স্ট্রিম ডেস্ক

বিশ্বজুড়ে মাদক ব্যবসা শুধু একটি অপরাধ নয়, এটি শত শত বিলিয়ন ডলারের একটি অবৈধ অর্থনীতি। জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোকেন, হেরোইন, মেথামফেটামিন ও অন্যান্য মাদকের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংগঠিত অপরাধ, দুর্নীতি, অস্ত্র পাচার এবং সহিংসতার অন্যতম প্রধান উৎস।
ইতিহাসে এমন কিছু কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী রয়েছে, যাদের প্রভাব একটি দেশের সরকার, অর্থনীতি এমনকি আন্তর্জাতিক রাজনীতিতেও পড়েছিল। তাদের অনেকেই বিপুল সম্পদের মালিক হলেও শেষ পর্যন্ত গ্রেপ্তার, কারাবন্দি বা নিহত হন।

পাবলো এস্কোবার
বিশ্বের সবচেয়ে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীর নাম বলতে প্রথমেই আসে পাবলো এস্কোবারের নাম। তিনি কলম্বিয়ার মেডেলিন কার্টেলের প্রধান ছিলেন। ১৯৮০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করা কোকেনের বড় একটি অংশ তাঁর নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পাচার হতো।
এক সময় তাঁর ব্যক্তিগত সম্পদের পরিমাণ কয়েক দশক বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায় বলে ধারণা করা হয়। এস্কোবার রাজনীতিবিদ, বিচারক, সাংবাদিক ও পুলিশ কর্মকর্তাদের হত্যা এবং বোমা হামলার জন্যও কুখ্যাত ছিলেন। ১৯৯৩ সালে কলম্বিয়ার নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে তিনি নিহত হন।

জোয়াকিন ‘এল চাপো’ গুজমান
‘এল চাপো’ নামে পরিচিত জোয়াকিন গুজমান ছিলেন মেক্সিকোর সিনালোয়া কার্টেলের অন্যতম প্রধান নেতা। তিনি যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে মাদক সরবরাহের বিশাল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন। ২০১৫ সালে এই মাদক-ব্যবসায়ী একটি উচ্চ নিরাপত্তার কারাগার থেকে সুড়ঙ্গ খুঁড়ে পালিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেন। পরে পুনরায় গ্রেপ্তার হন এবং বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করছেন।

গ্রিসেলদা ব্লাঙ্কো
‘ব্ল্যাক উইডো’ এবং ‘কোকেন গডমাদার’ নামে পরিচিত গ্রিসেলদা ব্লাঙ্কো ছিলেন বিশ্বের অন্যতম কুখ্যাত নারী মাদক ব্যবসায়ী। ১৯৭০ ও ১৯৮০-র দশকে যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে কোকেন পাচারের বড় নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন তিনি।
নিষ্ঠুরতা, সহিংসতা এবং সংগঠিত অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে তিনি আন্তর্জাতিকভাবে কুখ্যাত হয়ে ওঠেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দীর্ঘ অভিযানের পর তিনি গ্রেপ্তার হন এবং কারাভোগ করেন। মুক্তির পর কলম্বিয়ায় ফিরে যান। ২০১২ সালে কলম্বিয়ায় আততায়ীর গুলিতে তিনি নিহত হন।

আমাদো ক্যারিলো ফুয়েন্তেস
‘লর্ড অব দ্য স্কাইজ’ নামে পরিচিত আমাদো ক্যারিলো ফুয়েন্তেস উড়োজাহাজ ব্যবহার করে বিপুল পরিমাণ মাদক পাচারের জন্য বিখ্যাত ছিলেন।
ফুয়েন্তেসের মালিকানায় কয়েক ডজন উড়োজাহাজ ছিল বলে ধারণা করা হয়। তিনি মেক্সিকোর জুয়ারেজ কার্টেলের নেতৃত্ব দেন। ১৯৯৭ সালে প্লাস্টিক সার্জারির সময় রহস্যজনকভাবে তাঁর মৃত্যু হয়।

ফ্রাঙ্ক লুকাস
যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে ফ্রাঙ্ক লুকাস অন্যতম। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে হেরোইন এনে যুক্তরাষ্ট্রে সরবরাহ করতেন। তাঁর জীবন নিয়ে ২০০৭ সালে একটি জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ‘আমেরিকান গ্যাংস্টার’ নির্মিত হয়।

খুন সা
মিয়ানমারের গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল অঞ্চলের কিংবদন্তি মাদক সম্রাট ছিলেন খুন সা। তাঁর প্রকৃত নাম ছিল চ্যাং চি-ফু। বিশ্বজুড়ে আফিম ও হেরোইন উৎপাদন ও পাচারের সঙ্গে তাঁর নাম দীর্ঘ সময় ধরে জড়িয়ে ছিল। একসময় তাঁকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আফিম ব্যবসায়ী বলা হতো। তিনি শান রাজ্যে নিজস্ব সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলে দীর্ঘ সময় ধরে আফিম ও হেরোইন ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করেন।
১৯৮০ ও ১৯৯০-র দশকে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম তাঁকে বিশ্বের অন্যতম বড় হেরোইন পাচারকারী হিসেবে উল্লেখ করত। অভিযোগ ছিল, একসময় বিশ্বের অবৈধ হেরোইনের উল্লেখযোগ্য অংশ তাঁর নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পাচার হতো। মিয়ানমার ও প্রতিবেশি সীমান্তাঞ্চলজুড়ে তাঁর প্রভাব বিস্তৃত ছিল। ১৯৯৬ সালে তিনি মিয়ানমার সরকারের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। পরবর্তী সময়ে ব্যবসায়ী হিসেবে জীবনযাপন করেন এবং ২০০৭ সালে ইয়াঙ্গুনে মৃত্যুবরণ করেন।

সেমিয়ন মোগিলেভিচ
ইউক্রেনে জন্ম নেওয়া সেমিয়ন মোগিলেভিচকে আন্তর্জাতিক সংগঠিত অপরাধ জগতের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে মাদক পাচার, অর্থপাচার, অস্ত্র ব্যবসা ও জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা বহু বছর ধরে তাঁকে নজরদারিতে রেখেছে।
তবে এসব অভিযোগের অনেকগুলোর বিষয়ে আদালতে চূড়ান্ত দণ্ড হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই) দীর্ঘদিন তাঁকে মোস্ট ওয়ান্টেড অপরাধীদের তালিকায় রেখেছিল। আন্তর্জাতিক অপরাধ জগতের অন্যতম রহস্যময় ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে তাঁর নাম প্রায়ই আলোচিত হয়।
পাবলো এস্কোবার থেকে এল চাপো—এই নামগুলো অপরাধজগতের আলোচিত অধ্যায়ের প্রতীক। তাঁদের গল্পে বিপুল অর্থ ও ক্ষমতার পাশাপাশি রয়েছে সহিংসতা, হাজারো প্রাণহানি এবং আইনের কঠোর পরিণতির বাস্তবতা। ইতিহাস দেখিয়েছে, মাদক ব্যবসা সাময়িক সম্পদ এনে দিলেও শেষ পর্যন্ত তা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র—সবার জন্যই ধ্বংস ডেকে আনে।

বিশ্বজুড়ে মাদক ব্যবসা শুধু একটি অপরাধ নয়, এটি শত শত বিলিয়ন ডলারের একটি অবৈধ অর্থনীতি। জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোকেন, হেরোইন, মেথামফেটামিন ও অন্যান্য মাদকের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংগঠিত অপরাধ, দুর্নীতি, অস্ত্র পাচার এবং সহিংসতার অন্যতম প্রধান উৎস।
ইতিহাসে এমন কিছু কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী রয়েছে, যাদের প্রভাব একটি দেশের সরকার, অর্থনীতি এমনকি আন্তর্জাতিক রাজনীতিতেও পড়েছিল। তাদের অনেকেই বিপুল সম্পদের মালিক হলেও শেষ পর্যন্ত গ্রেপ্তার, কারাবন্দি বা নিহত হন।

পাবলো এস্কোবার
বিশ্বের সবচেয়ে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীর নাম বলতে প্রথমেই আসে পাবলো এস্কোবারের নাম। তিনি কলম্বিয়ার মেডেলিন কার্টেলের প্রধান ছিলেন। ১৯৮০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করা কোকেনের বড় একটি অংশ তাঁর নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পাচার হতো।
এক সময় তাঁর ব্যক্তিগত সম্পদের পরিমাণ কয়েক দশক বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায় বলে ধারণা করা হয়। এস্কোবার রাজনীতিবিদ, বিচারক, সাংবাদিক ও পুলিশ কর্মকর্তাদের হত্যা এবং বোমা হামলার জন্যও কুখ্যাত ছিলেন। ১৯৯৩ সালে কলম্বিয়ার নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে তিনি নিহত হন।

জোয়াকিন ‘এল চাপো’ গুজমান
‘এল চাপো’ নামে পরিচিত জোয়াকিন গুজমান ছিলেন মেক্সিকোর সিনালোয়া কার্টেলের অন্যতম প্রধান নেতা। তিনি যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে মাদক সরবরাহের বিশাল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন। ২০১৫ সালে এই মাদক-ব্যবসায়ী একটি উচ্চ নিরাপত্তার কারাগার থেকে সুড়ঙ্গ খুঁড়ে পালিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেন। পরে পুনরায় গ্রেপ্তার হন এবং বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করছেন।

গ্রিসেলদা ব্লাঙ্কো
‘ব্ল্যাক উইডো’ এবং ‘কোকেন গডমাদার’ নামে পরিচিত গ্রিসেলদা ব্লাঙ্কো ছিলেন বিশ্বের অন্যতম কুখ্যাত নারী মাদক ব্যবসায়ী। ১৯৭০ ও ১৯৮০-র দশকে যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে কোকেন পাচারের বড় নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন তিনি।
নিষ্ঠুরতা, সহিংসতা এবং সংগঠিত অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে তিনি আন্তর্জাতিকভাবে কুখ্যাত হয়ে ওঠেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দীর্ঘ অভিযানের পর তিনি গ্রেপ্তার হন এবং কারাভোগ করেন। মুক্তির পর কলম্বিয়ায় ফিরে যান। ২০১২ সালে কলম্বিয়ায় আততায়ীর গুলিতে তিনি নিহত হন।

আমাদো ক্যারিলো ফুয়েন্তেস
‘লর্ড অব দ্য স্কাইজ’ নামে পরিচিত আমাদো ক্যারিলো ফুয়েন্তেস উড়োজাহাজ ব্যবহার করে বিপুল পরিমাণ মাদক পাচারের জন্য বিখ্যাত ছিলেন।
ফুয়েন্তেসের মালিকানায় কয়েক ডজন উড়োজাহাজ ছিল বলে ধারণা করা হয়। তিনি মেক্সিকোর জুয়ারেজ কার্টেলের নেতৃত্ব দেন। ১৯৯৭ সালে প্লাস্টিক সার্জারির সময় রহস্যজনকভাবে তাঁর মৃত্যু হয়।

ফ্রাঙ্ক লুকাস
যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে ফ্রাঙ্ক লুকাস অন্যতম। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে হেরোইন এনে যুক্তরাষ্ট্রে সরবরাহ করতেন। তাঁর জীবন নিয়ে ২০০৭ সালে একটি জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ‘আমেরিকান গ্যাংস্টার’ নির্মিত হয়।

খুন সা
মিয়ানমারের গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল অঞ্চলের কিংবদন্তি মাদক সম্রাট ছিলেন খুন সা। তাঁর প্রকৃত নাম ছিল চ্যাং চি-ফু। বিশ্বজুড়ে আফিম ও হেরোইন উৎপাদন ও পাচারের সঙ্গে তাঁর নাম দীর্ঘ সময় ধরে জড়িয়ে ছিল। একসময় তাঁকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আফিম ব্যবসায়ী বলা হতো। তিনি শান রাজ্যে নিজস্ব সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলে দীর্ঘ সময় ধরে আফিম ও হেরোইন ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করেন।
১৯৮০ ও ১৯৯০-র দশকে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম তাঁকে বিশ্বের অন্যতম বড় হেরোইন পাচারকারী হিসেবে উল্লেখ করত। অভিযোগ ছিল, একসময় বিশ্বের অবৈধ হেরোইনের উল্লেখযোগ্য অংশ তাঁর নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পাচার হতো। মিয়ানমার ও প্রতিবেশি সীমান্তাঞ্চলজুড়ে তাঁর প্রভাব বিস্তৃত ছিল। ১৯৯৬ সালে তিনি মিয়ানমার সরকারের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। পরবর্তী সময়ে ব্যবসায়ী হিসেবে জীবনযাপন করেন এবং ২০০৭ সালে ইয়াঙ্গুনে মৃত্যুবরণ করেন।

সেমিয়ন মোগিলেভিচ
ইউক্রেনে জন্ম নেওয়া সেমিয়ন মোগিলেভিচকে আন্তর্জাতিক সংগঠিত অপরাধ জগতের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে মাদক পাচার, অর্থপাচার, অস্ত্র ব্যবসা ও জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা বহু বছর ধরে তাঁকে নজরদারিতে রেখেছে।
তবে এসব অভিযোগের অনেকগুলোর বিষয়ে আদালতে চূড়ান্ত দণ্ড হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই) দীর্ঘদিন তাঁকে মোস্ট ওয়ান্টেড অপরাধীদের তালিকায় রেখেছিল। আন্তর্জাতিক অপরাধ জগতের অন্যতম রহস্যময় ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে তাঁর নাম প্রায়ই আলোচিত হয়।
পাবলো এস্কোবার থেকে এল চাপো—এই নামগুলো অপরাধজগতের আলোচিত অধ্যায়ের প্রতীক। তাঁদের গল্পে বিপুল অর্থ ও ক্ষমতার পাশাপাশি রয়েছে সহিংসতা, হাজারো প্রাণহানি এবং আইনের কঠোর পরিণতির বাস্তবতা। ইতিহাস দেখিয়েছে, মাদক ব্যবসা সাময়িক সম্পদ এনে দিলেও শেষ পর্যন্ত তা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র—সবার জন্যই ধ্বংস ডেকে আনে।
.png)

আমাদের চারপাশে এমন অনেক দম্পতি দেখা যায়, যাদের দুজনের স্বভাব সম্পূর্ণ বিপরীত। দেখা যায়, হয়তো ছুটির দিনে স্বামী পাড়ার মোড়ে বন্ধুদের সঙ্গে চুটিয়ে আড্ডা দিচ্ছেন। কিংবা অচেনা কোনো মানুষের সঙ্গেও আড্ডা জমিয়েছেন। অন্যদিকে, স্ত্রী হয়তো খুব শান্ত ও চুপচাপ। বাইরে পরিচিত কাউকে দেখলেও তিনি এড়িয়ে চলেন বা ভিড়
১ ঘণ্টা আগে
মোহাম্মদ রশিদুজ্জামান যুক্তরাষ্ট্রের রোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের এমেরিটাস অধ্যাপক। তিনি ব্রিটিশ শাসনামলের ভারত, পকিস্তান ও বাংলাদেশ নিয়ে বেশ কিছু প্রশংসিত গ্রন্থের লেখক। এক দশকেরও বেশি সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন। এই নিবন্ধটি ২০২১ সালে প্রকাশিত তাঁর বিখ্যাত বই ‘আইডেন্টিটি অব আ মুসলিম ফ্যা
২০ ঘণ্টা আগে
পুরান ঢাকার হোসেনি দালান ইমামবারা থেকে বের হয়েছেন শত শত মানুষ। তাদের গায়ে কালো পোশাক। মুখে ধ্বণি—ইয়া হোসেন… ইয়া হোসেন। কাঁধে কারবালার প্রতীকী সমাধি। তারা হেঁটে যাচ্ছেন রাস্তা দিয়ে।
২১ ঘণ্টা আগে
ইসলাম ধর্মে হিজরি সনের প্রথম মাস মহররম। এই মাসের ১০ তারিখ বিশ্বব্যাপী মুসলিমরা পালন করেন—আশুরা। বিশেষ করে শিয়া মুসলিমদের কাছে এটি খুবই তাতপর্যপূর্ণ ও উৎসবমুখর একটি দিন। তবে মুসলিম বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই দিনটি সব দেশে একইভাবে পালিত হয় না। অঞ্চল, ইতিহাস, এবং স্থানীয় সংস্কৃতির প্রভাবে আশুরা এ
১ দিন আগে