স্ট্রিম প্রতিবেদক

জাতীয় ঐক্যকে শক্তি হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিশোধ, প্রতিহিংসা ও অযথা বিতর্ক পরিহার করে একটি স্বনির্ভর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে তিনি জনগণের সামনে দেওয়া রাষ্ট্র মেরামতের প্রতিশ্রুতি ও ‘জুলাই সনদ’ অক্ষরে অক্ষরে পালনের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে ১৫ জন বিশিষ্ট নাগরিক এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ প্রদান করা হয়। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং নারী শিক্ষাসহ দেশ গঠনে অসামান্য অবদানের জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন এবং তাঁদের অভিনন্দন জানান।
স্বাধীনতার ৫৫ বছর পূর্ণ হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এত বছরে আমাদের অনেক প্রাপ্তি থাকলেও অপ্রাপ্তিও কম নয়। সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে হলে প্রতিহিংসা কিংবা অযথা বিতর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।’
এ সময় তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উক্তি স্মরণ করে বলেন, ‘জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন আমাদের দুর্বলতা। আমাদের পথ ও মত ভিন্ন হতে পারে, তবে এই ভিন্নমত যেন শত্রুতায় রূপ না নেয়।’ দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের স্বার্থবিরোধী চক্র এখনো সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘দুর্নীতি ও দুঃশাসনে পর্যুদস্ত একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি ও দুর্বল শাসন কাঠামোর মধ্য দিয়ে নতুন সরকার যাত্রা শুরু করেছে। আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার হলো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং দুর্নীতির লাগাম টেনে জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনা।’
কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়েছিল। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়েও দুর্ভাগ্যবশত পুরোপুরি শৃঙ্খলা ফেরেনি। প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকতে হলে শিক্ষাকে বাস্তবমুখী ও কর্মমুখী করতে হবে।’ এছাড়া নারীদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে তিনি জানান।
রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়ার আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রাষ্ট্র মেরামতের যে “জুলাই সনদে” আমরা স্বাক্ষর করেছিলাম, তার প্রতিটি দফা এবং দলীয় ইশতেহার অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে— ইনশাআল্লাহ।’ তিনি আরও বলেন, পুথিগত পরিবর্তনের চেয়ে মানুষের মানসিকতার পরিবর্তন এখন বেশি জরুরি।
বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে আইএমএফের চাপ থাকা সত্ত্বেও সরকার তেলের দাম বাড়ায়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকার প্রতিদিন শত শত কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে।’ বক্তব্যের শেষে তিনি রাষ্ট্রীয় ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে বাহুল্য বর্জন করে কৃচ্ছ্রসাধনের অনুরোধ জানান।

জাতীয় ঐক্যকে শক্তি হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিশোধ, প্রতিহিংসা ও অযথা বিতর্ক পরিহার করে একটি স্বনির্ভর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে তিনি জনগণের সামনে দেওয়া রাষ্ট্র মেরামতের প্রতিশ্রুতি ও ‘জুলাই সনদ’ অক্ষরে অক্ষরে পালনের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে ১৫ জন বিশিষ্ট নাগরিক এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ প্রদান করা হয়। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং নারী শিক্ষাসহ দেশ গঠনে অসামান্য অবদানের জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন এবং তাঁদের অভিনন্দন জানান।
স্বাধীনতার ৫৫ বছর পূর্ণ হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এত বছরে আমাদের অনেক প্রাপ্তি থাকলেও অপ্রাপ্তিও কম নয়। সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে হলে প্রতিহিংসা কিংবা অযথা বিতর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।’
এ সময় তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উক্তি স্মরণ করে বলেন, ‘জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন আমাদের দুর্বলতা। আমাদের পথ ও মত ভিন্ন হতে পারে, তবে এই ভিন্নমত যেন শত্রুতায় রূপ না নেয়।’ দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের স্বার্থবিরোধী চক্র এখনো সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘দুর্নীতি ও দুঃশাসনে পর্যুদস্ত একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি ও দুর্বল শাসন কাঠামোর মধ্য দিয়ে নতুন সরকার যাত্রা শুরু করেছে। আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার হলো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং দুর্নীতির লাগাম টেনে জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনা।’
কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়েছিল। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়েও দুর্ভাগ্যবশত পুরোপুরি শৃঙ্খলা ফেরেনি। প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকতে হলে শিক্ষাকে বাস্তবমুখী ও কর্মমুখী করতে হবে।’ এছাড়া নারীদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে তিনি জানান।
রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়ার আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রাষ্ট্র মেরামতের যে “জুলাই সনদে” আমরা স্বাক্ষর করেছিলাম, তার প্রতিটি দফা এবং দলীয় ইশতেহার অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে— ইনশাআল্লাহ।’ তিনি আরও বলেন, পুথিগত পরিবর্তনের চেয়ে মানুষের মানসিকতার পরিবর্তন এখন বেশি জরুরি।
বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে আইএমএফের চাপ থাকা সত্ত্বেও সরকার তেলের দাম বাড়ায়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকার প্রতিদিন শত শত কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে।’ বক্তব্যের শেষে তিনি রাষ্ট্রীয় ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে বাহুল্য বর্জন করে কৃচ্ছ্রসাধনের অনুরোধ জানান।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, প্রবীণ সাংবাদিকদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে অবসর ভাতা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। শনিবার (১৮ এপ্রিল) বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাংবাদিক ইসমাইল হোসেন নেগাবানকে দেখতে গিয়ে তিনি একথা বলেন।
১০ মিনিট আগে
খুলনা রেলওয়ে পুলিশের এক সদস্য নিজের নামে ইস্যু করা গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন। শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভোরে নগরের সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকায় খুলনা রেলওয়ে জেলা কার্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে। এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
১৮ মিনিট আগে
তারেক রহমান বলেছেন, ‘সরকারকে সাহায্য করুন, যেন (চিকিৎসা পেতে) কাউকে ফাতেমার আত্মীয় হওয়ার প্রয়োজন না পড়ে। যেকোনও মানুষ যেন ন্যুনতম চিকিৎসা সুবিধা পান।’
৩২ মিনিট আগে
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসরাত জাহান ছনির বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলেছিলেন আসাদুজ্জামান টুটুল নামে এক ব্যক্তি। আলোচিত সেই ঘটনার তদন্ত চলাকালে নিজের বক্তব্য থেকে সরে এসে ঘটনাটিকে ‘ভুল বোঝাবুঝি’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে