কাজী নিশাত তাবাসসুম

ফেসবুকে ঢুকলেই চোখে পড়ছে মাকে নিয়ে পোস্ট। হবে না-ই বা কেন? আজ যে বিশ্ব মা দিবস। এই ফেসবুকেই কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন—‘মা দিবস কি শুধুই ফেসবুককেন্দ্রিক হয়ে পড়ছে?’
হয়তো ‘হ্যাঁ’, হয়তো ‘না’। একবাক্যে উত্তর দেওয়া আসলেই কঠিন। কারণ মাকে কখনো দিবসে আটকে ফেলা যায় না। ‘মা’ ছোট্ট একটি শব্দ, কিন্তু এর মাঝে লুকিয়ে আছে স্বর্গীয় এক অনুভূতি। তাই তো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর গীতাঞ্জলি কাব্যে বলেছেন, ‘যে হৃদয়ে মা থাকে, সে হৃদয় কখনো একা নয়।’
পৃথিবীর বিখ্যাত সব গুণীজনও মাকে নিয়ে অনেক সাহিত্য, গ্রন্থ রচনা করে গেছেন। মায়ের প্রতি এই আবেগ অনুভূতি কি কোনো বিশেষ দিনকে ঘিরেই হয় নাকি এই অনুভূতি আজীবনের?
১৯১৪ সালে আনা জার্ভিসের প্রচেষ্টায় আনুষ্ঠানিকভাবে মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার মা দিবস পালন হয়। এরপর থেকে প্রতিবছর এ দিবস এলেই সামাজিক মাধ্যম যেন আবেগের এক বিশাল প্রদর্শনীতে পরিণত হয়।
বিশেষ করে ফেসবুকে দেখা যায় মায়ের সঙ্গে পুরোনো ছবি, দীর্ঘ আবেগঘন স্ট্যাটাস, ভিডিও, রিলস আর মাকে নিয়ে লেখা নানা আবেগঘন পোস্ট। কারও পোস্টে শৈশবের স্মৃতি, কারও পোস্টে মায়ের ত্যাগের গল্প। অনেকেই মাকে ট্যাগ করে প্রকাশ্যে ভালোবাসা জানান।
বর্তমানে ডিজিটাল যুগে মা দিবস এখন শুধু পারিবারিক উদযাপন নয়, বরং সামাজিক মাধ্যমকেন্দ্রিক এক সাংস্কৃতিক ঘটনাও। সামাজিক প্ল্যাটফর্মে এই মা দিবস যেভাবে উদযাপন করা হয়, বাস্তব জীবনেও কি মায়েরা একইভাবে সম্মান, যত্ন ও ভালোবাসা পান? নাকি সব লোক দেখানো কৃত্রিম ভালোবাসা?
সমাজবিজ্ঞানী ও মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, সামাজিক মাধ্যমে আবেগের প্রকাশ যত বেড়েছে, বাস্তব সম্পর্কের ভেতরে ততটাই ফাটল তৈরি হয়েছে। ফলে মা দিবসের ডিজিটাল উদযাপন আর বাস্তব জীবনের সম্পর্ক দুইয়ের মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
সমাজবিজ্ঞানী শেরি টার্কল তাঁর গবেষণায় বলেছেন, সামাজিক মাধ্যম মানুষের আবেগ প্রকাশের নতুন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে। আগে যেসব অনুভূতি ব্যক্তিগত পরিসরে সীমাবদ্ধ ছিল, এখন তা প্রকাশ্য হয়ে উঠেছে। এতে ইতিবাচক দিক যেমন আছে, তেমনি কিছু কৃত্রিমতাও রয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাজী তুরজাউন আক্তার বলেন, ফেসবুকে মা দিবস উদযাপন খারাপ কিছু নয়। কিন্তু সমস্যা হয় তখন, যখন ভালোবাসা শুধুই প্রদর্শনের জায়গায় সীমাবদ্ধ থাকে। বাস্তবে মায়ের প্রতি আচরণ, দায়িত্ববোধ ও যত্ন যদি না থাকে, তাহলে এই উদযাপন অনেকটাই প্রতীকী হয়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, এখন অনেক পরিবারে একই বাসায় থেকেও সদস্যদের মধ্যে মানসিক দূরত্ব বাড়ছে। একসঙ্গে বসে কথা বলার সময় কমে গেছে। ফলে সামাজিক মাধ্যমে আবেগের প্রকাশ বাড়লেও বাস্তব সম্পর্ক দুর্বল হয়ে পড়েছে।
মা দিবসে সামাজিক মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি প্রশংসা পান ‘সুপারমম’ পরিচয়ের নারীরা। কিন্তু বাস্তবে অনেক কর্মজীবী মা প্রতিদিন বহু চাপের মধ্যে থাকেন। একদিকে চাকরি, অন্যদিকে সংসার ও সন্তানের দায়িত্ব।
রাজধানীর একটি বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত সাবিহা রহমান বলেন, ‘মা দিবসে ছেলে-মেয়েরা ফুল দেয়, পোস্ট দেয়, ভালো লাগে। কিন্তু একজন মা হিসেবে আমি চাই প্রতিদিন একটু সহযোগিতা, একটু সম্মান। অনেক সময় পরিবারের সবাই ধরে নেয়, মায়ের সব দায়িত্ব স্বাভাবিক।’
রাজধানীর মিরপুরে বসবাসকারী গৃহিণী রওশন আরা বলেন, ‘ছেলে বিদেশে থাকে। মা দিবসে ছবি দিয়ে পোস্ট দেয়, ফোনও করে। ভালো লাগে। কিন্তু সারা বছরে তো সেইভাবে সময় পায় না।’
মনোবিজ্ঞানীদের মতে, আমাদের সমাজে মায়ের ত্যাগকে অনেক সময় এতটাই স্বাভাবিক ধরে নেওয়া হয় যে, তার ব্যক্তিগত ক্লান্তি, মানসিক চাপ বা নিজের জন্য সময়ের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
একদিকে যখন ফেসবুক ভরে যাচ্ছে মা দিবসের আবেগে, অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন বৃদ্ধাশ্রমে এখনো অনেক মা সন্তানের অপেক্ষায় দিন কাটান। রাজধানীর একটি বৃদ্ধাশ্রমের ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানান, মা দিবসে অনেক সন্তান ফুল বা উপহার পাঠান। কেউ কেউ এসে ছবি তুলে আবার সামাজিক মাধ্যমে পোস্টও করেন। কিন্তু বছরের বাকি সময়টায় সেই মায়েদের অনেকেই একাকী থাকেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিশেষ দিবসে আবেগ দেখা যায়, কিন্তু একজন মা আসলে চান নিয়মিত যোগাযোগ। শুধু একদিনের আয়োজন তার শূন্যতা পূরণ করতে পারে না।’
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রযুক্তি মানুষের যোগাযোগ সহজ করলেও পারিবারিক সম্পর্কের ধরন বদলে দিয়েছে। এখন একই বাসায় থেকেও অনেকে আলাদা স্ক্রিনে ব্যস্ত। পরিবারের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সময় কমে যাচ্ছে।
ফলে সামাজিক মাধ্যমে আবেগের প্রকাশ বাড়লেও বাস্তবে মানসিক দূরত্ব বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, ফেসবুকের পোস্ট সম্পর্কের একটি অংশ হতে পারে, কিন্তু সেটিই পুরো সম্পর্ক নয়। একজন মায়ের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সন্তানের উপস্থিতি, সম্মান এবং প্রতিদিনের আচরণ।
মা দিবস উদযাপনকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন অনেকে। কারণ বিশেষ এই দিনটি অন্তত সবাইকে একবার হলেও মায়ের অবদান, মায়ের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। কিন্তু সেটি যেন কেবল একদিনের ডিজিটাল ট্রেন্ড হয়ে না দাঁড়ায় সেটিই কাম্য হওয়া উচিত।
সামাজিকমাধ্যমের যুগে মা দিবস হয়তো আরও বেশি দৃশ্যমান হয়েছে। নিউজফিডজুড়ে ভালোবাসার প্রকাশও বেড়েছে। তবে বাস্তব সম্পর্কের গভীরতা এখনো নির্ভর করে পারস্পরিক সম্পর্ক ও আচরণের ওপর। কারণ একজন মায়ের কাছে সবচেয়ে বড় উপহার হয়তো একটি ভাইরাল পোস্ট নয়, বরং প্রতিদিনের যত্ন, সম্মান আর পাশে থাকার নিশ্চয়তা।

ফেসবুকে ঢুকলেই চোখে পড়ছে মাকে নিয়ে পোস্ট। হবে না-ই বা কেন? আজ যে বিশ্ব মা দিবস। এই ফেসবুকেই কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন—‘মা দিবস কি শুধুই ফেসবুককেন্দ্রিক হয়ে পড়ছে?’
হয়তো ‘হ্যাঁ’, হয়তো ‘না’। একবাক্যে উত্তর দেওয়া আসলেই কঠিন। কারণ মাকে কখনো দিবসে আটকে ফেলা যায় না। ‘মা’ ছোট্ট একটি শব্দ, কিন্তু এর মাঝে লুকিয়ে আছে স্বর্গীয় এক অনুভূতি। তাই তো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর গীতাঞ্জলি কাব্যে বলেছেন, ‘যে হৃদয়ে মা থাকে, সে হৃদয় কখনো একা নয়।’
পৃথিবীর বিখ্যাত সব গুণীজনও মাকে নিয়ে অনেক সাহিত্য, গ্রন্থ রচনা করে গেছেন। মায়ের প্রতি এই আবেগ অনুভূতি কি কোনো বিশেষ দিনকে ঘিরেই হয় নাকি এই অনুভূতি আজীবনের?
১৯১৪ সালে আনা জার্ভিসের প্রচেষ্টায় আনুষ্ঠানিকভাবে মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার মা দিবস পালন হয়। এরপর থেকে প্রতিবছর এ দিবস এলেই সামাজিক মাধ্যম যেন আবেগের এক বিশাল প্রদর্শনীতে পরিণত হয়।
বিশেষ করে ফেসবুকে দেখা যায় মায়ের সঙ্গে পুরোনো ছবি, দীর্ঘ আবেগঘন স্ট্যাটাস, ভিডিও, রিলস আর মাকে নিয়ে লেখা নানা আবেগঘন পোস্ট। কারও পোস্টে শৈশবের স্মৃতি, কারও পোস্টে মায়ের ত্যাগের গল্প। অনেকেই মাকে ট্যাগ করে প্রকাশ্যে ভালোবাসা জানান।
বর্তমানে ডিজিটাল যুগে মা দিবস এখন শুধু পারিবারিক উদযাপন নয়, বরং সামাজিক মাধ্যমকেন্দ্রিক এক সাংস্কৃতিক ঘটনাও। সামাজিক প্ল্যাটফর্মে এই মা দিবস যেভাবে উদযাপন করা হয়, বাস্তব জীবনেও কি মায়েরা একইভাবে সম্মান, যত্ন ও ভালোবাসা পান? নাকি সব লোক দেখানো কৃত্রিম ভালোবাসা?
সমাজবিজ্ঞানী ও মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, সামাজিক মাধ্যমে আবেগের প্রকাশ যত বেড়েছে, বাস্তব সম্পর্কের ভেতরে ততটাই ফাটল তৈরি হয়েছে। ফলে মা দিবসের ডিজিটাল উদযাপন আর বাস্তব জীবনের সম্পর্ক দুইয়ের মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
সমাজবিজ্ঞানী শেরি টার্কল তাঁর গবেষণায় বলেছেন, সামাজিক মাধ্যম মানুষের আবেগ প্রকাশের নতুন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে। আগে যেসব অনুভূতি ব্যক্তিগত পরিসরে সীমাবদ্ধ ছিল, এখন তা প্রকাশ্য হয়ে উঠেছে। এতে ইতিবাচক দিক যেমন আছে, তেমনি কিছু কৃত্রিমতাও রয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাজী তুরজাউন আক্তার বলেন, ফেসবুকে মা দিবস উদযাপন খারাপ কিছু নয়। কিন্তু সমস্যা হয় তখন, যখন ভালোবাসা শুধুই প্রদর্শনের জায়গায় সীমাবদ্ধ থাকে। বাস্তবে মায়ের প্রতি আচরণ, দায়িত্ববোধ ও যত্ন যদি না থাকে, তাহলে এই উদযাপন অনেকটাই প্রতীকী হয়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, এখন অনেক পরিবারে একই বাসায় থেকেও সদস্যদের মধ্যে মানসিক দূরত্ব বাড়ছে। একসঙ্গে বসে কথা বলার সময় কমে গেছে। ফলে সামাজিক মাধ্যমে আবেগের প্রকাশ বাড়লেও বাস্তব সম্পর্ক দুর্বল হয়ে পড়েছে।
মা দিবসে সামাজিক মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি প্রশংসা পান ‘সুপারমম’ পরিচয়ের নারীরা। কিন্তু বাস্তবে অনেক কর্মজীবী মা প্রতিদিন বহু চাপের মধ্যে থাকেন। একদিকে চাকরি, অন্যদিকে সংসার ও সন্তানের দায়িত্ব।
রাজধানীর একটি বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত সাবিহা রহমান বলেন, ‘মা দিবসে ছেলে-মেয়েরা ফুল দেয়, পোস্ট দেয়, ভালো লাগে। কিন্তু একজন মা হিসেবে আমি চাই প্রতিদিন একটু সহযোগিতা, একটু সম্মান। অনেক সময় পরিবারের সবাই ধরে নেয়, মায়ের সব দায়িত্ব স্বাভাবিক।’
রাজধানীর মিরপুরে বসবাসকারী গৃহিণী রওশন আরা বলেন, ‘ছেলে বিদেশে থাকে। মা দিবসে ছবি দিয়ে পোস্ট দেয়, ফোনও করে। ভালো লাগে। কিন্তু সারা বছরে তো সেইভাবে সময় পায় না।’
মনোবিজ্ঞানীদের মতে, আমাদের সমাজে মায়ের ত্যাগকে অনেক সময় এতটাই স্বাভাবিক ধরে নেওয়া হয় যে, তার ব্যক্তিগত ক্লান্তি, মানসিক চাপ বা নিজের জন্য সময়ের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
একদিকে যখন ফেসবুক ভরে যাচ্ছে মা দিবসের আবেগে, অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন বৃদ্ধাশ্রমে এখনো অনেক মা সন্তানের অপেক্ষায় দিন কাটান। রাজধানীর একটি বৃদ্ধাশ্রমের ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানান, মা দিবসে অনেক সন্তান ফুল বা উপহার পাঠান। কেউ কেউ এসে ছবি তুলে আবার সামাজিক মাধ্যমে পোস্টও করেন। কিন্তু বছরের বাকি সময়টায় সেই মায়েদের অনেকেই একাকী থাকেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিশেষ দিবসে আবেগ দেখা যায়, কিন্তু একজন মা আসলে চান নিয়মিত যোগাযোগ। শুধু একদিনের আয়োজন তার শূন্যতা পূরণ করতে পারে না।’
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রযুক্তি মানুষের যোগাযোগ সহজ করলেও পারিবারিক সম্পর্কের ধরন বদলে দিয়েছে। এখন একই বাসায় থেকেও অনেকে আলাদা স্ক্রিনে ব্যস্ত। পরিবারের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সময় কমে যাচ্ছে।
ফলে সামাজিক মাধ্যমে আবেগের প্রকাশ বাড়লেও বাস্তবে মানসিক দূরত্ব বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, ফেসবুকের পোস্ট সম্পর্কের একটি অংশ হতে পারে, কিন্তু সেটিই পুরো সম্পর্ক নয়। একজন মায়ের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সন্তানের উপস্থিতি, সম্মান এবং প্রতিদিনের আচরণ।
মা দিবস উদযাপনকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন অনেকে। কারণ বিশেষ এই দিনটি অন্তত সবাইকে একবার হলেও মায়ের অবদান, মায়ের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। কিন্তু সেটি যেন কেবল একদিনের ডিজিটাল ট্রেন্ড হয়ে না দাঁড়ায় সেটিই কাম্য হওয়া উচিত।
সামাজিকমাধ্যমের যুগে মা দিবস হয়তো আরও বেশি দৃশ্যমান হয়েছে। নিউজফিডজুড়ে ভালোবাসার প্রকাশও বেড়েছে। তবে বাস্তব সম্পর্কের গভীরতা এখনো নির্ভর করে পারস্পরিক সম্পর্ক ও আচরণের ওপর। কারণ একজন মায়ের কাছে সবচেয়ে বড় উপহার হয়তো একটি ভাইরাল পোস্ট নয়, বরং প্রতিদিনের যত্ন, সম্মান আর পাশে থাকার নিশ্চয়তা।

মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার এলেই পৃথিবীর বহু দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘মা দিবস’ ঘিরে শুরু হয় বিশেষ আয়োজন। রেস্তোরাঁর অফার, অনলাইন ক্যাম্পেইন, ফুলের দোকানে ভিড়, ফেসবুকে দীর্ঘ আবেগঘন পোস্ট— সব মিলিয়ে দিনটি যেন ধীরে ধীরে ব্যক্তিগত অনুভূতির চেয়ে বেশি একটি সামাজিক ও বাণিজ্যিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে।
২১ মিনিট আগে
উপায় জানা থাকলে যেকোনো জায়গা থেকেই এই আঠা তোলা সম্ভব। চলুন জেনে নিই বিভিন্ন জিনিস থেকে সুপার গ্লু তোলার কিছু কৌশল।
২ ঘণ্টা আগে
মায়ের মৃত্যুর সময় জানকী দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী। বাবার বাড়িতে জন্ম হলেও মায়ের মৃত্যুর পর তার ভবিষ্যৎ নিয়ে বসে দুই মাহারি। বাবা ছিলেন চাম্বুগং মাহারির, আর জানকী মায়ের দিক থেকে চিসিম মাহারির কন্যা। তাই প্রশ্ন ওঠে, চিসিম মাহারির এই মেয়ের দায়িত্ব নেবে কে?
৩ ঘণ্টা আগে
আজ মা দিবস। ক্যালেন্ডারের পাতায় দিনটি একটি বিশেষ তারিখ মাত্র। কিন্তু বাংলা গানের ভুবনে ‘মা’ শব্দটি নিয়ে যখনই কোনো হাহাকার বা আবেগের বিস্ফোরণ ঘটে, তখনই একটি গানের সুর অজান্তেই কানে বেজে ওঠে। গিটারের সেই চিরচেনা আর্তনাদ আর জেমসের ভরাট কণ্ঠের গান—‘মা’।
৪ ঘণ্টা আগে