স্ট্রিম ডেস্ক

নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেই ইরানের ওপর হামলা চালিয়েছিল ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। সেই হামলার পর ইরানও পাল্টা হামলা চালায়। এতে দুই পক্ষের মধ্যে গত ৯ দিন ধরে যুদ্ধ চলছে। এবার সে যুদ্ধ বন্ধের সিদ্ধান্তও যুক্তরাষ্ট্র নেবে এমন ইঙ্গিতই দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর সে সিদ্ধান্ত ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বলে নেবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ কখন শেষ করা হবে সে সিদ্ধান্ত তিনি ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যৌথভাবে নেবেন।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দ্য টাইম অব ইসরায়েলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন। আর ইরান শুরু থেকেই বলে আসছে, দেশটি আত্মরক্ষার জন্য পাল্টা হামলা করছে।
টেলিফোনে দেওয়া সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি এবং নেতানিয়াহু না থাকলে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইসরায়েলকে ধ্বংস করে দিত।
তিনি বলেন, ইসরায়েল এবং তার আশপাশের সবকিছু ধ্বংস করে দিতে যাচ্ছিল ইরান। কিন্তু আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি। আমরা এমন একটি দেশকে ধ্বংস করেছি যারা ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল।
ট্রাম্প বলেন, ইরান ইসরায়েলকে ধ্বংস করার পরিকল্পনা করছিল। আর এখন দেখুন তাদের কী হয়েছে। এখন আমরা তাঁদের ধ্বংস হতে দেখছি। আমি না থাকলে ইসরায়েল ধ্বংস হয়ে যেত।
তিনি নেতানিয়াহুর প্রশংসা করে বলেন, আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি। আমরা এমন একটি দেশকে ধ্বংস করেছি, যে দেশটি ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল।
মুজতবা খামেনিকে ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মনোনীত করার প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প বলেন, দেখা যাক কী হয়।
এর আগে তিনি এবিসি নিউজকে বলেন, হোয়াইট হাউসের অনুমোদন ছাড়া ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা দীর্ঘদিন টিকবে না।
ইরান যুদ্ধ কি হামাসের নিরস্ত্রীকরণে প্রভাব ফেলবে
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের কারণে পিছিয়েছে গাজা নিয়ে আলোচনা। যুক্তরাষ্ট্র, মিসর, কাতার এবং তুরস্ককে নিয়ে গাজা মধ্যস্থতার অংশ হিসেবে হামাসকে নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে আলোচনার কথা ছিল।
দীর্ঘদিন ধরে হামাসকে আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছে ইরান। চলমান যুদ্ধে ইরান দুর্বল হয়ে পড়লে হামাসকে নিরস্ত্রীকরণে সহজ হবে কিনা জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, অনেক মানুষই (ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের কারণে) নিরস্ত্র হবে। কারণ এখন ইরান এমন এক অবস্থায় আছে, যা তারা আগে কখনো দেখেনি।

নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেই ইরানের ওপর হামলা চালিয়েছিল ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। সেই হামলার পর ইরানও পাল্টা হামলা চালায়। এতে দুই পক্ষের মধ্যে গত ৯ দিন ধরে যুদ্ধ চলছে। এবার সে যুদ্ধ বন্ধের সিদ্ধান্তও যুক্তরাষ্ট্র নেবে এমন ইঙ্গিতই দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর সে সিদ্ধান্ত ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বলে নেবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ কখন শেষ করা হবে সে সিদ্ধান্ত তিনি ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যৌথভাবে নেবেন।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দ্য টাইম অব ইসরায়েলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন। আর ইরান শুরু থেকেই বলে আসছে, দেশটি আত্মরক্ষার জন্য পাল্টা হামলা করছে।
টেলিফোনে দেওয়া সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি এবং নেতানিয়াহু না থাকলে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইসরায়েলকে ধ্বংস করে দিত।
তিনি বলেন, ইসরায়েল এবং তার আশপাশের সবকিছু ধ্বংস করে দিতে যাচ্ছিল ইরান। কিন্তু আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি। আমরা এমন একটি দেশকে ধ্বংস করেছি যারা ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল।
ট্রাম্প বলেন, ইরান ইসরায়েলকে ধ্বংস করার পরিকল্পনা করছিল। আর এখন দেখুন তাদের কী হয়েছে। এখন আমরা তাঁদের ধ্বংস হতে দেখছি। আমি না থাকলে ইসরায়েল ধ্বংস হয়ে যেত।
তিনি নেতানিয়াহুর প্রশংসা করে বলেন, আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি। আমরা এমন একটি দেশকে ধ্বংস করেছি, যে দেশটি ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল।
মুজতবা খামেনিকে ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মনোনীত করার প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প বলেন, দেখা যাক কী হয়।
এর আগে তিনি এবিসি নিউজকে বলেন, হোয়াইট হাউসের অনুমোদন ছাড়া ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা দীর্ঘদিন টিকবে না।
ইরান যুদ্ধ কি হামাসের নিরস্ত্রীকরণে প্রভাব ফেলবে
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের কারণে পিছিয়েছে গাজা নিয়ে আলোচনা। যুক্তরাষ্ট্র, মিসর, কাতার এবং তুরস্ককে নিয়ে গাজা মধ্যস্থতার অংশ হিসেবে হামাসকে নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে আলোচনার কথা ছিল।
দীর্ঘদিন ধরে হামাসকে আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছে ইরান। চলমান যুদ্ধে ইরান দুর্বল হয়ে পড়লে হামাসকে নিরস্ত্রীকরণে সহজ হবে কিনা জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, অনেক মানুষই (ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের কারণে) নিরস্ত্র হবে। কারণ এখন ইরান এমন এক অবস্থায় আছে, যা তারা আগে কখনো দেখেনি।

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের মধ্যেই সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে দুই সেনা নিহত হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরান ও লেবাননের হিজবুল্লাহর রকেট ব্যাপক রকেট হামলার কারণে ইসরায়েলের প্রাণকেন্দ্র হাইফা ও উত্তরাঞ্চলীয় আশপাশের এলাকায় টানা সাইরেন বাজছে। পাশাপাশি ধোঁয়ার কুণ্ডলী উড়তে দেখা গেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানে হামলা অব্যাহত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। গতকাল রোববার (৮ মার্চ) রাতভর ইরানের তেলের ডিপোগুলোতে হামলা চালিয়েছে তারা। প্রত্যক্ষদর্শীরা ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির কাছে দিয়েছেন সেই হামলার ভয়াবহ বর্ণনা।
৫ ঘণ্টা আগে
লেবানন থেকে হিজবুল্লাহর ছোড়া ড্রোন প্রতিহত করতে বড় ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে ইসরায়েল। দেশটির সেনাবাহিনী বিষয়টি স্বীকার করে বলছে, এসব ড্রোন ভূপাতিত করার সাফল্যের হার খুবই কম।
৬ ঘণ্টা আগে