স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, দেশের শাসনব্যবস্থার ভেতরে কোনো ধরনের বিভাজন বা মতপার্থক্য নেই। দেশের রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের সব অংশ নতুন সর্বোচ্চ নেতার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে।
আজ সোমবার (৯ মার্চ) সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ইরানের সামরিক বাহিনী, ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি), পার্লামেন্টের স্পিকারসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নতুন সর্বোচ্চ নেতার প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।
নতুন সর্বোচ্চ নেতা যুদ্ধের গতিপথ নির্ধারণ, পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা এবং দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি মোকাবিলা করাসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে মত প্রকাশ করেন বাঘাই। খবর আল জাজিরার।
তিনি বলেন, যুদ্ধের ভবিষ্যৎ কীভাবে এগোবে সে বিষয়ে বড় সিদ্ধান্তগুলো সর্বোচ্চ নেতার হাতেই থাকবে। পাশাপাশি পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিরোধের প্রেক্ষাপটে ইরানের পররাষ্ট্রনীতিতেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।
দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ে বাঘাই বলেন, বর্তমানে ইরান গুরুতর চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। বিশেষ করে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি জনগণের ওপর প্রভাব ফেলছে।
এ সময় দেশে থাকা বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক মিশনগুলোর নিরাপত্তা নিয়েও মন্তব্য করেন তিনি। বাঘাই বলেন, ইরানে অবস্থানরত সব কূটনৈতিক মিশনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। বর্তমানে দেশে ১০০টিরও বেশি কূটনৈতিক মিশন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
তবে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ইতোমধ্যে সব ‘রেড লাইন’ অতিক্রম করেছে বলে সংবাদ সম্মেলনে মন্তব্য করেন তিনি।
ইসমাইল বাঘাই অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে ভাগ করার চেষ্টা করছে। এর পেছনে তাদের উদ্দেশ্য তেল সম্পদ দখল করা। ইরান অন্য দেশগুলোর সঙ্গে ভালো এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
কিন্তু কারও ভূখণ্ড ব্যবহার করে যদি হামলা চালানো হয়, তাহলে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে। এই প্রতিরক্ষা কার্যক্রমকে শত্রুতা হিসেব ধরা যাবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
গত সপ্তাহে তুরস্ক, সাইপ্রাস ও আজারবাইজানের দিকে ইরানি ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার অভিযোগ প্রসঙ্গে বাঘাই বলেন, ইরানের ভূখণ্ড থেকে কোনো আক্রমণ চালানো হয়নি। ইরানের সঙ্গে অন্যদের সম্পর্কে ফাটল তৈরির জন্য এটি শত্রুপক্ষের সাজানো নাটক হতে পারে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, দেশের শাসনব্যবস্থার ভেতরে কোনো ধরনের বিভাজন বা মতপার্থক্য নেই। দেশের রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের সব অংশ নতুন সর্বোচ্চ নেতার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে।
আজ সোমবার (৯ মার্চ) সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ইরানের সামরিক বাহিনী, ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি), পার্লামেন্টের স্পিকারসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নতুন সর্বোচ্চ নেতার প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।
নতুন সর্বোচ্চ নেতা যুদ্ধের গতিপথ নির্ধারণ, পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা এবং দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি মোকাবিলা করাসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে মত প্রকাশ করেন বাঘাই। খবর আল জাজিরার।
তিনি বলেন, যুদ্ধের ভবিষ্যৎ কীভাবে এগোবে সে বিষয়ে বড় সিদ্ধান্তগুলো সর্বোচ্চ নেতার হাতেই থাকবে। পাশাপাশি পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিরোধের প্রেক্ষাপটে ইরানের পররাষ্ট্রনীতিতেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।
দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ে বাঘাই বলেন, বর্তমানে ইরান গুরুতর চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। বিশেষ করে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি জনগণের ওপর প্রভাব ফেলছে।
এ সময় দেশে থাকা বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক মিশনগুলোর নিরাপত্তা নিয়েও মন্তব্য করেন তিনি। বাঘাই বলেন, ইরানে অবস্থানরত সব কূটনৈতিক মিশনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। বর্তমানে দেশে ১০০টিরও বেশি কূটনৈতিক মিশন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
তবে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ইতোমধ্যে সব ‘রেড লাইন’ অতিক্রম করেছে বলে সংবাদ সম্মেলনে মন্তব্য করেন তিনি।
ইসমাইল বাঘাই অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে ভাগ করার চেষ্টা করছে। এর পেছনে তাদের উদ্দেশ্য তেল সম্পদ দখল করা। ইরান অন্য দেশগুলোর সঙ্গে ভালো এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
কিন্তু কারও ভূখণ্ড ব্যবহার করে যদি হামলা চালানো হয়, তাহলে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে। এই প্রতিরক্ষা কার্যক্রমকে শত্রুতা হিসেব ধরা যাবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
গত সপ্তাহে তুরস্ক, সাইপ্রাস ও আজারবাইজানের দিকে ইরানি ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার অভিযোগ প্রসঙ্গে বাঘাই বলেন, ইরানের ভূখণ্ড থেকে কোনো আক্রমণ চালানো হয়নি। ইরানের সঙ্গে অন্যদের সম্পর্কে ফাটল তৈরির জন্য এটি শত্রুপক্ষের সাজানো নাটক হতে পারে।

খার্গ দ্বীপে কোনো ধরনের হামলা হলে ‘দৃঢ়, বিধ্বংসী ও বেদনাদায়ক’ পাল্টা আঘাত হানারহুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র ‘খার্গ দ্বীপ’ দখলের হুমকির জবাবে এমন প্রতিক্রিয়া দেখাল ইরান।
১ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প বলেন, ‘ভবিষ্যতে খার্গ দ্বীপ এবং অন্যান্য তেল অবকাঠামো নিজেদের কবজায় নেব। আমরা দেশটির তেল ও গ্যাস বাজারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেব, ঠিক যেমনটা ভেনেজুয়েলায় করেছি।’
৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে গোলাগুলির জেরে হরমুজ প্রণালি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরান। তবে যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, কিছু বাণিজ্যিক জাহাজ এখনো যাতায়াত করছে।
৭ ঘণ্টা আগে
তৃণমূল কংগ্রেস ও কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে গত তিন দিনে হওয়া ধারাবাহিক বৈঠক ভারতের রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। মমতা ব্যানার্জি, সোনিয়া গান্ধী, অভিষেক ব্যানার্জি ও রাহুল গান্ধীর একাধিক বৈঠককে কেন্দ্র করে দুই দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা জল্পনা ছড়িয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে