তানভীর অপু

কেনিয়ার প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক শহর হলো নাকুরু। রাজধানী নাইরোবি থেকে আমাদের যাত্রা শুরু হলো সাতসকালে। তখন ভোরের প্রথম আলো শহরের কংক্রিটের ভবনগুলোতে সোনালি আভা ছড়িয়ে দিচ্ছিল। রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় চোখে পড়ল গ্রামীণ জীবনের চমৎকার সব দৃশ্য। কেউ গরুর চামড়া মাথায় নিয়ে বাজারে যাচ্ছে, কারও হাতে সবজিভর্তি বড় বড় ঝুড়ি।
দূরে ছোট ছোট নদীর শান্ত জলরাশি দেখে মনটা জুড়িয়ে যায়। রাস্তার ধারে লাল, হলুদ আর গোলাপি ফুলের বাগানগুলো যেন কোনো শিল্পীর আঁকা ক্যানভাস। এসব দৃশ্য দেখতে দেখতেই আমরা এগিয়ে চললাম গ্রেট রিফট ভ্যালির অন্যতম শহর নাকুরুর দিকে।

নাকুরুকে শুধু অন্য দশটা শহরের মতো ভাবলে হবে না। এই শহর যেন প্রকৃতির, ইতিহাসের, সংস্কৃতির এবং জীববৈচিত্র্যের অনন্য মিলনকেন্দ্র। নাইরোবি থেকে প্রায় ১৬০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত এই শহর গ্রেট রিফট ভ্যালি অঞ্চলের অন্তর্গত। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা প্রায় ১ হাজার ৮৫৪ মিটার (৬,০৮৩ ফুট)।
উচ্চতা আর ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে নাকুরুতে আবহাওয়া সবসময় তুলনামূলকভাবে শীতল এবং আরামদায়ক থাকে। তাপমাত্রা গ্রীষ্মে গড়ে ২৪° থেকে ২৬° সেলসিয়াস এবং শীতে ১০° থেকে ১২° সেলসিয়াস পর্যন্ত থাকে। মার্চ থেকে মে পর্যন্ত এখানে বৃষ্টির মৌসুম। আবার অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরেও অল্প বৃষ্টি হয়। বৃষ্টি শহরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে আরও ঝকঝকে করে তোলে।

জনসংখ্যার দিক থেকে নাইরোবি, মোম্বাস ও কিসুমুর পরেই নাকুরুর অবস্থান। অর্থাৎ এটি কেনিয়ার চতুর্থ বৃহত্তম শহর। শহরটি শুধু অর্থনৈতিকভাবে নয়, সাংস্কৃতিক দিক থেকেও সমৃদ্ধ। এখানে কিকুয়ু, কিসি, লুহিয়া, ক্যালেনজিনের মতো নানা জাতিগোষ্ঠীর মানুষ একসাথে বসবাস করে। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মিলনে নাকুরু হয়ে উঠেছে এক বহু-জাতির নগর, যেখানে ভিন্ন সংস্কৃতির ছোঁয়া প্রতিটি কোণে দেখা যায়। এ ছাড়া এখানে প্রচুর এশীয় বা ভারতীয় বংশোদ্ভূত মানুষ রয়েছেন, যাদের পূর্বপুরুষরা ব্রিটিশ আমলে রেলপথ নির্মাণের কাজে এখানে এসেছিলেন।

নাকুরুর অর্থনীতি মূলত টিকে আছে কৃষি আর পর্যটনের ওপর। এখানে প্রচুর গম, ভুট্টা, শাকসবজি আর দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদিত হয়। তবে এই শহরকে বিশ্বজুড়ে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে এখানকার ফুল চাষ। লাল, গোলাপি, হলুদ রঙিন ফুল খামার থেকে বিদেশে রপ্তানি হয়, এটা শহরের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করেছে।
নাকুরুর আসল রূপ লুকিয়ে আছে এর প্রকৃতিতে। পাহাড়, হ্রদ, আগ্নেয়গিরি আর বন্যপ্রাণীর এমন সহাবস্থান খুব কমই দেখা যায়। এখানকার প্রধান আকর্ষণ হলো ‘লেক নাকুরু’। একসময় লাখো ফ্লেমিঙ্গো পাখি এই হ্রদে আসত, তখন দূর থেকে মনে হতো যেন রঙিন মেঘের ছায়া হ্রদে ভাসছে।

আজও এই লেকে সাদা ও কালো গন্ডার, জলহস্তী, মহিষ, জিরাফসহ নানা প্রজাতির বন্যপ্রাণী দেখা যায়। হ্রদের নোনা পানি আর চারপাশের ঘন বন মিলে এক রহস্যময় পরিবেশ তৈরি করেছে।
এখানের বিস্তীর্ণ এলাকা ‘লেক নাকুরু ন্যাশনাল পার্ক’-এর অন্তর্ভুক্ত, যা ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রায় ১৮৮ বর্গকিলোমিটারের এই পার্ক গন্ডার সংরক্ষণের জন্য সারা বিশ্বে পরিচিত। এখানে গাড়িতে বা হেঁটে ঘোরার সময় প্রকৃতির অদ্ভুত নীরবতা আর বন্যপ্রাণীদের চঞ্চলতা আপনাকে মুগ্ধ করবে।

নাকুরুর খুব কাছেই আছে ‘হায়েনা হিলস’ আর ‘মেনেঙ্গাই ক্রেটার’। এই মেনেঙ্গাই ক্রেটার হলো পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম আগ্নেয়গিরির গহ্বর। এর চূড়ায় দাঁড়িয়ে পুরো রিফট ভ্যালি দেখা যায়। পাহাড়ের ঢাল, সবুজ বন, ফসলি জমি আর দূরে লেক নাকুরুর শান্ত নীল জল মিলে এক অপূর্ব দৃশ্য তৈরি করে।
নাকুরু শুধু প্রাকৃতিক দিক থেকে নয়, ইতিহাসের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ। ঔপনিবেশিক সময়ে ব্রিটিশরা নাকুরুর অঞ্চলকে শিকার ও কৃষির জন্য ব্যবহার করত। শহরে রেলপথ নির্মাণের সময় ভারতীয় উপমহাদেশের মানুষরা এখানে বসতি স্থাপন করে। শহরের প্রাচীন গির্জা, মন্দির এবং মসজিদ আজও নাকুরুর বহুজাতিক ও বহু-সাংস্কৃতিক পরিচয়ের সাক্ষ্য বহন করে।

নাকুরু আমাদের যাত্রাপথের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য। পথে চোখে পড়া সেই গ্রামীণ দৃশ্য, চামড়া ও সবজির বাজার, ছোট নদী ও ফুলের বাগান সব মিলিয়ে এক আলাদা অভিজ্ঞতা তৈরি করে। শহরে পা রাখলেই বোঝা যায় এখানে প্রকৃতির নীরবতা, মানুষের কোলাহল, ইতিহাসের ছোঁয়া সবকিছুই মিলেমিশে এক হয়ে আছে। নাকুরুতে লেক নাকুরু, ন্যাশনাল পার্ক, মেনেঙ্গাই ক্রেটার আর পাহাড়ের দৃশ্য যেন ভ্রমণপিপাসু মনকে অবশেষে শান্তি দেয়।
সহজ কথায়, নাকুরু হলো কেনিয়ার প্রকৃতি, সংস্কৃতি আর ইতিহাসের এক অনন্য মেলবন্ধন। এখানে পাহাড়, হ্রদ, আগ্নেয়গিরি আর বন্যপ্রাণী সব একসাথেই পাওয়া যায়। নাইরোবি থেকে সহজেই পৌঁছে যাওয়া যায় এই স্বপ্নের শহরে, যেখানে প্রতিটি মুহূর্ত ভ্রমণপিপাসুকে নতুন রোমাঞ্চ ও আনন্দের অভিজ্ঞতা দেয়।

কেনিয়ার প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক শহর হলো নাকুরু। রাজধানী নাইরোবি থেকে আমাদের যাত্রা শুরু হলো সাতসকালে। তখন ভোরের প্রথম আলো শহরের কংক্রিটের ভবনগুলোতে সোনালি আভা ছড়িয়ে দিচ্ছিল। রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় চোখে পড়ল গ্রামীণ জীবনের চমৎকার সব দৃশ্য। কেউ গরুর চামড়া মাথায় নিয়ে বাজারে যাচ্ছে, কারও হাতে সবজিভর্তি বড় বড় ঝুড়ি।
দূরে ছোট ছোট নদীর শান্ত জলরাশি দেখে মনটা জুড়িয়ে যায়। রাস্তার ধারে লাল, হলুদ আর গোলাপি ফুলের বাগানগুলো যেন কোনো শিল্পীর আঁকা ক্যানভাস। এসব দৃশ্য দেখতে দেখতেই আমরা এগিয়ে চললাম গ্রেট রিফট ভ্যালির অন্যতম শহর নাকুরুর দিকে।

নাকুরুকে শুধু অন্য দশটা শহরের মতো ভাবলে হবে না। এই শহর যেন প্রকৃতির, ইতিহাসের, সংস্কৃতির এবং জীববৈচিত্র্যের অনন্য মিলনকেন্দ্র। নাইরোবি থেকে প্রায় ১৬০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত এই শহর গ্রেট রিফট ভ্যালি অঞ্চলের অন্তর্গত। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা প্রায় ১ হাজার ৮৫৪ মিটার (৬,০৮৩ ফুট)।
উচ্চতা আর ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে নাকুরুতে আবহাওয়া সবসময় তুলনামূলকভাবে শীতল এবং আরামদায়ক থাকে। তাপমাত্রা গ্রীষ্মে গড়ে ২৪° থেকে ২৬° সেলসিয়াস এবং শীতে ১০° থেকে ১২° সেলসিয়াস পর্যন্ত থাকে। মার্চ থেকে মে পর্যন্ত এখানে বৃষ্টির মৌসুম। আবার অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরেও অল্প বৃষ্টি হয়। বৃষ্টি শহরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে আরও ঝকঝকে করে তোলে।

জনসংখ্যার দিক থেকে নাইরোবি, মোম্বাস ও কিসুমুর পরেই নাকুরুর অবস্থান। অর্থাৎ এটি কেনিয়ার চতুর্থ বৃহত্তম শহর। শহরটি শুধু অর্থনৈতিকভাবে নয়, সাংস্কৃতিক দিক থেকেও সমৃদ্ধ। এখানে কিকুয়ু, কিসি, লুহিয়া, ক্যালেনজিনের মতো নানা জাতিগোষ্ঠীর মানুষ একসাথে বসবাস করে। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মিলনে নাকুরু হয়ে উঠেছে এক বহু-জাতির নগর, যেখানে ভিন্ন সংস্কৃতির ছোঁয়া প্রতিটি কোণে দেখা যায়। এ ছাড়া এখানে প্রচুর এশীয় বা ভারতীয় বংশোদ্ভূত মানুষ রয়েছেন, যাদের পূর্বপুরুষরা ব্রিটিশ আমলে রেলপথ নির্মাণের কাজে এখানে এসেছিলেন।

নাকুরুর অর্থনীতি মূলত টিকে আছে কৃষি আর পর্যটনের ওপর। এখানে প্রচুর গম, ভুট্টা, শাকসবজি আর দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদিত হয়। তবে এই শহরকে বিশ্বজুড়ে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে এখানকার ফুল চাষ। লাল, গোলাপি, হলুদ রঙিন ফুল খামার থেকে বিদেশে রপ্তানি হয়, এটা শহরের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করেছে।
নাকুরুর আসল রূপ লুকিয়ে আছে এর প্রকৃতিতে। পাহাড়, হ্রদ, আগ্নেয়গিরি আর বন্যপ্রাণীর এমন সহাবস্থান খুব কমই দেখা যায়। এখানকার প্রধান আকর্ষণ হলো ‘লেক নাকুরু’। একসময় লাখো ফ্লেমিঙ্গো পাখি এই হ্রদে আসত, তখন দূর থেকে মনে হতো যেন রঙিন মেঘের ছায়া হ্রদে ভাসছে।

আজও এই লেকে সাদা ও কালো গন্ডার, জলহস্তী, মহিষ, জিরাফসহ নানা প্রজাতির বন্যপ্রাণী দেখা যায়। হ্রদের নোনা পানি আর চারপাশের ঘন বন মিলে এক রহস্যময় পরিবেশ তৈরি করেছে।
এখানের বিস্তীর্ণ এলাকা ‘লেক নাকুরু ন্যাশনাল পার্ক’-এর অন্তর্ভুক্ত, যা ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রায় ১৮৮ বর্গকিলোমিটারের এই পার্ক গন্ডার সংরক্ষণের জন্য সারা বিশ্বে পরিচিত। এখানে গাড়িতে বা হেঁটে ঘোরার সময় প্রকৃতির অদ্ভুত নীরবতা আর বন্যপ্রাণীদের চঞ্চলতা আপনাকে মুগ্ধ করবে।

নাকুরুর খুব কাছেই আছে ‘হায়েনা হিলস’ আর ‘মেনেঙ্গাই ক্রেটার’। এই মেনেঙ্গাই ক্রেটার হলো পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম আগ্নেয়গিরির গহ্বর। এর চূড়ায় দাঁড়িয়ে পুরো রিফট ভ্যালি দেখা যায়। পাহাড়ের ঢাল, সবুজ বন, ফসলি জমি আর দূরে লেক নাকুরুর শান্ত নীল জল মিলে এক অপূর্ব দৃশ্য তৈরি করে।
নাকুরু শুধু প্রাকৃতিক দিক থেকে নয়, ইতিহাসের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ। ঔপনিবেশিক সময়ে ব্রিটিশরা নাকুরুর অঞ্চলকে শিকার ও কৃষির জন্য ব্যবহার করত। শহরে রেলপথ নির্মাণের সময় ভারতীয় উপমহাদেশের মানুষরা এখানে বসতি স্থাপন করে। শহরের প্রাচীন গির্জা, মন্দির এবং মসজিদ আজও নাকুরুর বহুজাতিক ও বহু-সাংস্কৃতিক পরিচয়ের সাক্ষ্য বহন করে।

নাকুরু আমাদের যাত্রাপথের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য। পথে চোখে পড়া সেই গ্রামীণ দৃশ্য, চামড়া ও সবজির বাজার, ছোট নদী ও ফুলের বাগান সব মিলিয়ে এক আলাদা অভিজ্ঞতা তৈরি করে। শহরে পা রাখলেই বোঝা যায় এখানে প্রকৃতির নীরবতা, মানুষের কোলাহল, ইতিহাসের ছোঁয়া সবকিছুই মিলেমিশে এক হয়ে আছে। নাকুরুতে লেক নাকুরু, ন্যাশনাল পার্ক, মেনেঙ্গাই ক্রেটার আর পাহাড়ের দৃশ্য যেন ভ্রমণপিপাসু মনকে অবশেষে শান্তি দেয়।
সহজ কথায়, নাকুরু হলো কেনিয়ার প্রকৃতি, সংস্কৃতি আর ইতিহাসের এক অনন্য মেলবন্ধন। এখানে পাহাড়, হ্রদ, আগ্নেয়গিরি আর বন্যপ্রাণী সব একসাথেই পাওয়া যায়। নাইরোবি থেকে সহজেই পৌঁছে যাওয়া যায় এই স্বপ্নের শহরে, যেখানে প্রতিটি মুহূর্ত ভ্রমণপিপাসুকে নতুন রোমাঞ্চ ও আনন্দের অভিজ্ঞতা দেয়।

ভারতের আলোকচিত্রকলার অন্যতম পথিকৃৎ এবং লেন্সের জাদুকর রঘু রাই আর নেই। গত দুই বছর ধরে তিনি প্রোস্টেট এবং পাকস্থলীর ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি ক্যানসার তাঁর মস্তিষ্কে ছড়িয়ে পড়ে। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি সক্রিয় ছিলেন এবং মৃত্যুর কয়েক সপ্তাহ আগে পর্যন্তও তিনি তাঁর প
৪ ঘণ্টা আগে
আমাদের রান্নাঘরের অনেক জিনিসই প্লাস্টিকের তৈরি। তাই সহজেই এগুলো খাবারে মিশে যেতে পারে। তবে আমরা চাইলেই খাবারে প্লাস্টিকের উপস্থিতি কমানো সম্ভব। রান্নাঘরে কিছু ছোট ছোট পরিবর্তনের মাধ্যমে আমরা নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে পারি।
৮ ঘণ্টা আগে
দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ায় মেলবোর্ন শহর থেকে ১৪০ কিলোমিটার দূরে ‘ফিলিপ আইল্যান্ড’ নামের এক অপূর্ব নৈসর্গিক জায়গায় আমরা এসেছি পেঙ্গুইনের খোঁজে! জি হ্যাঁ, পেঙ্গুইন! পেঙ্গুইন মানেই তো সেই কোট পরা ‘ভদ্রলোক’ পাখি! এর নাম শুনলেই আমাদের চোখে ভাসে, বরফ মহাদেশে হেঁটে যাচ্ছে গুটি গুটি পায়ে।
১ দিন আগে
হজযাত্রীদের মধ্যে বড় অংশই থাকেন বয়স্করা। হজে গিয়ে যেন সুস্থ থাকা যায়, সেদিকে তাঁদের নজর দেওয়া জরুরি। কারণ প্রতিবছর হজে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মুসল্লি অসুস্থ হয়ে পড়েন। অনেকে মারাও যান।
১ দিন আগে