স্ট্রিম ডেস্ক

থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রবল বর্ষণে দশটি প্রদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া মালয়েশিয়ার সীমান্তবর্তী বাণিজ্যিক শহর হাট ইয়াইয়ে ৩০০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে। এক দিনে সেখানে ৩৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়।
ছবিতে দেখা গেছে, শহরের সড়ক, যানবাহন ও ঘরবাড়ি পানির নিচে ডুবে আছে। অনেক বাসিন্দা ছাদের ওপর দাঁড়িয়ে উদ্ধারের অপেক্ষায় আছেন। ভারী বর্ষণ শুধু থাইল্যান্ড নয়, প্রতিবেশী দেশগুলোতেও ব্যাপক ক্ষতি করেছে। ভিয়েতনামে এক সপ্তাহে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৯৮ জনে দাঁড়িয়েছে। মালয়েশিয়ায় ১৯ হাজারের বেশি মানুষ ঘরছাড়া হয়েছেন।
থাইল্যান্ডে ২০ লাখেরও বেশি মানুষ বন্যায় আক্রান্ত। তবে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে পেরেছেন মাত্র ১৩ হাজার মানুষ। বাকি অধিকাংশই বিচ্ছিন্ন হয়ে সাহায্য পাচ্ছেন না। সামরিক বাহিনীকে সংকট মোকাবিলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা একটি বিমানবাহী রণতরি, ১৪টি নৌযান ও বিপুল ত্রাণ সামগ্রী পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। রণতরিতে প্রয়োজন হলে ভাসমান হাসপাতালও চালু করা হবে বলে নৌবাহিনী জানিয়েছে।
হাই-কলিয়ারেন্স ট্রাক, নৌকা ও জেট স্কি দিয়ে মানুষ সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সংখলা প্রদেশের গভর্নর জানিয়েছেন, উদ্ধারকাজ দ্রুত চলছে। হাট ইয়াই শহর এই প্রদেশেই অবস্থিত। মঙ্গলবার মন্ত্রিসভা প্রদেশটিকে দুর্যোগ এলাকা ঘোষণা করেছে। এতে ত্রাণ কার্যক্রমে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করা যাবে।
তবে অনেক মানুষ এখনো পানিবন্দি। ম্যাচিমা রেসকিউ সেন্টার জানিয়েছে, তারা গত তিন দিনে হাজারো ফোনকল পেয়েছে। অনেকেই তাদের ফেসবুক পেজে জরুরি সাহায্যের অনুরোধ জানাচ্ছেন। কেউ লিখেছেন, ‘অনেক মানুষ আটকা পড়েছেন। দয়া করে সাহায্য করুন।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘তিন দিন ধরে অপেক্ষায় আছি। প্রতিটি মুহূর্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ অনেকে জানাচ্ছেন যে, কয়েক দিন ধরে খাবার ও পানির অভাব চলছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, তিন শিশু বৈদ্যুতিক তার ধরে ঝুলে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার চেষ্টা করছে। নিচে বেড়ে চলেছে ঘোলাটে বন্যার পানি।
মালয়েশিয়ায়ও পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। ১৯ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়েছে। উত্তর সীমান্ত অঞ্চলে ১২৬টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। কেলান্তান ও পেরলিস রাজ্যে উদ্ধারকর্মীরা হাঁটু-সমান পানি পার হয়ে বাসিন্দাদের বের করে আনছেন।
সূত্র: বিবিসি

থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রবল বর্ষণে দশটি প্রদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া মালয়েশিয়ার সীমান্তবর্তী বাণিজ্যিক শহর হাট ইয়াইয়ে ৩০০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে। এক দিনে সেখানে ৩৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়।
ছবিতে দেখা গেছে, শহরের সড়ক, যানবাহন ও ঘরবাড়ি পানির নিচে ডুবে আছে। অনেক বাসিন্দা ছাদের ওপর দাঁড়িয়ে উদ্ধারের অপেক্ষায় আছেন। ভারী বর্ষণ শুধু থাইল্যান্ড নয়, প্রতিবেশী দেশগুলোতেও ব্যাপক ক্ষতি করেছে। ভিয়েতনামে এক সপ্তাহে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৯৮ জনে দাঁড়িয়েছে। মালয়েশিয়ায় ১৯ হাজারের বেশি মানুষ ঘরছাড়া হয়েছেন।
থাইল্যান্ডে ২০ লাখেরও বেশি মানুষ বন্যায় আক্রান্ত। তবে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে পেরেছেন মাত্র ১৩ হাজার মানুষ। বাকি অধিকাংশই বিচ্ছিন্ন হয়ে সাহায্য পাচ্ছেন না। সামরিক বাহিনীকে সংকট মোকাবিলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা একটি বিমানবাহী রণতরি, ১৪টি নৌযান ও বিপুল ত্রাণ সামগ্রী পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। রণতরিতে প্রয়োজন হলে ভাসমান হাসপাতালও চালু করা হবে বলে নৌবাহিনী জানিয়েছে।
হাই-কলিয়ারেন্স ট্রাক, নৌকা ও জেট স্কি দিয়ে মানুষ সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সংখলা প্রদেশের গভর্নর জানিয়েছেন, উদ্ধারকাজ দ্রুত চলছে। হাট ইয়াই শহর এই প্রদেশেই অবস্থিত। মঙ্গলবার মন্ত্রিসভা প্রদেশটিকে দুর্যোগ এলাকা ঘোষণা করেছে। এতে ত্রাণ কার্যক্রমে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করা যাবে।
তবে অনেক মানুষ এখনো পানিবন্দি। ম্যাচিমা রেসকিউ সেন্টার জানিয়েছে, তারা গত তিন দিনে হাজারো ফোনকল পেয়েছে। অনেকেই তাদের ফেসবুক পেজে জরুরি সাহায্যের অনুরোধ জানাচ্ছেন। কেউ লিখেছেন, ‘অনেক মানুষ আটকা পড়েছেন। দয়া করে সাহায্য করুন।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘তিন দিন ধরে অপেক্ষায় আছি। প্রতিটি মুহূর্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ অনেকে জানাচ্ছেন যে, কয়েক দিন ধরে খাবার ও পানির অভাব চলছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, তিন শিশু বৈদ্যুতিক তার ধরে ঝুলে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার চেষ্টা করছে। নিচে বেড়ে চলেছে ঘোলাটে বন্যার পানি।
মালয়েশিয়ায়ও পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। ১৯ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়েছে। উত্তর সীমান্ত অঞ্চলে ১২৬টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। কেলান্তান ও পেরলিস রাজ্যে উদ্ধারকর্মীরা হাঁটু-সমান পানি পার হয়ে বাসিন্দাদের বের করে আনছেন।
সূত্র: বিবিসি

প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক ভিডিও বক্তব্য দিয়েছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি।
১৯ মিনিট আগে
রেকর্ডকৃত ভিডিও বার্তায় মুজবতা খামেনি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সব ঘাঁটি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় সেগুলোতে হামলা চালানো হবে।
২৮ মিনিট আগে
লেবাননে থাকা হিজবুল্লাহর অস্ত্র সক্ষমতা দেখে রীতিমতো বিস্মিত ইসরায়েল। সর্বশেষ ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করে চালানো হামলার ধারা প্রমাণ করেছে—লেবাননের এই গোষ্ঠীটি এখনো শক্তিশালী।
৪২ মিনিট আগে
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে জ্বালানি স্থাপনায় ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইরান। এ হামলার পর তেলের দাম আবার ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। সরকারি মজুদ থেকে বিশাল পরিমাণ তেল ছাড়ার ঘোষণাও এই মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে পারেনি।
২ ঘণ্টা আগে