২১ বছর আগে আজকের এই দিনে গুগল ম্যাপসের যাত্রা শুরু হয়েছিল। সেই সময়টাতে ইন্টারনেটে ম্যাপ দেখার ব্যবস্থা যে ছিল না, তা নয়। রাস্তা চেনার জন্য ‘ম্যাপকোয়েস্ট’ বা ‘ইয়াহু ম্যাপস’ তখনও বেশ জনপ্রিয় ছিল। কিন্তু সেগুলো চালানো ছিল বেশ ঝামেলার। আর গুগল ম্যাপের জন্ম কিন্তু গুগলের নিজস্ব কোনো ল্যাবে হয়নি।
তামান্না আনজুম

২০০৫ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দিনটি শুরু হয়েছিল একদম সাধারণভাবেই। কিন্তু সেদিনের একটি ঘোষণা প্রযুক্তির ইতিহাসে বড় পরিবর্তন এনে দেয়। ওই দিন গুগল তাদের অফিসিয়াল ব্লগে একটি পোস্ট দেয়। সেখানে গুগলের প্রোডাক্ট ম্যানেজার ব্রেট টেলর লেখেন, ‘আমরা মনে করি ম্যাপ আরও কাজে লাগার মতো এবং মজার হতে পারে।’
এই ঘোষণার পরই গুগল সবার জন্য গুগল ম্যাপস চালু করে। একবিংশ শতাব্দীর শুরুর সেই সময়টাতে ইন্টারনেটে ম্যাপ দেখার ব্যবস্থা যে ছিল না, তা নয়। রাস্তা চেনার জন্য ‘ম্যাপকোয়েস্ট’ বা ‘ইয়াহু ম্যাপস’ তখনও বেশ জনপ্রিয় ছিল। কিন্তু সেগুলো চালানো ছিল বেশ ঝামেলার। ঠিকানা দেখতে বা একটু সামনে-পেছনে যেতে ক্লিক করলেই পুরো পেজ নতুন করে লোড হতো। ফলে ব্যবহারকারীকে অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হতো।
শুরুতে গুগল ম্যাপ শুধু ডেস্কটপ কম্পিউটারে ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমেই ব্যবহার করা যেত। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এটি মানুষকে নির্ভুলভাবে ঠিকানা দেখাতে শুরু করে। অনেকেই ভেবেছিলেন, এটি হয়ত আগের ম্যাপ সেবাগুলোর মতোই ঝামেলাপূর্ণ হবে। কিন্তু গুগলের ম্যাপ ব্যবহারের পর সবার ধারণা বদলে গেল।
কারণ, এখানে ম্যাপ দেখার জন্য বারবার পেজ লোড করার ঝামেলা নেই। মাউস দিয়ে টেনে বা ‘ড্র্যাগ’ করে ইচ্ছেমতো ডানে-বামে, উপরে-নিচে যাওয়া যাচ্ছিল। মনে হচ্ছে যেন একটি বিশাল কাগজের ম্যাপ কম্পিউটারের স্ক্রিনের নিচে রাখা আছে। ম্যাপের নির্দিষ্ট জায়গায় পিন ফেলা, রাস্তার নাম স্পষ্টভাবে দেখা; সব মিলিয়ে এটি ছিল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য এক দারুণ অভিজ্ঞতা। শুরুতে এই সেবাটি কেবল আমেরিকা ও যুক্তরাজ্যের জন্য চালু হয়। পরবর্তীতে তা পুরো বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে।
গুগল ম্যাপের জন্ম কিন্তু গুগলের নিজস্ব কোনো ল্যাবে হয়নি। এর শুরু অস্ট্রেলিয়ার সিডনি শহরের একটি ছোট অফিসে। সেখানেই প্রথম গুগল ম্যাপের ভাবনাটা মাথায় আসে। এর নেপথ্যের কারিগর ছিলেন ডেনমার্কের দুই ভাই—লার্স রাসমুসেন এবং জেনস রাসমুসেন।

২০০৩ সালের দিকে এই দুই ভাই তাঁদের দুইজন বন্ধুর সঙ্গে মিলে ‘হোয়্যার টু টেকনোলজিস’ নামে একটি স্টার্টআপ চালু করেন। তাঁদের লক্ষ্য ছিল এমন একটি ম্যাপ বানানো, যেটি হবে দ্রুত, সহজ আর ইন্টার্যাক্টিভ। শুরুতে তাঁরা এটিকে একটি আলাদা সফটওয়্যার বা অ্যাপ্লিকেশন হিসেবে তৈরি করেছিলেন, যেটা সিডি বা ডাউনলোডের মাধ্যমে কম্পিউটারে ইনস্টল করে ব্যবহার করতে হতো। কারণ, তাঁদের ধারণা ছিল ওয়েবের মাধ্যমে এত ভারী গ্রাফিক্স চালানো সম্ভব নয়।
সবকিছু বদলে যায়, যখন তাঁরা এই প্রজেক্টটি নিয়ে গুগলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজের সঙ্গে দেখা করেন। ল্যারি পেজ ডেমো দেখে মুগ্ধ হন, কিন্তু জুড়ে দেন একটি কঠিন শর্ত। তিনি বলেন, গুগল এই প্রযুক্তি কিনবে তবে এতে কোনো সফটওয়্যার ইনস্টল করা যাবে না। এটিকে পুরোপুরি ওয়েবে রূপান্তর করতে হবে যেন মানুষ ব্রাউজার খুললেই ম্যাপ দেখতে পারে।
এই শর্তটি রাসমুসেন ভাইদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হলেও তাঁরা হাল ছাড়েননি। অবশেষে ২০০৪ সালের অক্টোবর মাসে গুগল কোম্পানিটি কিনে নেয়। গুগল ম্যাপকে আরও শক্তিশালী করতে গুগল তখন আরও দুটি কোম্পানি কিনেছিল। একটির নাম ছিল ‘কিহোলে’, যাদের কাজ ছিল স্যাটেলাইট বা মহাকাশ থেকে পৃথিবীর ছবি তোলা (যা পরে ‘আর্থ ভিউ’ নামে পরিচিত হয়)। অন্যটি ছিল ‘জিপড্যাশ’, যারা রিয়েল-টাইম ট্রাফিক বা রাস্তায় জ্যাম আছে কিনা তা নিয়ে কাজ করত। এই তিন প্রযুক্তির মিলন ঘটিয়ে রাসমুসেন ভাইদের অক্লান্ত পরিশ্রমে ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে গুগল ম্যাপের চূড়ান্ত খসড়াটি তৈরি হয়।
২০০৫ সালে চালু হওয়ার পর গুগল ম্যাপ ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হচ্ছিল। তবে এটি সত্যিকার অর্থে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে ২০০৭–২০০৮ সালের দিকে। এর পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ ছিল স্মার্টফোনের বিস্তার।

২০০৭ সালে অ্যাপল যখন তাদের প্রথম আইফোন বাজারে আনে, তখন স্টিভ জবস মঞ্চে দাঁড়িয়ে গুগল ম্যাপ চালিয়ে দেখিয়েছিলেন। আইফোনে আগে থেকেই গুগল ম্যাপ ইনস্টল করা থাকত। এর ফলে মানুষ প্রথমবারের মতো ম্যাপকে কম্পিউটার টেবিল থেকে তুলে নিজেদের পকেটে নিয়ে ঘুরতে শুরু করল। পকেট থেকে ফোন বের করে রাস্তা দেখার এই সুবিধাটি ছিল অভাবনীয়।
গুগল ম্যাপ আরও বিস্তার লাভ করে ২০০৮ সালে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের জন্য অ্যাপ চালু হওয়ার পর। এর কিছুদিন পরেই গুগল নিয়ে আসে ‘টার্ন-বাই-টার্ন নেভিগেশন’। অর্থাৎ, ম্যাপ আপনাকে বলে দেবে ‘এখন ডানে যান বা ২০০ মিটার পর বামে যান।’ এই ফিচারটি আসার আগে মানুষকে দামি জিপিএস ডিভাইস কিনতে হতো। গুগল এটি বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দিলে সারা বিশ্বে গুগল ম্যাপের ব্যবহার জ্যামিতিক হারে বেড়ে যেতে থাকে।
২০১৫ সালের পর গুগল ম্যাপ ছড়িয়ে পড়ার পেছনে আরেকটি বড় কারণ ছিল ‘ম্যাপ মেকার’ ও ‘লোকাল গাইড’ প্রোগ্রাম। বাংলাদেশ বা ভারতের মতো অনেক উন্নয়নশীল দেশের সব রাস্তার তথ্য গুগলের কাছে তখন ছিল না। গুগল সাধারণ মানুষকেই সুযোগ দেয় ম্যাপ ঠিক করার, নতুন রাস্তা বা দোকান যোগ করার। কোটি কোটি মানুষের দেওয়া তথ্যের ওপর ভর করেই গুগল ম্যাপ ধীরে ধীরে চিনে নেয় বিশ্বের প্রায় প্রতিটি অলিগলি।

২০০৫ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দিনটি শুরু হয়েছিল একদম সাধারণভাবেই। কিন্তু সেদিনের একটি ঘোষণা প্রযুক্তির ইতিহাসে বড় পরিবর্তন এনে দেয়। ওই দিন গুগল তাদের অফিসিয়াল ব্লগে একটি পোস্ট দেয়। সেখানে গুগলের প্রোডাক্ট ম্যানেজার ব্রেট টেলর লেখেন, ‘আমরা মনে করি ম্যাপ আরও কাজে লাগার মতো এবং মজার হতে পারে।’
এই ঘোষণার পরই গুগল সবার জন্য গুগল ম্যাপস চালু করে। একবিংশ শতাব্দীর শুরুর সেই সময়টাতে ইন্টারনেটে ম্যাপ দেখার ব্যবস্থা যে ছিল না, তা নয়। রাস্তা চেনার জন্য ‘ম্যাপকোয়েস্ট’ বা ‘ইয়াহু ম্যাপস’ তখনও বেশ জনপ্রিয় ছিল। কিন্তু সেগুলো চালানো ছিল বেশ ঝামেলার। ঠিকানা দেখতে বা একটু সামনে-পেছনে যেতে ক্লিক করলেই পুরো পেজ নতুন করে লোড হতো। ফলে ব্যবহারকারীকে অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হতো।
শুরুতে গুগল ম্যাপ শুধু ডেস্কটপ কম্পিউটারে ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমেই ব্যবহার করা যেত। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এটি মানুষকে নির্ভুলভাবে ঠিকানা দেখাতে শুরু করে। অনেকেই ভেবেছিলেন, এটি হয়ত আগের ম্যাপ সেবাগুলোর মতোই ঝামেলাপূর্ণ হবে। কিন্তু গুগলের ম্যাপ ব্যবহারের পর সবার ধারণা বদলে গেল।
কারণ, এখানে ম্যাপ দেখার জন্য বারবার পেজ লোড করার ঝামেলা নেই। মাউস দিয়ে টেনে বা ‘ড্র্যাগ’ করে ইচ্ছেমতো ডানে-বামে, উপরে-নিচে যাওয়া যাচ্ছিল। মনে হচ্ছে যেন একটি বিশাল কাগজের ম্যাপ কম্পিউটারের স্ক্রিনের নিচে রাখা আছে। ম্যাপের নির্দিষ্ট জায়গায় পিন ফেলা, রাস্তার নাম স্পষ্টভাবে দেখা; সব মিলিয়ে এটি ছিল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য এক দারুণ অভিজ্ঞতা। শুরুতে এই সেবাটি কেবল আমেরিকা ও যুক্তরাজ্যের জন্য চালু হয়। পরবর্তীতে তা পুরো বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে।
গুগল ম্যাপের জন্ম কিন্তু গুগলের নিজস্ব কোনো ল্যাবে হয়নি। এর শুরু অস্ট্রেলিয়ার সিডনি শহরের একটি ছোট অফিসে। সেখানেই প্রথম গুগল ম্যাপের ভাবনাটা মাথায় আসে। এর নেপথ্যের কারিগর ছিলেন ডেনমার্কের দুই ভাই—লার্স রাসমুসেন এবং জেনস রাসমুসেন।

২০০৩ সালের দিকে এই দুই ভাই তাঁদের দুইজন বন্ধুর সঙ্গে মিলে ‘হোয়্যার টু টেকনোলজিস’ নামে একটি স্টার্টআপ চালু করেন। তাঁদের লক্ষ্য ছিল এমন একটি ম্যাপ বানানো, যেটি হবে দ্রুত, সহজ আর ইন্টার্যাক্টিভ। শুরুতে তাঁরা এটিকে একটি আলাদা সফটওয়্যার বা অ্যাপ্লিকেশন হিসেবে তৈরি করেছিলেন, যেটা সিডি বা ডাউনলোডের মাধ্যমে কম্পিউটারে ইনস্টল করে ব্যবহার করতে হতো। কারণ, তাঁদের ধারণা ছিল ওয়েবের মাধ্যমে এত ভারী গ্রাফিক্স চালানো সম্ভব নয়।
সবকিছু বদলে যায়, যখন তাঁরা এই প্রজেক্টটি নিয়ে গুগলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজের সঙ্গে দেখা করেন। ল্যারি পেজ ডেমো দেখে মুগ্ধ হন, কিন্তু জুড়ে দেন একটি কঠিন শর্ত। তিনি বলেন, গুগল এই প্রযুক্তি কিনবে তবে এতে কোনো সফটওয়্যার ইনস্টল করা যাবে না। এটিকে পুরোপুরি ওয়েবে রূপান্তর করতে হবে যেন মানুষ ব্রাউজার খুললেই ম্যাপ দেখতে পারে।
এই শর্তটি রাসমুসেন ভাইদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হলেও তাঁরা হাল ছাড়েননি। অবশেষে ২০০৪ সালের অক্টোবর মাসে গুগল কোম্পানিটি কিনে নেয়। গুগল ম্যাপকে আরও শক্তিশালী করতে গুগল তখন আরও দুটি কোম্পানি কিনেছিল। একটির নাম ছিল ‘কিহোলে’, যাদের কাজ ছিল স্যাটেলাইট বা মহাকাশ থেকে পৃথিবীর ছবি তোলা (যা পরে ‘আর্থ ভিউ’ নামে পরিচিত হয়)। অন্যটি ছিল ‘জিপড্যাশ’, যারা রিয়েল-টাইম ট্রাফিক বা রাস্তায় জ্যাম আছে কিনা তা নিয়ে কাজ করত। এই তিন প্রযুক্তির মিলন ঘটিয়ে রাসমুসেন ভাইদের অক্লান্ত পরিশ্রমে ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে গুগল ম্যাপের চূড়ান্ত খসড়াটি তৈরি হয়।
২০০৫ সালে চালু হওয়ার পর গুগল ম্যাপ ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হচ্ছিল। তবে এটি সত্যিকার অর্থে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে ২০০৭–২০০৮ সালের দিকে। এর পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ ছিল স্মার্টফোনের বিস্তার।

২০০৭ সালে অ্যাপল যখন তাদের প্রথম আইফোন বাজারে আনে, তখন স্টিভ জবস মঞ্চে দাঁড়িয়ে গুগল ম্যাপ চালিয়ে দেখিয়েছিলেন। আইফোনে আগে থেকেই গুগল ম্যাপ ইনস্টল করা থাকত। এর ফলে মানুষ প্রথমবারের মতো ম্যাপকে কম্পিউটার টেবিল থেকে তুলে নিজেদের পকেটে নিয়ে ঘুরতে শুরু করল। পকেট থেকে ফোন বের করে রাস্তা দেখার এই সুবিধাটি ছিল অভাবনীয়।
গুগল ম্যাপ আরও বিস্তার লাভ করে ২০০৮ সালে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের জন্য অ্যাপ চালু হওয়ার পর। এর কিছুদিন পরেই গুগল নিয়ে আসে ‘টার্ন-বাই-টার্ন নেভিগেশন’। অর্থাৎ, ম্যাপ আপনাকে বলে দেবে ‘এখন ডানে যান বা ২০০ মিটার পর বামে যান।’ এই ফিচারটি আসার আগে মানুষকে দামি জিপিএস ডিভাইস কিনতে হতো। গুগল এটি বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দিলে সারা বিশ্বে গুগল ম্যাপের ব্যবহার জ্যামিতিক হারে বেড়ে যেতে থাকে।
২০১৫ সালের পর গুগল ম্যাপ ছড়িয়ে পড়ার পেছনে আরেকটি বড় কারণ ছিল ‘ম্যাপ মেকার’ ও ‘লোকাল গাইড’ প্রোগ্রাম। বাংলাদেশ বা ভারতের মতো অনেক উন্নয়নশীল দেশের সব রাস্তার তথ্য গুগলের কাছে তখন ছিল না। গুগল সাধারণ মানুষকেই সুযোগ দেয় ম্যাপ ঠিক করার, নতুন রাস্তা বা দোকান যোগ করার। কোটি কোটি মানুষের দেওয়া তথ্যের ওপর ভর করেই গুগল ম্যাপ ধীরে ধীরে চিনে নেয় বিশ্বের প্রায় প্রতিটি অলিগলি।
.png)

চ্যাটবটের প্রেমে পড়া মানুষের কথা ভাবলে আপনার হয়তো প্রথমেই মনে হবে, যারা চ্যাটবটের প্রেমে পড়েন তারা হয়তো সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন, একাকী বা বিষণ্ণতায় ভুগছেন। গবেষণা ও গণমাধ্যমগুলোতেও প্রায়ই এমন ধারণা দেখা যায় যে, একাকীত্বই মানুষকে চ্যাটবটের দিকে ঠেলে দেয়। ২০১৩ সালের ‘হার’ সিনেমাতেও এমন একাকীত্বই দেখানো
২২ আগস্ট ২০২৬
২০২৬ সালের মে মাসেই প্রায় ৮ হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছিল মেটা। গত দুই বছরে গুগলও ছাঁটাই করেছে প্রায় ১২ হাজার কর্মী। তাহলে কী এমন বদলে গেল যে এখন মেটা, গুগল, ব্ল্যাকরকের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোই ২৬৫ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে শুধু টেকনিশিয়ান আর দক্ষ শ্রমিক তৈরির জন্য?
০৫ আগস্ট ২০২৬
পৃথিবীতে এমনও একটি দেশ আছে, যেখানে ট্রেনের দেরি মিনিটে নয়, সেকেন্ডে মাপা হয়। আর সামান্য দেরি হলেও যাত্রীদের কাছে ক্ষমা চায় রেল কর্তৃপক্ষ। কীভাবে এমন রেলব্যবস্থা গড়ে তুলেছে জাপান?
২২ জুলাই ২০২৬
ফেসবুকে কেউ যদি কোন থ্রিলার বই-এর খোঁজ করেন এর পর থেকে ফেসবুক তাঁকে থ্রিলার বই-এর খবর পাঠাতে থাকবে। এবং তিনি শুধু এ ধরনের বই-ই পড়তে থাকবেন। ভয়টা এখানেই। তিনি হয়তো জানতেও পারবেন না যে থ্রিলারের বাইরেও রোমান্টিক ও অ্যাডভেঞ্চার ধরনের বই রয়ে গেছে।
৩০ জুন ২০২৬