স্ট্রিম ডেস্ক

হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম এবং ইরানের পাল্টা হুমকিতে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। তেহরান জানিয়েছে, ট্রাম্প যদি তাদের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালায় ইরান পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলের আরব দেশগুলোর জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালাবে। খবর আল-জাজিরা ও রয়টার্সের।
ট্রাম্প শনিবার যুক্তরাষ্ট্র সময় সন্ধ্যা প্রায় ৭টা ৪৫ মিনিট সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে লেখেন, এখন থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইরান যদি হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে না দেয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো নিশ্চিহ্ন করে দেবে। সংঘাত কমাতে ইঙ্গিত দেওয়ার মাত্র একদিন পরই ট্রাম্প ওই হুমকি দেন।
এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র উপসাগরীয় আরব দেশগুলোতে হামলার পাল্টা হুমকি দেয় ইরান। দেশটির সামরিক মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাঘারি জানান, ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জ্বালানি অবকাঠামোগুলো লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানে বিদ্যুৎ অবকাঠামোর ওপর হামলার ক্ষতির আর উপসাগরীয় দেশগুলোর ক্ষতি এক নয়। এটি ভয়াবহ হতে পারে। কারণ, এসব দেশে মাথাপিছু বিদ্যুৎ ব্যবহার ইরানের তুলনায় প্রায় ৫ গুণ বেশি। আবার বাহরাইন ও কাতারে পুরোটাই, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৮০ শতাংশের বেশি এবং সৌদি আরবে প্রায় ৫০ শতাংশ পানীয় জল আসে সমুদ্রের লবণাক্ত পানি পরিশোধনের মাধ্যমে, যা সম্পূর্ণভাবে বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল।
বেসামরিক অবকাঠামোতে পাল্টাপাল্টি হামলার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক তেলবাজারেও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। ব্যারেলপ্রতি অপরিশোধিত তেলের দাম ১১০ ডলারের উপর রয়েছে, যা এই যুদ্ধ শুরুর আগে ৭০ ডলারের নিচে ছিল।
এদিকে তিন সপ্তাহের বেশি ব্যাপক হামলায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা কমে গেছে বলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল দাবি করলেও তেহরান এখনও পাল্টা আঘাত হানার সক্ষমতা দেখাচ্ছে। রোববার রাতেও ইসরায়েলের উত্তর ও মধ্যাঞ্চল, তেল আবিব এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সাইরেন বেজে ওঠে। এ দিন ইরানের হামলায় ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলের দুটি শহরে বহু মানুষ আহত হন। ওই অঞ্চলে ইসরায়েলের একটি গোপন পারমাণবিক স্থাপনা এবং নেভাতিম বিমানঘাঁটি রয়েছে।
পাশের আরব দেশগুলোতেও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ছে ইরান। সৌদি আরব জানিয়েছে, সোমবার ভোরে রিয়াদের দিকে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়, যার একটি প্রতিহত করা হয়েছে এবং অন্যটি জনবসতিহীন এলাকায় পড়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই যুদ্ধে ইতোমধ্যে দুই হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। চলমান সংঘাত বৈশ্বিক বাজারে অস্থিরতা তৈরি করেছে, জ্বালানির দাম বাড়িয়েছে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা আরও জোরদার করেছে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
এর মধ্যে লেবাননে হিজবুল্লাহকে ঘিরে আরেকটি ফ্রন্টে যুদ্ধে জড়িয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েল জানিয়েছে, তাদের সেনারা দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর একাধিক ঘাঁটিতে অভিযান চালিয়েছে। গত ২ মার্চ থেকে হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের দিকে শত শত রকেট নিক্ষেপ করেছে। এর জবাবে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে লেবাননে ইতোমধ্যে হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।

হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম এবং ইরানের পাল্টা হুমকিতে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। তেহরান জানিয়েছে, ট্রাম্প যদি তাদের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালায় ইরান পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলের আরব দেশগুলোর জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালাবে। খবর আল-জাজিরা ও রয়টার্সের।
ট্রাম্প শনিবার যুক্তরাষ্ট্র সময় সন্ধ্যা প্রায় ৭টা ৪৫ মিনিট সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে লেখেন, এখন থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইরান যদি হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে না দেয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো নিশ্চিহ্ন করে দেবে। সংঘাত কমাতে ইঙ্গিত দেওয়ার মাত্র একদিন পরই ট্রাম্প ওই হুমকি দেন।
এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র উপসাগরীয় আরব দেশগুলোতে হামলার পাল্টা হুমকি দেয় ইরান। দেশটির সামরিক মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাঘারি জানান, ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জ্বালানি অবকাঠামোগুলো লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানে বিদ্যুৎ অবকাঠামোর ওপর হামলার ক্ষতির আর উপসাগরীয় দেশগুলোর ক্ষতি এক নয়। এটি ভয়াবহ হতে পারে। কারণ, এসব দেশে মাথাপিছু বিদ্যুৎ ব্যবহার ইরানের তুলনায় প্রায় ৫ গুণ বেশি। আবার বাহরাইন ও কাতারে পুরোটাই, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৮০ শতাংশের বেশি এবং সৌদি আরবে প্রায় ৫০ শতাংশ পানীয় জল আসে সমুদ্রের লবণাক্ত পানি পরিশোধনের মাধ্যমে, যা সম্পূর্ণভাবে বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল।
বেসামরিক অবকাঠামোতে পাল্টাপাল্টি হামলার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক তেলবাজারেও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। ব্যারেলপ্রতি অপরিশোধিত তেলের দাম ১১০ ডলারের উপর রয়েছে, যা এই যুদ্ধ শুরুর আগে ৭০ ডলারের নিচে ছিল।
এদিকে তিন সপ্তাহের বেশি ব্যাপক হামলায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা কমে গেছে বলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল দাবি করলেও তেহরান এখনও পাল্টা আঘাত হানার সক্ষমতা দেখাচ্ছে। রোববার রাতেও ইসরায়েলের উত্তর ও মধ্যাঞ্চল, তেল আবিব এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সাইরেন বেজে ওঠে। এ দিন ইরানের হামলায় ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলের দুটি শহরে বহু মানুষ আহত হন। ওই অঞ্চলে ইসরায়েলের একটি গোপন পারমাণবিক স্থাপনা এবং নেভাতিম বিমানঘাঁটি রয়েছে।
পাশের আরব দেশগুলোতেও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ছে ইরান। সৌদি আরব জানিয়েছে, সোমবার ভোরে রিয়াদের দিকে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়, যার একটি প্রতিহত করা হয়েছে এবং অন্যটি জনবসতিহীন এলাকায় পড়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই যুদ্ধে ইতোমধ্যে দুই হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। চলমান সংঘাত বৈশ্বিক বাজারে অস্থিরতা তৈরি করেছে, জ্বালানির দাম বাড়িয়েছে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা আরও জোরদার করেছে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
এর মধ্যে লেবাননে হিজবুল্লাহকে ঘিরে আরেকটি ফ্রন্টে যুদ্ধে জড়িয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েল জানিয়েছে, তাদের সেনারা দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর একাধিক ঘাঁটিতে অভিযান চালিয়েছে। গত ২ মার্চ থেকে হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের দিকে শত শত রকেট নিক্ষেপ করেছে। এর জবাবে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে লেবাননে ইতোমধ্যে হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।

ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকা লক্ষ্য করে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। রোববার রাতভর জেরুজালেম, মধ্য ইসরায়েলসহ দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে একাধিকবার সতর্ক সংকেত (অ্যালার্ট) বাজানো হয়। ওই হামলার পর ভোররাতের দিকে ভারী বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে ইরানের রাজধানী তেহরান। খবর আল-জাজিরার।
৩ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ কাজে লাগিয়ে সেখান দিয়ে জাহাজ চলাচলের বিনিময়ে অর্থ আদায়ের দিকে এগোচ্ছে ইরান। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে কোন দেশের জাহাজ কী শর্তে চলাচল করবে, তা এখন তেহরানই নিয়ন্ত্রণ করছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
কাতারে একটি সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ৬ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া, একজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
১ দিন আগে
ইসরায়েলের পারমাণবিক কর্মসূচির মূল কেন্দ্র হলো দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর দিমোনা। দেশটির জন্য এটি অত্যন্ত কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ শহর। কিন্তু শহরটির আকাশ প্রতিরক্ষা ভেদ করে কীভাবে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র আঘান হেনেছে তা এখন ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের কাছে বিস্ময়।
১ দিন আগে