে কাছে টেনেছিলেন, কিন্তু বাঁধনে জড়াননি। মৃত্যুবার্ষিকীকে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাই।
প্রিয় কাজীদা, আপনাকে ‘বিদায়’ বলব না।

উত্তাল ঢেউয়ের মাথায় কচুরিপানা যেমন নাচে, আমার অবস্থা তখন তেমন। ভয় ও রোমাঞ্চকর অনুভূতিতে কাঁপছিলাম। অনেক আবেগ ঢেলে গভীর প্রেমের একটি গল্প লিখেছি। সুতরাং রোমাঞ্চ তো হবেই। কিন্তু ভয়ও হচ্ছিল। গল্পটা যেখানে পাঠিয়েছি, সেখানে ছাপা হবে তো?
তখন ফেরত খামসহ পত্রিকায় লেখা পাঠানোর যুগ। অর্থাৎ যে খামে করে ডাকবিভাগ মারফত লেখা পাঠিয়েছি, সেখানে আরেকটা অব্যবহৃত খাম দিয়েছি। সেই খামে আমারই ঠিকানা ছিল। আমিও ফেরত খামসহ পাঠিয়েছি। তারপর তীর্থের কাকের মতো অপেক্ষা করছি। লেখা ছাপা হয় না… লেখা ছাপা হয় না।
প্রায় মাস তিনেক পর সেই ফেরত খাম ফিরে এল। দিনটি এখনো চৈত্রের খরো রৌদ্রের মতো ক্যাটকেটে হলুদ রঙের স্মৃতি হয়ে আছে।
স্মৃতিটা এমন– এক প্লেট অন্ন গিলে ভাতঘুম দিয়েছি। থাকি বগুড়ার সেউজগাড়ির একটি মেসে। রুমমেট সেই সকালে বেরিয়ে গেছে ক্লাস করতে। ঘুমের ব্যাঘাত ঘটানোর কেউ নেই। তারপরও ব্যাঘাত ঘটল। সবে জমে আসা ঘুম ভেঙে গেল দরজায় ঠক ঠক আওয়াজে। তখন তিনটা কি সাড়ে তিনটা বাজে। পুরোপুরি বিকেল হয়নি।
ঘুম ঘুম চোখে দরজা খুলে দেখি, খাকির মতো পোশাক পরা একজন লোক দাঁড়িয়ে আছে। আমার দিকে একটি খাম এগিয়ে দিয়ে বললেন, ‘আপনার চিঠি…।’
সবে ঘুমভাঙা ঝাপসা চোখে চিঠি হাতে নিয়ে হতভম্ব হয়ে গেলাম। সেই ফেরত খাম ফিরে এসেছে! খাম ছিড়ে দেখি, ভিতরে একটি চিরকুটের মতো। চিরকুটে লেখা—‘আপনার ‘‘বিড়ালচোখী’’ গল্পটি মনোনীত হয়নি – কাজীদা’।

গল্পটা পাঠিয়েছিলাম রহস্য পত্রিকায়। আর এই ‘কাজীদা’ হলেন কাজী আনোয়ার হোসেন।
তখন অল্পতেই মন খারাপ হওয়ার মতো বয়স আমার। মাত্রই স্কুল পাশ করে ভর্তি হয়েছি কলেজে। পরিবার পরিজন ছেড়ে গ্রাম থেকে দূরের এক অচেনা শহরের মেসে থাকি। বন্ধু-পরিজন নেই। এমনিতেই মন আলগা হয়ে থাকে। এর মধ্যে রহস্য পত্রিকার সেই অহংকারী প্রেমিকার মতো আচরণ আমার অভিমানী মনকে লন্ডভন্ড করে দিল। চোখের সামনে পুরো বগুড়া শহরটা বিষাদগ্রস্ত হয়ে উঠল। সাত মাথার চা ভালো লাগে না, বন্ধুদের আড্ডা ভালো লাগে না। রাত জেগে তাস খেলা ভালো লাগে না। নিউমার্কেটের কসমেটিক্স গলির ভিড় ভালো লাগে না।
বিংশ শতাব্দীতে শোকের আয়ু বড়জোর এক বছর। আমার ক্ষেত্রে আরও কম। দুই এক দিনের মধ্যেই শোক ভুলে গেলাম। আবার লিখতে বসলাম। আবার পাঠিয়ে দিলাম। আবার ফেরত খামসহ।
না, এবার আর ফেরত খাম ফেরত এলো না। এক সঘন সন্ধ্যায় সাত মাথার সেই পরিচিত পেপারওয়ালার দোকানে রহস্য পত্রিকা উলটেপালটে দেখার সময় সূচিপত্রের এক জায়গায় চোখ স্থির হয়ে গেল। বুকের মধ্যে আবার সেই কচুরিপানার তরঙ্গভঙ্গের নৃত্য শুরু হলো। উত্তেজনায় কাঁপতে কাঁপতে সূচিপত্রের পৃষ্ঠায় গিয়ে দেখি, সত্যি সত্যি ছাপা হয়েছে গল্পটা। ‘নস্টালজিয়া’। নিচে আমার নাম।
এভাবেই শুরু রহস্য পত্রিকায় আমার লেখালেখি। পরে আরও তিনটি-চারটি গল্প ছাপা হয়েছে রহস্য পত্রিকায়।
তারপর একদিন আমার বগুড়া নিবাসকাল শেষ হয়। আমি ঢাকা পাড়ি জমাই। জীবনের জ্যামে-জটে আটকে যাই। সেই জট ঢাকার বিখ্যাত যানজটের চেয়েও বড় হয়ে ওঠে। রহস্য পত্রিকাকে আমরা বলতাম প্রিয় ‘রপ’। রপ জীবন থেকেই তিরোহিত হয়। বিচ্ছেদ আক্রান্ত প্রেমিকার মতো তাঁকে আমার আর মনেই পড়ে না।

কিন্তু হারানো প্রেমিকার মতো সে থেকেই যায় মনের গোপন কোথাও। রাতের সব তারা যেমন থাকে দিনের আলোর গভীরে। লেখক হয়ে ওঠা একটা সুদীর্ঘ জার্নির মতো। সেই যাত্রাপথে রাজ্যির পাথর থাকে, কাঁটা থাকে, বাঁক থাকে, ভাঙাচোরা থাকে। কখনো বুক দিয়ে ঠেলে ঠেলে, কখনো পায়ের রক্ত ঝরিয়ে সে পথ পাড়ি দিতে হয়। ঘাটে ঘাটে থামতে হয়। বিশ্রাম নিতে হয়। বাঁকবদল দেখতে হয়। আবার চলতে হয়। আমার লেখক জার্নির শুরুর দিকে রহস্য পত্রিকা ছিল একটি মায়াময় স্টেশন। আমি বছর দুয়েক সেখানে বিশ্রাম নিয়েছিলাম। লেখক হওয়ার যে যন্ত্রণাদগ্ধ পথে হেঁটে চলেছি আজও, সেই যাত্রাপথে রহস্য পত্রিকার অবদান আছে। অবদান আছে কাজীদার। আমি তা ভুলি কী করে?
যদিও ভুলেও কোনোদিন একটিও মাসুদ রানা পড়িনি। একটিও তিন গোয়েন্দা কিংবা কুয়াশা পড়িনি। ভুলেভরা এক শৈশবের মধ্য দিয়ে বেড়ে উঠেছি। আমাদের বাড়িতে বই পড়ার কালচার ছিল না। কেউ গল্প উপন্যাস পড়ত না। ঘরের কোথাও ‘আউট বই’ বলে কিছু ছিল না। গ্রামীণ স্কুলটায় ছোট্ট এক পাঠাগার ছিল। তাতে মাসুদ রানা, তিন গোয়েন্দা ছিল হয়তো। কিন্তু কেউ কোনোদিন তা হাতে তুলে দেয়নি।
কলেজে ওঠার আগ অব্দি, রহস্য পত্রিকার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার আগ অব্দি, আমি মাসুদ রানার নামই জানতাম না। পরে যখন সুযোগ এলো এসব পড়ার, তখন আর টানেনি। সম্ভবত সে বয়স পেরিয়ে এসেছিলাম। ততদিনে ইতিহাসের বই, প্রবন্ধের বই—এসবে ডুবে গেছি। সেবা থেকে পড়া আমার একমাত্র বই মবি ডিক। হারম্যান মেলভিলের এই বিখ্যাত উপন্যাস কে অনুবাদ করেছিলেন আজ আর মনে নেই। তবে অনুবাদটা ভালো লাগেনি। সেবার বই পড়ার ওই শুরু, ওই শেষ।
তবু সেবার কাছে আমার ঋণ আছে। রহস্য পত্রিকার কাছে আমার ঋণ আছে। কাজী আনোয়ার হোসেনের কাছে ঋণ আছে। আমার লেখক হওয়ার যাত্রাপথে ‘রপ’ এক ছায়াসুনিবিড় শান্তির স্টেশন। সেখান থেকে আজও স্মৃতির সুবাস উঠে আসে। কাজীদা আমাকে কাছে টেনেছিলেন, কিন্তু বাঁধনে জড়াননি। মৃত্যুবার্ষিকীকে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাই।
প্রিয় কাজীদা, আপনাকে ‘বিদায়’ বলব না।

প্রযুক্তির ইতিহাসে ১৯২৬ সালের ২৬ জানুয়ারি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। বর্তমান যুগে আমরা যে টেলিভিশনকে দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ধরে নিয়েছি, তার যাত্রা শুরু হয়েছিল এই দিনটিতেই। স্কটিশ প্রকৌশলী জন লগি বেয়ার্ড সেদিন প্রথমবারের মতো ‘রিয়েল টেলিভিশন’ বা প্রকৃত টেলিভিশন জনসমক্ষে প্রদর্শন কর
১৯ মিনিট আগে
দোহারের ইকরাশি গ্রামের শান্তি রানী পাল। বয়স ৯২ বছর। বয়সের ভারে অনেকটাই নুয়ে পড়েছেন। চোখের আলো কমে গেছে, গলার স্বরও ভেঙে গেছে; তবু সংসারের চাকাকে সচল রাখতে আদি পেশা হিসেবে কুমারের কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
২০ ঘণ্টা আগে
জেনে অবাক হবেন যে শত বছর আগে বৃহত্তর বগুড়া অঞ্চলে বন্যপ্রাণী বাস করত। কোন কোন বন্যপ্রাণী ও পাখি সেখানে ছিল? নদী, জলাভূমি ও পুকুরে কী কী মাছ পাওয়া যেত? ১৯১০ সালে প্রকাশিত জে এন গুপ্ত-এর পূর্ববঙ্গ ও আসামের ডিস্ট্রিক্ট গেজেটিয়ার (বগুড়া) থেকে অনুবাদ করেছেন ভূ-পর্যটক তারেক অণু।
২১ ঘণ্টা আগে
আজ ২৫ জানুয়ারি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মদিন। সাহিত্যিক হিসেবে সাহিত্য-পরিসরে শতবর্ষ পরেও তিনি বেঁচে আছেন সক্রিয়তার ভেতর দিয়েই। এও সত্য যে, তাঁকে নিয়ে তাঁর কালেই তো বেশ জোরজারের সাথে চর্চা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে ধুন্ধুমারভাবে প্রভাবিত করে গেছেন বিচিত্র ধারার সাহিত্যের লোকজনকে। এসবের পরও সেইকালে মধুসূদন
১ দিন আগে