স্ট্রিম ডেস্ক

লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান নতুন কিছু নয়। বহু বছর ধরেই সীমান্তজুড়ে উত্তেজনা, পাল্টাপাল্টি হামলা এবং সংঘর্ষ চলে আসছে। তবে ইরান-ইসরায়েল সরাসরি সংঘাতে জড়ানোর পর এই পরিস্থিতি নতুন মাত্রা পেয়েছে। এখন লেবানন আর শুধু একটি সীমান্ত সংঘাতের ক্ষেত্র নয়, এটি পরিণত হয়েছে বৃহত্তর আঞ্চলিক শক্তির দ্বন্দ্বের গুরুত্বপূর্ণ ফ্রন্টে। এর ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশটির সাধারণ মানুষ।
সংঘাতের সূচনা ও বিস্তার
২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজাভিত্তিক সংগঠন হামাস ইসরায়েলে হামলা চালানোর পরদিনই লেবাননের শক্তিশালী সশস্ত্র ও রাজনৈতিক গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ‘সংহতি’ জানিয়ে ইসরায়েলের দিকে রকেট নিক্ষেপ শুরু করে। এর জবাবে ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননে সামরিক অভিযান চালায় এবং হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরুল্লাহকে হত্যা করে।
২০২৪ সালের নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও বাস্তবে তা খুব বেশি স্থায়ী হয়নি। সীমান্তে উত্তেজনা ও বিচ্ছিন্ন হামলা চলতেই থাকে। পরিস্থিতি পুরোপুরি বদলে যায় ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হন। এর পরপরই আঞ্চলিক সংঘাত সরাসরি যুদ্ধে রূপ নেয়।
লেবাননে নতুন করে আগুন
ইরানের পক্ষে অবস্থান নিয়ে হিজবুল্লাহ ২ মার্চ থেকে আবারও ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করে। পাল্টা জবাবে ইসরায়েল দক্ষিণ লেবানন, রাজধানী বৈরুত এবং বেকা উপত্যকায় ব্যাপক বিমান হামলা চালায়। মার্চের মাঝামাঝি থেকে দক্ষিণ লেবাননে পূর্ণমাত্রার স্থল অভিযান শুরু হয়।
গত এক মাসে হিজবুল্লাহ প্রায় ১,৮০০ রকেট ছোড়ে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। অপরদিকে ইসরায়েলের হামলায় শত শত লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস হয়েছে। বৈরুতে এক হামলায় হিজবুল্লাহর একজন শীর্ষ কমান্ডারও নিহত হন।
যুদ্ধবিরতির আড়ালে অব্যাহত হামলা
যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরও সংঘাত থামেনি। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, হাজার হাজার বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন হয়েছে। শত শত বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। সীমান্তবর্তী বহু গ্রাম ও শহর ধ্বংস হয়ে গেছে।
ইসরায়েলের অভিযোগ, হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী লিতানি নদীর দক্ষিণ থেকে অস্ত্র সরায়নি; বরং সেখানে নতুন করে সামরিক ঘাঁটি তৈরি করছে। তাই তারা এই হামলাকে ‘প্রতিরক্ষামূলক’ পদক্ষেপ হিসেবে ব্যাখ্যা করে।
হিজবুল্লাহ কেন প্রধান লক্ষ্য
১৯৮২ সালে ইরানের সহায়তায় গড়ে ওঠা হিজবুল্লাহ কেবল একটি রাজনৈতিক দল নয়, এটি একটি শক্তিশালী সশস্ত্র সংগঠনও। দীর্ঘদিন ধরে এটি ইরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং আঞ্চলিক কৌশলের অংশ হিসেবে কাজ করছে।
ইসরায়েল হিজবুল্লাহকে তার নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি মনে করে। সংগঠনটির কাছে বিপুল পরিমাণ রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, যা সরাসরি ইসরায়েলের ভেতরে আঘাত হানতে সক্ষম। এই কারণে ইসরায়েলের মূল লক্ষ্য হলো হিজবুল্লাহকে দুর্বল বা নিরস্ত্র করা এবং দক্ষিণ লেবাননে একটি নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা, যাতে সীমান্তবর্তী ইসরায়েলি নাগরিকরা নিরাপদে ফিরতে পারেন।
মানবিক বিপর্যয়ের গভীরতা
এই সংঘাতে সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখে পড়েছে লেবাননের সাধারণ মানুষ। এখন পর্যন্ত হাজারের বেশি মানুষ নিহত এবং কয়েক হাজার আহত হয়েছেন। বহু স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও হাসপাতাল ধ্বংস হয়ে গেছে, চিকিৎসা ব্যবস্থা প্রায় ভেঙে পড়েছে। জনসংখ্যার বড় একটি অংশ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। লাখ লাখ মানুষ নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। অবকাঠামোগত ধ্বংস এতটাই ব্যাপক যে দেশের দক্ষিণাংশ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ইতিমধ্যে কয়েক বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।
লেবাননের অভ্যন্তরীণ সংকট
এই সংকটের মধ্যে লেবাননের সরকার নিজেও বিভক্ত। প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম হিজবুল্লাহর অস্ত্র নিয়ন্ত্রণে আনার আহ্বান জানিয়েছেন। কিন্তু হিজবুল্লাহ তা মানতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। অন্যদিকে ইরানও স্পষ্ট করেছে, লেবাননকে বাদ দিয়ে কোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্ভব নয়। ফলে লেবাননের সংকট এখন আর শুধু দেশীয় নয়, এটি সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান দ্বন্দ্বের অংশ হয়ে গেছে।
আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট ও অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ
আন্তর্জাতিকভাবে এই সংঘাত থামাতে বড় কোনো কার্যকর উদ্যোগ এখনো দেখা যাচ্ছে না। কিছু কূটনৈতিক প্রচেষ্টা থাকলেও তা সীমিত। বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েল দীর্ঘমেয়াদি সামরিক উপস্থিতির দিকে এগোচ্ছে। অন্যদিকে হিজবুল্লাহ লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। ফলে দ্রুত এই সংঘাতের অবসান হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।
সূত্র: আল জাজিরা, ফরেন অ্যাফেয়ার্স, লং ওয়ার জার্নাল, লেবানন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, জাতিসংঘ, বিশ্বব্যাংক।

লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান নতুন কিছু নয়। বহু বছর ধরেই সীমান্তজুড়ে উত্তেজনা, পাল্টাপাল্টি হামলা এবং সংঘর্ষ চলে আসছে। তবে ইরান-ইসরায়েল সরাসরি সংঘাতে জড়ানোর পর এই পরিস্থিতি নতুন মাত্রা পেয়েছে। এখন লেবানন আর শুধু একটি সীমান্ত সংঘাতের ক্ষেত্র নয়, এটি পরিণত হয়েছে বৃহত্তর আঞ্চলিক শক্তির দ্বন্দ্বের গুরুত্বপূর্ণ ফ্রন্টে। এর ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশটির সাধারণ মানুষ।
সংঘাতের সূচনা ও বিস্তার
২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজাভিত্তিক সংগঠন হামাস ইসরায়েলে হামলা চালানোর পরদিনই লেবাননের শক্তিশালী সশস্ত্র ও রাজনৈতিক গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ‘সংহতি’ জানিয়ে ইসরায়েলের দিকে রকেট নিক্ষেপ শুরু করে। এর জবাবে ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননে সামরিক অভিযান চালায় এবং হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরুল্লাহকে হত্যা করে।
২০২৪ সালের নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও বাস্তবে তা খুব বেশি স্থায়ী হয়নি। সীমান্তে উত্তেজনা ও বিচ্ছিন্ন হামলা চলতেই থাকে। পরিস্থিতি পুরোপুরি বদলে যায় ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হন। এর পরপরই আঞ্চলিক সংঘাত সরাসরি যুদ্ধে রূপ নেয়।
লেবাননে নতুন করে আগুন
ইরানের পক্ষে অবস্থান নিয়ে হিজবুল্লাহ ২ মার্চ থেকে আবারও ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করে। পাল্টা জবাবে ইসরায়েল দক্ষিণ লেবানন, রাজধানী বৈরুত এবং বেকা উপত্যকায় ব্যাপক বিমান হামলা চালায়। মার্চের মাঝামাঝি থেকে দক্ষিণ লেবাননে পূর্ণমাত্রার স্থল অভিযান শুরু হয়।
গত এক মাসে হিজবুল্লাহ প্রায় ১,৮০০ রকেট ছোড়ে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। অপরদিকে ইসরায়েলের হামলায় শত শত লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস হয়েছে। বৈরুতে এক হামলায় হিজবুল্লাহর একজন শীর্ষ কমান্ডারও নিহত হন।
যুদ্ধবিরতির আড়ালে অব্যাহত হামলা
যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরও সংঘাত থামেনি। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, হাজার হাজার বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন হয়েছে। শত শত বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। সীমান্তবর্তী বহু গ্রাম ও শহর ধ্বংস হয়ে গেছে।
ইসরায়েলের অভিযোগ, হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী লিতানি নদীর দক্ষিণ থেকে অস্ত্র সরায়নি; বরং সেখানে নতুন করে সামরিক ঘাঁটি তৈরি করছে। তাই তারা এই হামলাকে ‘প্রতিরক্ষামূলক’ পদক্ষেপ হিসেবে ব্যাখ্যা করে।
হিজবুল্লাহ কেন প্রধান লক্ষ্য
১৯৮২ সালে ইরানের সহায়তায় গড়ে ওঠা হিজবুল্লাহ কেবল একটি রাজনৈতিক দল নয়, এটি একটি শক্তিশালী সশস্ত্র সংগঠনও। দীর্ঘদিন ধরে এটি ইরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং আঞ্চলিক কৌশলের অংশ হিসেবে কাজ করছে।
ইসরায়েল হিজবুল্লাহকে তার নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি মনে করে। সংগঠনটির কাছে বিপুল পরিমাণ রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, যা সরাসরি ইসরায়েলের ভেতরে আঘাত হানতে সক্ষম। এই কারণে ইসরায়েলের মূল লক্ষ্য হলো হিজবুল্লাহকে দুর্বল বা নিরস্ত্র করা এবং দক্ষিণ লেবাননে একটি নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা, যাতে সীমান্তবর্তী ইসরায়েলি নাগরিকরা নিরাপদে ফিরতে পারেন।
মানবিক বিপর্যয়ের গভীরতা
এই সংঘাতে সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখে পড়েছে লেবাননের সাধারণ মানুষ। এখন পর্যন্ত হাজারের বেশি মানুষ নিহত এবং কয়েক হাজার আহত হয়েছেন। বহু স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও হাসপাতাল ধ্বংস হয়ে গেছে, চিকিৎসা ব্যবস্থা প্রায় ভেঙে পড়েছে। জনসংখ্যার বড় একটি অংশ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। লাখ লাখ মানুষ নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। অবকাঠামোগত ধ্বংস এতটাই ব্যাপক যে দেশের দক্ষিণাংশ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ইতিমধ্যে কয়েক বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।
লেবাননের অভ্যন্তরীণ সংকট
এই সংকটের মধ্যে লেবাননের সরকার নিজেও বিভক্ত। প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম হিজবুল্লাহর অস্ত্র নিয়ন্ত্রণে আনার আহ্বান জানিয়েছেন। কিন্তু হিজবুল্লাহ তা মানতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। অন্যদিকে ইরানও স্পষ্ট করেছে, লেবাননকে বাদ দিয়ে কোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্ভব নয়। ফলে লেবাননের সংকট এখন আর শুধু দেশীয় নয়, এটি সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান দ্বন্দ্বের অংশ হয়ে গেছে।
আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট ও অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ
আন্তর্জাতিকভাবে এই সংঘাত থামাতে বড় কোনো কার্যকর উদ্যোগ এখনো দেখা যাচ্ছে না। কিছু কূটনৈতিক প্রচেষ্টা থাকলেও তা সীমিত। বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েল দীর্ঘমেয়াদি সামরিক উপস্থিতির দিকে এগোচ্ছে। অন্যদিকে হিজবুল্লাহ লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। ফলে দ্রুত এই সংঘাতের অবসান হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।
সূত্র: আল জাজিরা, ফরেন অ্যাফেয়ার্স, লং ওয়ার জার্নাল, লেবানন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, জাতিসংঘ, বিশ্বব্যাংক।

২২ এপ্রিল, বিশ্ব ধরিত্রী দিবস। বিশ্বব্যাপী প্রকৃতি ও পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এবং পৃথিবীকে নিরাপদ ও বাসযোগ্য রাখতে দিনটি পালন করা হয়। ২০২৬ সালে এসে ধরিত্রী দিবস নিছক কোনো আনুষ্ঠানিকতা বা প্রতীকী দিন নয়।
১১ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব রাজনীতিতে জাতিসংঘের মহাসচিব পদটি বৈশ্বিক নেতৃত্ব ও নৈতিকতার প্রতীক। ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আবারও পাঁচ বছরের জন্য শুরু হতে যাচ্ছে দশম মহাসচিবের মেয়াদ। এই পদকে কেন্দ্র করে এখন বিশ্ব কূটনীতিতে চলছে নীরব প্রতিযোগিতা।
১৪ ঘণ্টা আগে
আজ ধরিত্রী দিবস। এদিন এলেই সবাই যেন পরিবেশ নিয়ে আলোচনা করতে সচেষ্ট হয়ে ওঠেন। বিষয়—কার্বন নিঃসরণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জলবায়ু নীতি। কিন্তু এই বড় আলোচনাগুলো প্রায়ই একটি ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নকে আড়াল করে দেয়; তা হলো, যে শহরে আমরা প্রতিদিন বাস করছি, সেটি কতটা বাসযোগ্য?
১৭ ঘণ্টা আগে
২০২৬ সালের মধ্যপ্রাচ্য ও বৈশ্বিক রাজনীতির এক অস্থির প্রেক্ষাপটে তুরস্ক আজ ভূ-রাজনৈতিক দাবার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ইসরায়েলি নীতিনির্ধারকদের কাছে আঙ্কারা এখন ‘নতুন ইরান’ হিসেবে চিহ্নিত, যা বিশ্বরাজনীতিতে নতুন এক সংঘাতের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
২ দিন আগে