স্ট্রিম প্রতিবেদক

ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত হওয়ার পরদিন কমলাপুর রেলস্টেশনে কয়েকটি ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় ঘটেছে। এতে যাত্রীরা বেশ ভোগান্তিতে পড়েছেন।
বিশেষ করে উত্তরবঙ্গগামী কয়েকটি ট্রেনের যাত্রীরা দীর্ঘ সময় স্টেশনে অপেক্ষা করেছেন। কারও ট্রেন ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা দেরিতে ছেড়েছে। আবার কেউ কেউ ট্রেন ছাড়ার সম্ভাব্য সময় পেয়েছেন, পরে আবার তা পরিবর্তনে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কমলাপুরে গিয়ে এমন চিত্রই দেখা যায়।
রেলপথ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া নীলসাগর এক্সপ্রেস সান্তাহার স্টেশন পার হয়ে তিলকপুরের দিকে যাওয়ার সময় সতর্ক সংকেত অমান্য করে আরও ৩ কিলোমিটার এগিয়ে বগুড়া জেলার আদমদীঘির বাগমারিতে ৯টি বগি লাইনচ্যুত হয়। এতে আহত হন ৬৬ জন। তাদের মধ্যে ২০ জন নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। ৪০ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং আরও ৬ জনকে আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা শেষে ছাড়া হয়েছে। দুর্ঘটনা তদন্তে প্রধান পরিবহন কর্মকর্তার নেতৃত্বে ৪ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে রেল কর্তৃপক্ষ।
ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতেই জানানো হয়েছিল, এ দুর্ঘটনার কারণে আজ সকালে ঢাকা থেকে নীলসাগর এক্সপ্রেস ও একতা এক্সপ্রেস ছাড়তে কিছুটা বিলম্ব হতে পারে।
এই বিলম্বের প্রভাবই পড়েছে কমলাপুরে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের ওপর। নীলসাগর এক্সপ্রেসের যাত্রী মোহাম্মদ লাইম ইসলাম নাইম স্ট্রিমকে জানান, তিনি ডোমার যাবেন। তাঁর মতে, নীলসাগর এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় পড়ার কারণে সময়ের পার্থক্য হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘ইতিমধ্যে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টার মতো দেরি হয়ে গেছে, ট্রেন তখনও ছাড়েনি। আরও কতক্ষণ লাগবে, তাও নিশ্চিত নন।’
তিনি অবশ্য জানিয়েছেন, টিকিট নিয়ে বড় কোনো সমস্যার কথা শোনেননি। তবে একটি বগির সমস্যা থাকায় ওই বগির টিকিটধারীদের টাকা ফেরত দেওয়ার কথা শুনেছেন।
একতা এক্সপ্রেসের যাত্রী মোহাম্মদ পারভেজ জানান, তাঁর ট্রেনের নির্ধারিত সময় ছিল সকাল ১০টা ১৫ মিনিট। কিন্তু সকাল ৯টার দিকে এসএমএসে জানানো হয়, ট্রেনটি বিলম্বিত হবে। পরে স্টেশনে এসে তিনি বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটের একটি সম্ভাব্য সময় পান। তবে সেটিও শেষ পর্যন্ত ঠিক থাকবে কি না, তা নিয়ে তার সন্দেহ ছিল।
পারভেজ বলেন, ‘আমি সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নারায়ণগঞ্জ থেকে স্টেশনে পৌঁছাই। ঈদের ছুটিতে পরিবারের সঙ্গে বেশি সময় কাটানোর পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু দীর্ঘ অপেক্ষায় সেই সময় নষ্ট হচ্ছে। হয়তো স্টেশনেই ইফতার করতে হবে।’

তবে রেল কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা নিয়ে খুব বেশি অসন্তোষ প্রকাশ করেননি তিনি। পারভেজ বলেন, ‘গত ১০ বছরে এরকম বড় ধরনের শিডিউল বিপর্যয়ে তিনি পড়েননি। ঈদের সময় এক-দুই ঘণ্টা দেরি আগে হয়েছে, কিন্তু ৮ থেকে ১০ ঘণ্টার মতো বিলম্ব এই প্রথম দেখছেন। তবে টিকিট নিয়ে কোনো অভিযোগ নেই।’
তাঁর ভাষায়, আসন সংখ্যা সীমিত, চাহিদা বেশি, তাই অনলাইনে শুরুতেই যারা টিকিট নিতে পারেন তারাই পান।
জেসমিন আক্তার নামের এক যাত্রী জানান, তিনি সকালেই স্টেশনে এসে অপেক্ষা করছেন। তাঁর মতে, দীর্ঘ অপেক্ষায় নারী যাত্রীদের জন্য ভোগান্তি আরও বাড়ছে। ঈদের আগে পরিবারের কাছে পৌঁছানো নিয়েই এখন তাঁর সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তা।
এদিকে, কমলাপুর রেলস্টেশনের স্টেশন ম্যানেজার মো. সাজেদুল ইসলাম জানান, ‘ঈদযাত্রার সপ্তম দিনে ঢাকা স্টেশন থেকে মোট ৬০টি ট্রেন বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল। এর মধ্যে ২০টি ট্রেন তখন পর্যন্ত ছেড়ে গেছে।’
তিনি বলেন, ‘নীলসাগর এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনার ফলে পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ঢাকায় বিলম্বে প্রবেশ করে এবং ৫ ঘণ্টা বিলম্বে ঢাকা থেকে ছেড়ে যায়। পর্যটক এক্সপ্রেস ৪০ মিনিট বিলম্বে এবং মহানগর প্রভাতী ১ ঘণ্টার বেশি বিলম্বে ঢাকা স্টেশন ত্যাগ করে। নীলসাগর এক্সপ্রেস তখনও ছাড়া সম্ভব হয়নি, কারণ এটি ঢাকা স্টেশনে ৪ ঘণ্টা বিলম্বে প্রবেশ করে এবং ক্ষতিগ্রস্ত কোচ বদলের কাজ চলছিল। একতা এক্সপ্রেসও তখনো ঢাকা বিভাগে পৌঁছেনি। সম্ভাব্য সময় দেওয়া হয়েছিল বিকেল ৪টা ৫০ মিনিট।’
স্টেশন ম্যানেজার আরও জানান, এখন পর্যন্ত তিনটি ট্রেন উল্লেখযোগ্য বিলম্বে ছেড়েছে, বাকিগুলো মোটামুটি অনটাইমে গেছে। যাত্রীদের যাত্রা বাতিলের সুযোগও রাখা হয়েছে। যারা টিকিট বাতিল করতে চান, তাঁরা পুরো ভাড়া ফেরত পাবেন। অনলাইনে কেনা টিকিট অনলাইনে এবং কাউন্টারের টিকিট কাউন্টার থেকেই বাতিল করা যাবে।
সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ আজকের প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘আগের দিনের দুর্ঘটনার কারণে দুটি ট্রেন—একতা ও নীলসাগরের শিডিউল বিপর্যয় হয়েছে। এর ফলে যাত্রীসেবায় কিছুটা বিঘ্ন ঘটেছে।’
তাঁর দাবি, বাকি ট্রেনগুলো নির্ধারিত সময়েই ছেড়ে গেছে এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রেলের সর্বোচ্চ থেকে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা সক্রিয় রয়েছেন।

ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত হওয়ার পরদিন কমলাপুর রেলস্টেশনে কয়েকটি ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় ঘটেছে। এতে যাত্রীরা বেশ ভোগান্তিতে পড়েছেন।
বিশেষ করে উত্তরবঙ্গগামী কয়েকটি ট্রেনের যাত্রীরা দীর্ঘ সময় স্টেশনে অপেক্ষা করেছেন। কারও ট্রেন ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা দেরিতে ছেড়েছে। আবার কেউ কেউ ট্রেন ছাড়ার সম্ভাব্য সময় পেয়েছেন, পরে আবার তা পরিবর্তনে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কমলাপুরে গিয়ে এমন চিত্রই দেখা যায়।
রেলপথ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া নীলসাগর এক্সপ্রেস সান্তাহার স্টেশন পার হয়ে তিলকপুরের দিকে যাওয়ার সময় সতর্ক সংকেত অমান্য করে আরও ৩ কিলোমিটার এগিয়ে বগুড়া জেলার আদমদীঘির বাগমারিতে ৯টি বগি লাইনচ্যুত হয়। এতে আহত হন ৬৬ জন। তাদের মধ্যে ২০ জন নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। ৪০ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং আরও ৬ জনকে আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা শেষে ছাড়া হয়েছে। দুর্ঘটনা তদন্তে প্রধান পরিবহন কর্মকর্তার নেতৃত্বে ৪ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে রেল কর্তৃপক্ষ।
ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতেই জানানো হয়েছিল, এ দুর্ঘটনার কারণে আজ সকালে ঢাকা থেকে নীলসাগর এক্সপ্রেস ও একতা এক্সপ্রেস ছাড়তে কিছুটা বিলম্ব হতে পারে।
এই বিলম্বের প্রভাবই পড়েছে কমলাপুরে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের ওপর। নীলসাগর এক্সপ্রেসের যাত্রী মোহাম্মদ লাইম ইসলাম নাইম স্ট্রিমকে জানান, তিনি ডোমার যাবেন। তাঁর মতে, নীলসাগর এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় পড়ার কারণে সময়ের পার্থক্য হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘ইতিমধ্যে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টার মতো দেরি হয়ে গেছে, ট্রেন তখনও ছাড়েনি। আরও কতক্ষণ লাগবে, তাও নিশ্চিত নন।’
তিনি অবশ্য জানিয়েছেন, টিকিট নিয়ে বড় কোনো সমস্যার কথা শোনেননি। তবে একটি বগির সমস্যা থাকায় ওই বগির টিকিটধারীদের টাকা ফেরত দেওয়ার কথা শুনেছেন।
একতা এক্সপ্রেসের যাত্রী মোহাম্মদ পারভেজ জানান, তাঁর ট্রেনের নির্ধারিত সময় ছিল সকাল ১০টা ১৫ মিনিট। কিন্তু সকাল ৯টার দিকে এসএমএসে জানানো হয়, ট্রেনটি বিলম্বিত হবে। পরে স্টেশনে এসে তিনি বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটের একটি সম্ভাব্য সময় পান। তবে সেটিও শেষ পর্যন্ত ঠিক থাকবে কি না, তা নিয়ে তার সন্দেহ ছিল।
পারভেজ বলেন, ‘আমি সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নারায়ণগঞ্জ থেকে স্টেশনে পৌঁছাই। ঈদের ছুটিতে পরিবারের সঙ্গে বেশি সময় কাটানোর পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু দীর্ঘ অপেক্ষায় সেই সময় নষ্ট হচ্ছে। হয়তো স্টেশনেই ইফতার করতে হবে।’

তবে রেল কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা নিয়ে খুব বেশি অসন্তোষ প্রকাশ করেননি তিনি। পারভেজ বলেন, ‘গত ১০ বছরে এরকম বড় ধরনের শিডিউল বিপর্যয়ে তিনি পড়েননি। ঈদের সময় এক-দুই ঘণ্টা দেরি আগে হয়েছে, কিন্তু ৮ থেকে ১০ ঘণ্টার মতো বিলম্ব এই প্রথম দেখছেন। তবে টিকিট নিয়ে কোনো অভিযোগ নেই।’
তাঁর ভাষায়, আসন সংখ্যা সীমিত, চাহিদা বেশি, তাই অনলাইনে শুরুতেই যারা টিকিট নিতে পারেন তারাই পান।
জেসমিন আক্তার নামের এক যাত্রী জানান, তিনি সকালেই স্টেশনে এসে অপেক্ষা করছেন। তাঁর মতে, দীর্ঘ অপেক্ষায় নারী যাত্রীদের জন্য ভোগান্তি আরও বাড়ছে। ঈদের আগে পরিবারের কাছে পৌঁছানো নিয়েই এখন তাঁর সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তা।
এদিকে, কমলাপুর রেলস্টেশনের স্টেশন ম্যানেজার মো. সাজেদুল ইসলাম জানান, ‘ঈদযাত্রার সপ্তম দিনে ঢাকা স্টেশন থেকে মোট ৬০টি ট্রেন বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল। এর মধ্যে ২০টি ট্রেন তখন পর্যন্ত ছেড়ে গেছে।’
তিনি বলেন, ‘নীলসাগর এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনার ফলে পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ঢাকায় বিলম্বে প্রবেশ করে এবং ৫ ঘণ্টা বিলম্বে ঢাকা থেকে ছেড়ে যায়। পর্যটক এক্সপ্রেস ৪০ মিনিট বিলম্বে এবং মহানগর প্রভাতী ১ ঘণ্টার বেশি বিলম্বে ঢাকা স্টেশন ত্যাগ করে। নীলসাগর এক্সপ্রেস তখনও ছাড়া সম্ভব হয়নি, কারণ এটি ঢাকা স্টেশনে ৪ ঘণ্টা বিলম্বে প্রবেশ করে এবং ক্ষতিগ্রস্ত কোচ বদলের কাজ চলছিল। একতা এক্সপ্রেসও তখনো ঢাকা বিভাগে পৌঁছেনি। সম্ভাব্য সময় দেওয়া হয়েছিল বিকেল ৪টা ৫০ মিনিট।’
স্টেশন ম্যানেজার আরও জানান, এখন পর্যন্ত তিনটি ট্রেন উল্লেখযোগ্য বিলম্বে ছেড়েছে, বাকিগুলো মোটামুটি অনটাইমে গেছে। যাত্রীদের যাত্রা বাতিলের সুযোগও রাখা হয়েছে। যারা টিকিট বাতিল করতে চান, তাঁরা পুরো ভাড়া ফেরত পাবেন। অনলাইনে কেনা টিকিট অনলাইনে এবং কাউন্টারের টিকিট কাউন্টার থেকেই বাতিল করা যাবে।
সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ আজকের প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘আগের দিনের দুর্ঘটনার কারণে দুটি ট্রেন—একতা ও নীলসাগরের শিডিউল বিপর্যয় হয়েছে। এর ফলে যাত্রীসেবায় কিছুটা বিঘ্ন ঘটেছে।’
তাঁর দাবি, বাকি ট্রেনগুলো নির্ধারিত সময়েই ছেড়ে গেছে এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রেলের সর্বোচ্চ থেকে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা সক্রিয় রয়েছেন।

ভোলায় মেঘনা নদীতে লঞ্চের ধাক্কায় একটি স্পিডবোট উল্টে যায়। এতে স্পিডবোটের সাত আরোহী নদীতে পড়ে যান। পরে ছয়জনকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও ফখরুল ইসলাম নামে এক পুলিশ কনস্টেবল নিখোঁজ হয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়ার সান্তাহারে দুর্ঘটনা কবলিত এলাকায় মেরামত ও বগি উদ্ধারের পর সংস্কার লাইন দিয়ে ২১ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। তবে এই সংস্কার লাইন দিয়ে ধীরগতিতে যাবে ট্রেন।
২ ঘণ্টা আগে
ছোটখাটো দুয়েকটি দুর্ঘটনা ছাড়া ঈদযাত্রা সুন্দর হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। বুধবার (১৮ মার্চ) রাতে তিনি সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
৩ ঘণ্টা আগে