স্ট্রিম ডেস্ক

গরমের সময় গরম লাগবে এটিই স্বাভাবিক। কিন্তু একই ঘরে থাকার পরও কেউ ঘেমে একেবারে অস্থির, আবার কেউ এতটা গরম অনুভব করছেন না। একজন বলছেন ফ্যানের মাত্রা সর্বোচ্চ বাড়িয়ে দিতে, আবার কেউ বলছেন কিছুটা কমাতে। এসিতে থেকেও এমনটা হয়। কিন্তু কেন বাইরের তাপমাত্রা একই অথচ সবার গরম লাগার অনুভূতি সমান নয়?
আমাদের শরীরে হরমোন অনেক ভূমিকা রাখে। থাইরয়েড হরমোন এর মধ্যে প্রধান। এই হরমোন আমাদের মেটাবলিজম বাড়াতে সাহায্য করে। মেটাবলিজম বা বিপাক হলো শক্তি তৈরির প্রক্রিয়া। শরীরে এই প্রক্রিয়া দ্রুত চললে শরীর বেশি তাপ উৎপন্ন করে। ফলে তিনি অন্যদের চেয়ে বেশি গরম অনুভব করতে পারেন। থাইরয়েডে সমস্যা থাকলে এমনটা বেশি হয়।
শরীরের গঠনের কারণেও গরম অনুভূতির পার্থক্য হয়। যেমন পেশী বেশি থাকলে বা ওজন বেশি থাকলে বেশি গরম লাগতে পারে। কারণ পেশী প্রতিনিয়ত তাপ তৈরি করে। আবার চর্বি বেশি থাকলেও সমস্যা হয়।
চর্বি শরীরের ভেতরের তাপ আটকে রাখে। একে কম্বলের সাথে তুলনা করা যায়। ফলে চর্বিযুক্ত মানুষ বেশি গরম অনুভব করতে পারেন। কারণ চর্বি তাপকে সহজে বের হতে দেয় না।
পুরুষ ও নারীর গরমের অনুভূতি সাধারণত আলাদা হয়। পুরুষের শরীরে পেশীর পরিমাণ সাধারণত বেশি থাকে। তাই পুরুষেরা দ্রুত তাপ উৎপন্ন করতে পারেন। অন্যদিকে নারীর শরীরে চর্বি বেশি থাকে। তবে হরমোনের কারণে নারীরাও গরম অনুভব করেন। বিশেষ করে মাঝ বয়সে নারীদের হরমোন বদলায়। একে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় মেনোপজ বলে। এই সময়ে নারীদের গরমের অনুভূতি বেড়ে যায়।
আমাদের রোজকার অভ্যাসও গরম বাড়াতে পারে। যেমন ক্যাফেইন বা কফি শরীর গরম করে দেয়। এ ছাড়া অতিরিক্ত কফি খেলেও হৃদস্পন্দন বা রক্তচাপ বাড়তে পারে। এতে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। ধূমপান করলেও একই রকম সমস্যা দেখা দেয়। অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবারও শরীর গরম করে। এসব খাবার বিপাক প্রক্রিয়াকে সচল করে। ফলে শরীর থেকে বেশি তাপ বের হয়।
মানসিক অবস্থাও শরীরের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা বা স্ট্রেস শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তখন শরীরে বিশেষ কিছু হরমোন নিঃসৃত হয়। এগুলো আমাদের হৃদপিণ্ডের গতি বাড়িয়ে দিতে পারে। এতেও গরমের অনুভূতি বদলে যায়।
শরীরে পর্যাপ্ত পানি বা হাইড্রেটেড থাকা জরুরি। পানি আমাদের শরীরকে ঠাণ্ডা রাখতে সাহায্য করে। পানি কম খেলে শরীর ঘামতে পারে না। আবার ঘাম না হলে শরীরের তাপমাত্রাও কমে না। এর ফলে আমরা বেশি গরম অনুভব করি। আবার পোশাকের কারণেও এমনটা হতে পারে। গরমের অনুপযোগী পোশাক শরীরে বাতাস আটকে রাখে। ফলে গরম বেশি লাগতে পারে।
কিছু ওষুধের কারণেও শরীর গরম হতে পারে। এর মধ্যে উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ অন্যতম। ডিপ্রেশন বা বিষণ্ণতার ওষুধও শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। এসব ওষুধ শরীরের থার্মোস্ট্যাটকে প্রভাবিত করে। আবার ডায়াবেটিসের রোগীদেরও অন্যদের তুলনায় বেশি গরম লাগতে পারে।

গরমের সময় গরম লাগবে এটিই স্বাভাবিক। কিন্তু একই ঘরে থাকার পরও কেউ ঘেমে একেবারে অস্থির, আবার কেউ এতটা গরম অনুভব করছেন না। একজন বলছেন ফ্যানের মাত্রা সর্বোচ্চ বাড়িয়ে দিতে, আবার কেউ বলছেন কিছুটা কমাতে। এসিতে থেকেও এমনটা হয়। কিন্তু কেন বাইরের তাপমাত্রা একই অথচ সবার গরম লাগার অনুভূতি সমান নয়?
আমাদের শরীরে হরমোন অনেক ভূমিকা রাখে। থাইরয়েড হরমোন এর মধ্যে প্রধান। এই হরমোন আমাদের মেটাবলিজম বাড়াতে সাহায্য করে। মেটাবলিজম বা বিপাক হলো শক্তি তৈরির প্রক্রিয়া। শরীরে এই প্রক্রিয়া দ্রুত চললে শরীর বেশি তাপ উৎপন্ন করে। ফলে তিনি অন্যদের চেয়ে বেশি গরম অনুভব করতে পারেন। থাইরয়েডে সমস্যা থাকলে এমনটা বেশি হয়।
শরীরের গঠনের কারণেও গরম অনুভূতির পার্থক্য হয়। যেমন পেশী বেশি থাকলে বা ওজন বেশি থাকলে বেশি গরম লাগতে পারে। কারণ পেশী প্রতিনিয়ত তাপ তৈরি করে। আবার চর্বি বেশি থাকলেও সমস্যা হয়।
চর্বি শরীরের ভেতরের তাপ আটকে রাখে। একে কম্বলের সাথে তুলনা করা যায়। ফলে চর্বিযুক্ত মানুষ বেশি গরম অনুভব করতে পারেন। কারণ চর্বি তাপকে সহজে বের হতে দেয় না।
পুরুষ ও নারীর গরমের অনুভূতি সাধারণত আলাদা হয়। পুরুষের শরীরে পেশীর পরিমাণ সাধারণত বেশি থাকে। তাই পুরুষেরা দ্রুত তাপ উৎপন্ন করতে পারেন। অন্যদিকে নারীর শরীরে চর্বি বেশি থাকে। তবে হরমোনের কারণে নারীরাও গরম অনুভব করেন। বিশেষ করে মাঝ বয়সে নারীদের হরমোন বদলায়। একে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় মেনোপজ বলে। এই সময়ে নারীদের গরমের অনুভূতি বেড়ে যায়।
আমাদের রোজকার অভ্যাসও গরম বাড়াতে পারে। যেমন ক্যাফেইন বা কফি শরীর গরম করে দেয়। এ ছাড়া অতিরিক্ত কফি খেলেও হৃদস্পন্দন বা রক্তচাপ বাড়তে পারে। এতে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। ধূমপান করলেও একই রকম সমস্যা দেখা দেয়। অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবারও শরীর গরম করে। এসব খাবার বিপাক প্রক্রিয়াকে সচল করে। ফলে শরীর থেকে বেশি তাপ বের হয়।
মানসিক অবস্থাও শরীরের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা বা স্ট্রেস শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তখন শরীরে বিশেষ কিছু হরমোন নিঃসৃত হয়। এগুলো আমাদের হৃদপিণ্ডের গতি বাড়িয়ে দিতে পারে। এতেও গরমের অনুভূতি বদলে যায়।
শরীরে পর্যাপ্ত পানি বা হাইড্রেটেড থাকা জরুরি। পানি আমাদের শরীরকে ঠাণ্ডা রাখতে সাহায্য করে। পানি কম খেলে শরীর ঘামতে পারে না। আবার ঘাম না হলে শরীরের তাপমাত্রাও কমে না। এর ফলে আমরা বেশি গরম অনুভব করি। আবার পোশাকের কারণেও এমনটা হতে পারে। গরমের অনুপযোগী পোশাক শরীরে বাতাস আটকে রাখে। ফলে গরম বেশি লাগতে পারে।
কিছু ওষুধের কারণেও শরীর গরম হতে পারে। এর মধ্যে উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ অন্যতম। ডিপ্রেশন বা বিষণ্ণতার ওষুধও শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। এসব ওষুধ শরীরের থার্মোস্ট্যাটকে প্রভাবিত করে। আবার ডায়াবেটিসের রোগীদেরও অন্যদের তুলনায় বেশি গরম লাগতে পারে।

আজ ৪২ বছরে ওয়ারফেজ। ভাঙা-গড়ার খেলায় স্থির থেকে কীভাবে তারা আজও নতুন প্রজন্মের কাছে সমানভাবে প্রাসঙ্গিক? কেন ব্যান্ডটি আলাদা?
১ দিন আগে
বাংলার সাহিত্য ও সংস্কৃতি আধুনিক যুগে প্রবেশ করেছিল জটিল, বহুমাত্রিক ও ক্রমবর্ধমান প্রক্রিয়ায়। ঊনবিংশ ও বিংশ শতাব্দী এই আধুনিকতার বিস্তার ও বিকাশের মূল ধাপ হিসেবে পরিচিত। আধুনিক বাঙালির মনন ও সামাজিক চেতনার ভিত্তি স্থাপন করে বাংলার নবজাগরণ বা রেনেসাঁস।
১ দিন আগে
২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে ভুভুজেলা নিষিদ্ধ করেছে ফিফা। সম্প্রতি প্রকাশিত নতুন আচরণবিধি অনুযায়ী, শুধু ভুভুজেলা নয়, যেকোনো ধরনের বাঁশি, এয়ার হর্ন বা অতিরিক্ত শব্দ তৈরি করে এমন ডিভাইস স্টেডিয়ামে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
১ দিন আগে
আজ রকসম্রাট আজম খানের মৃত্যুদিন। বাংলা গানের প্রথা ভাঙা বিপ্লবী আজম খান কেন বেছে নিয়েছিলেন রকের রুক্ষ পথ? সুরের জগতের সেই ‘ঝাঁকি’ আর ‘দোলা’ কি কেবল বিনোদন ছিল, নাকি যুদ্ধফেরত তরুণদের অস্তিত্ব রক্ষার আর্তনাদ?
২ দিন আগে