স্ট্রিম সংবাদদাতা

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলায় ফাটাপাড়া এলাকায় বোমা বিস্ফোরণে আহত তিনজনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে রাজশাহী মেডিকেল (রামেক) কলেজ হাসপাতালে। তাঁদের একজন শুভর মা ফৌজিয়া খাতুন দাবি করেছেন, পিকনিকে বোমা হামলার কারণে এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেন, ‘পিকনিক আছে জানিয়ে শুক্রবার রাত ১০টার দিকে শুভ বাড়ি থেকে বের হয় শুভ। প্রথমে শরীর খারাপ বলে বের হতে না চাইলেও বার বার ফোন করার কারণে যায়।’
তবে ঘটনাস্থল পরিদশন করে পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোহাম্মদ শাহজাহান বলেছেন, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার কেন্দ্র করে বাইরে থেকে কারিগর এনে বোমা তৈরির সময় ওই বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত ছাড়াও আহত হন তিনি। তাঁরা হলেন সদর উপজেলার ঘোড়াস্ট্যান্ড গ্রামের মো. শুভ (২০), চরবাগডাঙ্গা গ্রামের মিনহাজ উদ্দিন (২২) ও বজলুর রহমান (২০)।
রামেক হাসপাতালের তিনটি ওয়ার্ডে পুলিশ পাহারায় তাদের চিকিৎসা চলছে। তাদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘তিনজনেরই মুখমণ্ডল ঝলসে গেছে। তবে শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। তিনটি ওয়ার্ডে রেখে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’
উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ফাটাপাড়া গ্রামের কালাম আলীর বাড়িতে শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণে আধা-পাকা ঘরের ইটের প্রাচীর ভেঙে যায়। চালার টিন উড়ে গিয়ে পাশের গাছের ডালে ও দূরে গিয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলেই চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার রানিহাটি এলাকার মো. জিহাদ ও আল-আমিন নামের দুজন মারা যান। আহত তিনকে স্থানীয় জেলা সদর হাসপাতালের নেওয়া হলে তাঁদের রামেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
দুপুরে রামেক হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, বিস্ফোরণে আহত তিনজনেরই মুখমণ্ডল ঝলসে গেছে। তাদের সঙ্গে কথা বলার মতো পরিস্থিতি নেই।
২ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন শুভর মা ফৌজিয়া খাতুনের সঙ্গে কথা হয়। তিনি জানান, তাঁর ছেলে ট্রাক্টর চালান এবং নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করেন। শুক্রবার রাতে পিকনিকের কথা বলেই শুভ বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। তিনি দাবি করেন, পিকনিকে হামলার কারণে এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। শুভকে হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি আহতও হওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন। এরপর হাসপাতালে আসেন। তবে এখনো বিষয়টি বিস্তারিত জানেন না তিনি।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, ‘এই বাড়িতে কোনো পিকনিক ছিল না। এটা কোনো পিকনিকে হামলা নয়। তারা বোমা তৈরি করছিল। তখন বিস্ফোরণ হয়েছে। এতে প্রাচীর ভেঙে গেছে। ঘরের টিন উড়ে গেছে। এমন শক্তিশালী বিস্ফোরণ বোমা তৈরির সময় হয়।’
ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, ‘বাড়িতে ছোট ছোট সব ঘর। দেখে মনে হচ্ছে বাড়ির মালিকের আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ। বাড়ির মালিককে এখনও পাওয়া যায়নি। এসব বিষয় নিয়ে তদন্ত চলছে।’
ফাটাপাড়া গ্রামের একাধিক বাসিন্দা ও রাজনীতিক স্ট্রিমকে জানান, এই এলাকার অনেকেই পেশাদারভাবে বোমা তৈরি করেন। তারা ককটেলের কারিগর ও বোমারু হিসেবে পরিচিত। গভীর রাতে কয়েকজন মিলে তারা এসব তৈরি করে থাকেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের চাহিদা অনুযায়ী টাকার বিনিময়ে তারা বোমা তৈরি করে দেন। এরা নির্দিষ্ট কোনো দলের কর্মী নন। তবে তাঁদের ডেকে আনা দুলাল আলী ও বাড়ির মালিক কালাম আলী আওয়ামী লীগের সমর্থক। তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুলাল আলী জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে সক্রিয় ছিলেন।
মোহাম্মদ শাহজাহান জানান, সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। এরপর ভেতরে দুটি মরদেহ পাওয়া যায়। আর আহত তিনজনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সদস্যরা আলামত সংগ্রহের কাজ করছেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলায় ফাটাপাড়া এলাকায় বোমা বিস্ফোরণে আহত তিনজনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে রাজশাহী মেডিকেল (রামেক) কলেজ হাসপাতালে। তাঁদের একজন শুভর মা ফৌজিয়া খাতুন দাবি করেছেন, পিকনিকে বোমা হামলার কারণে এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেন, ‘পিকনিক আছে জানিয়ে শুক্রবার রাত ১০টার দিকে শুভ বাড়ি থেকে বের হয় শুভ। প্রথমে শরীর খারাপ বলে বের হতে না চাইলেও বার বার ফোন করার কারণে যায়।’
তবে ঘটনাস্থল পরিদশন করে পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোহাম্মদ শাহজাহান বলেছেন, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার কেন্দ্র করে বাইরে থেকে কারিগর এনে বোমা তৈরির সময় ওই বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত ছাড়াও আহত হন তিনি। তাঁরা হলেন সদর উপজেলার ঘোড়াস্ট্যান্ড গ্রামের মো. শুভ (২০), চরবাগডাঙ্গা গ্রামের মিনহাজ উদ্দিন (২২) ও বজলুর রহমান (২০)।
রামেক হাসপাতালের তিনটি ওয়ার্ডে পুলিশ পাহারায় তাদের চিকিৎসা চলছে। তাদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘তিনজনেরই মুখমণ্ডল ঝলসে গেছে। তবে শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। তিনটি ওয়ার্ডে রেখে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’
উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ফাটাপাড়া গ্রামের কালাম আলীর বাড়িতে শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণে আধা-পাকা ঘরের ইটের প্রাচীর ভেঙে যায়। চালার টিন উড়ে গিয়ে পাশের গাছের ডালে ও দূরে গিয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলেই চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার রানিহাটি এলাকার মো. জিহাদ ও আল-আমিন নামের দুজন মারা যান। আহত তিনকে স্থানীয় জেলা সদর হাসপাতালের নেওয়া হলে তাঁদের রামেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
দুপুরে রামেক হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, বিস্ফোরণে আহত তিনজনেরই মুখমণ্ডল ঝলসে গেছে। তাদের সঙ্গে কথা বলার মতো পরিস্থিতি নেই।
২ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন শুভর মা ফৌজিয়া খাতুনের সঙ্গে কথা হয়। তিনি জানান, তাঁর ছেলে ট্রাক্টর চালান এবং নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করেন। শুক্রবার রাতে পিকনিকের কথা বলেই শুভ বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। তিনি দাবি করেন, পিকনিকে হামলার কারণে এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। শুভকে হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি আহতও হওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন। এরপর হাসপাতালে আসেন। তবে এখনো বিষয়টি বিস্তারিত জানেন না তিনি।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, ‘এই বাড়িতে কোনো পিকনিক ছিল না। এটা কোনো পিকনিকে হামলা নয়। তারা বোমা তৈরি করছিল। তখন বিস্ফোরণ হয়েছে। এতে প্রাচীর ভেঙে গেছে। ঘরের টিন উড়ে গেছে। এমন শক্তিশালী বিস্ফোরণ বোমা তৈরির সময় হয়।’
ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, ‘বাড়িতে ছোট ছোট সব ঘর। দেখে মনে হচ্ছে বাড়ির মালিকের আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ। বাড়ির মালিককে এখনও পাওয়া যায়নি। এসব বিষয় নিয়ে তদন্ত চলছে।’
ফাটাপাড়া গ্রামের একাধিক বাসিন্দা ও রাজনীতিক স্ট্রিমকে জানান, এই এলাকার অনেকেই পেশাদারভাবে বোমা তৈরি করেন। তারা ককটেলের কারিগর ও বোমারু হিসেবে পরিচিত। গভীর রাতে কয়েকজন মিলে তারা এসব তৈরি করে থাকেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের চাহিদা অনুযায়ী টাকার বিনিময়ে তারা বোমা তৈরি করে দেন। এরা নির্দিষ্ট কোনো দলের কর্মী নন। তবে তাঁদের ডেকে আনা দুলাল আলী ও বাড়ির মালিক কালাম আলী আওয়ামী লীগের সমর্থক। তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুলাল আলী জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে সক্রিয় ছিলেন।
মোহাম্মদ শাহজাহান জানান, সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। এরপর ভেতরে দুটি মরদেহ পাওয়া যায়। আর আহত তিনজনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সদস্যরা আলামত সংগ্রহের কাজ করছেন।
.png)
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ৯ বছর বয়সী শিশু শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতন ও মারধরের অভিযোগে রাকিবুল হাসান মিরাজ (১৯) নামে এক মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার সিন্দুরখান রোডের জামিয়া ইসলামিয়া বালক-বালিকা মাদ্রাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
পিরোজপুরের জিয়ানগরে খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে একই পরিবারের তিন সদস্যকে অচেতন করে চুরির অভিযোগ উঠেছে। রোববার (২৩ আগস্ট) ভোররাতে উপজেলার চাড়খালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
৮ ঘণ্টা আগে
ময়মনসিংহ নগরীর একটি পশু চিকিৎসাকেন্দ্রে ঢুকে চিকিৎসককে মারধরের ঘটনায় আফরিন রশিদ সেঁজুতি নামে এক তরুণীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
৯ ঘণ্টা আগে-e7015a-256x144.webp)
জামালপুর সদর উপজেলার নরুন্দি এলাকায় ঢাকায় নেওয়ার পথে একটি পিকআপ ভর্তি প্রায় ৯৫০ কেজি ঘোড়ার মাংস জব্দ করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পিকআপের চালক ও হেলপারসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন ও মাংসগুলো মাটিচাপা দেওয়া হয়।
৯ ঘণ্টা আগে