তথ্যসূত্র:

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরেও মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি পরিস্থিতি এখনো নাজুক । এই যুদ্ধবিরতির স্থায়িত্ব নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে গভীর সংশয় দেখা দিয়েছে। মূল কারণ হিসেবে উঠে এসেছে লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত সামরিক অভিযান। ইরান যুদ্ধ বন্ধের জন্য সব রণাঙ্গনে শান্তি চাইলেও ইসরায়েল জানিয়েছে, লেবানন এই চুক্তির অন্তর্ভুক্ত নয়।
যুদ্ধবিরতির ভঙ্গুর দশা
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের মধ্যস্থতায় ঘোষিত দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কার্যত ‘ভঙ্গুর’ অবস্থায় আছে। পাকিস্তান সরকার এবং ইরান—উভয় পক্ষই চেয়েছিল সব রণাঙ্গনে যুদ্ধ বন্ধ হোক। কিন্তু ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, লেবাননে তাদের সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে। অব্যাহত অভিযান ইরানের ১০ দফার শান্তি প্রস্তাবের সরাসরি পরিপন্থী। ইরান ‘অ্যাক্সিস অব রেজিস্ট্যান্স’-এর অংশীদার হিজবুল্লাহসহ সব মিত্রগোষ্ঠীর ওপর হামলা বন্ধের দাবি জানিয়েছিল।
ইসরায়েল কেন যুদ্ধবিরতির পথে বড় বাধা?
গত ২ মার্চ থেকে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের স্থল ও বিমান অভিযান চলছে। ইসরায়েলের লক্ষ্য হলো লিতানি নদী পর্যন্ত একটি ‘বাফার জোন’ তৈরি করা। হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরায়েলের এই অভিযান ইরানকে চাপে ফেলার বড় কৌশল। ইরান ও তার মিত্রদের দাবি, যুদ্ধবিরতি হতে হবে সামগ্রিক।
লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত অভিযান ইরানকে পুনরায় হামলা করতে বাধ্য করতে পারে। পশ্চিমা বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, হিজবুল্লাহ যদি ইসরায়েলি আক্রমণের জবাবে পাল্টা হামলা চালায়, তবে ইরান সেই অজুহাতে হরমুজ প্রণালি বন্ধসহ উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি স্থাপনায় পুনরায় হামলা শুরু করতে পারে।
কূটনৈতিক অবিশ্বাসের দেয়াল
সাংবাদিক ও বিশ্লেষক ফরিদ জাকারিয়া সিএনএন-কে বলেন, ‘ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আস্থার অভাব প্রকট। এর আগেও জেনেভায় আলোচনা চলা অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানে বোমা হামলা চালিয়েছিল। তাই নতুন এই সমঝোতার সাফল্য হিসাব করতে সময় প্রয়োজন।’
বিশ্বের বড় শক্তিগুলোও এই যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানালেও উদ্বেগ কাটেনি। অনেকেই এই চুক্তি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। এরই মধ্যে তেহরানে অবস্থানরত ভারতীয় নাগরিকদের দ্রুত দেশ ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছে ভারতীয় দূতাবাস। এমন পদক্ষেপ ইঙ্গিত করে যে পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার সম্ভাবনা এখনো প্রবল।
সংঘাতের ভবিষ্যৎ কী?
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার এই কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝে ইসরায়েলের একক সিদ্ধান্ত পুরো অঞ্চলকে জিম্মি করে ফেলেছে। একদিকে ট্রাম্প প্রশাসন ‘শর্তসাপেক্ষ’ শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে, অন্যদিকে নেতানিয়াহু সরকার হিজবুল্লাহকে নির্মূল করার এজেন্ডা থেকে পিছু হটতে রাজি নয়। যদি লেবাননে ইসরায়েলি অভিযান অব্যাহত থাকে, তবে ইরান যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গের ভিত্তি পেয়ে যাবে। এর ফলে পুরো মধ্যপ্রাচ্য আবারও অস্থিতিশীল অবস্থায় ফিরে যেতে পারে।
সামগ্রিক পরিস্থিতিতে শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিতব্য আলোচনা এই যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখার ‘অগ্নিপরীক্ষা’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লেবানন ইস্যুতে ইসরায়েলের অটল অবস্থানের কারণে এই যুদ্ধবিরতি দুই সপ্তাহ পূর্ণ করতে পারবে কি না, তা নিয়ে বড় প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরেও মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি পরিস্থিতি এখনো নাজুক । এই যুদ্ধবিরতির স্থায়িত্ব নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে গভীর সংশয় দেখা দিয়েছে। মূল কারণ হিসেবে উঠে এসেছে লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত সামরিক অভিযান। ইরান যুদ্ধ বন্ধের জন্য সব রণাঙ্গনে শান্তি চাইলেও ইসরায়েল জানিয়েছে, লেবানন এই চুক্তির অন্তর্ভুক্ত নয়।
যুদ্ধবিরতির ভঙ্গুর দশা
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের মধ্যস্থতায় ঘোষিত দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কার্যত ‘ভঙ্গুর’ অবস্থায় আছে। পাকিস্তান সরকার এবং ইরান—উভয় পক্ষই চেয়েছিল সব রণাঙ্গনে যুদ্ধ বন্ধ হোক। কিন্তু ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, লেবাননে তাদের সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে। অব্যাহত অভিযান ইরানের ১০ দফার শান্তি প্রস্তাবের সরাসরি পরিপন্থী। ইরান ‘অ্যাক্সিস অব রেজিস্ট্যান্স’-এর অংশীদার হিজবুল্লাহসহ সব মিত্রগোষ্ঠীর ওপর হামলা বন্ধের দাবি জানিয়েছিল।
ইসরায়েল কেন যুদ্ধবিরতির পথে বড় বাধা?
গত ২ মার্চ থেকে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের স্থল ও বিমান অভিযান চলছে। ইসরায়েলের লক্ষ্য হলো লিতানি নদী পর্যন্ত একটি ‘বাফার জোন’ তৈরি করা। হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরায়েলের এই অভিযান ইরানকে চাপে ফেলার বড় কৌশল। ইরান ও তার মিত্রদের দাবি, যুদ্ধবিরতি হতে হবে সামগ্রিক।
লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত অভিযান ইরানকে পুনরায় হামলা করতে বাধ্য করতে পারে। পশ্চিমা বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, হিজবুল্লাহ যদি ইসরায়েলি আক্রমণের জবাবে পাল্টা হামলা চালায়, তবে ইরান সেই অজুহাতে হরমুজ প্রণালি বন্ধসহ উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি স্থাপনায় পুনরায় হামলা শুরু করতে পারে।
কূটনৈতিক অবিশ্বাসের দেয়াল
সাংবাদিক ও বিশ্লেষক ফরিদ জাকারিয়া সিএনএন-কে বলেন, ‘ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আস্থার অভাব প্রকট। এর আগেও জেনেভায় আলোচনা চলা অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানে বোমা হামলা চালিয়েছিল। তাই নতুন এই সমঝোতার সাফল্য হিসাব করতে সময় প্রয়োজন।’
বিশ্বের বড় শক্তিগুলোও এই যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানালেও উদ্বেগ কাটেনি। অনেকেই এই চুক্তি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। এরই মধ্যে তেহরানে অবস্থানরত ভারতীয় নাগরিকদের দ্রুত দেশ ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছে ভারতীয় দূতাবাস। এমন পদক্ষেপ ইঙ্গিত করে যে পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার সম্ভাবনা এখনো প্রবল।
সংঘাতের ভবিষ্যৎ কী?
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার এই কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝে ইসরায়েলের একক সিদ্ধান্ত পুরো অঞ্চলকে জিম্মি করে ফেলেছে। একদিকে ট্রাম্প প্রশাসন ‘শর্তসাপেক্ষ’ শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে, অন্যদিকে নেতানিয়াহু সরকার হিজবুল্লাহকে নির্মূল করার এজেন্ডা থেকে পিছু হটতে রাজি নয়। যদি লেবাননে ইসরায়েলি অভিযান অব্যাহত থাকে, তবে ইরান যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গের ভিত্তি পেয়ে যাবে। এর ফলে পুরো মধ্যপ্রাচ্য আবারও অস্থিতিশীল অবস্থায় ফিরে যেতে পারে।
সামগ্রিক পরিস্থিতিতে শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিতব্য আলোচনা এই যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখার ‘অগ্নিপরীক্ষা’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লেবানন ইস্যুতে ইসরায়েলের অটল অবস্থানের কারণে এই যুদ্ধবিরতি দুই সপ্তাহ পূর্ণ করতে পারবে কি না, তা নিয়ে বড় প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

ইরানকে কোনোভাবেই ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার ইসলামাবাদে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার আগেই ট্রাম্প তাঁর প্রশাসনের অবস্থান স্পষ্ট করে এই ঘোষণা দেন।
১ ঘণ্টা আগে
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র শর্তসাপেক্ষে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুদ্ধবিরতি তখনই কার্যকর হবে, যখন ইরান আন্তর্জাতিক জাহাজগুলোকে ‘সম্পূর্ণ ও নিরাপদভাবে’ চলাচলের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে।
৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছে বিশ্ব সম্প্রদায়। তবে রাশিয়ার দাবি, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘শোচনীয় পরাজয়’ হয়েছে। অন্যদিকে, যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে ফ্রান্স বলেছে, লেবাননকেও এই চুক্তির আওতায় আনা উচিত।
৪ ঘণ্টা আগে
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে ওমান। তবে এই যুদ্ধবিরতি যেন স্থায়ী করারও আহ্বান জানিয়েছে দেশটি। খবর আল জাজিরার।
৭ ঘণ্টা আগে