স্ট্রিম ডেস্ক

এবারের ঈদের ছুটিতে হয়তো কেউ ছুটছেন পাহাড়ে, কেউ যাবেন সমুদ্রে, আর অধিকাংশই নাড়ির টানে গ্রামের বাড়িতে। কিন্তু এই সময়ে যদি হুট করে ঝুমঝুমিয়ে বৃষ্টি নামে, তবে পুরো ভ্রমণটাই ভেস্তে যেতে পারে। তবে মেঘলা আকাশ দেখে মন খারাপ করে ঘরে বসে থাকার কোনো মানে নেই। দরকার একটু বাড়তি প্রস্তুতি।
বৃষ্টির দিনে সবচেয়ে উপকারী বন্ধু ছাতা। কিন্তু ঈদের ছুটিতে পাহাড়ে ট্রেকিং করা বা নদীপথে ঘুরে বেড়ানোর পরিকল্পনা থাকলে ব্যাগে কমপ্যাক্ট রেইনকোট বা উইন্ডব্রেকার জ্যাকেট রাখতে পারেন।
আজকাল এমন কিছু ফোল্ডেবল বা পকেট রেইনকোট পাওয়া যায়, যা অল্প জায়গা নেয় বলে সহজেই ব্যাগে ঢোকানো যায়। এগুলো যেমন আপনাকে বৃষ্টি থেকে বাঁচাবে, ঝোড়ো বাতাসের ঠান্ডা ভাবও গায়ে লাগবে না।
বৃষ্টির দিনে আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে ঠান্ডা, জ্বর, কাশি কিংবা পেটের গোলমাল হওয়া খুব সাধারণ বিষয়। তাছাড়া ভেজা ও স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় মশার উপদ্রবও বাড়ে।
তাই ব্যাগের জরুরি পকেটে ছোট ফার্স্ট এইড কিট রাখুন। সেখানে জ্বর, গ্যাস্ট্রিক ও অ্যালার্জির ওষুধের পাশাপাশি ওরস্যালাইন, ব্যান্ড-এইড এবং মশা তাড়ানোর 'মসকিউটো রিপেলেন্ট ক্রিম' বা ওডোমস রাখবেন।
ঝড়-বৃষ্টির কারণে অনেকক্ষণ পথে আটকে থাকতে পারেন। তখন সময় কাটানো মুশকিল হয়ে যায়। এ ছাড়া বৃষ্টির দিনে অনেক সময় লোড শেডিং হওয়ারও সম্ভাবনা থাকে।
তাই ব্যাগে ফুল চার্জ করা ভালো মানের পাওয়ার ব্যাংক রাখুন। এতে কারেন্ট গেলেও চার্জ শেষ হয়ে যাওয়ার ভয় থাকবে না।
আমরা সাধারণত আরামের জন্য সুতির কাপড় বেশি পছন্দ করি। কিন্তু বৃষ্টির দিনে সুতি বা ডেনিমের কাপড় একবার ভিজলে শুকাতে বেশি সময় নেয়, আর ভেজা কাপড়ের ভারী ওজনের কারণে ব্যাগের সাইজও বেড়ে যায়।
তাই বৃষ্টির সময় ভ্রমণের জন্য পলিয়েস্টার, নাইলন বা লিনেন জাতীয় হালকা সিন্থেটিক পোশাক বেছে নিন। এগুলো খুব দ্রুত শুকিয়ে যায় এবং ভাঁজ করলে ব্যাগে জায়গাও কম নেয়। মেঘলা দিন থাকলে উজ্জ্বল রঙের পোশাক বেছে নিতে পারেন যাতে গ্লুমি বা অন্ধকারাচ্ছন্ন আবহাওয়াতেও ছবি ভালো আসে! এ ছাড়া সাদা কাপড় বা হালকা রঙের কাপড়ে ময়লা লাগলে তা পরিষ্কার করাও বেশ ঝক্কির ব্যাপার।
ভেজা জু্তা-মোজা পরে ঘুরে বেড়ানোর মতো বিরক্তিকর আর কিছু হতে পারে না। রাবার বা প্লাস্টিকের তৈরি বেল্ট সিস্টেম স্যান্ডেল কিংবা ক্রকস জুতো বৃষ্টির দিনে ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে উপকারি। এগুলো সহজে কাদা-পানিতে নষ্ট হয় না আর ধুয়ে ফেললে শুকিয়েও যায় দ্রুত।
ফোন, ক্যামেরা কিংবা পাওয়ার ব্যাংক ছাড়া বাইরে বের হওয়ার কথা ভাবাই যায় না। এসব ইলেকট্রিক ডিভাইসকে সুরক্ষিত রাখতে ব্যাগে কয়েকটি ওয়াটারপ্রুফ জিপলক ব্যাগ বা পাউচ রাখুন।
ফোনের জন্য ভালো মানের ওয়াটারপ্রুফ মোবাইল কভার সঙ্গে রাখতে পারেন যাতে বৃষ্টির মধ্যেও ছবি তুলতে বা ম্যাপ দেখতে সুবিধা হয়। এছাড়া ব্যাগের এক কোণায় কয়েকটি পরিষ্কার প্লাস্টিকের বড় পলিব্যাগ রেখে দিন। হুট করে বৃষ্টি চলে এলে ভেজা কাপড় বা জুতো আলাদা করে রাখার জন্য এগুলো লাইফসেভার হিসেবে কাজ করবে।
যদি এই ছুটিতে আপনার দীর্ঘ সময় বাইরে বেড়ানোর পরিকল্পনা থাকে, তবে সবসময় ব্যাগে রাখার জন্য ছোট বা মাঝারি সাইজের 'মাইক্রোফাইবার' ট্রাভেল টাওয়েল কিনতে পারে।
এই তোয়ালের পানি শোষণ ক্ষমতা সাধারণ তোয়ালের চেয়ে বেশি। এ ছাড়া বাতাসে মেলে রাখলে দ্রুত শুকিয়ে যায়। হুট করে বৃষ্টিতে ভিজে গেলে মাথা ও শরীর মুছে নেওয়ার জন্য এই তোয়ালে বেশ কার্যকরী।

এবারের ঈদের ছুটিতে হয়তো কেউ ছুটছেন পাহাড়ে, কেউ যাবেন সমুদ্রে, আর অধিকাংশই নাড়ির টানে গ্রামের বাড়িতে। কিন্তু এই সময়ে যদি হুট করে ঝুমঝুমিয়ে বৃষ্টি নামে, তবে পুরো ভ্রমণটাই ভেস্তে যেতে পারে। তবে মেঘলা আকাশ দেখে মন খারাপ করে ঘরে বসে থাকার কোনো মানে নেই। দরকার একটু বাড়তি প্রস্তুতি।
বৃষ্টির দিনে সবচেয়ে উপকারী বন্ধু ছাতা। কিন্তু ঈদের ছুটিতে পাহাড়ে ট্রেকিং করা বা নদীপথে ঘুরে বেড়ানোর পরিকল্পনা থাকলে ব্যাগে কমপ্যাক্ট রেইনকোট বা উইন্ডব্রেকার জ্যাকেট রাখতে পারেন।
আজকাল এমন কিছু ফোল্ডেবল বা পকেট রেইনকোট পাওয়া যায়, যা অল্প জায়গা নেয় বলে সহজেই ব্যাগে ঢোকানো যায়। এগুলো যেমন আপনাকে বৃষ্টি থেকে বাঁচাবে, ঝোড়ো বাতাসের ঠান্ডা ভাবও গায়ে লাগবে না।
বৃষ্টির দিনে আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে ঠান্ডা, জ্বর, কাশি কিংবা পেটের গোলমাল হওয়া খুব সাধারণ বিষয়। তাছাড়া ভেজা ও স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় মশার উপদ্রবও বাড়ে।
তাই ব্যাগের জরুরি পকেটে ছোট ফার্স্ট এইড কিট রাখুন। সেখানে জ্বর, গ্যাস্ট্রিক ও অ্যালার্জির ওষুধের পাশাপাশি ওরস্যালাইন, ব্যান্ড-এইড এবং মশা তাড়ানোর 'মসকিউটো রিপেলেন্ট ক্রিম' বা ওডোমস রাখবেন।
ঝড়-বৃষ্টির কারণে অনেকক্ষণ পথে আটকে থাকতে পারেন। তখন সময় কাটানো মুশকিল হয়ে যায়। এ ছাড়া বৃষ্টির দিনে অনেক সময় লোড শেডিং হওয়ারও সম্ভাবনা থাকে।
তাই ব্যাগে ফুল চার্জ করা ভালো মানের পাওয়ার ব্যাংক রাখুন। এতে কারেন্ট গেলেও চার্জ শেষ হয়ে যাওয়ার ভয় থাকবে না।
আমরা সাধারণত আরামের জন্য সুতির কাপড় বেশি পছন্দ করি। কিন্তু বৃষ্টির দিনে সুতি বা ডেনিমের কাপড় একবার ভিজলে শুকাতে বেশি সময় নেয়, আর ভেজা কাপড়ের ভারী ওজনের কারণে ব্যাগের সাইজও বেড়ে যায়।
তাই বৃষ্টির সময় ভ্রমণের জন্য পলিয়েস্টার, নাইলন বা লিনেন জাতীয় হালকা সিন্থেটিক পোশাক বেছে নিন। এগুলো খুব দ্রুত শুকিয়ে যায় এবং ভাঁজ করলে ব্যাগে জায়গাও কম নেয়। মেঘলা দিন থাকলে উজ্জ্বল রঙের পোশাক বেছে নিতে পারেন যাতে গ্লুমি বা অন্ধকারাচ্ছন্ন আবহাওয়াতেও ছবি ভালো আসে! এ ছাড়া সাদা কাপড় বা হালকা রঙের কাপড়ে ময়লা লাগলে তা পরিষ্কার করাও বেশ ঝক্কির ব্যাপার।
ভেজা জু্তা-মোজা পরে ঘুরে বেড়ানোর মতো বিরক্তিকর আর কিছু হতে পারে না। রাবার বা প্লাস্টিকের তৈরি বেল্ট সিস্টেম স্যান্ডেল কিংবা ক্রকস জুতো বৃষ্টির দিনে ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে উপকারি। এগুলো সহজে কাদা-পানিতে নষ্ট হয় না আর ধুয়ে ফেললে শুকিয়েও যায় দ্রুত।
ফোন, ক্যামেরা কিংবা পাওয়ার ব্যাংক ছাড়া বাইরে বের হওয়ার কথা ভাবাই যায় না। এসব ইলেকট্রিক ডিভাইসকে সুরক্ষিত রাখতে ব্যাগে কয়েকটি ওয়াটারপ্রুফ জিপলক ব্যাগ বা পাউচ রাখুন।
ফোনের জন্য ভালো মানের ওয়াটারপ্রুফ মোবাইল কভার সঙ্গে রাখতে পারেন যাতে বৃষ্টির মধ্যেও ছবি তুলতে বা ম্যাপ দেখতে সুবিধা হয়। এছাড়া ব্যাগের এক কোণায় কয়েকটি পরিষ্কার প্লাস্টিকের বড় পলিব্যাগ রেখে দিন। হুট করে বৃষ্টি চলে এলে ভেজা কাপড় বা জুতো আলাদা করে রাখার জন্য এগুলো লাইফসেভার হিসেবে কাজ করবে।
যদি এই ছুটিতে আপনার দীর্ঘ সময় বাইরে বেড়ানোর পরিকল্পনা থাকে, তবে সবসময় ব্যাগে রাখার জন্য ছোট বা মাঝারি সাইজের 'মাইক্রোফাইবার' ট্রাভেল টাওয়েল কিনতে পারে।
এই তোয়ালের পানি শোষণ ক্ষমতা সাধারণ তোয়ালের চেয়ে বেশি। এ ছাড়া বাতাসে মেলে রাখলে দ্রুত শুকিয়ে যায়। হুট করে বৃষ্টিতে ভিজে গেলে মাথা ও শরীর মুছে নেওয়ার জন্য এই তোয়ালে বেশ কার্যকরী।

এবারও মুক্তির তালিকায় আছে রকস্টার, রইদ, বনলতা সেন, মালিক, মাসুদ রানা, নাকফুলের কাব্য, পিনিক, তছনছ, অফিসার এবং দ্য ইউনিভার্সিটি অব চানখাঁরপুল। তবে দর্শকের আগ্রহের চূড়ায় আছে পাঁচ সিনেমা।
১৮ ঘণ্টা আগে
একই জায়গায় বারবার ঘুরে যাওয়ার ইচ্ছাকে বলা হয় ‘নস্টালজিয়া ট্রিপ’। এবারের ঈদের ছুটিতে আপনিও যেতে পারেন নস্টালজিয়া ট্রিপে। তা হতে পারে কোনো দর্শনীয় স্থান কিংবা স্মৃতিবিজড়িত কোনো গ্রাম বা আত্মীয়বাড়ি।
২১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২৫ মে) থেকে শুরু হয়েছে কোরবানি ঈদের ছুটি। ঈদের ছুটি মানেই ঘরমুখো মানুষের স্রোত। গতকাল রোববার রাত থেকেই দলে দলে যে যেভাবে পারছে রাজধানী ছেড়ে যাচ্ছে। প্রতি ঈদে যানবাহনের চরম সংকট ও ভাড়াসহ নানা কারণে যাত্রীরা বিকল্প উপায়ে গ্রামের বাড়িতে যান।
১ দিন আগে
পরিবারের সঙ্গে ঈদ কাটানোর জন্য আমরা সারা বছর অপেক্ষায় থাকি। কিন্তু স্বপ্ন যত দ্রুতই বাড়ি ফিরতে চাক না কেন, পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় রাস্তার যানজট। ঈদের সময় ঘরমুখো মানুষের যানজটে আটকে থাকা দেশের স্বাভাবিক চিত্র। এই সময়টাকে অন্যভাবে কাজে লাগানো গেলে দীর্ঘ যাত্রার ক্লান্তি কিছুটা হলেও দূর হয়।
১ দিন আগে