আজ ৮ জানুয়ারি স্টিফেন হকিংয়ের জন্মদিন। তাঁকে বলা হয় আইনস্টাইনের পরে দুনিয়ার সবচেয়ে মেধাবী বিজ্ঞানী। বিজ্ঞানের কঠিন জগতের বাইরেও স্টিফেন হকিং ছিলেন বেশ পরিচিত মুখ। সূক্ষ্ম রসবোধ আর বৈজ্ঞানিক কৌতূহলের এক অদ্ভুত মিশেল ছিল ২০০৯ সালে আয়োজিত এক পার্টি। কী ঘটেছিল সেদিন?
ফাবিহা বিনতে হক

আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের ইতিহাসে আইনস্টাইনের পরেই যার নামটি সবচেয়ে উজ্জ্বল, তিনি স্টিফেন হকিং। ১৯৪২ সালের ৮ জানুয়ারি জন্ম নেওয়া এই তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী মহাবিশ্বের সৃষ্টিতত্ত্ব, কসমোলজি আর ব্ল্যাক হোল নিয়ে বিজ্ঞানের রহস্যময় জগতকে দেখিয়েছেন নতুন পথ।
মাত্র ২১ বছর বয়সে স্টিফেন হকিং দুরারোগ্য ‘মোটর নিউরন’ রোগে আক্রান্ত হন। ধীরে ধীরে তাঁর শরীরের প্রায় সব পেশি অকার্যকর হয়ে পড়ে, আর জীবনের বড় একটা সময় কাটাতে হয় হুইলচেয়ারে। কিন্তু শরীর বন্দি হলেও তাঁর চিন্তাশক্তি থেমে যায়নি।
শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে অতিক্রম করে তিনি বিজ্ঞানজগতে অসাধারণ অবদান রেখে গেছেন এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে বিজ্ঞানচর্চার আগ্রহ তৈরি করতে আজীবন কাজ করেছেন।

বিজ্ঞানের কঠিন জগতের বাইরেও স্টিফেন হকিং ছিলেন বেশ পরিচিত মুখ। জনপ্রিয় টিভি সিরিজ ‘দ্য বিগ ব্যাং থিওরি’তে অনেকবার তিনি অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়েছেন, ‘স্টার ট্রেক: দ্য নেক্সট জেনারেশন’-এ তাঁকে দেখা গেছে ‘আইনস্টাইন ও নিউটনের’ চরিত্রদের সঙ্গে পোকার খেলতে। এমনকি জনপ্রিয় কার্টুন ‘দ্য সিম্পসনস’-এ তাঁর অ্যানিমেটেড চরিত্র স্থান পেয়েছে।
স্টিফেন হকিংয়ের এই সূক্ষ্ম রসবোধ আর বৈজ্ঞানিক কৌতূহলের এক অদ্ভুত মিশেল ছিল ২০০৯ সালে আয়োজিত এক ককটেল পার্টি। যেখানে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছিল পার্টির পর। ‘টাইম ট্রাভেল’ আদৌ সম্ভব কি না, সেটি নিয়ে এই ব্যতিক্রমী আয়োজন বিজ্ঞানমনস্ক মানুষের চিন্তাভাবনা আর পরীক্ষার ধারণাকেই নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছিল।
সময়টা ২০০৯ সালের ২৮ জুন। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গনভিল অ্যান্ড কাইয়াস কলেজের একটি হলরুম চমৎকার করে সাজানো হয়েছে। টেবিলজুড়ে সাজানো দামি শ্যাম্পেন আর হরেক পদের সুস্বাদু খাবার, চারদিকে রঙিন বেলুন। আয়োজন দেখে বোঝার উপায় নেই, কোনো কিছুর কমতি আছে।
হলরুমের এক পাশে হকিং তাঁর মোটরচালিত হুইলচেয়ারে বসে অপেক্ষা করছেন। পরনে সুন্দর পরিপাটি পোশাক। কিন্তু সমস্যা একটাই, এত বড় ঘরে তিনি ছাড়া আর কেউ নেই। সময় গড়াচ্ছে, কিন্তু দরজা খুলে কেউ ঢুকছে না।
সাধারণত পার্টিতে কেউ না এলে আয়োজকের মন খারাপ হয়, কিন্তু হকিংয়ের ক্ষেত্রে বিষয়টি ছিল ভিন্ন। কারণ, এই পার্টিতে কেউ না আসাটাই ছিল তাঁর কাছে স্বাভাবিক ব্যাপার। এটি ছিল আসলে হকিংয়ের একটি বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা। তিনি এই পার্টির আয়োজন করেছিলেন টাইম ট্রাভেলারদের জন্য। সেখানে বড় একটা ব্যানারে লেখা ছিল, ‘ওয়েলকাম, টাইম ট্রাভেলার্স’।
সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, হকিং এই পার্টির দাওয়াতপত্র হকিং প্রকাশ করেছিলেন পার্টি শেষ হওয়ার পর। আর তাতে লেখা ছিল, ‘ইউ আর কর্ডিয়ালি ইনভাইটেড টু এ রিসিপশন ফর টাইম ট্রাভেলার্স।’
দাওয়াতপত্রে পার্টির তারিখ ২৮ জুন ২০০৯, সময় বেলা ১২টা এবং ঠিকানা হিসেবে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই হলরুমের সুনির্দিষ্ট জিপিএস কোঅর্ডিনেট (52° 12' 21" N, 0° 7' 4.7" E) দেওয়া ছিল।
হকিংয়ের যুক্তি ছিল সহজ। যদি ভবিষ্যতে মানুষ সত্যিই টাইম মেশিন আবিষ্কার করতে পারে এবং অতীতে যাওয়া সম্ভব হয়, তাহলে ভবিষ্যতের কোনো মানুষ নিশ্চয়ই এই দাওয়াতপত্রটি দেখতে পাবে। আর তাঁরা টাইম ট্রাভেল করে ঠিক ওই দিনে, ওই সময়ে, ওই জায়গায় এসে পার্টিতে যোগ দেবে। যেহেতু দাওয়াতপত্র আগে প্রকাশ করা হয়নি, তাই বর্তমানের কোনো মানুষের পক্ষে সেখানে আসার সুযোগ ছিল না। কেবল ভবিষ্যতের মানুষই জানত ২০০৯ সালে এমন একটি পার্টি হয়েছিল।

দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করার পর যখন কেউ এল না, তখন হকিং তাঁর স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে হাসলেন। তিনি ঘোষণা করলেন, আমি টাইম ট্রাভেলারদের জন্য একটি পার্টি দিয়েছিলাম, কিন্তু কেউ আসেনি। রসিকতা করে তিনি বলেছিলেন, এটিই পরীক্ষামূলক প্রমাণ যে, টাইম ট্রাভেল বা সময় ভ্রমণ আসলে সম্ভব নয়।
তিনি রসিকতা করে আরও বলেছিলেন, ‘আমি আশা করেছিলাম, হয়তো দরজা খুলে মিস ইউনিভার্স টাইপের কেউ ভবিষ্যত থেকে এসে আমাকে অবাক করে দেবে।’
এই পার্টির ফলাফল নিয়ে হকিং কেবল মজাই করেননি, এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও দিয়েছেন। আর্স টেকনিকা-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা তত্ত্ব অনুযায়ী টাইম ট্রাভেল বা ওয়ার্প হোল তৈরি করা হয়তো তাত্ত্বিকভাবে সম্ভব মনে হলেও, বাস্তবে এটি ঘটাতে গেলে ভ্যাকুয়াম ফ্লাকচুয়েশন/ভার্চুয়াল কণার শক্তি খুব বেড়ে গিয়ে ব্যবস্থা অস্থিতিশীল হতে পারে। ফলে সেই টাইম মেশিন এবং যাত্রাকেই ধ্বংস করে ফেলতে পারে। বিজ্ঞানীরা একে বলেন ‘ক্রোনোলজি প্রোটেকশন কনজেকচার’।
২০১৮ সালের ১৪ মার্চ, ৭৬ বছর বয়সে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই বিজ্ঞানী। পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেও হকিংয়ের সেই নিমন্ত্রণপত্রটি আজও রয়ে গেছে, কে জানে, হয়ত ভবিষ্যতের কেউ সেটি দেখে টাইম মেশিনে চড়ে স্টিফেনের সেই পার্টিতে গিয়ে উপস্থিত হবেন।

আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের ইতিহাসে আইনস্টাইনের পরেই যার নামটি সবচেয়ে উজ্জ্বল, তিনি স্টিফেন হকিং। ১৯৪২ সালের ৮ জানুয়ারি জন্ম নেওয়া এই তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী মহাবিশ্বের সৃষ্টিতত্ত্ব, কসমোলজি আর ব্ল্যাক হোল নিয়ে বিজ্ঞানের রহস্যময় জগতকে দেখিয়েছেন নতুন পথ।
মাত্র ২১ বছর বয়সে স্টিফেন হকিং দুরারোগ্য ‘মোটর নিউরন’ রোগে আক্রান্ত হন। ধীরে ধীরে তাঁর শরীরের প্রায় সব পেশি অকার্যকর হয়ে পড়ে, আর জীবনের বড় একটা সময় কাটাতে হয় হুইলচেয়ারে। কিন্তু শরীর বন্দি হলেও তাঁর চিন্তাশক্তি থেমে যায়নি।
শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে অতিক্রম করে তিনি বিজ্ঞানজগতে অসাধারণ অবদান রেখে গেছেন এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে বিজ্ঞানচর্চার আগ্রহ তৈরি করতে আজীবন কাজ করেছেন।

বিজ্ঞানের কঠিন জগতের বাইরেও স্টিফেন হকিং ছিলেন বেশ পরিচিত মুখ। জনপ্রিয় টিভি সিরিজ ‘দ্য বিগ ব্যাং থিওরি’তে অনেকবার তিনি অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়েছেন, ‘স্টার ট্রেক: দ্য নেক্সট জেনারেশন’-এ তাঁকে দেখা গেছে ‘আইনস্টাইন ও নিউটনের’ চরিত্রদের সঙ্গে পোকার খেলতে। এমনকি জনপ্রিয় কার্টুন ‘দ্য সিম্পসনস’-এ তাঁর অ্যানিমেটেড চরিত্র স্থান পেয়েছে।
স্টিফেন হকিংয়ের এই সূক্ষ্ম রসবোধ আর বৈজ্ঞানিক কৌতূহলের এক অদ্ভুত মিশেল ছিল ২০০৯ সালে আয়োজিত এক ককটেল পার্টি। যেখানে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছিল পার্টির পর। ‘টাইম ট্রাভেল’ আদৌ সম্ভব কি না, সেটি নিয়ে এই ব্যতিক্রমী আয়োজন বিজ্ঞানমনস্ক মানুষের চিন্তাভাবনা আর পরীক্ষার ধারণাকেই নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছিল।
সময়টা ২০০৯ সালের ২৮ জুন। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গনভিল অ্যান্ড কাইয়াস কলেজের একটি হলরুম চমৎকার করে সাজানো হয়েছে। টেবিলজুড়ে সাজানো দামি শ্যাম্পেন আর হরেক পদের সুস্বাদু খাবার, চারদিকে রঙিন বেলুন। আয়োজন দেখে বোঝার উপায় নেই, কোনো কিছুর কমতি আছে।
হলরুমের এক পাশে হকিং তাঁর মোটরচালিত হুইলচেয়ারে বসে অপেক্ষা করছেন। পরনে সুন্দর পরিপাটি পোশাক। কিন্তু সমস্যা একটাই, এত বড় ঘরে তিনি ছাড়া আর কেউ নেই। সময় গড়াচ্ছে, কিন্তু দরজা খুলে কেউ ঢুকছে না।
সাধারণত পার্টিতে কেউ না এলে আয়োজকের মন খারাপ হয়, কিন্তু হকিংয়ের ক্ষেত্রে বিষয়টি ছিল ভিন্ন। কারণ, এই পার্টিতে কেউ না আসাটাই ছিল তাঁর কাছে স্বাভাবিক ব্যাপার। এটি ছিল আসলে হকিংয়ের একটি বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা। তিনি এই পার্টির আয়োজন করেছিলেন টাইম ট্রাভেলারদের জন্য। সেখানে বড় একটা ব্যানারে লেখা ছিল, ‘ওয়েলকাম, টাইম ট্রাভেলার্স’।
সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, হকিং এই পার্টির দাওয়াতপত্র হকিং প্রকাশ করেছিলেন পার্টি শেষ হওয়ার পর। আর তাতে লেখা ছিল, ‘ইউ আর কর্ডিয়ালি ইনভাইটেড টু এ রিসিপশন ফর টাইম ট্রাভেলার্স।’
দাওয়াতপত্রে পার্টির তারিখ ২৮ জুন ২০০৯, সময় বেলা ১২টা এবং ঠিকানা হিসেবে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই হলরুমের সুনির্দিষ্ট জিপিএস কোঅর্ডিনেট (52° 12' 21" N, 0° 7' 4.7" E) দেওয়া ছিল।
হকিংয়ের যুক্তি ছিল সহজ। যদি ভবিষ্যতে মানুষ সত্যিই টাইম মেশিন আবিষ্কার করতে পারে এবং অতীতে যাওয়া সম্ভব হয়, তাহলে ভবিষ্যতের কোনো মানুষ নিশ্চয়ই এই দাওয়াতপত্রটি দেখতে পাবে। আর তাঁরা টাইম ট্রাভেল করে ঠিক ওই দিনে, ওই সময়ে, ওই জায়গায় এসে পার্টিতে যোগ দেবে। যেহেতু দাওয়াতপত্র আগে প্রকাশ করা হয়নি, তাই বর্তমানের কোনো মানুষের পক্ষে সেখানে আসার সুযোগ ছিল না। কেবল ভবিষ্যতের মানুষই জানত ২০০৯ সালে এমন একটি পার্টি হয়েছিল।

দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করার পর যখন কেউ এল না, তখন হকিং তাঁর স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে হাসলেন। তিনি ঘোষণা করলেন, আমি টাইম ট্রাভেলারদের জন্য একটি পার্টি দিয়েছিলাম, কিন্তু কেউ আসেনি। রসিকতা করে তিনি বলেছিলেন, এটিই পরীক্ষামূলক প্রমাণ যে, টাইম ট্রাভেল বা সময় ভ্রমণ আসলে সম্ভব নয়।
তিনি রসিকতা করে আরও বলেছিলেন, ‘আমি আশা করেছিলাম, হয়তো দরজা খুলে মিস ইউনিভার্স টাইপের কেউ ভবিষ্যত থেকে এসে আমাকে অবাক করে দেবে।’
এই পার্টির ফলাফল নিয়ে হকিং কেবল মজাই করেননি, এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও দিয়েছেন। আর্স টেকনিকা-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা তত্ত্ব অনুযায়ী টাইম ট্রাভেল বা ওয়ার্প হোল তৈরি করা হয়তো তাত্ত্বিকভাবে সম্ভব মনে হলেও, বাস্তবে এটি ঘটাতে গেলে ভ্যাকুয়াম ফ্লাকচুয়েশন/ভার্চুয়াল কণার শক্তি খুব বেড়ে গিয়ে ব্যবস্থা অস্থিতিশীল হতে পারে। ফলে সেই টাইম মেশিন এবং যাত্রাকেই ধ্বংস করে ফেলতে পারে। বিজ্ঞানীরা একে বলেন ‘ক্রোনোলজি প্রোটেকশন কনজেকচার’।
২০১৮ সালের ১৪ মার্চ, ৭৬ বছর বয়সে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই বিজ্ঞানী। পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেও হকিংয়ের সেই নিমন্ত্রণপত্রটি আজও রয়ে গেছে, কে জানে, হয়ত ভবিষ্যতের কেউ সেটি দেখে টাইম মেশিনে চড়ে স্টিফেনের সেই পার্টিতে গিয়ে উপস্থিত হবেন।
.png)
চিত্রশিল্পী তৌহিন হাসান ঘুরে দেখেছেন দেশ-বিদেশের বিখ্যাত সব আর্ট মিউজিয়াম ও আর্ট গ্যালারি। প্রতিটি সংগ্রহশালায় ক্যানভাস থেকে ক্যানভাসে তিনি খুঁজেছেন শিল্পের ভাষা; রঙ, আলো আর তুলির আঁচড়ে অনুভব করেছেন শিল্পীদের জীবন, সময় ও সৃষ্টির গল্প। সেই শিল্পভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে শুরু হলো নতুন ধারাবাহিক ‘আর্ট মিউজ
২ ঘণ্টা আগে
ইন্টারনেটের হাজারো নেতিবাচকতার ভিড়ে প্রাণীদের ‘কিউট’ ভিডিও ছিল এক চিলতে স্বস্তি। কিন্তু এআই-এর যুগে সেই নির্ভেজাল বিশ্বাসে এখন ফাটল ধরেছে। কোনো ভিডিও দেখে হাসার বদলে আমাদের মনে আগে প্রশ্ন জাগছে, এটি কি আসল নাকি এআই দিয়ে তৈরি? অবিশ্বাসের এই ডিজিটাল চোরাবালিতে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন উঠছে, আমাদের ছোট ছোট আনন্দ
১ দিন আগে
সমকালীন বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক জগতে এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। জনপ্রিয়তা ও মননশীলতার মেলবন্ধনের দুর্লভ উদাহরণ তিনি। সৃজনশীল ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি তিনি একজন কর্মবীর। আজ তিনি সাতাশি বছর পূর্ণ করলেন।
২৫ জুলাই ২০২৬
এইতো কিছুদিন আগে কথা। অফিস থেকে বেরিয়ে বিশেষ একটি কাজে শাহবাগের উদ্দেশ্যে রিকশায় উঠেছিলাম। বিকেলের ব্যস্ত ঢাকার চিরচেনা যানজটে রিকশাটি একসময় থেমে গেল। চারপাশে শুধু হর্নের শব্দ, মানুষের কোলাহল আর অসংখ্য গাড়ির সারি। ঠিক সেই মুহূর্তেই কানে ভেসে এলো এক পরিচিত সুর ‘আলো আমার আলো ওগো, আলো ভুবনভরা’…!
২৫ জুলাই ২০২৬