স্ট্রিম ডেস্ক

ফিলিস্তিনের গাজা শহরের ৪০ শতাংশ দখলে নেওয়ার দাবি করেছে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী। বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) ইসরায়েলের সামরিক এক মুখপাত্রের বরাতে এই খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফিই ডেফরিন এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, আমরা ক্রমাগত হামাসের অবকাঠামো ধ্বংস করে চলছি। আজকে আমরা গাজা শহরের জেইতুন ও শেখ রাদওয়ানের আশপাশের ৪০ শতাংশ ভূখণ্ড দখলে নিয়েছি। সামনের দিনগুলোতে আমরা আরও এগিয়ে যাবো এবং অভিযান আরও তীব্র করবো।
তিনি বলেন, আমরা সর্বত্র হামাসের পিছু ছুটবো। জিম্মি থাকা বাকিদের ফিরিয়ে আনা এবং হামাসের ভূমিকা শেষ হওয়ার পরই কেবল আমাদের মিশন শেষ হবে।
এদিকে, রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের বোমাবর্ষণে নতুন করে আরও অনেক ফিলিস্তিনি গাজার বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন। পুরো গাজা দখলে সর্বশেষ অভিযান শুরুর পর হাজার হাজার ফিলিস্তিনি ইসরায়েলের নির্দেশ অমান্য করেই ধ্বংসস্তূপের মধ্যে পড়ে আছেন। এরই মধ্যে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর এই মুখপাত্র গাজার ৪০ শতাংশ দখলের দাবি করেছেন।
এদিকে, গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ বলছে বৃহস্পতিবার গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় নতুন করে অন্তত ৫৩ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের অধিকাংশই গাজা শহরের বাসিন্দা। এর কারণ ইসরায়েলি বাহিনী গাজার বাইরের শহরতলির মধ্য দিয়ে অগ্রসর হচ্ছে এবং শহরের প্রাণকেন্দ্র থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গতকাল বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত গাজা যুদ্ধে ৬৩ হাজার ৭৯৯ জনের প্রাণহানি হয়েছে। এর মধ্যে ১৩১ শিশুসহ অনাহারে মারা গেছেন ৩৬৭ জন ফিলিস্তিনি।

ফিলিস্তিনের গাজা শহরের ৪০ শতাংশ দখলে নেওয়ার দাবি করেছে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী। বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) ইসরায়েলের সামরিক এক মুখপাত্রের বরাতে এই খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফিই ডেফরিন এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, আমরা ক্রমাগত হামাসের অবকাঠামো ধ্বংস করে চলছি। আজকে আমরা গাজা শহরের জেইতুন ও শেখ রাদওয়ানের আশপাশের ৪০ শতাংশ ভূখণ্ড দখলে নিয়েছি। সামনের দিনগুলোতে আমরা আরও এগিয়ে যাবো এবং অভিযান আরও তীব্র করবো।
তিনি বলেন, আমরা সর্বত্র হামাসের পিছু ছুটবো। জিম্মি থাকা বাকিদের ফিরিয়ে আনা এবং হামাসের ভূমিকা শেষ হওয়ার পরই কেবল আমাদের মিশন শেষ হবে।
এদিকে, রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের বোমাবর্ষণে নতুন করে আরও অনেক ফিলিস্তিনি গাজার বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন। পুরো গাজা দখলে সর্বশেষ অভিযান শুরুর পর হাজার হাজার ফিলিস্তিনি ইসরায়েলের নির্দেশ অমান্য করেই ধ্বংসস্তূপের মধ্যে পড়ে আছেন। এরই মধ্যে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর এই মুখপাত্র গাজার ৪০ শতাংশ দখলের দাবি করেছেন।
এদিকে, গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ বলছে বৃহস্পতিবার গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় নতুন করে অন্তত ৫৩ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের অধিকাংশই গাজা শহরের বাসিন্দা। এর কারণ ইসরায়েলি বাহিনী গাজার বাইরের শহরতলির মধ্য দিয়ে অগ্রসর হচ্ছে এবং শহরের প্রাণকেন্দ্র থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গতকাল বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত গাজা যুদ্ধে ৬৩ হাজার ৭৯৯ জনের প্রাণহানি হয়েছে। এর মধ্যে ১৩১ শিশুসহ অনাহারে মারা গেছেন ৩৬৭ জন ফিলিস্তিনি।

কাতারে একটি সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ৬ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া, একজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলের পারমাণবিক কর্মসূচির মূল কেন্দ্র হলো দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর দিমোনা। দেশটির জন্য এটি অত্যন্ত কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ শহর। কিন্তু শহরটির আকাশ প্রতিরক্ষা ভেদ করে কীভাবে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র আঘান হেনেছে তা এখন ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের কাছে বিস্ময়।
৫ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তেহরান ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালি না খুললে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ‘হামলা চালিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া’ হবে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর দিমোনায় ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একটি ভবন ধসে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (২১ মার্চ) রাতে এই হামলার ঘটনা ঘটে। ইসরায়েলের ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ সার্ভিসেস ভবন ধসের এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
১৭ ঘণ্টা আগে