স্ট্রিম ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা অগ্রাধিকারে আর চীন নেই। অর্থাৎ, এতদিন যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা পরিকল্পনার মূল লক্ষ্যই ছিল চীনকে ঠেকানো। সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছে দেশটি।
আজ শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) পেন্টাগন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন জাতীয় প্রতিরক্ষা কৌশল সংক্রান্ত একটি নথি প্রকাশ করেছে। ‘জাতীয় প্রতিরক্ষা কৌশল’ শীর্ষক প্রকাশিত নথিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য চীন আর নিরাপত্তা অগ্রাধিকারে নেই। প্রতি চার বছর অন্তর এই কৌশল প্রকাশ করে পেন্টাগন।
নথিতে বলা হয়, নিজ দেশ এবং ওয়েস্টার্ন হেমিস্ফিয়ারের (পশ্চিম গোলার্ধ) নিরাপত্তাই যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার মূল ভাবনার বিষয়। ওয়াশিংটন দীর্ঘ সময় আমেরিকানদের ‘সেই স্বার্থটি’ উপেক্ষা করেছে।
পেন্টাগন বলছে, মিত্রদের সহায়তাও কমিয়ে দেবে যুক্তরাষ্ট্র। এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্রদের দেওয়া সহায়তা ‘আরও সীমিত’ করবে। এর আগে গত বছর প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলে বলেছিল, ইউরোপ ‘সভ্যতাগত পতনের’ মুখে এবং রাশিয়াকে আর নিজেদের জন্য হুমকি মনে করে না দেশটি। ওই তথ্য প্রকাশের পরপরই এক প্রতিক্রিয়ায় বলেছিল, যুক্তরাষ্ট্রের এই নথি রাশিয়ার নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে ‘খুবই সামঞ্জস্যপূর্ণ’।
এর আগে, পেন্টাগনের ২০২২ সালের জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য চীনকে ‘বহুমুখী সমন্বিত হুমকি’ বলা হয়েছিল। সেসময় দেশটির প্রতিরক্ষা অগ্রাধিকারে ছিল চীন। আর ২০১৮ সালের নথিতে চীন ও রাশিয়াকে ‘সংশোধনবাদী শক্তি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল এবং দেশ দুটিকে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য ‘প্রধান চ্যালেঞ্জ’।
শুক্রবার ৩৪ পৃষ্ঠার এই নথিটি প্রকাশিত হয়। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প প্রশাসন যে প্রথম বছরে তাদের নীতিগত অবস্থানগুলোকে শক্তিশালী করছে তার ইঙ্গিতই এই নথি।
এমন সময় এই নথিতে কৌশল পরিবর্তনের কথা বলা হলো যখন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক অভিযান চালিয়ে লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে এনেছে; মাদক বহনের অভিযোগে পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগর ও ক্যারিবীয়ান সাগরে জাহাজে হামলা চালাচ্ছে। আর অতি সম্প্রতি গ্রিনল্যান্ড দখলে নিতে মিত্র দেশগুলোকে চাপ দিচ্ছে।
কৌশলটিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূখণ্ড, বিশেষ করে পানামা খাল, আমেরিকা উপসাগর এবং গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও বাণিজ্যিক প্রবেশাধিকারের নিশ্চয়তা দেবে বলে পুনর্ব্যক্ত করেছে পেন্টাগন।
নথিতে আরও বলা হয়, ট্রাম্প প্রশাসনের দৃষ্টিভঙ্গি স্নায়ুযুদ্ধ পরবর্তী সময়ের কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি থেকে মৌলিকভাবে আলাদা হবে।
নথিতে বলা হয়, ইউটোপিয়ান আদর্শ থেকে বেরিয়ে আসেন, বাস্তবতার সঙ্গে চলুন।
নথিতে বলা হয়, চীনের সঙ্গে সম্পর্ক ‘জোরদার, সংঘাত নয়’ নীতিতে এগিয়ে নিতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য চীনের ওপর আধিপত্য বিস্তার নয়; অথবা তাদের চেপে ধরা বা অপমান করাও নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা অগ্রাধিকারে আর চীন নেই। অর্থাৎ, এতদিন যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা পরিকল্পনার মূল লক্ষ্যই ছিল চীনকে ঠেকানো। সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছে দেশটি।
আজ শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) পেন্টাগন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন জাতীয় প্রতিরক্ষা কৌশল সংক্রান্ত একটি নথি প্রকাশ করেছে। ‘জাতীয় প্রতিরক্ষা কৌশল’ শীর্ষক প্রকাশিত নথিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য চীন আর নিরাপত্তা অগ্রাধিকারে নেই। প্রতি চার বছর অন্তর এই কৌশল প্রকাশ করে পেন্টাগন।
নথিতে বলা হয়, নিজ দেশ এবং ওয়েস্টার্ন হেমিস্ফিয়ারের (পশ্চিম গোলার্ধ) নিরাপত্তাই যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার মূল ভাবনার বিষয়। ওয়াশিংটন দীর্ঘ সময় আমেরিকানদের ‘সেই স্বার্থটি’ উপেক্ষা করেছে।
পেন্টাগন বলছে, মিত্রদের সহায়তাও কমিয়ে দেবে যুক্তরাষ্ট্র। এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্রদের দেওয়া সহায়তা ‘আরও সীমিত’ করবে। এর আগে গত বছর প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলে বলেছিল, ইউরোপ ‘সভ্যতাগত পতনের’ মুখে এবং রাশিয়াকে আর নিজেদের জন্য হুমকি মনে করে না দেশটি। ওই তথ্য প্রকাশের পরপরই এক প্রতিক্রিয়ায় বলেছিল, যুক্তরাষ্ট্রের এই নথি রাশিয়ার নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে ‘খুবই সামঞ্জস্যপূর্ণ’।
এর আগে, পেন্টাগনের ২০২২ সালের জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য চীনকে ‘বহুমুখী সমন্বিত হুমকি’ বলা হয়েছিল। সেসময় দেশটির প্রতিরক্ষা অগ্রাধিকারে ছিল চীন। আর ২০১৮ সালের নথিতে চীন ও রাশিয়াকে ‘সংশোধনবাদী শক্তি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল এবং দেশ দুটিকে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য ‘প্রধান চ্যালেঞ্জ’।
শুক্রবার ৩৪ পৃষ্ঠার এই নথিটি প্রকাশিত হয়। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প প্রশাসন যে প্রথম বছরে তাদের নীতিগত অবস্থানগুলোকে শক্তিশালী করছে তার ইঙ্গিতই এই নথি।
এমন সময় এই নথিতে কৌশল পরিবর্তনের কথা বলা হলো যখন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক অভিযান চালিয়ে লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে এনেছে; মাদক বহনের অভিযোগে পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগর ও ক্যারিবীয়ান সাগরে জাহাজে হামলা চালাচ্ছে। আর অতি সম্প্রতি গ্রিনল্যান্ড দখলে নিতে মিত্র দেশগুলোকে চাপ দিচ্ছে।
কৌশলটিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূখণ্ড, বিশেষ করে পানামা খাল, আমেরিকা উপসাগর এবং গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও বাণিজ্যিক প্রবেশাধিকারের নিশ্চয়তা দেবে বলে পুনর্ব্যক্ত করেছে পেন্টাগন।
নথিতে আরও বলা হয়, ট্রাম্প প্রশাসনের দৃষ্টিভঙ্গি স্নায়ুযুদ্ধ পরবর্তী সময়ের কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি থেকে মৌলিকভাবে আলাদা হবে।
নথিতে বলা হয়, ইউটোপিয়ান আদর্শ থেকে বেরিয়ে আসেন, বাস্তবতার সঙ্গে চলুন।
নথিতে বলা হয়, চীনের সঙ্গে সম্পর্ক ‘জোরদার, সংঘাত নয়’ নীতিতে এগিয়ে নিতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য চীনের ওপর আধিপত্য বিস্তার নয়; অথবা তাদের চেপে ধরা বা অপমান করাও নয়।

ওমান ও পাকিস্তান সফর শেষে রাশিয়ার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিরসনে টেকসই কাঠামোর লক্ষ্যে তিনি এই কূটনৈতিক সফর চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা।
৯ ঘণ্টা আগে
বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হামলায় মালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল সাদিও কামারা নিহত হয়েছেন। রোববার (২৬ এপ্রিল) আল-জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, শনিবার দেশটির কাটি গ্যারিসন শহরে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বাসভবনে আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট জঙ্গিগোষ্ঠী এবং তুয়ারেগ বিদ্রোহীদের আত্মঘাতী হামলায় তাঁর মৃত্যু হয়।
১৩ ঘণ্টা আগে
ওমানের সুলতান হাইথাম বিন তারিকের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। রোববার (২৬ এপ্রিল) ওমানের রাজধানী মাস্কাটের আল বারাকা প্যালেসে এই বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে আরাগচি আবার পাকিস্তানে আসবেন বলে জানা গেছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস প্রতিনিধিদের সঙ্গে নৈশভোজ অনুষ্ঠানের বাইরে গুলির ঘটনায় ৩১ বছর বয়সী কোল টমাস অ্যালেন নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেস এলাকার টরেন্স শহরের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
১৬ ঘণ্টা আগে