হুমায়ূন শফিক

বাঙালির প্রাণের অমর একুশে বইমেলা ২০২৬-এর পর্দা উঠতে যাচ্ছে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি। নানা জল্পনা-কল্পনা ও অনিশ্চয়তা কাটিয়ে ওইদিন দুপুর ২টায় মেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হওয়ায় বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রাঙ্গণে এখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে।
সরেজমিন মেলা প্রাঙ্গণে এখন কাঠ চেরাই আর হাতুড়ি-পেরেক ঠোকার শব্দ পাওয়া যায়। বাংলা একাডেমির নিজস্ব প্যাভিলিয়নে রঙের কাজ করছেন সালাউদ্দিন নামের এক কর্মী। তিনি জানান, কাজ প্রায় শেষের দিকে হলেও উদ্বোধনের আগ পর্যন্ত টুকটাক ঘষামাজার কাজ চলতেই থাকবে। তাঁর মতে, প্রতিবারই মেলার উদ্বোধনের পর সব কাজ পুরোপুরি শেষ হয়।
তবে সব জায়গার চিত্র এক নয়। অনেক স্টলের কাজ এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে। রফিক মিয়া নামে একজন শ্রমিক একটি অসম্পূর্ণ স্টলে একাই কাজ করছেন। তিনি কোন প্রকাশনীর স্টল নির্মাণ করছেন, তা নিজেও জানেন না। রফিক জানান, কাঠামোগত কাজের প্রায় ৬০ শতাংশ এখনও বাকি। এত ধীরগতির কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি ধীরে ধীরে আগাচ্ছি। মালিক যেভাবে নির্দেশ দেবে, আমি তো সেইভাবেই কাজ করব। মালিক যদি আমাকে তাগাদা দেয়, তবে আমি মাত্র দুই দিনেই পুরো কাজ শেষ করে দিতে পারি।”

অন্যদিকে, ‘অন্যধারা প্রকাশনী’, ‘শিকড়’ ও ‘চায়না বুকহাউজ’-এর মতো কিছু প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ গুছিয়ে এনেছে। শিকড় প্রকাশনীর প্যাভিলিয়নে কর্মরত মিস্ত্রি আলমাছ সিকদার জানান, তাঁদের কাজ প্রায় শেষ।
বইমেলার হাতেগোনা কিছু স্টল বা প্যাভিলিয়নের কাজ শেষ হলেও বেশির ভাগই এখনো অসম্পূর্ণ। সংশ্লিষ্টদের মতে, মেলার আয়োজন নিয়ে শুরু থেকেই নানা টালবাহানা ছিল। সাধারণত নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ হলেও এবার বাংলা একাডেমির গড়িমসি ও সিদ্ধান্তহীনতায় বিলম্ব হয়েছে। এছাড়া কিছু প্রকাশকের পেশাদারিত্বের অভাব ও গাফিলতিকেও এর জন্য দায়ী করা হচ্ছে।

‘প্রকাশক ঐক্য’-এর এক শীর্ষস্থানীয় প্রকাশক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা মেলায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিতে চাই। কিন্তু এখন পর্যন্ত স্টল বরাদ্দের লটারিই হয়নি। লটারি ছাড়া আমরা কীভাবে মেলায় যাব বা কোথায় স্টল পাব—তার কিছুই জানি না।” তিনি অভিযোগ করেন, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও বাংলা একাডেমির অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েনের বলি হচ্ছেন সাধারণ প্রকাশকরা। একাডেমির একজন কর্মকর্তাও নাম প্রকাশ না করার শর্তে একই সমস্যার কথা জানান।
সব মিলিয়ে অমর একুশে বইমেলা ২০২৬-এর উদ্বোধনের সময় ঘনিয়ে আসায় অনিশ্চয়তা বাড়ছে। একদিকে চলছে শেষ মুহূর্তের নির্মাণযজ্ঞ, অন্যদিকে প্রশাসনিক জটিলতায় প্রকাশকদের মনে জমছে ক্ষোভ। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি দুপুর ২টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মেলার উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত এই অস্থিরতা ও কর্মযজ্ঞ অব্যাহত থাকবে বলেই মনে হচ্ছে।

বাঙালির প্রাণের অমর একুশে বইমেলা ২০২৬-এর পর্দা উঠতে যাচ্ছে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি। নানা জল্পনা-কল্পনা ও অনিশ্চয়তা কাটিয়ে ওইদিন দুপুর ২টায় মেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হওয়ায় বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রাঙ্গণে এখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে।
সরেজমিন মেলা প্রাঙ্গণে এখন কাঠ চেরাই আর হাতুড়ি-পেরেক ঠোকার শব্দ পাওয়া যায়। বাংলা একাডেমির নিজস্ব প্যাভিলিয়নে রঙের কাজ করছেন সালাউদ্দিন নামের এক কর্মী। তিনি জানান, কাজ প্রায় শেষের দিকে হলেও উদ্বোধনের আগ পর্যন্ত টুকটাক ঘষামাজার কাজ চলতেই থাকবে। তাঁর মতে, প্রতিবারই মেলার উদ্বোধনের পর সব কাজ পুরোপুরি শেষ হয়।
তবে সব জায়গার চিত্র এক নয়। অনেক স্টলের কাজ এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে। রফিক মিয়া নামে একজন শ্রমিক একটি অসম্পূর্ণ স্টলে একাই কাজ করছেন। তিনি কোন প্রকাশনীর স্টল নির্মাণ করছেন, তা নিজেও জানেন না। রফিক জানান, কাঠামোগত কাজের প্রায় ৬০ শতাংশ এখনও বাকি। এত ধীরগতির কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি ধীরে ধীরে আগাচ্ছি। মালিক যেভাবে নির্দেশ দেবে, আমি তো সেইভাবেই কাজ করব। মালিক যদি আমাকে তাগাদা দেয়, তবে আমি মাত্র দুই দিনেই পুরো কাজ শেষ করে দিতে পারি।”

অন্যদিকে, ‘অন্যধারা প্রকাশনী’, ‘শিকড়’ ও ‘চায়না বুকহাউজ’-এর মতো কিছু প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ গুছিয়ে এনেছে। শিকড় প্রকাশনীর প্যাভিলিয়নে কর্মরত মিস্ত্রি আলমাছ সিকদার জানান, তাঁদের কাজ প্রায় শেষ।
বইমেলার হাতেগোনা কিছু স্টল বা প্যাভিলিয়নের কাজ শেষ হলেও বেশির ভাগই এখনো অসম্পূর্ণ। সংশ্লিষ্টদের মতে, মেলার আয়োজন নিয়ে শুরু থেকেই নানা টালবাহানা ছিল। সাধারণত নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ হলেও এবার বাংলা একাডেমির গড়িমসি ও সিদ্ধান্তহীনতায় বিলম্ব হয়েছে। এছাড়া কিছু প্রকাশকের পেশাদারিত্বের অভাব ও গাফিলতিকেও এর জন্য দায়ী করা হচ্ছে।

‘প্রকাশক ঐক্য’-এর এক শীর্ষস্থানীয় প্রকাশক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা মেলায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিতে চাই। কিন্তু এখন পর্যন্ত স্টল বরাদ্দের লটারিই হয়নি। লটারি ছাড়া আমরা কীভাবে মেলায় যাব বা কোথায় স্টল পাব—তার কিছুই জানি না।” তিনি অভিযোগ করেন, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও বাংলা একাডেমির অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েনের বলি হচ্ছেন সাধারণ প্রকাশকরা। একাডেমির একজন কর্মকর্তাও নাম প্রকাশ না করার শর্তে একই সমস্যার কথা জানান।
সব মিলিয়ে অমর একুশে বইমেলা ২০২৬-এর উদ্বোধনের সময় ঘনিয়ে আসায় অনিশ্চয়তা বাড়ছে। একদিকে চলছে শেষ মুহূর্তের নির্মাণযজ্ঞ, অন্যদিকে প্রশাসনিক জটিলতায় প্রকাশকদের মনে জমছে ক্ষোভ। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি দুপুর ২টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মেলার উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত এই অস্থিরতা ও কর্মযজ্ঞ অব্যাহত থাকবে বলেই মনে হচ্ছে।
.png)

যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামত শেষে শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল থেকে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিটে পুনরায় উৎপাদন শুরু হয়েছে। বর্তমানে ইউনিটটি থেকে জাতীয় গ্রিডে ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।
৩৭ মিনিট আগে
গণঅধিকার পরিষদ নিয়ে বিরূপ মন্তব্যের জেরে কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মুফতি আমির হামজার গাড়িতে হামলা ঘটেছে। এ সময় সংঘর্ষে জামায়াতে ইসলামী ও গণঅধিকার পরিষদের ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের ছয় রাস্তার মোড়ে এই সংঘর্ষ হয়।
১ ঘণ্টা আগে-64ec3b.jpeg)
অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে পুনর্গঠনে বর্তমান সরকার দিন-রাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তবে মাত্র ছয় মাস বয়সী একটি গণতান্ত্রিক সরকারের পক্ষে রাতারাতি সব সংকট জাদু দিয়ে সমাধান করা অবাস্তব বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
১ ঘণ্টা আগে
সাতক্ষীরার তালায় চিকিৎসক দেখানোর কথা বলে নিয়ে গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার রাতে দুই যুবক ও তাদের সহযোগী এক নারীর বিরুদ্ধে তালা থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী।
২ ঘণ্টা আগে