স্ট্রিম ডেস্ক

আফগান তালেবান সরকার স্বীকার করেছে যে তারা পাকিস্তানি সেনাদের ওপর একাধিক স্থানে পাল্টা হামলা চালিয়েছে। এসব হামলা আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তের উত্তরাঞ্চলের পাহাড়ি এলাকায় ঘটে।
তালেবান জানায়, এটি ছিল ‘প্রতিশোধমূলক অভিযান’। তাদের দাবি, পাকিস্তান এর আগে আফগান আকাশসীমা লঙ্ঘন করে সীমান্তের ভেতরে একটি বাজারে বোমা হামলা চালায়।
পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নকভি তালেবানের পাল্টা হামলাকে ‘অকারণ আগ্রাসন’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, তালেবান বাহিনী বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে। নকভি সতর্ক করে বলেন, ‘পাকিস্তান ইটের জবাবে পাথর মারবে।’
ইসলামাবাদ দাবি করে, আফগানিস্তান পাকিস্তানবিরোধী সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দিচ্ছে। তবে তালেবান এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। উত্তেজনা তখনই বাড়ে, যখন আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুতাক্কি ভারতে সফরে ছিলেন।
দুই পক্ষই সীমান্তের কুনার ও কুররম এলাকায় ছোট অস্ত্র ও কামান ব্যবহার করেছে বলে জানা গেছে। নকভি বলেন, ‘বেসামরিক এলাকায় আফগান বাহিনীর গুলি চালানো আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন। আফগানিস্তান আগুন ও রক্তের খেলায় মেতে উঠেছে।’
পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। তবে একটি নিরাপত্তা সূত্র বিবিসিকে জানায়, সীমান্তের বিভিন্ন স্থানে, যেমন আঙ্গুর আড্ডা, বাজৌর, কুররম, দির, চিত্রাল ও বারামচায় গুলি বিনিময় হয়।
কুররম জেলার জিরো পয়েন্টে অবস্থানরত এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে আফগান দিক থেকে ভারী অস্ত্রের গুলি ছোড়া শুরু হয়। তিনি আরও বলেন, সীমান্তের বিভিন্ন স্থানে তীব্র গোলাগুলির খবর পাওয়া গেছে।
গত সপ্তাহ তালেবান সরকার অভিযোগ করেছিল, পাকিস্তান আফগান সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করেছে। ওই সময় কাবুলে দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। তালেবান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, পাকিস্তান পাকতিকা প্রদেশে একটি বেসামরিক বাজারে বোমা হামলা চালিয়েছে, যাতে কয়েকটি দোকান ধ্বংস হয়।
পাকিস্তানের এক শীর্ষ সেনা কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, আফগানিস্তান পাকিস্তানবিরোধী সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ঘাঁটি হয়ে উঠেছে। ইসলামাবাদ বহুদিন ধরে বলছে, আফগান তালেবান পাকিস্তান তালেবান বা টিটিপিকে তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দিচ্ছে, যারা পাকিস্তানে কঠোর ইসলামী শাসন চাপিয়ে দিতে চায়। তবে তালেবান সরকার সব সময় এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
ঘটনার সময় আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুতাক্কি ভারতের সফরে ছিলেন। এই সফরকালে দিল্লি জানায়, তারা কাবুলে বন্ধ থাকা দূতাবাস পুনরায় চালু করবে।
নকভি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘ভারতের মতো আফগানিস্তানকেও উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে, যাতে তারা আর পাকিস্তানের দিকে খারাপ চোখে তাকাতে সাহস না পায়।’
এদিকে, সম্প্রতি পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরকারী সৌদি আরব দুই দেশকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে। কাতারও বিবৃতি দিয়ে জানায়, তারা সীমান্ত উত্তেজনা নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং উভয় পক্ষকে সংলাপ, কূটনীতি ও সংযমকে অগ্রাধিকার দিতে আহ্বান জানায়।

আফগান তালেবান সরকার স্বীকার করেছে যে তারা পাকিস্তানি সেনাদের ওপর একাধিক স্থানে পাল্টা হামলা চালিয়েছে। এসব হামলা আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তের উত্তরাঞ্চলের পাহাড়ি এলাকায় ঘটে।
তালেবান জানায়, এটি ছিল ‘প্রতিশোধমূলক অভিযান’। তাদের দাবি, পাকিস্তান এর আগে আফগান আকাশসীমা লঙ্ঘন করে সীমান্তের ভেতরে একটি বাজারে বোমা হামলা চালায়।
পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নকভি তালেবানের পাল্টা হামলাকে ‘অকারণ আগ্রাসন’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, তালেবান বাহিনী বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে। নকভি সতর্ক করে বলেন, ‘পাকিস্তান ইটের জবাবে পাথর মারবে।’
ইসলামাবাদ দাবি করে, আফগানিস্তান পাকিস্তানবিরোধী সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দিচ্ছে। তবে তালেবান এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। উত্তেজনা তখনই বাড়ে, যখন আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুতাক্কি ভারতে সফরে ছিলেন।
দুই পক্ষই সীমান্তের কুনার ও কুররম এলাকায় ছোট অস্ত্র ও কামান ব্যবহার করেছে বলে জানা গেছে। নকভি বলেন, ‘বেসামরিক এলাকায় আফগান বাহিনীর গুলি চালানো আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন। আফগানিস্তান আগুন ও রক্তের খেলায় মেতে উঠেছে।’
পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। তবে একটি নিরাপত্তা সূত্র বিবিসিকে জানায়, সীমান্তের বিভিন্ন স্থানে, যেমন আঙ্গুর আড্ডা, বাজৌর, কুররম, দির, চিত্রাল ও বারামচায় গুলি বিনিময় হয়।
কুররম জেলার জিরো পয়েন্টে অবস্থানরত এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে আফগান দিক থেকে ভারী অস্ত্রের গুলি ছোড়া শুরু হয়। তিনি আরও বলেন, সীমান্তের বিভিন্ন স্থানে তীব্র গোলাগুলির খবর পাওয়া গেছে।
গত সপ্তাহ তালেবান সরকার অভিযোগ করেছিল, পাকিস্তান আফগান সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করেছে। ওই সময় কাবুলে দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। তালেবান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, পাকিস্তান পাকতিকা প্রদেশে একটি বেসামরিক বাজারে বোমা হামলা চালিয়েছে, যাতে কয়েকটি দোকান ধ্বংস হয়।
পাকিস্তানের এক শীর্ষ সেনা কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, আফগানিস্তান পাকিস্তানবিরোধী সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ঘাঁটি হয়ে উঠেছে। ইসলামাবাদ বহুদিন ধরে বলছে, আফগান তালেবান পাকিস্তান তালেবান বা টিটিপিকে তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দিচ্ছে, যারা পাকিস্তানে কঠোর ইসলামী শাসন চাপিয়ে দিতে চায়। তবে তালেবান সরকার সব সময় এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
ঘটনার সময় আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুতাক্কি ভারতের সফরে ছিলেন। এই সফরকালে দিল্লি জানায়, তারা কাবুলে বন্ধ থাকা দূতাবাস পুনরায় চালু করবে।
নকভি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘ভারতের মতো আফগানিস্তানকেও উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে, যাতে তারা আর পাকিস্তানের দিকে খারাপ চোখে তাকাতে সাহস না পায়।’
এদিকে, সম্প্রতি পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরকারী সৌদি আরব দুই দেশকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে। কাতারও বিবৃতি দিয়ে জানায়, তারা সীমান্ত উত্তেজনা নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং উভয় পক্ষকে সংলাপ, কূটনীতি ও সংযমকে অগ্রাধিকার দিতে আহ্বান জানায়।

যুক্তরাষ্ট্রের মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, পশ্চিম ইরাকে দুর্ঘটনার কবলে পড়া যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান কেসি-১৩৫-এর ছয় জন সেনা সদস্যের সবাই মারা গেছেন।
১২ ঘণ্টা আগে
প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক ভিডিও বক্তব্য দিয়েছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি।
১ দিন আগে
রেকর্ডকৃত ভিডিও বার্তায় মুজবতা খামেনি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সব ঘাঁটি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় সেগুলোতে হামলা চালানো হবে।
১ দিন আগে
লেবাননে থাকা হিজবুল্লাহর অস্ত্র সক্ষমতা দেখে রীতিমতো বিস্মিত ইসরায়েল। সর্বশেষ ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করে চালানো হামলার ধারা প্রমাণ করেছে—লেবাননের এই গোষ্ঠীটি এখনো শক্তিশালী।
১ দিন আগে