স্ট্রিম ডেস্ক

রাশিয়ার বিরোধী নেতা অ্যালেক্সি নাভালনিকে ডার্ট ব্যাঙের বিষাক্ত উপাদান থেকে তৈরি বিষ দিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে যুক্তরাজ্য। জার্মানির মিউনিখে গত ১৩-১৪ ফেব্রুয়ারি দুদিনব্যাপী অনুষ্ঠিত নিরাপত্তা সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার বলেন, ‘নাভালনি যখন রাশিয়ার কারাগারে বন্দি ছিলেন, তখন এই বিষ ব্যবহারের সক্ষমতা, উদ্দেশ্য ও সুযোগ কেবল রাশিয়ার সরকারেরই ছিল।’ খবর বিবিসির।
২০২৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি সাইবেরিয়ার একটি কারাগারে নাভালনির মৃত্যু হয়। তাঁর শরীর থেকে পাওয়া নমুনা পরীক্ষা করে যুক্তরাজ্য ও তাদের মিত্র দেশগুলো রাশিয়ার ক্রেমলিন সরকারকে দায়ী করেছে। তবে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাস জানায়, মস্কো এই অভিযোগকে উড়িয়ে দিয়েছে।
ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার বলেন, ‘এপিবাটিডিন নামে এই বিষ নাভালনির শরীরে পাওয়ার কোনো ব্যাখ্যা নেই। রাশিয়া নাভালনিকে হুমকি হিসেবে দেখত। এই ধরনের বিষ ব্যবহার করে রাশিয়া দেখিয়েছে তারা রাজনৈতিক বিরোধীদের কতটা ভয় পায় এবং কী ধরনের নোংরা পদ্ধতি তাদের হাতে রয়েছে।’
এই তথ্য প্রকাশের সময় যুক্তরাজ্য, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি ও নেদারল্যান্ডস একটি যৌথ বিবৃতি দেয়। বিবৃতিতে দেশগুলো জানায়, ‘তাঁর মৃত্যুর জন্য আমরা রাশিয়াকে দায়ী করছি।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘এপিবাটিডিন নামের এই বিষ দক্ষিণ আমেরিকার ডার্ট ফ্রগ ব্যাঙের শরীরে প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায়। বন্দি অবস্থায় থাকা ব্যাঙ এই বিষ তৈরি করে না এবং এটি রাশিয়ায় স্বাভাবিকভাবে পাওয়া যায় না।’
২০২৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি কারাগারে হঠাৎ মারা যান ৪৭ বছর অ্যালেক্সি নাভালনি। ২০২০ সালে তাকে ‘নোভিচক’ নামের এক ধরনের স্নায়ুবিষ দিয়ে বিষ প্রয়োগ করা হয়েছিল। তিনি জার্মানিতে চিকিৎসা নেন এবং পরে রাশিয়ায় ফিরে বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার হন।
কারা কর্তৃপক্ষের বর্ণনা অনুযায়ী, নাভালনি কারাগারে অল্প হাঁটার পর অসুস্থ বোধ করেন। এরপর তিনি হঠাৎ পড়ে যান। পরে আর তার জ্ঞান ফেরেনি।

রাশিয়ার বিরোধী নেতা অ্যালেক্সি নাভালনিকে ডার্ট ব্যাঙের বিষাক্ত উপাদান থেকে তৈরি বিষ দিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে যুক্তরাজ্য। জার্মানির মিউনিখে গত ১৩-১৪ ফেব্রুয়ারি দুদিনব্যাপী অনুষ্ঠিত নিরাপত্তা সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার বলেন, ‘নাভালনি যখন রাশিয়ার কারাগারে বন্দি ছিলেন, তখন এই বিষ ব্যবহারের সক্ষমতা, উদ্দেশ্য ও সুযোগ কেবল রাশিয়ার সরকারেরই ছিল।’ খবর বিবিসির।
২০২৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি সাইবেরিয়ার একটি কারাগারে নাভালনির মৃত্যু হয়। তাঁর শরীর থেকে পাওয়া নমুনা পরীক্ষা করে যুক্তরাজ্য ও তাদের মিত্র দেশগুলো রাশিয়ার ক্রেমলিন সরকারকে দায়ী করেছে। তবে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাস জানায়, মস্কো এই অভিযোগকে উড়িয়ে দিয়েছে।
ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার বলেন, ‘এপিবাটিডিন নামে এই বিষ নাভালনির শরীরে পাওয়ার কোনো ব্যাখ্যা নেই। রাশিয়া নাভালনিকে হুমকি হিসেবে দেখত। এই ধরনের বিষ ব্যবহার করে রাশিয়া দেখিয়েছে তারা রাজনৈতিক বিরোধীদের কতটা ভয় পায় এবং কী ধরনের নোংরা পদ্ধতি তাদের হাতে রয়েছে।’
এই তথ্য প্রকাশের সময় যুক্তরাজ্য, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি ও নেদারল্যান্ডস একটি যৌথ বিবৃতি দেয়। বিবৃতিতে দেশগুলো জানায়, ‘তাঁর মৃত্যুর জন্য আমরা রাশিয়াকে দায়ী করছি।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘এপিবাটিডিন নামের এই বিষ দক্ষিণ আমেরিকার ডার্ট ফ্রগ ব্যাঙের শরীরে প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায়। বন্দি অবস্থায় থাকা ব্যাঙ এই বিষ তৈরি করে না এবং এটি রাশিয়ায় স্বাভাবিকভাবে পাওয়া যায় না।’
২০২৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি কারাগারে হঠাৎ মারা যান ৪৭ বছর অ্যালেক্সি নাভালনি। ২০২০ সালে তাকে ‘নোভিচক’ নামের এক ধরনের স্নায়ুবিষ দিয়ে বিষ প্রয়োগ করা হয়েছিল। তিনি জার্মানিতে চিকিৎসা নেন এবং পরে রাশিয়ায় ফিরে বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার হন।
কারা কর্তৃপক্ষের বর্ণনা অনুযায়ী, নাভালনি কারাগারে অল্প হাঁটার পর অসুস্থ বোধ করেন। এরপর তিনি হঠাৎ পড়ে যান। পরে আর তার জ্ঞান ফেরেনি।

ইরানে সামরিক অভিযান চালাতে গিয়ে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের কতজন সেনা হতাহত হয়েছে জানিয়েছে পেন্টাগন।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের অব্যাহত হামলার মুখে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) অন্যতম প্রধান শিল্পপ্রতিষ্ঠান ‘এমিরেটস গ্লোবাল অ্যালুমিনিয়াম’ (ইজিএ)-র আল তাউইলাহ কারখানা বন্ধ করেছে কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়, হামলায় হওয়া ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে পুনরায় পূর্ণ উৎপাদনে ফিরতে অন্তত এক বছর সময় লাগতে পা
১০ ঘণ্টা আগে
ইরানের ‘হোনিয়াক মিউজিক একাডেমি’র ঘরগুলো একসময় সেতারের ঝংকার আর সন্তুরের মিষ্টি সুরে মুখরিত থাকত। ইরানি সংগীতশিল্পী হামিদরেজা আফরিদেহ এবং তাঁর স্ত্রী শায়দা এবাদতদোস্তের ১৫ বছরের পরিশ্রমের ফসল এই একাডেমি।
১২ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প প্রশাসনের ইরান অভিযান কি আদতে মার্কিন জনগণের স্বার্থ রক্ষা করছে? এই প্রশ্ন তুলে যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষের উদ্দেশে এক খোলা চিঠি লিখেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ এই চিঠি পোস্ট করেন তিনি।
১৪ ঘণ্টা আগে