-02ffe8-480x270.webp)
আশুলিয়ায় সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পর আগুনে সাতজন নিহতের ঘটনায় আশপাশের চারটি পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে কাজে যোগ দিতে এসে বন্ধের নোটিশ দেখে অনেক শ্রমিক ফিরে গেছেন।
সকালে কারখানাগুলোর সামনে গিয়ে দেখা যায়, প্রধান ফটকে বন্ধের নোটিশ টাঙানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, প্রীতি কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেড, প্রীতি কম্পোজিট গার্মেন্টস লিমিটেড, অক্সফোর্ড কালারস লিমিটেড ও এস সুহী ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক লিমিটেড আজ বন্ধ থাকবে।
প্রীতি গ্রুপের একটি কারখানার এক শ্রমিক বলেন, ‘কীভাবে আগুন লেগেছে, জানি না। আমরা ছুটির পর কাজ শেষ করে বেরিয়ে গিয়েছিলাম। পরে দুর্ঘটনার খবর শুনি। আজ সকালে এসে দেখি কারখানা বন্ধ। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কাল থেকে কারখানা খুলবে।’
এস সুহী ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক লিমিটেডের এক কর্মকর্তা জানান, দুর্ঘটনার কারণে আজ কারখানা বন্ধ রাখা হয়েছে। আগামীকাল থেকে কারখানা খোলার কথা রয়েছে। তিনি বলেন, নিহত ব্যক্তিদের কেউ পোশাক কারখানার শ্রমিক নন। তাঁদের বেশির ভাগই গ্যাস সরবরাহের কাজে যুক্ত ছিলেন।
এর আগে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় জামগড়া চৌরাস্তা সংলগ্ন একটি পোশাক কারখানায় সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পর আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে অন্তত সাতজন নিহত ও ১৪ জন আহত হয়েছেন।
নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে মোছাম্মৎ জয়নব বেগম (৫৫) নামের এক নারীর পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি গাজীপুরের কাশিমপুরের ইসরকান্দি এলাকার মো. আলীর স্ত্রী। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর একটি কাভার্ড ভ্যান থেকে আরও পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁদের পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
এদিকে বিস্ফোরণে আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নজরুল ইসলাম (৩০) রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মারা যান। তিনি কারখানার সামনের রাস্তায় কাঁচামাল বিক্রি করতেন।
আহতদের মধ্যে সুজন মিয়া (২৫), তাঁর বাবা মুখলেস মিয়া (৪৫) ও গ্যাস পরিবহনকারী গাড়ির চালক নুর ইসলাম (৩০) ঢামেকে ভর্তি হয়েছেন। নুর ইসলামকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।
.png)
-3f0d26.jpeg)





