স্ট্রিম ডেস্ক

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর গাজা দখলের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে দেশটির নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা। শুক্রবার দেশটির প্রধানমন্ত্রীর দফতরের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে সিএনএন।
প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) গাজা দখলের প্রস্তুতি নেবে। তবে লড়াইয়ের বাইরে থাকা এলাকায় বেসামরিক মানুষের জন্য অব্যাহত থাকবে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম।
বৃহস্পতিবার রাতভর চলা বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত নেয় নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা।
আন্তর্জাতিক চাপ, ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর আপত্তি এবং জিম্মিদের নিরাপত্তা নিয়ে দেশের ভেতরে উদ্বেগ থাকার পরও গাজার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। প্রায় দুই বছর ধরে গাজায় হামলা চালানোর পর এবার নেতানিয়াহু এলাকাটি পুরোপুরি দখলের চেষ্টা করছেন। তবে এই পরিকল্পনার বিস্তারিত এখনো সামনে আসেনি।
নেতানিয়াহুর দফতর জানিয়েছে, মন্ত্রিসভার বড় একটি অংশ মনে করে, গাজা দখল ছাড়া বিকল্প কোনো পরিকল্পনা হামাসকে পরাজিত করতে পারবে না, বা জিম্মিদের ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হবে না।
নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার বৈঠকের কিছু আগে মার্কিন গণমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু জানান, সামরিক অভিযান চালিয়ে পুরো গাজা দখলের ইচ্ছা রয়েছে তাদের।
নেতানিয়াহু দাবি করেন, ইসরায়েলের লক্ষ্য হলো গাজা থেকে হামাসকে সরিয়ে দেওয়া। এরপর এই অঞ্চল তুলে দেওয়া হবে এমন একটি বেসামরিক প্রশাসনের হাতে, যারা ইসরায়েলের ধ্বংস চায় না।
গাজায় হামাসের হাতে আটক ৫০ ইসরায়েলি জিম্মির কয়েকজনের পরিবার বৃহস্পতিবার জেরুজালেমে বিক্ষোভ করেছে। এক বিবৃতিতে ‘হোস্টেজ অ্যান্ড মিসিং ফ্যামিলিজ ফোরাম’ বলেছে, ‘লড়াই আরও বাড়ানো মানে আমাদের প্রিয়জনদের মৃত্যু। তাঁরা চিরতরে হারিয়ে যাবে। তাঁদের জীবন উৎসর্গ করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আমাদের চোখের দিকে তাকান। এটাই সময়, একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তির প্রস্তাব আনুন, যাতে ৫০ জন জিম্মির সবাই একসঙ্গে ফিরতে পারে।’
ইসরায়েলের গাজা দখলের পরিকল্পনায় মার্কিন সমর্থন রয়েছে জানিয়ে ওয়াশিংটন ডিসি থেকে আল জাজিরার সংবাদদাতা শিহাব রতনসি বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প বলতে গেলে সবুজ সংকেতই দিয়েছেন নেতানিয়াহুকে। ট্রাম্প বলেছেন, সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি ইসরায়েলের ওপর নির্ভর করছে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর গাজা দখলের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে দেশটির নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা। শুক্রবার দেশটির প্রধানমন্ত্রীর দফতরের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে সিএনএন।
প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) গাজা দখলের প্রস্তুতি নেবে। তবে লড়াইয়ের বাইরে থাকা এলাকায় বেসামরিক মানুষের জন্য অব্যাহত থাকবে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম।
বৃহস্পতিবার রাতভর চলা বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত নেয় নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা।
আন্তর্জাতিক চাপ, ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর আপত্তি এবং জিম্মিদের নিরাপত্তা নিয়ে দেশের ভেতরে উদ্বেগ থাকার পরও গাজার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। প্রায় দুই বছর ধরে গাজায় হামলা চালানোর পর এবার নেতানিয়াহু এলাকাটি পুরোপুরি দখলের চেষ্টা করছেন। তবে এই পরিকল্পনার বিস্তারিত এখনো সামনে আসেনি।
নেতানিয়াহুর দফতর জানিয়েছে, মন্ত্রিসভার বড় একটি অংশ মনে করে, গাজা দখল ছাড়া বিকল্প কোনো পরিকল্পনা হামাসকে পরাজিত করতে পারবে না, বা জিম্মিদের ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হবে না।
নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার বৈঠকের কিছু আগে মার্কিন গণমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু জানান, সামরিক অভিযান চালিয়ে পুরো গাজা দখলের ইচ্ছা রয়েছে তাদের।
নেতানিয়াহু দাবি করেন, ইসরায়েলের লক্ষ্য হলো গাজা থেকে হামাসকে সরিয়ে দেওয়া। এরপর এই অঞ্চল তুলে দেওয়া হবে এমন একটি বেসামরিক প্রশাসনের হাতে, যারা ইসরায়েলের ধ্বংস চায় না।
গাজায় হামাসের হাতে আটক ৫০ ইসরায়েলি জিম্মির কয়েকজনের পরিবার বৃহস্পতিবার জেরুজালেমে বিক্ষোভ করেছে। এক বিবৃতিতে ‘হোস্টেজ অ্যান্ড মিসিং ফ্যামিলিজ ফোরাম’ বলেছে, ‘লড়াই আরও বাড়ানো মানে আমাদের প্রিয়জনদের মৃত্যু। তাঁরা চিরতরে হারিয়ে যাবে। তাঁদের জীবন উৎসর্গ করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আমাদের চোখের দিকে তাকান। এটাই সময়, একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তির প্রস্তাব আনুন, যাতে ৫০ জন জিম্মির সবাই একসঙ্গে ফিরতে পারে।’
ইসরায়েলের গাজা দখলের পরিকল্পনায় মার্কিন সমর্থন রয়েছে জানিয়ে ওয়াশিংটন ডিসি থেকে আল জাজিরার সংবাদদাতা শিহাব রতনসি বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প বলতে গেলে সবুজ সংকেতই দিয়েছেন নেতানিয়াহুকে। ট্রাম্প বলেছেন, সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি ইসরায়েলের ওপর নির্ভর করছে।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্রের ১০০ থেকে ১৫০ সেনা আহত হয়। কিন্তু দেশটির সামরিক বাহিনী আহতের এ খবর চেপে রাখে।
৭ ঘণ্টা আগে
প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক ভিডিও বক্তব্য দিয়েছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি।
২১ ঘণ্টা আগে
রেকর্ডকৃত ভিডিও বার্তায় মুজবতা খামেনি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সব ঘাঁটি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় সেগুলোতে হামলা চালানো হবে।
২১ ঘণ্টা আগে
লেবাননে থাকা হিজবুল্লাহর অস্ত্র সক্ষমতা দেখে রীতিমতো বিস্মিত ইসরায়েল। সর্বশেষ ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করে চালানো হামলার ধারা প্রমাণ করেছে—লেবাননের এই গোষ্ঠীটি এখনো শক্তিশালী।
২১ ঘণ্টা আগে