তথ্যসূত্র:

যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ অব্যাহত থাকলে পারস্য উপসাগর, ওমান সাগর এবং লোহিত সাগরে সব প্রকার আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে ইরান। বুধবার (১৫ এপ্রিল) দেশটির খাতাম আল-আনবিয়ার কমান্ডার আলী আবদুল্লাহি এই হুঁশিয়ারি দেন।
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ এই অপারেশনাল কমান্ডারের মতে, মার্কিন নৌ-অবরোধের কারণে ইরানের বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেল ট্যাংকারগুলোর জন্য যে ‘নিরাপত্তাহীনতা’ তৈরি হয়েছে, তা যুদ্ধবিরতি চুক্তির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। আলী আবদুল্লাহি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ চালিয়ে গেলে এর জবাবে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী পারস্য উপসাগর, ওমান সাগর এবং লোহিত সাগরে কোনো দেশেরই আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম চলতে দেবে না।’
গত সোমবার থেকে ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণাঙ্গ নৌ-অবরোধ কার্যকর হয়েছে। বুধবার মার্কিন সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় কোনো জাহাজই এই অবরোধ ভেঙে ইরানের বন্দরে প্রবেশ বা সেখান থেকে বের হতে পারেনি।
এদিকে বুধবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেছেন, হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে সাহায্য করবে চীন। একই সঙ্গে দেশটি ভবিষ্যতে ইরানকে কোনো অস্ত্র সরবরাহ করবে না।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের সরাসরি শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হলেও উভয় পক্ষের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান ‘অব্যাহত’ রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাঘায়ি। বুধবার নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে বাঘায়ি বলেন, গত রোববার ইসলামাবাদে আলোচনা কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলেও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত আছে।

যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ অব্যাহত থাকলে পারস্য উপসাগর, ওমান সাগর এবং লোহিত সাগরে সব প্রকার আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে ইরান। বুধবার (১৫ এপ্রিল) দেশটির খাতাম আল-আনবিয়ার কমান্ডার আলী আবদুল্লাহি এই হুঁশিয়ারি দেন।
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ এই অপারেশনাল কমান্ডারের মতে, মার্কিন নৌ-অবরোধের কারণে ইরানের বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেল ট্যাংকারগুলোর জন্য যে ‘নিরাপত্তাহীনতা’ তৈরি হয়েছে, তা যুদ্ধবিরতি চুক্তির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। আলী আবদুল্লাহি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ চালিয়ে গেলে এর জবাবে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী পারস্য উপসাগর, ওমান সাগর এবং লোহিত সাগরে কোনো দেশেরই আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম চলতে দেবে না।’
গত সোমবার থেকে ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণাঙ্গ নৌ-অবরোধ কার্যকর হয়েছে। বুধবার মার্কিন সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় কোনো জাহাজই এই অবরোধ ভেঙে ইরানের বন্দরে প্রবেশ বা সেখান থেকে বের হতে পারেনি।
এদিকে বুধবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেছেন, হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে সাহায্য করবে চীন। একই সঙ্গে দেশটি ভবিষ্যতে ইরানকে কোনো অস্ত্র সরবরাহ করবে না।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের সরাসরি শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হলেও উভয় পক্ষের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান ‘অব্যাহত’ রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাঘায়ি। বুধবার নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে বাঘায়ি বলেন, গত রোববার ইসলামাবাদে আলোচনা কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলেও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত আছে।
.png)

হরমুজ প্রণালির আশপাশে ইরানের আইআরজিসির বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সাম্প্রতিক হামলা-পাল্টা হামলার পর সংঘাত আবার বড় যুদ্ধে গড়ানোর আশঙ্কার মধ্যেই মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) এ অভিযান শুরু করে মার্কিন বাহিনী।
১ ঘণ্টা আগে
চীনের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন শিপিং কোম্পানি কসকোর বিরুদ্ধে জাহাজে গোপন সরঞ্জাম ব্যবহার করে গোয়েন্দাগিরির অভিযোগ উঠেছে। মার্কিন প্রশাসনের দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রয়টার্সের কাছে দাবি করেছেন, এসব সরঞ্জাম ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের উপকূলের কাছে গোপন সামরিক যোগাযোগের তথ্য সংগ্রহ করছে বেইজিং।
২ ঘণ্টা আগে
আফগানিস্তানে দুই দশকের যুদ্ধে বেসামরিক হতাহতদের অধিকাংশই ন্যায়বিচার, ক্ষতিপূরণ কিংবা তাঁদের দুর্ভোগের স্বীকৃতি পাননি বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। ভুক্তভোগীদের অনেকেই প্রতিশোধের ভয় ও বিচারব্যবস্থার ওপর আস্থার অভাবে প্রতিকার চাওয়ার চেষ্টা করেননি। যারা প্রতিকার চেয়েছেন তাঁদের মধ্যে বেশির ভাগই ব্যর্থ হয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
গত জুনে স্বাক্ষরিত অন্তর্বর্তী সমঝোতা চুক্তিতে দেওয়া প্রতিশ্রুতি যুক্তরাষ্ট্র মানলে তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা সাড়া দেওয়ার কথা জানিয়েছে ইরান। তবে ইরানে নতুন করে হামলার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর মধ্যেই হরমুজ প্রণালিতে দুটি সৌদি তেলবাহী সুপারট্যাংকারে হামলার ঘটনা ঘটেছে।
৭ ঘণ্টা আগে