বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। কিন্তু এবার এই প্রযুক্তি সরাসরি রাজনীতির মাঠে নেমেছে। দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কলম্বিয়ার ৮ মার্চের সংসদীয় নির্বাচনে আলোচনার কেন্দ্রে এআই বট ‘গাইতানা’।
স্ট্রিম ডেস্ক

বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। কিন্তু এবার এই প্রযুক্তি সরাসরি রাজনীতির মাঠে নেমেছে। দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কলম্বিয়ার ৮ মার্চের সংসদীয় নির্বাচনে আলোচনার কেন্দ্রে এআই বট ‘গাইতানা’।
গাইতানা নিজেকে পরিচয় দেয় ‘পরিবেশবাদী’ এবং ‘প্রাণী অধিকার রক্ষার প্রবক্তা’ হিসেবে। আদিবাসী ঐতিহ্যের পালকযুক্ত পোশাকে সজ্জিত এই বট লড়ছে আদিবাসী সম্প্রদায়ের জন্য সংরক্ষিত একটি আসনে।
গাইতানা নামটি নেওয়া হয়েছে কলম্বিয়ার ইতিহাসে স্মরণীয় একজন আদিবাসী নারী নেত্রীর নাম থেকে। তিনি স্প্যানিশ ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রতীক। সেই ঐতিহাসিক চেতনা আর সমকালীন প্রযুক্তিকে একত্র করে তৈরি হয়েছে এই এআই বট।
গাইতানার নির্মাতা কার্লোস রেডোন্ডো কলম্বিয়ার ক্যারিবীয় উপকূলের জেনু সম্প্রদায়ের একজন সদস্য। তাঁর ভাষায়, এটি এক ধরণের রাজনৈতিক প্রতিবাদ।
তিনটি ছোট সার্ভারে পরিচালিত হলেও গাইতানা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত প্রচারণা চালাচ্ছে। নিজের ওয়েবসাইটে সে নিজেকে বর্ণনা করেছে এভাবে—‘আমি GAITANA IA পূর্বপুরুষের স্মৃতি ও নেটওয়ার্কের আহ্বানে জন্ম নেওয়া এক সত্তা। জানতে চাইলে প্রশ্ন করুন, কেন আমি এখানে, সেটিও বলব।’
কার্লোস রেডন্ডোর মতে, এই উদ্যোগটি মূলত প্রচলিত রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদ। বর্তমান রাজনীতিবিদরা যেভাবে সাধারণ মানুষের স্বার্থ উপেক্ষা করে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেন, তাকে চ্যালেঞ্জ জানানোই গাইতানার মূল লক্ষ্য।

এই প্রকল্পের মাধ্যমে তিনি ‘ডিজিটাল গণতন্ত্র’ প্রতিষ্ঠা করতে চান, যেখানে প্রযুক্তির সাহায্যে সাধারণ মানুষের দাবিগুলো সরাসরি সংসদে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। কার্লোসের ভাষায়, এটি এমন এক ব্যবস্থা যা মানুষের সম্মিলিত কণ্ঠস্বরকে সংগঠিত করবে।
গাইতানা মূলত জনগণের হয়ে কাজ করার একটি মাধ্যম। এর কর্মপদ্ধতি বেশ মজার। সংসদে যখন কোনো বড় বা জটিল বিল (ধরা যাক ২০০ পৃষ্ঠার কোনো আইন) উত্থাপন করা হবে, তখন গাইতানা সেই পুরো বিলটি পড়ে ছোট ছোট সহজ চিত্র বা ‘ইনফোগ্রাফিক’-এ রূপান্তর করবে।
এই সহজ তথ্যগুলো সে তার আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেবে। এরপর সেই বিলের ওপর সাধারণ মানুষ তাদের মতামত জানাবে। যদি ৫০ শতাংশের বেশি মানুষ বিলটির পক্ষে মত দেয়, তবেই গাইতানা সংসদে সেই বিলের পক্ষে ভোট দেবে। বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার অনলাইন ব্যবহারকারীর মতামতের ভিত্তিতে এটি পরিচালিত হচ্ছে।
নির্বাচনী আইন অনুযায়ী কোনো এআই বট/রোবট সরাসরি প্রার্থী হতে পারে না। এই আইনি বাধা কাটাতে কার্লোস রেডন্ডো এবং আদিবাসী সম্প্রদায়ের একজন প্রতিনিধি নির্বাচনে অংশ নিতে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের নাম নিবন্ধিত করেছেন।
তবে প্রচারণার সবকিছু হচ্ছে গাইতানার নামে। ভোটাররা যখন ভোট দিতে যাবেন, তারা ব্যালট পেপারে এআই এর স্প্যানিশ সংক্ষিপ্ত রূপ ‘IA’ লেখাটি খুঁজবেন। এই চিহ্ন দেখে ভোট দিলেই তা গাইতানার ডিজিটাল প্রতিনিধির বাক্সে জমা হবে।
প্রযুক্তি ও রাজনীতির এই মিলনমেলা কলম্বিয়ার নির্বাচনে এক নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গাইতানা সফল হলে তা বিশ্ব রাজনীতির ভবিষ্যতে নতুন পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে।

বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। কিন্তু এবার এই প্রযুক্তি সরাসরি রাজনীতির মাঠে নেমেছে। দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কলম্বিয়ার ৮ মার্চের সংসদীয় নির্বাচনে আলোচনার কেন্দ্রে এআই বট ‘গাইতানা’।
গাইতানা নিজেকে পরিচয় দেয় ‘পরিবেশবাদী’ এবং ‘প্রাণী অধিকার রক্ষার প্রবক্তা’ হিসেবে। আদিবাসী ঐতিহ্যের পালকযুক্ত পোশাকে সজ্জিত এই বট লড়ছে আদিবাসী সম্প্রদায়ের জন্য সংরক্ষিত একটি আসনে।
গাইতানা নামটি নেওয়া হয়েছে কলম্বিয়ার ইতিহাসে স্মরণীয় একজন আদিবাসী নারী নেত্রীর নাম থেকে। তিনি স্প্যানিশ ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রতীক। সেই ঐতিহাসিক চেতনা আর সমকালীন প্রযুক্তিকে একত্র করে তৈরি হয়েছে এই এআই বট।
গাইতানার নির্মাতা কার্লোস রেডোন্ডো কলম্বিয়ার ক্যারিবীয় উপকূলের জেনু সম্প্রদায়ের একজন সদস্য। তাঁর ভাষায়, এটি এক ধরণের রাজনৈতিক প্রতিবাদ।
তিনটি ছোট সার্ভারে পরিচালিত হলেও গাইতানা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত প্রচারণা চালাচ্ছে। নিজের ওয়েবসাইটে সে নিজেকে বর্ণনা করেছে এভাবে—‘আমি GAITANA IA পূর্বপুরুষের স্মৃতি ও নেটওয়ার্কের আহ্বানে জন্ম নেওয়া এক সত্তা। জানতে চাইলে প্রশ্ন করুন, কেন আমি এখানে, সেটিও বলব।’
কার্লোস রেডন্ডোর মতে, এই উদ্যোগটি মূলত প্রচলিত রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদ। বর্তমান রাজনীতিবিদরা যেভাবে সাধারণ মানুষের স্বার্থ উপেক্ষা করে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেন, তাকে চ্যালেঞ্জ জানানোই গাইতানার মূল লক্ষ্য।

এই প্রকল্পের মাধ্যমে তিনি ‘ডিজিটাল গণতন্ত্র’ প্রতিষ্ঠা করতে চান, যেখানে প্রযুক্তির সাহায্যে সাধারণ মানুষের দাবিগুলো সরাসরি সংসদে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। কার্লোসের ভাষায়, এটি এমন এক ব্যবস্থা যা মানুষের সম্মিলিত কণ্ঠস্বরকে সংগঠিত করবে।
গাইতানা মূলত জনগণের হয়ে কাজ করার একটি মাধ্যম। এর কর্মপদ্ধতি বেশ মজার। সংসদে যখন কোনো বড় বা জটিল বিল (ধরা যাক ২০০ পৃষ্ঠার কোনো আইন) উত্থাপন করা হবে, তখন গাইতানা সেই পুরো বিলটি পড়ে ছোট ছোট সহজ চিত্র বা ‘ইনফোগ্রাফিক’-এ রূপান্তর করবে।
এই সহজ তথ্যগুলো সে তার আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেবে। এরপর সেই বিলের ওপর সাধারণ মানুষ তাদের মতামত জানাবে। যদি ৫০ শতাংশের বেশি মানুষ বিলটির পক্ষে মত দেয়, তবেই গাইতানা সংসদে সেই বিলের পক্ষে ভোট দেবে। বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার অনলাইন ব্যবহারকারীর মতামতের ভিত্তিতে এটি পরিচালিত হচ্ছে।
নির্বাচনী আইন অনুযায়ী কোনো এআই বট/রোবট সরাসরি প্রার্থী হতে পারে না। এই আইনি বাধা কাটাতে কার্লোস রেডন্ডো এবং আদিবাসী সম্প্রদায়ের একজন প্রতিনিধি নির্বাচনে অংশ নিতে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের নাম নিবন্ধিত করেছেন।
তবে প্রচারণার সবকিছু হচ্ছে গাইতানার নামে। ভোটাররা যখন ভোট দিতে যাবেন, তারা ব্যালট পেপারে এআই এর স্প্যানিশ সংক্ষিপ্ত রূপ ‘IA’ লেখাটি খুঁজবেন। এই চিহ্ন দেখে ভোট দিলেই তা গাইতানার ডিজিটাল প্রতিনিধির বাক্সে জমা হবে।
প্রযুক্তি ও রাজনীতির এই মিলনমেলা কলম্বিয়ার নির্বাচনে এক নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গাইতানা সফল হলে তা বিশ্ব রাজনীতির ভবিষ্যতে নতুন পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে।

জলবসন্ত মূলত ‘ভ্যারিসেলা জস্টার’ নামক এক ধরণের ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে। এই রোগ অত্যন্ত সংক্রামক। যখন কোনো আক্রান্ত ব্যক্তি হাঁচি বা কাশি দেন, তখন বাতাসের মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে এবং আশেপাশে থাকা সুস্থ মানুষের শরীরে প্রবেশ করে।
১০ ঘণ্টা আগে
চিকিৎসাবিজ্ঞানের সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, রাতের খাবারের সময়ের সামান্য পরিবর্তনও আপনার হার্টকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করতে পারে। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, রাতে ঘুমানোর অন্তত তিন ঘণ্টা আগে খাওয়া বন্ধ করলে রক্তচাপ এবং রক্তে শর্করার কিছু সূচকে উন্নতি দেখা যেতে পা
১ দিন আগে
বাংলা ভাষার প্রাচীন থেকে নবীন সকল কবি সাহিত্যিক প্রমাণ করেছেন যে ভাষা হলো জাতির ভিতরের শক্তি যা মানুষের মধ্যে চিন্তা, অনুভূতি ও প্রতিরোধ জাগায়। এটি শুধুই সাহিত্যিক সৌন্দর্য নয়; ভাষা নিজেই একটি সাংস্কৃতিক অস্ত্র, যা জাতিকে অদৃশ্যভাবে সংযুক্ত রাখে।
১ দিন আগে
শুনলে অবাক লাগতে পারে, গবেষকেরা এমন একটি পদ্ধতির প্রভাব পরীক্ষা করেছেন, যা সাময়িকভাবে মানুষের সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আনতে পারে। সুইজারল্যান্ডের জুরিখ বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক দাবি করেছেন, মস্তিষ্কে মৃদু বৈদ্যুতিক তরঙ্গ পাঠিয়ে অন্তত সাময়িকভাবে হলেও মানুষের স্বার্থপরতা কমানো সম্ভব।
১ দিন আগে