স্ট্রিম ডেস্ক

ইসরায়েলের উগ্র ডানপন্থী দল জিউইশ পাওয়ার পার্টি তাদের নেতা ও জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের কর্মকাণ্ড ও সাফল্য তুলে ধরে শিশুদের জন্য একটি বই প্রকাশ করতে যাচ্ছে।
তরুণ ইসরায়েলিদের মধ্যে বেন-গভিরের সমর্থন বাড়ছে। এই তরুণদের লক্ষ্য করেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাইরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বইটি বিতরণের পরিকল্পনা করেছে দলটি।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, শিশুদের সহজে বোঝার মতো ভাষায় বইটি লেখা হয়েছে। বইটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘দ্য মিনিস্টার হু ডিডন্ট স্টপ’। আগামী ১ সেপ্টেম্বর নেতানিয়ায় দলটির সম্মেলনে বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হবে। ওই দিনই ইসরায়েলে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হচ্ছে।
বেন-গভিরের কার্যালয় বলেছে, শিশুদের জন্য বইটি প্রকাশে তারা গর্বিত। এর মাধ্যমে ইসরায়েলের শিশু ও সাধারণ মানুষকে জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী হিসেবে গত চার বছরে বেন-গভিরের অসাধারণ সাফল্যের কথা জানানো হবে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তরুণ ইহুদি ইসরায়েলিদের মধ্যে বেন-গভির ও দেশটির উগ্র ডানপন্থীদের জনপ্রিয়তা বেড়েছে। তাঁর সমাবেশে তরুণ সমর্থকেরা ফিলিস্তিনবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেন। এর মধ্যে একটি স্লোগান হলো, ‘তোমাদের গ্রাম পুড়িয়ে দেওয়া উচিত’। এই স্লোগানে ফিলিস্তিনি গ্রাম ধ্বংস এবং ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর থেকে উচ্ছেদের কথা বলা হয়।
ইসরায়েল ডেমোক্রেসি ইনস্টিটিউটের এক গবেষণায় দেখা গেছে, দেশটির ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সী ইহুদি তরুণদের ৭৩ শতাংশ নিজেদের ডানপন্থী মনে করেন। বিশ্লেষকদের মতে, এমন পরিস্থিতি বেন-গভিরের মতো রাজনীতিকদের জন্য সমর্থন তৈরির সুযোগ করে দিচ্ছে।
তবে বেন-গভিরের ‘সাফল্যের’ তালিকায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার বিষয়টিও রয়েছে। মন্ত্রী হিসেবে তার কর্মকাণ্ডের কারণে অন্তত ১০টি দেশ তার প্রবেশের অনুমতি দেয়নি। শেনজেন এলাকার নিষেধাজ্ঞার কারণে ইউরোপের অনেক দেশেও তার যাতায়াত কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বেন-গভিরের এই বিচ্ছিন্নতাকে অনেকে ইসরায়েলকে বৈশ্বিকভাবে কোণঠাসা হিসেবে দেখছেন। গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরে তাদের নীতির কারণে দেশটি আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক সমালোচনার মুখে রয়েছে।
বেন-গভির ইহুদি শ্রেষ্ঠত্ববাদী নেতা মেইর কাহানের অনুসারী। ইসরায়েলি আদালতে তিনি বর্ণবাদে উসকানি দেওয়া এবং একটি সন্ত্রাসী সংগঠনকে সমর্থনের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।
আগস্টের শুরুতে গাজা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন বেন-গভির। তিনি ইসরায়েলি বাহিনীকে প্রতি রাতে গাজায় ‘৩০ বা ৪০’ জনকে হত্যা করার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, গাজার কিছু মানুষ বেঁচে থাকার যোগ্য নয় এবং মানুষও নয়।
বেন-গভিরের আরেকটি বিতর্কিত পদক্ষেপ হলো ইসরায়েলি কারাগারে ফিলিস্তিনি বন্দীদের কঠোর নির্যাতন করা। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, এসব নীতির কারণে বন্দীদের অনাহার ও নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে।
কারাগারে বন্দীদের খাবার কমানোর নির্দেশও ব্যক্তিগতভাবে দিয়েছেন বেন-গভির। তিনি প্রকাশ্যেই বলেছেন, আমার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো বন্দীদের অবস্থা আরও খারাপ করা।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই

ইসরায়েলের উগ্র ডানপন্থী দল জিউইশ পাওয়ার পার্টি তাদের নেতা ও জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের কর্মকাণ্ড ও সাফল্য তুলে ধরে শিশুদের জন্য একটি বই প্রকাশ করতে যাচ্ছে।
তরুণ ইসরায়েলিদের মধ্যে বেন-গভিরের সমর্থন বাড়ছে। এই তরুণদের লক্ষ্য করেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাইরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বইটি বিতরণের পরিকল্পনা করেছে দলটি।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, শিশুদের সহজে বোঝার মতো ভাষায় বইটি লেখা হয়েছে। বইটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘দ্য মিনিস্টার হু ডিডন্ট স্টপ’। আগামী ১ সেপ্টেম্বর নেতানিয়ায় দলটির সম্মেলনে বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হবে। ওই দিনই ইসরায়েলে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হচ্ছে।
বেন-গভিরের কার্যালয় বলেছে, শিশুদের জন্য বইটি প্রকাশে তারা গর্বিত। এর মাধ্যমে ইসরায়েলের শিশু ও সাধারণ মানুষকে জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী হিসেবে গত চার বছরে বেন-গভিরের অসাধারণ সাফল্যের কথা জানানো হবে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তরুণ ইহুদি ইসরায়েলিদের মধ্যে বেন-গভির ও দেশটির উগ্র ডানপন্থীদের জনপ্রিয়তা বেড়েছে। তাঁর সমাবেশে তরুণ সমর্থকেরা ফিলিস্তিনবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেন। এর মধ্যে একটি স্লোগান হলো, ‘তোমাদের গ্রাম পুড়িয়ে দেওয়া উচিত’। এই স্লোগানে ফিলিস্তিনি গ্রাম ধ্বংস এবং ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর থেকে উচ্ছেদের কথা বলা হয়।
ইসরায়েল ডেমোক্রেসি ইনস্টিটিউটের এক গবেষণায় দেখা গেছে, দেশটির ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সী ইহুদি তরুণদের ৭৩ শতাংশ নিজেদের ডানপন্থী মনে করেন। বিশ্লেষকদের মতে, এমন পরিস্থিতি বেন-গভিরের মতো রাজনীতিকদের জন্য সমর্থন তৈরির সুযোগ করে দিচ্ছে।
তবে বেন-গভিরের ‘সাফল্যের’ তালিকায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার বিষয়টিও রয়েছে। মন্ত্রী হিসেবে তার কর্মকাণ্ডের কারণে অন্তত ১০টি দেশ তার প্রবেশের অনুমতি দেয়নি। শেনজেন এলাকার নিষেধাজ্ঞার কারণে ইউরোপের অনেক দেশেও তার যাতায়াত কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বেন-গভিরের এই বিচ্ছিন্নতাকে অনেকে ইসরায়েলকে বৈশ্বিকভাবে কোণঠাসা হিসেবে দেখছেন। গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরে তাদের নীতির কারণে দেশটি আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক সমালোচনার মুখে রয়েছে।
বেন-গভির ইহুদি শ্রেষ্ঠত্ববাদী নেতা মেইর কাহানের অনুসারী। ইসরায়েলি আদালতে তিনি বর্ণবাদে উসকানি দেওয়া এবং একটি সন্ত্রাসী সংগঠনকে সমর্থনের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।
আগস্টের শুরুতে গাজা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন বেন-গভির। তিনি ইসরায়েলি বাহিনীকে প্রতি রাতে গাজায় ‘৩০ বা ৪০’ জনকে হত্যা করার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, গাজার কিছু মানুষ বেঁচে থাকার যোগ্য নয় এবং মানুষও নয়।
বেন-গভিরের আরেকটি বিতর্কিত পদক্ষেপ হলো ইসরায়েলি কারাগারে ফিলিস্তিনি বন্দীদের কঠোর নির্যাতন করা। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, এসব নীতির কারণে বন্দীদের অনাহার ও নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে।
কারাগারে বন্দীদের খাবার কমানোর নির্দেশও ব্যক্তিগতভাবে দিয়েছেন বেন-গভির। তিনি প্রকাশ্যেই বলেছেন, আমার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো বন্দীদের অবস্থা আরও খারাপ করা।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই
.png)

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি নতুন সদস্যদের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ইসলামাবাদে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি এ কথা বলেন।
১৯ মিনিট আগে
অবশেষে প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্যের মোড়ক ও পানীয়র বোতলের সামনের অংশে স্বাস্থ্যসতর্কতার লেবেল রাখার প্রস্তাব দিতে বাধ্য হলো ভারতের ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি (এফএসএসএআই)।
২৪ মিনিট আগে
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশের যুক্ত হওয়ার বিষয়টি নজরে রাখছে ভারত। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) নয়াদিল্লিতে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল এ কথা জানান।
২ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের আদিয়ালা কারাগারে বন্দি দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে ‘মানসিক নির্যাতন’ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তাঁর দুই ছেলে সুলেমান ও কাসিম খান। তাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন, মানবতা আজ কোথায়?
৩ ঘণ্টা আগে