জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

ড্রোন ঠেকাতে নাকানি-চুবানির কথা স্বীকার ইসরায়েলের

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

হিজবুল্লাহর ছোঁড়া ড্রোনে ধ্বংসপ্রাপ্ত ইসরায়েলের একটি ভবন। ছবি: সংগৃহীত

লেবানন থেকে হিজবুল্লাহর ছোড়া ড্রোন প্রতিহত করতে বড় ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে ইসরায়েল। দেশটির সেনাবাহিনী বিষয়টি স্বীকার করে বলছে, এসব ড্রোন ভূপাতিত করার সাফল্যের হার খুবই কম।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজ জানায়, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সামরিক কর্মকর্তারা বলেছেন—ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তুতে হামলার জন্য হিজবুল্লাহ যে ড্রোন ব্যবহার করছে সেগুলো ভূপাতিত করা ‘খুবই কঠিন’।

সূত্রগুলো আরও জানায়, ইসরায়েলের উত্তর সীমান্তের কাছাকাছি শহরগুলো থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে না নিয়েই হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধে জড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরায়েল। পরিস্থিতির কোন দিকে যাচ্ছে তার ওপর নির্ভর করে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

সামরিক কর্মকর্তারা আরও বলেন, লেবাননে চলমান অভিযানের কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। এই যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী রূপ নিতে পারে। খবর মিডল ইস্ট মনিটর।

লেবাননে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর চলমান হামলায় শত শত ভবন ধ্বংস হয়েছে। তাঁদের দাবি, এসব ভবনে হিজবুল্লাহ কার্যক্রম চালাতো।

সূত্রগুলো আরও দাবি করেছে, সম্প্রতি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার ফলে তেহরান ও হিজবুল্লাহর মধ্যকার অর্থ ও অস্ত্র সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। ফলে চলমান সংঘর্ষে হিজবুল্লাহকে পরিস্থিতি সামাল দিতে আরও কষ্ট হচ্ছে।

কর্মকর্তাদের মতে, লেবানন থেকে আসা তিনটি প্রধান হুমকি মোকাবিলা করাই ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের লক্ষ্য। সেগুলো হলো—সীমান্ত অতিক্রম করে অনুপ্রবেশ, ইসরায়েলি ভূখণ্ডে রকেট হামলা এবং হিজবুল্লাহর সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি।

এর আগে, রোববার হিজবুল্লাহ জানায় যে তারা রকেট ও ড্রোন ব্যবহার করে ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটি ও সেনা অবস্থানে সাতটি হামলা চালিয়েছে। পাশাপাশি লেবাননে প্রবেশের প্রচেষ্টাও তাঁরা প্রতিহত করেছে।

সম্পর্কিত