আল জাজিরা

তেহরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেছেন, গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী ‘ইরানের শত্রুরা’ একটি আঞ্চলিক প্রতিবেশী দেশের সহায়তায় ইরানের দ্বীপ দখলের পরিকল্পনা করছে। ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বুধবার (১১ মার্চ) বলেন, এ ধরনের যেকোনো প্রচেষ্টার জবাবে সংশ্লিষ্ট ওই দেশের ‘গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে’ লক্ষ্যভিত্তিক হামলা চালানো হবে। তবে তিনি নির্দিষ্ট কোনো দেশের নাম উল্লেখ করেননি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুটি পৃথক পোস্টে গালিবাফ বলেন, “ইরানের বাহিনী শত্রুর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছে। তাঁরা যদি কোনো পদক্ষেপ নেয়, আমরা ওই আঞ্চলিক দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে ধারাবাহিক ও অবিরত হামলা চালাব।”
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করে যাচ্ছেন যে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা চলছে। তবে তেহরান এই দাবি বারবার অস্বীকার করছে। একই সঙ্গে হোয়াইট হাউস ইরানের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে নতুন হুমকি দিয়েছে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বুধবার বলেন, “ইরানকে পরাজয় মেনে নিতে হবে। তারা যদি বর্তমান বাস্তবতা মেনে নিতে ব্যর্থ হয় এবং বুঝতে না পারে যে সামরিকভাবে তারা পরাজিত হয়েছে, তবে তাঁদের ওপর এমন ভয়াবহ আঘাত হানা হবে যা তারা কখনো কল্পনাও করেনি।”
একদিকে শান্তি আলোচনার দাবি, অন্যদিকে কঠোর যুদ্ধের হুমকির মধ্যে পেন্টাগন পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করছে। মার্কিন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, মার্কিন সেনাবাহিনীর ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের প্রায় ২ হাজার সেনাকে ওই অঞ্চলে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দুটি বড় ‘মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট’-এর প্রথমটি আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই সেখানে পৌঁছাতে পারে।
খার্গ দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের নজর
আল জাজিরার তেহরানভিত্তিক প্রতিবেদক মোহাম্মদ ভাল জানান, ইরানের মানুষ ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের স্থলবাহিনী ও যুদ্ধজাহাজের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি সম্পর্কে অবগত। এই মুহূর্তে তাঁরা যুদ্ধের সমাপ্তির চেয়ে এর অব্যাহত থাকার ব্যাপারে বেশি নিশ্চিত এবং সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নজর এখন মূলত খার্গ দ্বীপের দিকে। কোনো আঞ্চলিক দেশ যদি এই দ্বীপ দখলের প্রচেষ্টায় সহায়তা করে— পার্লামেন্ট স্পিকারের এই হুমকি মূলত সংযুক্ত আরব আমিরাতের উদ্দেশে দেওয়া হয়েছে। ইরানিরা মনে করছেন, খার্গ দ্বীপে এমন কিছু ঘটলে তা সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মার্কিন সেনাদের জন্য অত্যন্ত ধ্বংসাত্মক হবে।
ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা ‘তাসনিম’ বুধবার এক সামরিক সূত্রের বরাতে জানায়, ইরানের দ্বীপ বা দেশের অন্য কোথাও সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হলে ইরান লোহিত সাগরের প্রবেশমুখে নতুন ‘যুদ্ধফ্রন্ট’ খুলতে পারে। সূত্রটি আরও জানায়, বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে হামলার পূর্ণ সক্ষমতা ইরানের রয়েছে। ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা প্রয়োজনে এই প্রণালি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত রয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্প বারবার আলোচনায় অগ্রগতির দাবি করলেও তেহরান তা নাকচ করে দিয়েছে। তবে আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীরা বলছেন, দুই পক্ষের মধ্যে পর্দার আড়ালে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ বন্ধে ১৫ দফা প্রস্তাব দিয়েছে। অন্যদিকে স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাতে এক ইরানি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সংঘাত অবসানে তেহরান নিজস্ব পাঁচটি শর্ত তুলে ধরেছে।
অনুবাদ: আব্দুর রহমান সার্জিল

তেহরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেছেন, গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী ‘ইরানের শত্রুরা’ একটি আঞ্চলিক প্রতিবেশী দেশের সহায়তায় ইরানের দ্বীপ দখলের পরিকল্পনা করছে। ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বুধবার (১১ মার্চ) বলেন, এ ধরনের যেকোনো প্রচেষ্টার জবাবে সংশ্লিষ্ট ওই দেশের ‘গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে’ লক্ষ্যভিত্তিক হামলা চালানো হবে। তবে তিনি নির্দিষ্ট কোনো দেশের নাম উল্লেখ করেননি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুটি পৃথক পোস্টে গালিবাফ বলেন, “ইরানের বাহিনী শত্রুর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছে। তাঁরা যদি কোনো পদক্ষেপ নেয়, আমরা ওই আঞ্চলিক দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে ধারাবাহিক ও অবিরত হামলা চালাব।”
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করে যাচ্ছেন যে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা চলছে। তবে তেহরান এই দাবি বারবার অস্বীকার করছে। একই সঙ্গে হোয়াইট হাউস ইরানের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে নতুন হুমকি দিয়েছে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বুধবার বলেন, “ইরানকে পরাজয় মেনে নিতে হবে। তারা যদি বর্তমান বাস্তবতা মেনে নিতে ব্যর্থ হয় এবং বুঝতে না পারে যে সামরিকভাবে তারা পরাজিত হয়েছে, তবে তাঁদের ওপর এমন ভয়াবহ আঘাত হানা হবে যা তারা কখনো কল্পনাও করেনি।”
একদিকে শান্তি আলোচনার দাবি, অন্যদিকে কঠোর যুদ্ধের হুমকির মধ্যে পেন্টাগন পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করছে। মার্কিন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, মার্কিন সেনাবাহিনীর ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের প্রায় ২ হাজার সেনাকে ওই অঞ্চলে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দুটি বড় ‘মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট’-এর প্রথমটি আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই সেখানে পৌঁছাতে পারে।
খার্গ দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের নজর
আল জাজিরার তেহরানভিত্তিক প্রতিবেদক মোহাম্মদ ভাল জানান, ইরানের মানুষ ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের স্থলবাহিনী ও যুদ্ধজাহাজের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি সম্পর্কে অবগত। এই মুহূর্তে তাঁরা যুদ্ধের সমাপ্তির চেয়ে এর অব্যাহত থাকার ব্যাপারে বেশি নিশ্চিত এবং সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নজর এখন মূলত খার্গ দ্বীপের দিকে। কোনো আঞ্চলিক দেশ যদি এই দ্বীপ দখলের প্রচেষ্টায় সহায়তা করে— পার্লামেন্ট স্পিকারের এই হুমকি মূলত সংযুক্ত আরব আমিরাতের উদ্দেশে দেওয়া হয়েছে। ইরানিরা মনে করছেন, খার্গ দ্বীপে এমন কিছু ঘটলে তা সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মার্কিন সেনাদের জন্য অত্যন্ত ধ্বংসাত্মক হবে।
ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা ‘তাসনিম’ বুধবার এক সামরিক সূত্রের বরাতে জানায়, ইরানের দ্বীপ বা দেশের অন্য কোথাও সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হলে ইরান লোহিত সাগরের প্রবেশমুখে নতুন ‘যুদ্ধফ্রন্ট’ খুলতে পারে। সূত্রটি আরও জানায়, বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে হামলার পূর্ণ সক্ষমতা ইরানের রয়েছে। ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা প্রয়োজনে এই প্রণালি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত রয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্প বারবার আলোচনায় অগ্রগতির দাবি করলেও তেহরান তা নাকচ করে দিয়েছে। তবে আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীরা বলছেন, দুই পক্ষের মধ্যে পর্দার আড়ালে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ বন্ধে ১৫ দফা প্রস্তাব দিয়েছে। অন্যদিকে স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাতে এক ইরানি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সংঘাত অবসানে তেহরান নিজস্ব পাঁচটি শর্ত তুলে ধরেছে।
অনুবাদ: আব্দুর রহমান সার্জিল

ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের মারকাপুরাম এলাকায় বৃহস্পতিবার ভোরে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে টিপার লরির সংঘর্ষের পর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এতে অন্তত ১২ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
অবরুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই গতকাল সকাল থেকে একাধিক জাহাজ হরমুজ প্রণালি পার হয়েছে। এর মধ্যেই ইরান জানিয়েছে, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে নিরাপদ যাতায়াতের জন্য দেশগুলোর কাছ থেকে ফি নেওয়া হবে।
১৭ ঘণ্টা আগে
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বুধবার (২৫ মার্চ) পর্যন্ত ইরানের ওপর ১৫ হাজারের বেশি বোমা ফেলেছে ইসরায়েল। এই সংখ্যা গত বছরের জুনে ১২ দিনের সংঘাতে ব্যবহৃত বোমার চেয়ে চার গুণ বেশি।
২০ ঘণ্টা আগে
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযানকে ‘অন্যায় ও অবৈধ যুদ্ধ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ।
২০ ঘণ্টা আগে