স্ট্রিম সংবাদদাতা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষের ঘটনায় নিজেদের ‘জমিদার’ দাবি করে বক্তব্য দেওয়ায় জামায়াতে ইসলামীর নেতা সিরাজুল ইসলাম ও হাবিবুর রহমানকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেছেন শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় ‘উস্কানিমূলক’ বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা উদয় কুসুম বড়ুয়াকেও অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন তাঁরা।
আজ রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) চবিয়ান পাঠচক্র নামে একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে নিজেদের ‘স্থানীয় জমিদার’ দাবি করা স্থানীয় বাসিন্দাদের লাল কার্ড দেখানো হয়। এ দিন দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী চত্বরে সংগঠনের সভাপতি সৈয়ব আহমেদ সিয়ামের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ-সমাবেশ হয়। এতে চার দফা দাবি উপস্থাপন করেন তিনি। পরে ওই সব নেতাদের অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফাটকে (মেইন গেট) ‘নোটিশ’ টানিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা।
এর আগে ৩০ ও ৩১ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন জোবরা গ্রামবাসীর সঙ্গে সংঘর্ষে কয়েকশ শিক্ষার্থী আহত হন। তাঁদের মধ্যে অনেকে এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধী। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় চবির পার্শ্ববর্তী জোবরা গ্রামে এক সভায় মিলিত হন স্থানীয় বাসিন্দারা। এতে উপস্থিত হয়ে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয় জামাতের আমীর ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. হাবিবুর রহমান, চবি রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের নথি শাখার সেকশন কর্মকর্তা ও হাটহাজারী উপজেলার জামায়াত আমির সিরাজুল ইসলাম, ইসলামী ছাত্রশিবিরের চবি শাখার অফিস সম্পাদক হাবিবুল্লাহ খালেদ।
চবির সেকশন কর্মকর্তা ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য (এমপি) প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা হচ্ছি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী এলাকার মালিক। আমরা জমিদার, ঠিক কি না? জমিদারের ওপর কেউ হস্তক্ষেপ করবে, এটা কি আমরা মেনে নিতে পারি? কখনো না!’
জামায়াত নেতার ওই বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে আসছেন চবি শিক্ষার্থীরা। সর্বশষ আজ তাঁদের অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে চবিয়ান পাঠচক্র। সমাবেশে অংশ নেওয়া শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী সাকিব আহমেদ বলেন, ‘চট্টগ্রাম-৫, হাটহাজারী আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী সিরাজুল ইসলামের ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্যে আমরা আশ্চর্যবোধ করছি। পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীকে আহত করার পক্ষে তিনি অবস্থান নিয়েছেন। আমরা অবিলম্বে তাঁর বিচার দাবী করছি।’
পাঠচক্রের প্রচার সম্পাদক আজিজুর রহমান আব্দুল্লাহ বলেন, ‘আমরা দেখেছি কীভাবে বিএনপি নেতা উদয় কুসুম বড়ুয়া স্থানীয় জনগণকে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার জন্য লেলিয়ে দিয়েছেন। এরপরও তাঁর নামে মামলা কেন হলো না? এখানে কী প্রকৃত সন্ত্রাসীদের বাঁচানোর চেষ্টা করা হচ্ছে?’
আজিজুর রহমান আরও বলেন, ‘ আমরা দেখেছি কীভাবে জামায়াত নেতা হাবিবুর রহমান স্যার আমাদের একজন নারী শিক্ষার্থী সম্পর্কে কোনো রকম প্রমাণ ছাড়াই ব্যভিচারের অপবাদ আরোপ করেছেন। সিনিয়র সিটিজেনদের এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন আমাদের বিস্মিত করেছে। চবি ক্যাম্পাসের শিবির নেতা হাবিবুল্লাহ খালেদের বায়াসড (পক্ষপাতমূলক) আচরণ আমাদের জুলাই পূর্ব আওয়ামী দালালি যুগের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী চত্বরে লালকার্ড প্রদর্শন সমাবেশে চবিয়ান পাঠচক্রের সভাপতি সৈয়ব আহমেদ সিয়াম চার দফা দাবি উপস্থাপন করেন। এর মধ্যে আছে বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা উদয় কুসুম বড়ুয়াকে অন্তর্ভুক্ত করে মামলা করতে হবে। ‘জমিদার’ দাবি করা সিরাজুল ইসলামকে চাকরি হতে অব্যহতি ও জামায়াত হতে বহিষ্কার করতে হবে। হাবিবুর রহমান স্যারকে সংবাদ সম্মেলনে করে ক্ষমা চাইতে হবে এবং জামায়াত থেকে বহিষ্কার করতে হবে। এবং ছাত্রনেতা হাবিবুল্লাহ খালেদকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে এবং শিবিরের দায়িত্ব হতে অব্যাহতি দিতে হবে। চবি সেকশন কর্মকর্তা
সমাবেশে শিক্ষার্থীরা ‘স্থানীয় জমিদার’ দাবিকারীদের বিরুদ্ধে লাল কার্ড প্রদর্শন করেন। এ সময় তাঁরা ‘জামায়াতের জমিদারকে লালকার্ড, ‘চাপ দিবেন না, মাথায় হাড় নাই, ‘খাজনার বদলে ১৫০০ প্রজার রক্ত নিলি কেন?’, ‘৬০ বছরের অধিকার, ক্যাম্পাস কী তোর বাপ-দাদার?’ প্রভৃতি স্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়েছিলেন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষের ঘটনায় নিজেদের ‘জমিদার’ দাবি করে বক্তব্য দেওয়ায় জামায়াতে ইসলামীর নেতা সিরাজুল ইসলাম ও হাবিবুর রহমানকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেছেন শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় ‘উস্কানিমূলক’ বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা উদয় কুসুম বড়ুয়াকেও অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন তাঁরা।
আজ রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) চবিয়ান পাঠচক্র নামে একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে নিজেদের ‘স্থানীয় জমিদার’ দাবি করা স্থানীয় বাসিন্দাদের লাল কার্ড দেখানো হয়। এ দিন দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী চত্বরে সংগঠনের সভাপতি সৈয়ব আহমেদ সিয়ামের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ-সমাবেশ হয়। এতে চার দফা দাবি উপস্থাপন করেন তিনি। পরে ওই সব নেতাদের অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফাটকে (মেইন গেট) ‘নোটিশ’ টানিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা।
এর আগে ৩০ ও ৩১ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন জোবরা গ্রামবাসীর সঙ্গে সংঘর্ষে কয়েকশ শিক্ষার্থী আহত হন। তাঁদের মধ্যে অনেকে এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধী। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় চবির পার্শ্ববর্তী জোবরা গ্রামে এক সভায় মিলিত হন স্থানীয় বাসিন্দারা। এতে উপস্থিত হয়ে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয় জামাতের আমীর ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. হাবিবুর রহমান, চবি রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের নথি শাখার সেকশন কর্মকর্তা ও হাটহাজারী উপজেলার জামায়াত আমির সিরাজুল ইসলাম, ইসলামী ছাত্রশিবিরের চবি শাখার অফিস সম্পাদক হাবিবুল্লাহ খালেদ।
চবির সেকশন কর্মকর্তা ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য (এমপি) প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা হচ্ছি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী এলাকার মালিক। আমরা জমিদার, ঠিক কি না? জমিদারের ওপর কেউ হস্তক্ষেপ করবে, এটা কি আমরা মেনে নিতে পারি? কখনো না!’
জামায়াত নেতার ওই বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে আসছেন চবি শিক্ষার্থীরা। সর্বশষ আজ তাঁদের অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে চবিয়ান পাঠচক্র। সমাবেশে অংশ নেওয়া শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী সাকিব আহমেদ বলেন, ‘চট্টগ্রাম-৫, হাটহাজারী আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী সিরাজুল ইসলামের ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্যে আমরা আশ্চর্যবোধ করছি। পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীকে আহত করার পক্ষে তিনি অবস্থান নিয়েছেন। আমরা অবিলম্বে তাঁর বিচার দাবী করছি।’
পাঠচক্রের প্রচার সম্পাদক আজিজুর রহমান আব্দুল্লাহ বলেন, ‘আমরা দেখেছি কীভাবে বিএনপি নেতা উদয় কুসুম বড়ুয়া স্থানীয় জনগণকে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার জন্য লেলিয়ে দিয়েছেন। এরপরও তাঁর নামে মামলা কেন হলো না? এখানে কী প্রকৃত সন্ত্রাসীদের বাঁচানোর চেষ্টা করা হচ্ছে?’
আজিজুর রহমান আরও বলেন, ‘ আমরা দেখেছি কীভাবে জামায়াত নেতা হাবিবুর রহমান স্যার আমাদের একজন নারী শিক্ষার্থী সম্পর্কে কোনো রকম প্রমাণ ছাড়াই ব্যভিচারের অপবাদ আরোপ করেছেন। সিনিয়র সিটিজেনদের এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন আমাদের বিস্মিত করেছে। চবি ক্যাম্পাসের শিবির নেতা হাবিবুল্লাহ খালেদের বায়াসড (পক্ষপাতমূলক) আচরণ আমাদের জুলাই পূর্ব আওয়ামী দালালি যুগের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী চত্বরে লালকার্ড প্রদর্শন সমাবেশে চবিয়ান পাঠচক্রের সভাপতি সৈয়ব আহমেদ সিয়াম চার দফা দাবি উপস্থাপন করেন। এর মধ্যে আছে বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা উদয় কুসুম বড়ুয়াকে অন্তর্ভুক্ত করে মামলা করতে হবে। ‘জমিদার’ দাবি করা সিরাজুল ইসলামকে চাকরি হতে অব্যহতি ও জামায়াত হতে বহিষ্কার করতে হবে। হাবিবুর রহমান স্যারকে সংবাদ সম্মেলনে করে ক্ষমা চাইতে হবে এবং জামায়াত থেকে বহিষ্কার করতে হবে। এবং ছাত্রনেতা হাবিবুল্লাহ খালেদকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে এবং শিবিরের দায়িত্ব হতে অব্যাহতি দিতে হবে। চবি সেকশন কর্মকর্তা
সমাবেশে শিক্ষার্থীরা ‘স্থানীয় জমিদার’ দাবিকারীদের বিরুদ্ধে লাল কার্ড প্রদর্শন করেন। এ সময় তাঁরা ‘জামায়াতের জমিদারকে লালকার্ড, ‘চাপ দিবেন না, মাথায় হাড় নাই, ‘খাজনার বদলে ১৫০০ প্রজার রক্ত নিলি কেন?’, ‘৬০ বছরের অধিকার, ক্যাম্পাস কী তোর বাপ-দাদার?’ প্রভৃতি স্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়েছিলেন।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ক্রমশ বিঘ্নিত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ থেকে অতিরিক্ত ডিজেল দেওয়ার অনুরোধ পেয়েছে ভারত। এখন সেই অনুরোধ বিবেচনা করছে দেশটি। তবে তার আগে নিজেদের চাহিদা এবং শোধনাগারের ক্ষমতা খতিয়ে দেখবে ভারত।
৮ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতি হওয়া মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ‘স্বাধীনতার ঘোষক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এ সময় আওয়ামী লীগ সরকারকে ‘ফ্যাসিস্ট’আখ্যা দেন তিনি।
৮ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ‘পুলিশ হত্যা’র অভিযোগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়াসহ ৪২ জনকে আসামি করে মামলার আবেদন করা হয়।
৯ ঘণ্টা আগে
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে উদযাপনের জন্য একগুচ্ছ নিরাপত্তা পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। সড়ক, রেল ও নৌপথের যাত্রী এবং চালকদের প্রতি নিরাপত্তা দির্দেশনা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
৯ ঘণ্টা আগে