প্রযুক্তির ইতিহাসে ১৯২৬ সালের ২৬ জানুয়ারি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। বর্তমান যুগে আমরা যে টেলিভিশনকে দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ধরে নিয়েছি, তার যাত্রা শুরু হয়েছিল এই দিনটিতেই। স্কটিশ প্রকৌশলী জন লগি বেয়ার্ড সেদিন প্রথমবারের মতো ‘রিয়েল টেলিভিশন’ বা প্রকৃত টেলিভিশন জনসমক্ষে প্রদর্শন করেন।
ফাবিহা বিনতে হক

প্রযুক্তির ইতিহাসে ১৯২৬ সালের ২৬ জানুয়ারি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। বর্তমান যুগে আমরা যে টেলিভিশনকে দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ধরে নিয়েছি, তার যাত্রা শুরু হয়েছিল এই দিনটিতেই। লন্ডনের সোহো অঞ্চলের ফ্রিখ স্ট্রিটের একটি ছোট ল্যাবরেটরিতে স্কটিশ প্রকৌশলী জন লগি বেয়ার্ড প্রথমবারের মতো ‘রিয়েল টেলিভিশন’ বা প্রকৃত টেলিভিশন জনসমক্ষে প্রদর্শন করেন। এর আগে অনেকেই চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু বেয়ার্ডের এই প্রদর্শনীটি ছিল আলাদা। কারণ, সেদিন কেবল ছায়া বা অস্পষ্ট অবয়ব নয়, বরং নড়াচড়া করা বস্তুর আলো-ছায়ার স্পষ্ট বিবরণ পর্দায় ফুটে উঠেছিল।
জন লগি বেয়ার্ডের এই সাফল্য হঠাৎ করে আসেনি। গবেষণার সময় তাঁর শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল না, ছিল চরম আর্থিক সংকটও। তবু তিনি কাজ থামাননি। বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে অনেক বিজ্ঞানীই ‘টেলিভিশন’ বা দূরদর্শন নিয়ে কাজ করছিলেন। কিন্তু তখন প্রধান সমস্যা ছিল, তাঁরা কেবল ‘শ্যাডো গ্রাফ’ বা বস্তুর কালো ছায়া এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পাঠাতে পারতেন। মানুষের মুখের অভিব্যক্তি বা আলো-ছায়ার মিশ্রণ দেখানো সম্ভব হচ্ছিল না।
এই সীমাবদ্ধতাই ভাঙতে চেয়েছিলেন জন লগি বেয়ার্ড। তাঁর লক্ষ্য ছিল এমন একটি যন্ত্র তৈরি করতে, যা জীবন্ত বস্তুর হুবহু প্রতিচ্ছবি সরাসরি দেখাতে পারবে।

১৯২৫ সালের অক্টোবর মাসেই বেয়ার্ড তাঁর ল্যাবরেটরিতে সাফল্য পেয়েছিলেন। তবে বেয়ার্ড বুঝেছিলেন, শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য যথেষ্ট নয়। বৈজ্ঞানিক স্বীকৃতি পেতে হলে জনসমক্ষে এবং বিশ্বাসযোগ্য মানুষের সামনে এই আবিষ্কার প্রমাণ করতে হবে। সেই লক্ষ্যেই তিনি ১৯২৬ সালের ২৬ জানুয়ারি রয়্যাল ইনস্টিটিউশন অব গ্রেট ব্রিটেনের সদস্যদের আমন্ত্রণ জানান।
সেদিন সন্ধ্যায় লন্ডনের ২২ নম্বর ফ্রিথ স্ট্রিটের দোতলার ছোট একটি ঘরে জড়ো হয়েছিলেন প্রায় ৪০ জন অতিথি। তাঁদের মধ্যে ছিলেন রয়্যাল ইনস্টিটিউশনের বিজ্ঞানী ও সদস্যরা। উপস্থিত ছিলেন প্রভাবশালী পত্রিকা দ্য টাইমস-এর একজন সাংবাদিকও। ল্যাবরেটরিটি খুব ছোট আর যন্ত্রপাতিতে ভরা ছিল বলে অতিথিদের কয়েকটি ছোট দলে ভাগ করে ভেতরে ঢোকানো হয়।
ঘরটির মাঝখানে ছিল বেয়ার্ডের তৈরি সেই বিশাল যান্ত্রিক টেলিভিশন বা ‘টেলিভাইজার’। আজকের দিনের মতো ‘স্লিম’ টিভির সঙ্গে এর কোনো মিল ছিল না। সেটি ছিল কাঠ, তার, আঠা, লেন্স এবং মোটর দিয়ে বানানো এক অদ্ভুতদর্শন যন্ত্র।
এই যন্ত্রের মূল অংশ ছিল ছিদ্রযুক্ত একটি ঘূর্ণায়মান চাকতি, যাকে বলা হতো নিপকৌ ডিস্ক। চাকতিটি দ্রুত ঘুরে বস্তুর ছবিকে আলো-রেখায় ভাগ করত। এরপর সেই আলো বৈদ্যুতিক সংকেতে রূপ নিয়ে অন্য যন্ত্রে পৌঁছাত। সেখানেই আবার সেই সংকেত থেকে তৈরি হতো চলমান ছবি, যা দেখে উপস্থিত সবাই বুঝে গিয়েছিলেন, তাঁরা সত্যিই ইতিহাসের এক নতুন অধ্যায় প্রত্যক্ষ করছেন।
প্রদর্শনী শুরু হলে বেয়ার্ড প্রথমে পরীক্ষামূলকভাবে তাঁর পুতুল ‘স্টুকি বিল’-কে ট্রান্সমিটারের সামনে বসান। অন্য প্রান্তে রাখা ছোট পর্দার দিকে তাকিয়ে অতিথিরা বিস্মিত হয়ে যান। পর্দায় দেখা যাচ্ছিল পুতুলটির মুখ। ছবিটি ছিল মাত্র ‘৩.৫ বাই ২ ইঞ্চি’ আকৃতির, যা আজকের স্মার্টফোনের পর্দার চেয়েও ছোট। ছবিটি খুব একটা স্পষ্ট ছিল না, লালচে নিয়ন আলোর ওপর ভিত্তি করে তৈরি সেই ছবিতে অনেক ঝিরঝিরে ছিল। কিন্তু সেখানে পুতুলের চোখ, নাক আর মুখের নড়াচড়া স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল।

কিন্তু আসল বিস্ময় তখনো বাকি। বেয়ার্ড দেখাতে চাইলেন, যন্ত্রটি জীবন্ত মানুষের ছবিও দেখাতে সক্ষম। প্রমাণের জন্য তিনি উপস্থিত বিজ্ঞানীদেরই ট্রান্সমিটারের সামনে বসতে অনুরোধ করেন। একে একে তাঁরা সামনে বসলেন। অন্য প্রান্তে রিসিভারের দিকে তাকিয়ে সহকর্মীরা পর্দায় পরিচিত মুখগুলো দেখতে পেলেন। দেখলেন, পর্দার ভেতর মানুষটি কথা বলছে, মাথা নাড়ছে।
যদিও যান্ত্রিক সীমাবদ্ধতার কারণে ছবিগুলো কিছুটা কাঁপছিল। রেজোলিউশন ছিল মাত্র ৩০ লাইন পিক্সেল। আজকের টিভিতে যা থাকে ১০৮০ বা এরও বেশি। তবুও তা ছিল প্রযুক্তিজগতের জন্য বিস্ময়ের। এর পরদিন, অর্থাৎ ১৯২৬ সালের ২৭ জানুয়ারি ‘দ্য টাইমস’ পত্রিকায় এই ঘটনা নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
সাংবাদিক তাঁর অভিজ্ঞতার বর্ণনায় লিখেছিলেন যে ছবিটি ছিল অস্পষ্ট এবং মাঝেমধ্যেই ঝাপসা হয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু তিনি স্বীকার করেন যে, এটি নিঃসন্দেহে টেলিভিশনের শর্ত পূরণ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, পর্দায় মানুষের মুখের নড়াচড়া, অভিব্যক্তি এবং আলো-ছায়ার পার্থক্য বোঝা গেছে। এই প্রতিবেদন এবং বিজ্ঞানীদের চাক্ষুষ প্রমাণ বেয়ার্ডের আবিষ্কারকে বৈধতা দেয়। এর আগে অনেকেই তাঁর দাবিকে ভেল্কিবাজি বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু ২৬ জানুয়ারির সেই প্রদর্শনী প্রমাণ করে দেয়, টেলিভিশন আর কোনো কল্পনা বা রূপকথার গল্প নয়, বরং এটি একটি বাস্তব প্রযুক্তি।
জন লগি বেয়ার্ডের সেই ‘মেকানিক্যাল টেলিভিশন’ বা যান্ত্রিক টেলিভিশন প্রযুক্তির দৌড়ে বেশিদিন টেকেনি। কয়েক বছরের মধ্যেই ইলেকট্রনিক টেলিভিশন সেই জায়গা দখল করে নেয়। তবু ইতিহাসে ২৬ জানুয়ারির সেই সন্ধ্যার গুরুত্ব কমে না।

প্রযুক্তির ইতিহাসে ১৯২৬ সালের ২৬ জানুয়ারি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। বর্তমান যুগে আমরা যে টেলিভিশনকে দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ধরে নিয়েছি, তার যাত্রা শুরু হয়েছিল এই দিনটিতেই। লন্ডনের সোহো অঞ্চলের ফ্রিখ স্ট্রিটের একটি ছোট ল্যাবরেটরিতে স্কটিশ প্রকৌশলী জন লগি বেয়ার্ড প্রথমবারের মতো ‘রিয়েল টেলিভিশন’ বা প্রকৃত টেলিভিশন জনসমক্ষে প্রদর্শন করেন। এর আগে অনেকেই চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু বেয়ার্ডের এই প্রদর্শনীটি ছিল আলাদা। কারণ, সেদিন কেবল ছায়া বা অস্পষ্ট অবয়ব নয়, বরং নড়াচড়া করা বস্তুর আলো-ছায়ার স্পষ্ট বিবরণ পর্দায় ফুটে উঠেছিল।
জন লগি বেয়ার্ডের এই সাফল্য হঠাৎ করে আসেনি। গবেষণার সময় তাঁর শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল না, ছিল চরম আর্থিক সংকটও। তবু তিনি কাজ থামাননি। বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে অনেক বিজ্ঞানীই ‘টেলিভিশন’ বা দূরদর্শন নিয়ে কাজ করছিলেন। কিন্তু তখন প্রধান সমস্যা ছিল, তাঁরা কেবল ‘শ্যাডো গ্রাফ’ বা বস্তুর কালো ছায়া এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পাঠাতে পারতেন। মানুষের মুখের অভিব্যক্তি বা আলো-ছায়ার মিশ্রণ দেখানো সম্ভব হচ্ছিল না।
এই সীমাবদ্ধতাই ভাঙতে চেয়েছিলেন জন লগি বেয়ার্ড। তাঁর লক্ষ্য ছিল এমন একটি যন্ত্র তৈরি করতে, যা জীবন্ত বস্তুর হুবহু প্রতিচ্ছবি সরাসরি দেখাতে পারবে।

১৯২৫ সালের অক্টোবর মাসেই বেয়ার্ড তাঁর ল্যাবরেটরিতে সাফল্য পেয়েছিলেন। তবে বেয়ার্ড বুঝেছিলেন, শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য যথেষ্ট নয়। বৈজ্ঞানিক স্বীকৃতি পেতে হলে জনসমক্ষে এবং বিশ্বাসযোগ্য মানুষের সামনে এই আবিষ্কার প্রমাণ করতে হবে। সেই লক্ষ্যেই তিনি ১৯২৬ সালের ২৬ জানুয়ারি রয়্যাল ইনস্টিটিউশন অব গ্রেট ব্রিটেনের সদস্যদের আমন্ত্রণ জানান।
সেদিন সন্ধ্যায় লন্ডনের ২২ নম্বর ফ্রিথ স্ট্রিটের দোতলার ছোট একটি ঘরে জড়ো হয়েছিলেন প্রায় ৪০ জন অতিথি। তাঁদের মধ্যে ছিলেন রয়্যাল ইনস্টিটিউশনের বিজ্ঞানী ও সদস্যরা। উপস্থিত ছিলেন প্রভাবশালী পত্রিকা দ্য টাইমস-এর একজন সাংবাদিকও। ল্যাবরেটরিটি খুব ছোট আর যন্ত্রপাতিতে ভরা ছিল বলে অতিথিদের কয়েকটি ছোট দলে ভাগ করে ভেতরে ঢোকানো হয়।
ঘরটির মাঝখানে ছিল বেয়ার্ডের তৈরি সেই বিশাল যান্ত্রিক টেলিভিশন বা ‘টেলিভাইজার’। আজকের দিনের মতো ‘স্লিম’ টিভির সঙ্গে এর কোনো মিল ছিল না। সেটি ছিল কাঠ, তার, আঠা, লেন্স এবং মোটর দিয়ে বানানো এক অদ্ভুতদর্শন যন্ত্র।
এই যন্ত্রের মূল অংশ ছিল ছিদ্রযুক্ত একটি ঘূর্ণায়মান চাকতি, যাকে বলা হতো নিপকৌ ডিস্ক। চাকতিটি দ্রুত ঘুরে বস্তুর ছবিকে আলো-রেখায় ভাগ করত। এরপর সেই আলো বৈদ্যুতিক সংকেতে রূপ নিয়ে অন্য যন্ত্রে পৌঁছাত। সেখানেই আবার সেই সংকেত থেকে তৈরি হতো চলমান ছবি, যা দেখে উপস্থিত সবাই বুঝে গিয়েছিলেন, তাঁরা সত্যিই ইতিহাসের এক নতুন অধ্যায় প্রত্যক্ষ করছেন।
প্রদর্শনী শুরু হলে বেয়ার্ড প্রথমে পরীক্ষামূলকভাবে তাঁর পুতুল ‘স্টুকি বিল’-কে ট্রান্সমিটারের সামনে বসান। অন্য প্রান্তে রাখা ছোট পর্দার দিকে তাকিয়ে অতিথিরা বিস্মিত হয়ে যান। পর্দায় দেখা যাচ্ছিল পুতুলটির মুখ। ছবিটি ছিল মাত্র ‘৩.৫ বাই ২ ইঞ্চি’ আকৃতির, যা আজকের স্মার্টফোনের পর্দার চেয়েও ছোট। ছবিটি খুব একটা স্পষ্ট ছিল না, লালচে নিয়ন আলোর ওপর ভিত্তি করে তৈরি সেই ছবিতে অনেক ঝিরঝিরে ছিল। কিন্তু সেখানে পুতুলের চোখ, নাক আর মুখের নড়াচড়া স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল।

কিন্তু আসল বিস্ময় তখনো বাকি। বেয়ার্ড দেখাতে চাইলেন, যন্ত্রটি জীবন্ত মানুষের ছবিও দেখাতে সক্ষম। প্রমাণের জন্য তিনি উপস্থিত বিজ্ঞানীদেরই ট্রান্সমিটারের সামনে বসতে অনুরোধ করেন। একে একে তাঁরা সামনে বসলেন। অন্য প্রান্তে রিসিভারের দিকে তাকিয়ে সহকর্মীরা পর্দায় পরিচিত মুখগুলো দেখতে পেলেন। দেখলেন, পর্দার ভেতর মানুষটি কথা বলছে, মাথা নাড়ছে।
যদিও যান্ত্রিক সীমাবদ্ধতার কারণে ছবিগুলো কিছুটা কাঁপছিল। রেজোলিউশন ছিল মাত্র ৩০ লাইন পিক্সেল। আজকের টিভিতে যা থাকে ১০৮০ বা এরও বেশি। তবুও তা ছিল প্রযুক্তিজগতের জন্য বিস্ময়ের। এর পরদিন, অর্থাৎ ১৯২৬ সালের ২৭ জানুয়ারি ‘দ্য টাইমস’ পত্রিকায় এই ঘটনা নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
সাংবাদিক তাঁর অভিজ্ঞতার বর্ণনায় লিখেছিলেন যে ছবিটি ছিল অস্পষ্ট এবং মাঝেমধ্যেই ঝাপসা হয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু তিনি স্বীকার করেন যে, এটি নিঃসন্দেহে টেলিভিশনের শর্ত পূরণ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, পর্দায় মানুষের মুখের নড়াচড়া, অভিব্যক্তি এবং আলো-ছায়ার পার্থক্য বোঝা গেছে। এই প্রতিবেদন এবং বিজ্ঞানীদের চাক্ষুষ প্রমাণ বেয়ার্ডের আবিষ্কারকে বৈধতা দেয়। এর আগে অনেকেই তাঁর দাবিকে ভেল্কিবাজি বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু ২৬ জানুয়ারির সেই প্রদর্শনী প্রমাণ করে দেয়, টেলিভিশন আর কোনো কল্পনা বা রূপকথার গল্প নয়, বরং এটি একটি বাস্তব প্রযুক্তি।
জন লগি বেয়ার্ডের সেই ‘মেকানিক্যাল টেলিভিশন’ বা যান্ত্রিক টেলিভিশন প্রযুক্তির দৌড়ে বেশিদিন টেকেনি। কয়েক বছরের মধ্যেই ইলেকট্রনিক টেলিভিশন সেই জায়গা দখল করে নেয়। তবু ইতিহাসে ২৬ জানুয়ারির সেই সন্ধ্যার গুরুত্ব কমে না।

ভালোবাসা মানে যার কাছে ঋণী, তাকে স্বীকার করা। যে নীরবে রক্ষা করে, তাকে কৃতজ্ঞতা জানানো। এই বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে তাই ভালোবাসার তালিকায় থাকুক সুন্দরবনও।
৬ ঘণ্টা আগে
১৪ ফেব্রুয়ারি দিনটিকে পহেলা ফাল্গুন কিংবা ভালবাসা দিবস হিসেবেই আমরা জানি। কিন্তু এই আনন্দের আড়ালে চাপা পড়ে গেছে আমাদের ইতিহাসের এক রক্তাক্ত অধ্যায়। বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই হয়তো জানেন না, ১৯৮৩ সালের এই দিনটি ছিল বাংলাদেশের ছাত্র সমাজের জন্য এক অগ্নিঝরা দিন।
৬ ঘণ্টা আগে
আজ পহেলা ফাল্গুন। বসন্তের প্রথম দিন। শীতের জীর্ণতা সরিয়ে প্রকৃতিতে লেগেছে নতুনের ছোঁয়া। বসন্তে প্রকৃতিতে ঠিক কী কী পরিবর্তন হয়? আর বসন্তের সঙ্গে মনের কোনো সম্পর্ক আছে কি?
৭ ঘণ্টা আগে
বিশ্বজুড়ে এই ধারণা ধীরে ধীরে পাল্টাচ্ছে। মিলেনিয়াল এবং জেন-জি প্রজন্মের মধ্যে স্টেরিওটাইপ ভাঙার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এই পরিবর্তনের বড় একটা কারণ সোশ্যাল মিডিয়া ও পপ কালচার।
১০ ঘণ্টা আগে