স্ট্রিম ডেস্ক

রাশিয়ার তেল কেনার ওপর নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের। দেশটির এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করছেন ইউরোপীয় নেতারা।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তের সুযোগ পাবে তেল কিনতে আগ্রহী অনেক দেশ। কারণ নিষেধাজ্ঞার কারণে সমুদ্রে জাহাজে থাকা অবিক্রিতি রাশিয়ান তেল কিনতে পারবে দেশগুলো। খবর বিবিসির।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের এ সিদ্ধান্তের এক প্রতিক্রিয়ায় ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এ সিদ্ধান্ত ‘অত্যন্ত উদ্বেগজনক”। কারণ এ সিদ্ধান্ত ‘ইউরোপীয় নিরাপত্তাকে প্রভাবিত করে।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেন, নিষেধাজ্ঞা দুর্বল করলে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে আগ্রাসনের যুদ্ধ চালাতে রাশিয়া অর্থ পাবে।
অন্যদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি যুক্তরাষ্ট্রের এ সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় সংবাদ সম্মেলন করে বলেছেন, এই পদক্ষেপে রাশিয়া ১০ বিলিয়ন ডলার (৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন পাউন্ড) লাভ করতে পারে। আর এ অর্থ নিশ্চিতভাবে শান্তি আনতে কাজে লাগানো হবে না।
ইউক্রেনের পাশে দাঁড়িয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ বলেছেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধের ঘোষণা কোনোভাবেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়াকে ন্যায্যতা দেয় না।
জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, এই সিদ্ধান্ত ‘ভুল’।
এদিকে, এক সংবাদ সম্মেলনে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেছেন, কানাডার অবস্থান হলো রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা বজায় রাখা।

রাশিয়ার তেল কেনার ওপর নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের। দেশটির এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করছেন ইউরোপীয় নেতারা।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তের সুযোগ পাবে তেল কিনতে আগ্রহী অনেক দেশ। কারণ নিষেধাজ্ঞার কারণে সমুদ্রে জাহাজে থাকা অবিক্রিতি রাশিয়ান তেল কিনতে পারবে দেশগুলো। খবর বিবিসির।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের এ সিদ্ধান্তের এক প্রতিক্রিয়ায় ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এ সিদ্ধান্ত ‘অত্যন্ত উদ্বেগজনক”। কারণ এ সিদ্ধান্ত ‘ইউরোপীয় নিরাপত্তাকে প্রভাবিত করে।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেন, নিষেধাজ্ঞা দুর্বল করলে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে আগ্রাসনের যুদ্ধ চালাতে রাশিয়া অর্থ পাবে।
অন্যদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি যুক্তরাষ্ট্রের এ সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় সংবাদ সম্মেলন করে বলেছেন, এই পদক্ষেপে রাশিয়া ১০ বিলিয়ন ডলার (৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন পাউন্ড) লাভ করতে পারে। আর এ অর্থ নিশ্চিতভাবে শান্তি আনতে কাজে লাগানো হবে না।
ইউক্রেনের পাশে দাঁড়িয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ বলেছেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধের ঘোষণা কোনোভাবেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়াকে ন্যায্যতা দেয় না।
জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, এই সিদ্ধান্ত ‘ভুল’।
এদিকে, এক সংবাদ সম্মেলনে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেছেন, কানাডার অবস্থান হলো রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা বজায় রাখা।
.png)

যুদ্ধ পরিস্থিতি ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বিষয় কীভাবে তুলে ধরা হবে, তা নিয়ে ইরান সরকার ও রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির সঙ্গে বিরোধ দেখা দিয়েছে। শুক্রবার (২৫ জুলাই) সরকারি তথ্য পরিষদ আইআরআইবির বিরুদ্ধে ‘সেন্সরশিপের’ অভিযোগ তোলে।
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানে টানা ১৫ রাতে হামলা চালানোর পর থেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাষ্য ছিল, ‘সন্তুষ্ট’ না হওয়া পর্যন্ত হামলা চালিয়ে যাওয়ার। এখন হঠাৎ হামলা বন্ধের পর কারণ নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।
৪ ঘণ্টা আগে
কাস্পিয়ান সাগরে একটি ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। হামলায় জাহাজটির একজন নাবিক নিহত ও আরেকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে তেহরান। এ ঘটনাকে ‘শত্রুতাপূর্ণ ও অপরাধমূলক হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করে তেহরানে নিযুক্ত ইউক্রেনের ভারপ্রাপ্ত কূটনৈতিক প্রতিনিধিকে (চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স) তলব করেছে ইরান
৬ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় দফায় পাল্টাপাল্টি হামলা শুরুর পর গত ১৫ দিনে যুক্তরাষ্ট্রের ২০০’র বেশি সেনাকে হত্যার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৫টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার ধ্বংসের দাবিও করেছে বাহিনীটি।
৬ ঘণ্টা আগে