অ্যালেন গিন্সবার্গের শততম জন্মদিন
ফাবিহা বিনতে হক

১৯৭১ সালের সেপ্টেম্বর মাস। মুক্তিযুদ্ধ চলছে। পশ্চিমবাংলার দমদম পার হতেই অ্যালেন গিন্সবার্গের চোখে পড়ল চারদিকে সারি সারি তাঁবু আর ছাউনি। এখানে থাকছেন শত শত শরণার্থী। সেই বছরের তুমুল বৃষ্টিতে রাস্তার পাশের ছোট ছোট নালাগুলোও ভরে গেছে কানায় কানায়। নোংরা জলের ধারেই অমানবিক পরিবেশে দিন কাটছে মানুষগুলোর।
পথ ধরে যত এগোচ্ছেন, চারপাশের এই মর্মান্তিক দৃশ্য দেখে অ্যালেনের চোখ ভিজে উঠছে জলে। আবেগ সামলে পকেটের ছোট প্যাডটি বের করে তিনি নোট নিচ্ছেন। কিন্তু বনগাঁর মুখে এসে থমকে যেতে হলো সবাইকে। রাস্তা জলমগ্ন, গাড়ি আর সামনে যাবে না। তাহলে উপায়? অ্যালেন সিদ্ধান্ত নিলেন নৌকা করেই সামনে এগোবেন।
কিছুদিন আগেই সেপ্টেম্বরে বিখ্যাত রোলিং স্টোন ব্যান্ডের কিথ রিচার্ডস কিছু টাকা তুলে দিয়েছিলেন অ্যালেনের হাতে। স্বাধীনতা সংগ্রাম শুরুর পর হাজার হাজার বাঙালি শরণার্থী বাংলাদেশ ছেড়ে পাড়ি জমাচ্ছে ভারতে। অ্যালেনের কাজ ছিল সরেজমিনে যুদ্ধের প্রকৃত পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রতিবেদন লেখা। কিন্তু প্রতিবেদন লিখেছিলেন তাঁর সফরসঙ্গী বিবিসি’র গীতা মেহতা। আর অ্যালেন যশোর সীমান্ত ও এর আশপাশের শিবিরগুলোয় বসবাসকারী শরণার্থীদের অবস্থা প্রত্যক্ষ করে লিখলেন এক দীর্ঘ কবিতা। নাম ‘সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড’।
যশোর রোডের সেই শরণার্থীদের মানবেতর জীবনযাপনের চিত্রকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পৌঁছে দেওয়ার পেছনে বিট প্রজন্মের এই আমেরিকান কবির অবদান অনেক।
আলোকচিত্রী শিল্পী নাসির আলী মামুনকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে একাত্তরের কলকাতা নিয়ে কথা বলেন কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ। তখন তিনি কথাসাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বাড়িতে ছিলেন। যুদ্ধ চলাকালে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় প্রায়ই বনগাঁ আর সাতক্ষীরা সীমান্তে মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে যেতেন। আর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নিয়ে যেতেন ওষুধপত্র ও খাবার-দাবার। এরই মধ্যে লিখে ফেলেছেন তাঁর ‘১৯৭১’ কবিতাটি।

অ্যালেন গিন্সবার্গের ভাষ্যমতে, ১৯৭১ সালের সেই দিনগুলোতে কলকাতা শহর ছিল টালমাটাল অবস্থায়। তখন ওপারে, অর্থাৎ বাংলাদেশে পাকিস্তান সেনাবাহিনী নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে। আর প্রাণ বাঁচাতে সীমান্ত পেরিয়ে আসা লাখ লাখ মানুষ আশ্রয় নিয়েছে ভারতের শরণার্থী শিবিরগুলোতে। তখন তিনি অস্বস্তি বোধ করছিলেন, কারণ তাঁর দেশের সরকার পাকিস্তানকে সমর্থন দিচ্ছিল। একজন আমেরিকান নাগরিক হিসেবে বিষয়টি তাঁকে অপরাধবোধে ভুগিয়েছিল। তিনি ভাবতে শুরু করেন, ছোট পরিসরেও কীভাবে বাংলাদেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানো যায়।
এ নিয়ে তিনি কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ও শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁদের কাছে ইচ্ছা প্রকাশ করেন, যুদ্ধ ও শরণার্থীদের বাস্তব অবস্থা নিজের চোখে দেখতে চান। সুনীল তাঁকে সীমান্তবর্তী বেনাপোলে যাওয়ার পরামর্শ দেন, যেখানে বাংলাদেশ থেকে আসা অসংখ্য শরণার্থী আশ্রয় নিয়েছিল।
গিন্সবার্গ একটি ক্যামেরা ও বেশ কিছু সাদাকালো ফিল্ম সঙ্গে নিয়ে খুব ভোরে বেনাপোলের উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে গিয়ে তিনি যে দৃশ্য দেখেন, তা তাঁকে গভীরভাবে নাড়া দেয়। তাঁর ভাষায়, পশ্চিমা বিশ্ব দুটি বিশ্বযুদ্ধ দেখেছে, কিন্তু যুদ্ধের কারণে সাধারণ মানুষের এত ভয়াবহ দুর্দশা তিনি আগে কখনও দেখেননি।
বিদেশি হওয়ায় অনেক শরণার্থী তাঁর কাছে সাহায্যের আশায় এগিয়ে এসেছিল। কিন্তু তাদের কষ্ট দেখেও তিনি তেমন কোনো সাহায্য করতে পারছিলেন না। অসহায় সেই অভিজ্ঞতা তাঁর মনে গভীর ছাপ ফেলে।
সেই সফরে তিনি ক্যামেরায় অনেক ছবি তুলেছিলেন। তবে পরে দুর্ভাগ্যজনকভাবে একটি নেগেটিভের বাক্সসহ ছবিগুলো হারিয়ে যায়।
যে কবি ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় সমস্যা থেকে উত্তরণের পথ হিসেবে সৃষ্টি করেছেন বিখ্যাত শব্দবন্ধ ‘ফ্লাওয়ার পাওয়ার’, তাঁর কাছে কবিতার চেয়ে শক্তিশালী প্রতিবাদ আর কী হতে পারে?

কলকাতা সফর শেষে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে নিউ ইয়র্কে টানা তিনদিন বসে গিন্সবার্গ লিখেছিলেন ঐতিহাসিক সেই কবিতা। এই কবিতাটি পরে তাঁর ‘বিক্সবি ক্যানিয়ন টু যশোর রোড’ এবং ‘দ্য ফল অব আমেরিকা’ বইয়ে ছাপা হয়। তিনি বিভিন্ন জায়গায় কবিতাটি পাঠ করতে শুরু করেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে সাহায্যের হাত পাতেন। মুক্তিযুদ্ধকে আরও জোরদার করতে বিশ্বজুড়ে শক্তিশালী জনমত গড়ে তোলেন।
কয়েক বছর পর সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড কবিতাটি পড়তে নিয়ে যান কিংবদন্তি বব ডিলান। এরপর শুরু হয় কবিতাকে সুরে দাঁড় করানোর চেষ্টা। মার্কিন কবি ও সাংবাদিক জন সিনক্লেয়ারের মুক্তির দাবিতে আয়োজিত শোভাযাত্রায় গানটি করেন অ্যালেন গিন্সবার্গ। এভাবেই যশোর রোড পরিচিত হয় আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে, সৃষ্টি করে ইতিহাস।
‘সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড’ কবিতাটি ১৯৯৯ সালে প্রয়াত চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ ‘মুক্তির কথা’ চলচ্চিত্রে ব্যবহার করা হয়। পরবর্তী সময়ে এই কবিতাকে গান বানানোর দায়িত্ব পড়ে তারেক মাসুদের বন্ধু প্রখ্যাত গায়িকা মৌসুমী ভৌমিকের ওপর। তিনিই কবিতার ভাবানুবাদ করে সেখানে সুরারোপ করেন। গানটি তারেক মাসুদ ‘মুক্তির গান’-এ ব্যবহার করার জন্য অ্যালেনের অনুমতিও নেন। কিন্তু ফাইনাল এডিটিং-এর সময় বাদ যায় গানটি।

১৯৭১ সালের সেপ্টেম্বর মাস। মুক্তিযুদ্ধ চলছে। পশ্চিমবাংলার দমদম পার হতেই অ্যালেন গিন্সবার্গের চোখে পড়ল চারদিকে সারি সারি তাঁবু আর ছাউনি। এখানে থাকছেন শত শত শরণার্থী। সেই বছরের তুমুল বৃষ্টিতে রাস্তার পাশের ছোট ছোট নালাগুলোও ভরে গেছে কানায় কানায়। নোংরা জলের ধারেই অমানবিক পরিবেশে দিন কাটছে মানুষগুলোর।
পথ ধরে যত এগোচ্ছেন, চারপাশের এই মর্মান্তিক দৃশ্য দেখে অ্যালেনের চোখ ভিজে উঠছে জলে। আবেগ সামলে পকেটের ছোট প্যাডটি বের করে তিনি নোট নিচ্ছেন। কিন্তু বনগাঁর মুখে এসে থমকে যেতে হলো সবাইকে। রাস্তা জলমগ্ন, গাড়ি আর সামনে যাবে না। তাহলে উপায়? অ্যালেন সিদ্ধান্ত নিলেন নৌকা করেই সামনে এগোবেন।
কিছুদিন আগেই সেপ্টেম্বরে বিখ্যাত রোলিং স্টোন ব্যান্ডের কিথ রিচার্ডস কিছু টাকা তুলে দিয়েছিলেন অ্যালেনের হাতে। স্বাধীনতা সংগ্রাম শুরুর পর হাজার হাজার বাঙালি শরণার্থী বাংলাদেশ ছেড়ে পাড়ি জমাচ্ছে ভারতে। অ্যালেনের কাজ ছিল সরেজমিনে যুদ্ধের প্রকৃত পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রতিবেদন লেখা। কিন্তু প্রতিবেদন লিখেছিলেন তাঁর সফরসঙ্গী বিবিসি’র গীতা মেহতা। আর অ্যালেন যশোর সীমান্ত ও এর আশপাশের শিবিরগুলোয় বসবাসকারী শরণার্থীদের অবস্থা প্রত্যক্ষ করে লিখলেন এক দীর্ঘ কবিতা। নাম ‘সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড’।
যশোর রোডের সেই শরণার্থীদের মানবেতর জীবনযাপনের চিত্রকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পৌঁছে দেওয়ার পেছনে বিট প্রজন্মের এই আমেরিকান কবির অবদান অনেক।
আলোকচিত্রী শিল্পী নাসির আলী মামুনকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে একাত্তরের কলকাতা নিয়ে কথা বলেন কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ। তখন তিনি কথাসাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বাড়িতে ছিলেন। যুদ্ধ চলাকালে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় প্রায়ই বনগাঁ আর সাতক্ষীরা সীমান্তে মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে যেতেন। আর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নিয়ে যেতেন ওষুধপত্র ও খাবার-দাবার। এরই মধ্যে লিখে ফেলেছেন তাঁর ‘১৯৭১’ কবিতাটি।

অ্যালেন গিন্সবার্গের ভাষ্যমতে, ১৯৭১ সালের সেই দিনগুলোতে কলকাতা শহর ছিল টালমাটাল অবস্থায়। তখন ওপারে, অর্থাৎ বাংলাদেশে পাকিস্তান সেনাবাহিনী নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে। আর প্রাণ বাঁচাতে সীমান্ত পেরিয়ে আসা লাখ লাখ মানুষ আশ্রয় নিয়েছে ভারতের শরণার্থী শিবিরগুলোতে। তখন তিনি অস্বস্তি বোধ করছিলেন, কারণ তাঁর দেশের সরকার পাকিস্তানকে সমর্থন দিচ্ছিল। একজন আমেরিকান নাগরিক হিসেবে বিষয়টি তাঁকে অপরাধবোধে ভুগিয়েছিল। তিনি ভাবতে শুরু করেন, ছোট পরিসরেও কীভাবে বাংলাদেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানো যায়।
এ নিয়ে তিনি কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ও শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁদের কাছে ইচ্ছা প্রকাশ করেন, যুদ্ধ ও শরণার্থীদের বাস্তব অবস্থা নিজের চোখে দেখতে চান। সুনীল তাঁকে সীমান্তবর্তী বেনাপোলে যাওয়ার পরামর্শ দেন, যেখানে বাংলাদেশ থেকে আসা অসংখ্য শরণার্থী আশ্রয় নিয়েছিল।
গিন্সবার্গ একটি ক্যামেরা ও বেশ কিছু সাদাকালো ফিল্ম সঙ্গে নিয়ে খুব ভোরে বেনাপোলের উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে গিয়ে তিনি যে দৃশ্য দেখেন, তা তাঁকে গভীরভাবে নাড়া দেয়। তাঁর ভাষায়, পশ্চিমা বিশ্ব দুটি বিশ্বযুদ্ধ দেখেছে, কিন্তু যুদ্ধের কারণে সাধারণ মানুষের এত ভয়াবহ দুর্দশা তিনি আগে কখনও দেখেননি।
বিদেশি হওয়ায় অনেক শরণার্থী তাঁর কাছে সাহায্যের আশায় এগিয়ে এসেছিল। কিন্তু তাদের কষ্ট দেখেও তিনি তেমন কোনো সাহায্য করতে পারছিলেন না। অসহায় সেই অভিজ্ঞতা তাঁর মনে গভীর ছাপ ফেলে।
সেই সফরে তিনি ক্যামেরায় অনেক ছবি তুলেছিলেন। তবে পরে দুর্ভাগ্যজনকভাবে একটি নেগেটিভের বাক্সসহ ছবিগুলো হারিয়ে যায়।
যে কবি ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় সমস্যা থেকে উত্তরণের পথ হিসেবে সৃষ্টি করেছেন বিখ্যাত শব্দবন্ধ ‘ফ্লাওয়ার পাওয়ার’, তাঁর কাছে কবিতার চেয়ে শক্তিশালী প্রতিবাদ আর কী হতে পারে?

কলকাতা সফর শেষে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে নিউ ইয়র্কে টানা তিনদিন বসে গিন্সবার্গ লিখেছিলেন ঐতিহাসিক সেই কবিতা। এই কবিতাটি পরে তাঁর ‘বিক্সবি ক্যানিয়ন টু যশোর রোড’ এবং ‘দ্য ফল অব আমেরিকা’ বইয়ে ছাপা হয়। তিনি বিভিন্ন জায়গায় কবিতাটি পাঠ করতে শুরু করেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে সাহায্যের হাত পাতেন। মুক্তিযুদ্ধকে আরও জোরদার করতে বিশ্বজুড়ে শক্তিশালী জনমত গড়ে তোলেন।
কয়েক বছর পর সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড কবিতাটি পড়তে নিয়ে যান কিংবদন্তি বব ডিলান। এরপর শুরু হয় কবিতাকে সুরে দাঁড় করানোর চেষ্টা। মার্কিন কবি ও সাংবাদিক জন সিনক্লেয়ারের মুক্তির দাবিতে আয়োজিত শোভাযাত্রায় গানটি করেন অ্যালেন গিন্সবার্গ। এভাবেই যশোর রোড পরিচিত হয় আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে, সৃষ্টি করে ইতিহাস।
‘সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড’ কবিতাটি ১৯৯৯ সালে প্রয়াত চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ ‘মুক্তির কথা’ চলচ্চিত্রে ব্যবহার করা হয়। পরবর্তী সময়ে এই কবিতাকে গান বানানোর দায়িত্ব পড়ে তারেক মাসুদের বন্ধু প্রখ্যাত গায়িকা মৌসুমী ভৌমিকের ওপর। তিনিই কবিতার ভাবানুবাদ করে সেখানে সুরারোপ করেন। গানটি তারেক মাসুদ ‘মুক্তির গান’-এ ব্যবহার করার জন্য অ্যালেনের অনুমতিও নেন। কিন্তু ফাইনাল এডিটিং-এর সময় বাদ যায় গানটি।
.png)

একসঙ্গে থাকতে থাকতে অনেক দম্পতির জীবনেই একটা সময় আসে, যখন দুজনের মধ্যে আগের মতো ঘনিষ্ঠতা থাকে না। ভালোবাসা হয়তো আছে, কিন্তু কথা বলার সময় কমে যায়। কারও অফিস শেষ হতে রাত হয়ে যায়, কেউ আবার সারাদিন ঘরের কাজ সামলে ক্লান্ত। এর সঙ্গে যোগ হয় অভিমান, মানসিক চাপ কিংবা সম্পর্কের ছোট ছোট দূরত্ব। একসময় দেখা যায়,
১ ঘণ্টা আগে
ভাবা যায়, মাত্র চব্বিশ বছরের কাছাকাছি বয়সে শহীদ কাদরী তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম রেখেছিলেন উত্তরাধিকার। আর জীবনের প্রায় শেষ প্রান্তে এসে প্রকাশিত কবিতাগ্রন্থ গোধূলির গান-এর প্রথম কবিতাটি তিনি শুরু করেন দুটো অনিশ্চয়ক শব্দে—‘জানি না’।
৫ ঘণ্টা আগে
ময়মনসিংহ শহরের ভাটিকাশর কবরস্থান হাজারো মানুষের শেষ ঠিকানার গল্প বলে। আর সেই গল্পের নিত্যদিনের সাক্ষী মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল কাদের লিটন। প্রায় সাড়ে তিন একর জমির এই সরকারি কবরস্থানে দীর্ঘ ১০ বছর ধরে তিনি ইমাম ও রক্ষণাবেক্ষণকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর কাছ থেকেই জানা গেল, কবরস্থানের নীরবতার
৮ ঘণ্টা আগে
বন্ধুর কথা শুনে আমি তারেক মাসুদের সিনেমা দেখলাম। এরপর তারেকের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের ‘ফিল্ম অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্সের’ মাধ্যমে অনেক তরুণ ও প্রতিভাবান চলচ্চিত্র নির্মাতা উঠে এসেছেন। তাদের মধ্যে তারেক মাসুদ ছিলেন অন্যতম উজ্জ্বল প্রতিভা।
১৩ আগস্ট ২০২৬