আমেরিকায় প্রবেশ নিষেধ–১০
ভূ-পর্যটক তারেক অণুর ধারাবাহিক ভ্রমণ-কাহিনি ‘আমেরিকায় প্রবেশ নিষেধ’-এর দশম পর্ব প্রকাশিত হলো আজ। চোখ রাখুন বাংলা স্ট্রিমের ফিচার পাতায়।
তারেক অণু

আমেরিকার সবচেয়ে দূষিত নদী ‘ওহাইও’। সিনাসিনাটি শহরের প্রান্ত দিয়ে বয়ে গেছে এই নদীর লালচে জলধারা। ওপারে কেন্টাকির ক্লোভিংটন শহর। মাহমুদ ভাই বর্তমানে আমেরিকার পরিবেশ অধিদপ্তরে কাজ করছেন, এর আগে স্ট্যানফোর্ডেও পরিবেশ নিয়ে গবেষণা করেছেন। তিনি জানালেন, শিল্প-কারখানার লাগামহীন দূষণের জন্য নদীর এই দশা।
তবে এখন সরকারি নিয়ম অনেক কড়া হওয়ায় অবস্থা কিছুটা পাল্টাচ্ছে। কল-কারখানাকে সব রকম রাসায়নিক পদার্থ নিষ্কাশনের সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। ফলে কয়েকটা নদীতে এখন মাছ ধরা যায়, সাঁতার কাটা যায়। এই নদীর ওপরের সেতুগুলো দেখতে কিন্তু বেশ সুন্দর।
ঢাকার বাতাস নিয়ে দুঃখ নিয়ে মাহমুদ ভাই বললেন, ‘দূষণজনিত কারণে অসুস্থ হয়ে ঢাকাবাসীরা যে পরিমাণ টাকা হাসপাতালে খরচ করে, তার এক শতাংশও যদি দূষণ রোধের গবেষণার কাজে ব্যয় হতো। আর প্রাপ্ত তথ্য সঠিকভাবে কাজে লাগালে মানুষ অসুস্থ হতো আরো অনেক কম।’

সিনসিনাটির চিড়িয়াখানা ভুবন বিখ্যাত। কয়েক বছর আগে এখানে এক গরিলার খাঁচায় একটি শিশু পড়ে গিয়েছিল। গরিলাটি শিশুকে উদ্ধার করার জন্য এগিয়ে গেলেও চিড়িয়াখানার কর্মীরা ভয় পেয়ে বাচ্চার ক্ষতি হবার আশঙ্কায় গরিলাটিকে হত্যা করে। সেই থেকে এই চিড়িয়াখানাটি আবারও আলোচনায় আসে।
আমি জীবজন্তু ভালোবাসি, তাদের দেখতে চাই প্রাকৃতিক পরিবেশে, খাঁচায় নয়। বাংলাদেশ এই ব্যাপারে অনেক পিছিয়ে থাকলেও পৃথিবী থেকে চিড়িয়াখানার আবেদন কমে যাচ্ছে। কারণ খাঁচায় বন্দী বাঘ-ভাল্লুক দেখার চেয়ে প্রাকৃতিক পরিবেশে ইঁদুর-খরগোশ দেখাও ভালো। চিড়িয়াখানা বাদ দিয়ে আমরা গেলাম বিখ্যাত ‘স্প্রিং গ্রোভ’ কবরস্থানে। সেখানে গথিক ধাঁচের এক সুন্দর গির্জা (চ্যাপেল) আছে, আর চারপাশের পরিবেশও খুব শান্ত।
বিশাল এই কবরস্থানে খানিক পরপরই যেন শিল্পীর তুলিতে আঁকা সাজানো পুকুর। তাতে জলজ উদ্ভিদের মেলা, হলুদ ফুলের ফুলকি দেওয়া শোভা, নলবনের মাথা নাড়ানাড়ি। এর মাঝে বিশাল এক কার্প জাতীয় মাছের লেজ নাড়া আর দুই কচ্ছপের উঁকি দলের সবার মন আনন্দে ভরিয়ে দিলো। সেখানে কয়েকজন চিত্রকরকে দেখলাম শান্ত মনে ছবি আঁকছেন। তাঁরা নির্জন নিসর্গ ধরে রাখছেন খেয়ালখুশির ক্যানভাসে। মৃত্যুকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে যেন এঁকে যাচ্ছেন জীবনের জয়গান।

এখানে এপিটাফগুলোও খুব দর্শনীয়। এক কবরের উপরে দেখি বইয়ের পাথুরে ভাস্কর্য, বেচারা খুব পড়ুয়া ছিলেন হয়ত! কারণ সেখানে বাইবেল-জাতীয় কোন গ্রন্থের চিহ্ন ছিল না। আসলেই সারাদিন কাটানো যায় এখানে। এর মাঝে দেখা হয়ে গেল এক জোড়া নীলমাথা-হাঁস আর এক দল কানাডা রাজহাঁসের সঙ্গে।
সেখান থেকে বনের পথে যাওয়ার সময় রাস্তার ধারে এক মৃত হরিণীকে পড়ে থাকতে দেখলাম। সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে। এমন ঘুমে মত্ত যে ঘুম আর ভাঙবে না আর। দেখে জীবনানন্দের ‘ক্যাম্পে’ কবিতার কথা মনে পড়ে গেল। জীবনানন্দ ভর করলেন তার মৃত চোখের তারায়—
‘এক ঘাইহরিণীর ডাক শুনি, কাহারে সে ডাকে?’
আচ্ছা, জীবনানন্দ কি কোনোদিন মৃত হরিণ দেখেছিলেন? নাকি কল্পনায় আক্রান্ত হয়েই ‘ক্যাম্পে’ কবিতাটি লিখে তথাকথিত সুধীজনদের শালীন সমাজে অশালীনতার দায়ে চাকরি হারালেন?

হরিণেরা এই ভূখন্ডে আছে কোটি বছর ধরে, নেকড়েরাও ছিল। মানুষ এসে বসতি গড়ল, রাস্তা বানাল। তাদের সঙ্গে আসলো গরু, ছাগল, ভেড়া। নিজেদের পশুপাল রক্ষার নামে নির্বিচারে খুন করা হলো নেকড়ে, ববক্যাটসহ সকল শিকারী প্রাণীদের। ফলে হরিণের সংখ্যাও অনেক বেড়ে ভারসাম্য নষ্ট হলো। আর তাদের কোটি বছর ধরে চলার পথে আমরা বানালাম এলোপাথাড়ি রাস্তা—এই তার ফলাফল।
আমাদের গন্তব্য ছিল ‘ক্যালিফোর্নিয়া উডস’ নামের এক প্রাকৃতিক বন। দারুণ সবুজে মোড়া, সেখানে একটা ট্রেইলে সবাই মিলে খানিকক্ষণ হাইকিং করে এই ট্রিপের প্রথম কার্ডিনাল পাখির দেখা পেলাম। অপূর্ব লাল টুকটুকে পাখিটি সবুজের মাঝে যেন লাল তীরের মতো ঝুঁটি নাচিয়ে ইতিউতি চাইছিল। হয়ত রঙের কারণেই তার নামটা দেয়া হয়েছে।

বেশ খানিকটা হাঁটাচলার পর সোজা মাহমুদ ভাইয়ের বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টে ফিরলাম। পেটপূজোর পরেই নিচের সুইমিংপুলে নেমে নানা দেশের মানুষের সঙ্গে আড্ডায় মাতলাম। বেশ আলাদা আন্তর্জাতিক জীবন এখানে। মার্কিন জীবনধারার কিছুটা গতিপ্রকৃতি বোঝা যায় এদের সঙ্গে মিশলে, আড্ডা দিলে। বাঙালির চিন্তায় পাশ্চাত্যের অঢেল মদ আর যৌনতা (এর মানে যে কী, ইউরোপে বেড়ে উঠেও আমি বুঝিনি। এর অস্তিত্ব থাকলে জেনে যেতাম মনে হয় এতদিনে) ছাড়াও যে জীবনের কত দিক, অলিগলি থাকতে পারে তা সেই দেশের মানুষের সঙ্গে না মিশলে জানবেন কেমন করে?
সন্ধ্যায় গেলাম বিখ্যাত ‘ফাউন্টেন স্কয়ারে’। সেখানে জমজমাট কনসার্ট চলছে। আর সেই তালে যেন ঝর্ণা ঘেরা ভাস্কর্য ও জলের রঙ পরিবর্তন হচ্ছে মুহুর্মুহু।
পরদিন সকালে মাহমুদ ভাইয়ের সঙ্গে ‘ইয়েলোস্টোন’-এ দেখা করার কথা দিয়ে আবার পথে নামলাম। গন্তব্য জানা নেই। হয়ত ইলিনয়ের শিকাগো বা মিশিগানের ডেট্রয়েট হয়ে মিশিগান হ্রদ। গাড়ীতে তখন জন বনজোভির উদ্দাত্ত গান বাজছে—
‘My life is like a open highway,
like Frankie said
I did it my way’

আমেরিকার সবচেয়ে দূষিত নদী ‘ওহাইও’। সিনাসিনাটি শহরের প্রান্ত দিয়ে বয়ে গেছে এই নদীর লালচে জলধারা। ওপারে কেন্টাকির ক্লোভিংটন শহর। মাহমুদ ভাই বর্তমানে আমেরিকার পরিবেশ অধিদপ্তরে কাজ করছেন, এর আগে স্ট্যানফোর্ডেও পরিবেশ নিয়ে গবেষণা করেছেন। তিনি জানালেন, শিল্প-কারখানার লাগামহীন দূষণের জন্য নদীর এই দশা।
তবে এখন সরকারি নিয়ম অনেক কড়া হওয়ায় অবস্থা কিছুটা পাল্টাচ্ছে। কল-কারখানাকে সব রকম রাসায়নিক পদার্থ নিষ্কাশনের সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। ফলে কয়েকটা নদীতে এখন মাছ ধরা যায়, সাঁতার কাটা যায়। এই নদীর ওপরের সেতুগুলো দেখতে কিন্তু বেশ সুন্দর।
ঢাকার বাতাস নিয়ে দুঃখ নিয়ে মাহমুদ ভাই বললেন, ‘দূষণজনিত কারণে অসুস্থ হয়ে ঢাকাবাসীরা যে পরিমাণ টাকা হাসপাতালে খরচ করে, তার এক শতাংশও যদি দূষণ রোধের গবেষণার কাজে ব্যয় হতো। আর প্রাপ্ত তথ্য সঠিকভাবে কাজে লাগালে মানুষ অসুস্থ হতো আরো অনেক কম।’

সিনসিনাটির চিড়িয়াখানা ভুবন বিখ্যাত। কয়েক বছর আগে এখানে এক গরিলার খাঁচায় একটি শিশু পড়ে গিয়েছিল। গরিলাটি শিশুকে উদ্ধার করার জন্য এগিয়ে গেলেও চিড়িয়াখানার কর্মীরা ভয় পেয়ে বাচ্চার ক্ষতি হবার আশঙ্কায় গরিলাটিকে হত্যা করে। সেই থেকে এই চিড়িয়াখানাটি আবারও আলোচনায় আসে।
আমি জীবজন্তু ভালোবাসি, তাদের দেখতে চাই প্রাকৃতিক পরিবেশে, খাঁচায় নয়। বাংলাদেশ এই ব্যাপারে অনেক পিছিয়ে থাকলেও পৃথিবী থেকে চিড়িয়াখানার আবেদন কমে যাচ্ছে। কারণ খাঁচায় বন্দী বাঘ-ভাল্লুক দেখার চেয়ে প্রাকৃতিক পরিবেশে ইঁদুর-খরগোশ দেখাও ভালো। চিড়িয়াখানা বাদ দিয়ে আমরা গেলাম বিখ্যাত ‘স্প্রিং গ্রোভ’ কবরস্থানে। সেখানে গথিক ধাঁচের এক সুন্দর গির্জা (চ্যাপেল) আছে, আর চারপাশের পরিবেশও খুব শান্ত।
বিশাল এই কবরস্থানে খানিক পরপরই যেন শিল্পীর তুলিতে আঁকা সাজানো পুকুর। তাতে জলজ উদ্ভিদের মেলা, হলুদ ফুলের ফুলকি দেওয়া শোভা, নলবনের মাথা নাড়ানাড়ি। এর মাঝে বিশাল এক কার্প জাতীয় মাছের লেজ নাড়া আর দুই কচ্ছপের উঁকি দলের সবার মন আনন্দে ভরিয়ে দিলো। সেখানে কয়েকজন চিত্রকরকে দেখলাম শান্ত মনে ছবি আঁকছেন। তাঁরা নির্জন নিসর্গ ধরে রাখছেন খেয়ালখুশির ক্যানভাসে। মৃত্যুকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে যেন এঁকে যাচ্ছেন জীবনের জয়গান।

এখানে এপিটাফগুলোও খুব দর্শনীয়। এক কবরের উপরে দেখি বইয়ের পাথুরে ভাস্কর্য, বেচারা খুব পড়ুয়া ছিলেন হয়ত! কারণ সেখানে বাইবেল-জাতীয় কোন গ্রন্থের চিহ্ন ছিল না। আসলেই সারাদিন কাটানো যায় এখানে। এর মাঝে দেখা হয়ে গেল এক জোড়া নীলমাথা-হাঁস আর এক দল কানাডা রাজহাঁসের সঙ্গে।
সেখান থেকে বনের পথে যাওয়ার সময় রাস্তার ধারে এক মৃত হরিণীকে পড়ে থাকতে দেখলাম। সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে। এমন ঘুমে মত্ত যে ঘুম আর ভাঙবে না আর। দেখে জীবনানন্দের ‘ক্যাম্পে’ কবিতার কথা মনে পড়ে গেল। জীবনানন্দ ভর করলেন তার মৃত চোখের তারায়—
‘এক ঘাইহরিণীর ডাক শুনি, কাহারে সে ডাকে?’
আচ্ছা, জীবনানন্দ কি কোনোদিন মৃত হরিণ দেখেছিলেন? নাকি কল্পনায় আক্রান্ত হয়েই ‘ক্যাম্পে’ কবিতাটি লিখে তথাকথিত সুধীজনদের শালীন সমাজে অশালীনতার দায়ে চাকরি হারালেন?

হরিণেরা এই ভূখন্ডে আছে কোটি বছর ধরে, নেকড়েরাও ছিল। মানুষ এসে বসতি গড়ল, রাস্তা বানাল। তাদের সঙ্গে আসলো গরু, ছাগল, ভেড়া। নিজেদের পশুপাল রক্ষার নামে নির্বিচারে খুন করা হলো নেকড়ে, ববক্যাটসহ সকল শিকারী প্রাণীদের। ফলে হরিণের সংখ্যাও অনেক বেড়ে ভারসাম্য নষ্ট হলো। আর তাদের কোটি বছর ধরে চলার পথে আমরা বানালাম এলোপাথাড়ি রাস্তা—এই তার ফলাফল।
আমাদের গন্তব্য ছিল ‘ক্যালিফোর্নিয়া উডস’ নামের এক প্রাকৃতিক বন। দারুণ সবুজে মোড়া, সেখানে একটা ট্রেইলে সবাই মিলে খানিকক্ষণ হাইকিং করে এই ট্রিপের প্রথম কার্ডিনাল পাখির দেখা পেলাম। অপূর্ব লাল টুকটুকে পাখিটি সবুজের মাঝে যেন লাল তীরের মতো ঝুঁটি নাচিয়ে ইতিউতি চাইছিল। হয়ত রঙের কারণেই তার নামটা দেয়া হয়েছে।

বেশ খানিকটা হাঁটাচলার পর সোজা মাহমুদ ভাইয়ের বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টে ফিরলাম। পেটপূজোর পরেই নিচের সুইমিংপুলে নেমে নানা দেশের মানুষের সঙ্গে আড্ডায় মাতলাম। বেশ আলাদা আন্তর্জাতিক জীবন এখানে। মার্কিন জীবনধারার কিছুটা গতিপ্রকৃতি বোঝা যায় এদের সঙ্গে মিশলে, আড্ডা দিলে। বাঙালির চিন্তায় পাশ্চাত্যের অঢেল মদ আর যৌনতা (এর মানে যে কী, ইউরোপে বেড়ে উঠেও আমি বুঝিনি। এর অস্তিত্ব থাকলে জেনে যেতাম মনে হয় এতদিনে) ছাড়াও যে জীবনের কত দিক, অলিগলি থাকতে পারে তা সেই দেশের মানুষের সঙ্গে না মিশলে জানবেন কেমন করে?
সন্ধ্যায় গেলাম বিখ্যাত ‘ফাউন্টেন স্কয়ারে’। সেখানে জমজমাট কনসার্ট চলছে। আর সেই তালে যেন ঝর্ণা ঘেরা ভাস্কর্য ও জলের রঙ পরিবর্তন হচ্ছে মুহুর্মুহু।
পরদিন সকালে মাহমুদ ভাইয়ের সঙ্গে ‘ইয়েলোস্টোন’-এ দেখা করার কথা দিয়ে আবার পথে নামলাম। গন্তব্য জানা নেই। হয়ত ইলিনয়ের শিকাগো বা মিশিগানের ডেট্রয়েট হয়ে মিশিগান হ্রদ। গাড়ীতে তখন জন বনজোভির উদ্দাত্ত গান বাজছে—
‘My life is like a open highway,
like Frankie said
I did it my way’
.png)

ইন্টারনেটের হাজারো নেতিবাচকতার ভিড়ে প্রাণীদের ‘কিউট’ ভিডিও ছিল এক চিলতে স্বস্তি। কিন্তু এআই-এর যুগে সেই নির্ভেজাল বিশ্বাসে এখন ফাটল ধরেছে। কোনো ভিডিও দেখে হাসার বদলে আমাদের মনে আগে প্রশ্ন জাগছে, এটি কি আসল নাকি এআই দিয়ে তৈরি? অবিশ্বাসের এই ডিজিটাল চোরাবালিতে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন উঠছে, আমাদের ছোট ছোট আনন্দ
১৬ ঘণ্টা আগে
সমকালীন বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক জগতে এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। জনপ্রিয়তা ও মননশীলতার মেলবন্ধনের দুর্লভ উদাহরণ তিনি। সৃজনশীল ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি তিনি একজন কর্মবীর। আজ তিনি সাতাশি বছর পূর্ণ করলেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
এইতো কিছুদিন আগে কথা। অফিস থেকে বেরিয়ে বিশেষ একটি কাজে শাহবাগের উদ্দেশ্যে রিকশায় উঠেছিলাম। বিকেলের ব্যস্ত ঢাকার চিরচেনা যানজটে রিকশাটি একসময় থেমে গেল। চারপাশে শুধু হর্নের শব্দ, মানুষের কোলাহল আর অসংখ্য গাড়ির সারি। ঠিক সেই মুহূর্তেই কানে ভেসে এলো এক পরিচিত সুর ‘আলো আমার আলো ওগো, আলো ভুবনভরা’…!
১৯ ঘণ্টা আগে
প্রাক-আধুনিক যুগের আদর্শবাদী তারুণ্য থেকে শুরু করে আধুনিক যুগের টেক-স্যাভি ‘জেন জি’ প্রজন্ম—প্রতিটি যুগের তারুণ্যের রক্তস্রোত প্রমাণ করেছে যে বন্দুকের নল বা রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন দিয়ে মানুষের মুক্তির স্পৃহাকে চিরতরে বন্দি করা যায় না। আর এই প্রতিটি রক্তঝরা লড়াইয়ে নারীর সক্রিয়, সমান্তরাল, আপসহীন ও বীরত্বপূ
১৯ ঘণ্টা আগে