তথ্যসূত্র:

ক্যানসার নিরাময়ে বিজ্ঞানীরা বহু বছর ধরে চেষ্টা করছেন। কখনো অপারেশন, কখনো যন্ত্রণাদায়ক কেমোথেরাপি কিংবা রেডিয়েশন। তবে শরীরের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে ‘ইমিউনোথেরাপি’ নিয়ে কাজ করছেন বিজ্ঞানীরা।
অপেক্ষাকৃত নতুন এই চিকিৎসাপদ্ধতি ক্যানসার আক্রান্ত অনেক রোগীর জীবন বাঁচাতে সাহায্য করছে। বিবিসির সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এই পদ্ধতির অভাবনীয় সাফল্য ও আগামীর সম্ভাবনার কথা উঠে এসেছে।
আমাদের শরীরের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা বা ‘ইমিউন সিস্টেম’ রয়েছে। এই ইমিউন সিস্টেমের কাজ হলো শরীরের ক্ষতিকর ও বাইরের কোষগুলোকে শনাক্ত করে ধ্বংস করা। স্বাভাবিক নিয়মে ক্যানসার কোষগুলোও এই প্রক্রিয়ায় ধ্বংস হওয়ার কথা। কিন্তু এই কোষগুলো অনেক সময় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে এড়িয়ে যেতে পারে। ক্যানসার কোষগুলো সাধারণ সুস্থ কোষের সঙ্গে মিশে থাকে। ফলে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা এগুলো শনাক্ত করতে পারে না। আর ক্যানসার কোষ শরীরের ভেতর বাধাহীনভাবে বাড়তে থাকে।
ইমিউনোথেরাপির মূল কাজ হলো এই লুকিয়ে থাকা ক্যানসার কোষগুলোকে শনাক্ত করা। এর ফলে আমাদের দেহের ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ক্যানসার কোষগুলোকে চিনতে পারে এবং তাদের ধ্বংস করতে পারে।
এই পদ্ধতির সবচেয়ে বড় দিক হলো, এখানে রোগীর নির্দিষ্ট শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া হয়। ফলে দীর্ঘ মেয়াদে ক্যানসার নির্মূল করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি, কেমোথেরাপি বা রেডিওথেরাপির তুলনায় ইমিউনোথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বেশ কম।
টেক্সাসের এমডি অ্যান্ডারসন ক্যানসার সেন্টারের চিকিৎসক ও গবেষক জেনিফার ওয়ার্গো এই চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে কাজ করছেন। তিনি বলেন, ‘মানুষ এখন কেবল বেঁচে থাকছে না, তারা মোটামুটি সুস্থ জীবনযাপন করছে। চিকিৎসা বিজ্ঞান এখন ক্যানসার সম্পূর্ণ নিরাময়ের কথা ভাবতে পারছে।’
প্রথমটি হলো কার ‘টি-সেল থেরাপি’। এই প্রক্রিয়ায় রোগীর শরীর থেকে প্রথমে টি-সেল বা রোগ প্রতিরোধক কোষ সংগ্রহ করা হয়। এরপর গবেষণাগারে সেই কোষগুলোর জিনগত পরিবর্তন ঘটানো হয়। যাতে তারা নির্দিষ্ট ক্যানসার কোষগুলোকে চিনে আক্রমণ করতে পারে। এরপর এই পরিবর্তিত কোষগুলো পুনরায় রোগীর শরীরে প্রবেশ করানো হয়। বর্তমানে রক্তের ক্যানসার চিকিৎসায় এই প্রক্রিয়াটি ব্যবহৃত হচ্ছে।
দ্বিতীয় পদ্ধতিটি হলো ‘ইমিউন চেকপয়েন্ট ইনহিবিটরস’। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থায় নির্দিষ্ট ‘অফ’ বা বন্ধ করার প্রক্রিয়া থাকে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শরীরকে সুস্থ কোষের ওপর আক্রমণ করা থেকে বিরত রাখে। কিন্তু কিছু ক্যানসার কোষ এই প্রক্রিয়ার সুযোগ নিয়ে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়। ‘চেকপয়েন্ট ইনহিবিটর’ নামের ওষুধ ক্যানসার কোষকে এই কাজ থেকে বিরত রাখে। ফলে শরীর ক্যানসারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে। এই পদ্ধতি আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানীরা ২০১৮ সালে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন।
এই পদ্ধতির কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। মানুষের শরীরে হওয়া ক্যানসারের প্রায় ৯০ শতাংশই হলো সলিড বা শক্ত টিউমার। এই ধরনের টিউমারে টি-সেল থেরাপি খুব একটা কার্যকর হয় না। এছাড়া এই চিকিৎসা পদ্ধতি বেশ ব্যয়বহুল।
অন্যদিকে, চেকপয়েন্ট ইনহিবিটর ওষুধের কারণে অনেক সময় সুস্থ কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। সাধারণত ২০ থেকে ৪০ শতাংশ রোগী ইমিউনোথেরাপিতে ইতিবাচক সাড়া দেন। অর্থাৎ, অনেক রোগীর ক্ষেত্রে এই চিকিৎসা পুরোপুরি কাজ করে না।
এই সীমাবদ্ধতা দূর করতে বিজ্ঞানীরা নানাভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। গবেষক জেনিফার ওয়ার্গোর মতে, ফাইবার বা আঁশযুক্ত খাবার ইমিউনোথেরাপির কার্যকারিতা বাড়াতে পারে। এ ছাড়া কোলেস্টেরল কমানোর ওষুধ ‘স্ট্যাটিন’ ব্যবহারও রোগীকে ভালো ফল দিতে পারে। তবে এ ব্যাপারে শতভাগ নিশ্চিত নন চিকিৎসকরা।
রোগের কোন অবস্থায় ওষুধ দেওয়া হচ্ছে, সেটাও এই চিকিৎসায় বেশ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অর্থাৎ ক্যানসারের প্রাথমিক অবস্থায় ইমিউনোথেরাপি দিলে একরকম ফল আসবে আবার শেষভাগে দিলে ফল অন্যরকমও হতে পারে। এ ছাড়া, ক্যানসারের ক্ষেত্রে প্রতিটি রোগীর জন্য ভিন্ন চিকিৎসা প্রয়োজন। মেমোরিয়াল স্লোয়ান কেটারিং ক্যানসার সেন্টারের বিজ্ঞানীরা একটি বিশেষ জিনগত বৈশিষ্ট্যের টিউমার নিয়ে কাজ করেছেন। এক গবেষণায় তাঁরা দেখেছেন, নির্দিষ্ট জিনগত বৈশিষ্ট্যের রেক্টাল বা খাদ্যনালীর ক্যান্সারের রোগীরা ইমিউনোথেরাপিতে খুব ভালো সাড়া দেন।
গবেষনায় ১১৭ জন রোগীর ওপর ট্রায়াল চালানো হয়। এই রোগীদের খাদ্যনালী, পাকস্থলী ও মূত্রথলির ক্যানসার ছিল। ১০৩ জন রোগী চিকিৎসা শেষ করেন এবং তাঁদের মধ্যে ৮৪ জনের টিউমার সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। মাত্র দুজন রোগীর পরবর্তী সময়ে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়েছিল।
তবে বিজ্ঞানীদের মতে, সামনে আরও দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে। অনেক নতুন ওষুধ প্রাথমিক পর্যায়ে ভালো কাজ করলেও পরবর্তীতে কার্যকর না-ও হতে পারে। আবার কিছু রোগীর শরীরে কোনো ধরনের ইমিউনোথেরাপিই হয়ত কাজ করবে না। কিন্তু যাঁরা এই চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন, তাঁদের জীবন বদলে যাচ্ছে। ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে জয়ী হওয়া মরিন সিডরিস সেই মানুষদের একজন। ভবিষ্যতের এই চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে তিনি অত্যন্ত আশাবাদী। মরিন সিডরিস বলেন, আগামী ১০ বছরের মধ্যে বর্তমানের কেমোথেরাপি বা রেডিয়েশন দেওয়ার পদ্ধতিটি মানুষের কাছে পুরোনো ও সেকেলে মনে হবে।

ক্যানসার নিরাময়ে বিজ্ঞানীরা বহু বছর ধরে চেষ্টা করছেন। কখনো অপারেশন, কখনো যন্ত্রণাদায়ক কেমোথেরাপি কিংবা রেডিয়েশন। তবে শরীরের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে ‘ইমিউনোথেরাপি’ নিয়ে কাজ করছেন বিজ্ঞানীরা।
অপেক্ষাকৃত নতুন এই চিকিৎসাপদ্ধতি ক্যানসার আক্রান্ত অনেক রোগীর জীবন বাঁচাতে সাহায্য করছে। বিবিসির সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এই পদ্ধতির অভাবনীয় সাফল্য ও আগামীর সম্ভাবনার কথা উঠে এসেছে।
আমাদের শরীরের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা বা ‘ইমিউন সিস্টেম’ রয়েছে। এই ইমিউন সিস্টেমের কাজ হলো শরীরের ক্ষতিকর ও বাইরের কোষগুলোকে শনাক্ত করে ধ্বংস করা। স্বাভাবিক নিয়মে ক্যানসার কোষগুলোও এই প্রক্রিয়ায় ধ্বংস হওয়ার কথা। কিন্তু এই কোষগুলো অনেক সময় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে এড়িয়ে যেতে পারে। ক্যানসার কোষগুলো সাধারণ সুস্থ কোষের সঙ্গে মিশে থাকে। ফলে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা এগুলো শনাক্ত করতে পারে না। আর ক্যানসার কোষ শরীরের ভেতর বাধাহীনভাবে বাড়তে থাকে।
ইমিউনোথেরাপির মূল কাজ হলো এই লুকিয়ে থাকা ক্যানসার কোষগুলোকে শনাক্ত করা। এর ফলে আমাদের দেহের ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ক্যানসার কোষগুলোকে চিনতে পারে এবং তাদের ধ্বংস করতে পারে।
এই পদ্ধতির সবচেয়ে বড় দিক হলো, এখানে রোগীর নির্দিষ্ট শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া হয়। ফলে দীর্ঘ মেয়াদে ক্যানসার নির্মূল করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি, কেমোথেরাপি বা রেডিওথেরাপির তুলনায় ইমিউনোথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বেশ কম।
টেক্সাসের এমডি অ্যান্ডারসন ক্যানসার সেন্টারের চিকিৎসক ও গবেষক জেনিফার ওয়ার্গো এই চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে কাজ করছেন। তিনি বলেন, ‘মানুষ এখন কেবল বেঁচে থাকছে না, তারা মোটামুটি সুস্থ জীবনযাপন করছে। চিকিৎসা বিজ্ঞান এখন ক্যানসার সম্পূর্ণ নিরাময়ের কথা ভাবতে পারছে।’
প্রথমটি হলো কার ‘টি-সেল থেরাপি’। এই প্রক্রিয়ায় রোগীর শরীর থেকে প্রথমে টি-সেল বা রোগ প্রতিরোধক কোষ সংগ্রহ করা হয়। এরপর গবেষণাগারে সেই কোষগুলোর জিনগত পরিবর্তন ঘটানো হয়। যাতে তারা নির্দিষ্ট ক্যানসার কোষগুলোকে চিনে আক্রমণ করতে পারে। এরপর এই পরিবর্তিত কোষগুলো পুনরায় রোগীর শরীরে প্রবেশ করানো হয়। বর্তমানে রক্তের ক্যানসার চিকিৎসায় এই প্রক্রিয়াটি ব্যবহৃত হচ্ছে।
দ্বিতীয় পদ্ধতিটি হলো ‘ইমিউন চেকপয়েন্ট ইনহিবিটরস’। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থায় নির্দিষ্ট ‘অফ’ বা বন্ধ করার প্রক্রিয়া থাকে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শরীরকে সুস্থ কোষের ওপর আক্রমণ করা থেকে বিরত রাখে। কিন্তু কিছু ক্যানসার কোষ এই প্রক্রিয়ার সুযোগ নিয়ে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়। ‘চেকপয়েন্ট ইনহিবিটর’ নামের ওষুধ ক্যানসার কোষকে এই কাজ থেকে বিরত রাখে। ফলে শরীর ক্যানসারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে। এই পদ্ধতি আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানীরা ২০১৮ সালে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন।
এই পদ্ধতির কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। মানুষের শরীরে হওয়া ক্যানসারের প্রায় ৯০ শতাংশই হলো সলিড বা শক্ত টিউমার। এই ধরনের টিউমারে টি-সেল থেরাপি খুব একটা কার্যকর হয় না। এছাড়া এই চিকিৎসা পদ্ধতি বেশ ব্যয়বহুল।
অন্যদিকে, চেকপয়েন্ট ইনহিবিটর ওষুধের কারণে অনেক সময় সুস্থ কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। সাধারণত ২০ থেকে ৪০ শতাংশ রোগী ইমিউনোথেরাপিতে ইতিবাচক সাড়া দেন। অর্থাৎ, অনেক রোগীর ক্ষেত্রে এই চিকিৎসা পুরোপুরি কাজ করে না।
এই সীমাবদ্ধতা দূর করতে বিজ্ঞানীরা নানাভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। গবেষক জেনিফার ওয়ার্গোর মতে, ফাইবার বা আঁশযুক্ত খাবার ইমিউনোথেরাপির কার্যকারিতা বাড়াতে পারে। এ ছাড়া কোলেস্টেরল কমানোর ওষুধ ‘স্ট্যাটিন’ ব্যবহারও রোগীকে ভালো ফল দিতে পারে। তবে এ ব্যাপারে শতভাগ নিশ্চিত নন চিকিৎসকরা।
রোগের কোন অবস্থায় ওষুধ দেওয়া হচ্ছে, সেটাও এই চিকিৎসায় বেশ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অর্থাৎ ক্যানসারের প্রাথমিক অবস্থায় ইমিউনোথেরাপি দিলে একরকম ফল আসবে আবার শেষভাগে দিলে ফল অন্যরকমও হতে পারে। এ ছাড়া, ক্যানসারের ক্ষেত্রে প্রতিটি রোগীর জন্য ভিন্ন চিকিৎসা প্রয়োজন। মেমোরিয়াল স্লোয়ান কেটারিং ক্যানসার সেন্টারের বিজ্ঞানীরা একটি বিশেষ জিনগত বৈশিষ্ট্যের টিউমার নিয়ে কাজ করেছেন। এক গবেষণায় তাঁরা দেখেছেন, নির্দিষ্ট জিনগত বৈশিষ্ট্যের রেক্টাল বা খাদ্যনালীর ক্যান্সারের রোগীরা ইমিউনোথেরাপিতে খুব ভালো সাড়া দেন।
গবেষনায় ১১৭ জন রোগীর ওপর ট্রায়াল চালানো হয়। এই রোগীদের খাদ্যনালী, পাকস্থলী ও মূত্রথলির ক্যানসার ছিল। ১০৩ জন রোগী চিকিৎসা শেষ করেন এবং তাঁদের মধ্যে ৮৪ জনের টিউমার সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। মাত্র দুজন রোগীর পরবর্তী সময়ে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়েছিল।
তবে বিজ্ঞানীদের মতে, সামনে আরও দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে। অনেক নতুন ওষুধ প্রাথমিক পর্যায়ে ভালো কাজ করলেও পরবর্তীতে কার্যকর না-ও হতে পারে। আবার কিছু রোগীর শরীরে কোনো ধরনের ইমিউনোথেরাপিই হয়ত কাজ করবে না। কিন্তু যাঁরা এই চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন, তাঁদের জীবন বদলে যাচ্ছে। ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে জয়ী হওয়া মরিন সিডরিস সেই মানুষদের একজন। ভবিষ্যতের এই চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে তিনি অত্যন্ত আশাবাদী। মরিন সিডরিস বলেন, আগামী ১০ বছরের মধ্যে বর্তমানের কেমোথেরাপি বা রেডিয়েশন দেওয়ার পদ্ধতিটি মানুষের কাছে পুরোনো ও সেকেলে মনে হবে।

আজ চার্লি চ্যাপলিনের জন্মদিন। হাসির আড়ালে সমাজের বেদনা তুলে ধরা তাঁর ‘ট্রাম্প’ চরিত্র কীভাবে হয়ে উঠল গণমানুষের প্রতীক? শিল্পবিপ্লব থেকে বলিউড পর্যন্ত এই ভবঘুরের যাত্রা, প্রভাব ও প্রাসঙ্গিকতার গল্প জানতে পড়ুন এই লেখা।
২ ঘণ্টা আগে
আনোয়ার পাশার (১৯২৮-৭১) ‘রাইফেল রোটি আওরাত’ (১৯৭৩ প্রকাশকাল) উপন্যাস বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন চিত্রের এক অনন্য দলিল। বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ওপর যে-নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চালায় পাকিস্তানি সামরিক বাহিনি, এর নজির পাওয়া যায় এই উপন্যাসে।
২১ ঘণ্টা আগে
সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন অনেকেই কন্টেন্ট ক্রিয়েটর। কিন্তু সবাই কি সফল হতে পারছে? এর উত্তর কেবল ভালো এডিটিং, আকর্ষণীয় রঙ বা ঝকঝকে গ্রাফিক্সে লুকিয়ে নেই। এর পেছনে কাজ করে মানুষের মন, আবেগ, অভ্যাস, কৌতূহল এবং সামাজিক আচরণ। সোশ্যাল মিডিয়ার এই যুগে কন্টেন্ট তৈরি করা আসলে শুধু প্রযুক্তির কাজ নয়, মানুষের মন বোঝ
১ দিন আগে
ভূ-পর্যটক তারেক অণুর ধারাবাহিক ভ্রমণ-কাহিনি ‘আমেরিকায় প্রবেশ নিষেধ’-এর দশম পর্ব প্রকাশিত হলো আজ। প্রতি বুধবার চোখ রাখুন বাংলা স্ট্রিমের ফিচার পাতায়।
১ দিন আগে